Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নিকোলাই অস্ত্রোভস্কির জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা।

ostrovosky
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • October 1, 2025
  • 8:09 am
  • One Comment

২৯শে দেপ্টেম্বর ২০২৫

ইস্পাত উপন্যাসের রচয়িতা নিকোলাই অস্ত্রোভস্কির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানিয়ে রোম্যাঁ রঁলা’ বলেছিলেন, “যন্ত্রণাবিদ্ধ অস্থির পৃথিবীকে বিদীর্ণ করে দিয়ে যে নবজীবনের বিস্ফোরণ ঘটে, তারই মধ্যে দিয়ে একটা উদাত্ত সংগীতের মতো কতগুলি অগ্নিময় প্রাণকে নতুন বিশ্বাসের ঘোষণায় আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলে উৎসারিত হতে দেখি। সেই মানুষগুলো এই পৃথিবীর বুক থেকে বিদায় নেওয়ার পরেও, বহুদিন পর্যন্ত তাঁদের সেই বিশ্বাসের বাণী দিকে দিকে প্রতিধ্বনিত হয়ে ফেরে।”

ইস্পাত উপন্যাসকে পড়ার আগে বোধ করি তার রচয়িতা সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা দরকার। রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের সময় এই লেখকের বয়েস ছিল মায় তেরো। তবু কঠোর শ্রম আর দারিদ্রের অর্থটা তাঁর জানা ছিল তার আগেই। একটা রেল স্টেশনের রেস্তোরাঁয়, তাঁকে কাজ করতে হতো দিনে বারো চোদ্দ ঘণ্টা, সরু আঁকাবাঁকা সিঁড়ি দিয়ে ভারী ভারী সামোভার তুলতে নামাতে হতো, চুল্লিতে জ্বালানির যোগানের কাজ করতে হতো। পনেরো বছর বয়সে তিনি গৃহ যুদ্ধে লড়তে নেমেছিলেন। পরে কিয়েভ রেলওয়ে মেরামতির কারখানা আর রেল পথ নির্মাণের কাজে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। অস্ত্রোভস্কি ইউক্রেনে একজন উৎসাহী কমসমল সংগঠক ছিলেন। যে কোনো কাজে তিনি হাত দিতেন তাতে তিনি ঢেলে দিতেন নিজের অন্তর মন।

১৯২৪ সালের শেষের দিকে তিনি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। দেখা গেল সেটা মেরুদণ্ডের ক্ষয় রোগ। বাল্যে অপুষ্টি আর মাত্রাতিরিক্ত শ্রম, গৃহযুদ্ধের ফ্রন্টে জখম, দেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনঃ সংস্থাপনের কাজে তাঁর অমানুষিক পরিশ্রম – এই সবেরই ফল হল ঐ রোগ। এই সাহসী যোদ্ধা সহসা দেখতে পেলেন তিনি অচল – সারা সোভিয়েত দেশ তখন পুনরুজ্জীবনের সৃজনী আগুনে উদ্দীপ্ত। নওজোয়ানরা তখন সামনের সারিগুলিতে – দেশের নতুন নতুন সম্পদ আর নতুন জীবন গড়ার কাজে তারা ব্যাপৃত। সোভিয়েত ইউনিয়নের সেরা সেরা ক্লিনিকের সেরা সেরা ডাক্তাররা অস্ত্রোভস্কির চিকিৎসা করেছিলেন কিন্তু রোগের অবস্থা ছিল চিকিৎসার অসাধ্য। এই তরুণের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অকেজো হয়ে গেল, তারপরে গেল দৃষ্টিশক্তিও। রোগই জিতে গেল, – রোগ তাকে যোদ্ধা শ্রেণী থেকে সরিয়ে তাঁর ‘শয্যা সমাধি’ অবধারিত করে দিল। কী করবেন তিনি তখন? কী ভাবে বেঁচে থাকবেন? ওই ভাবে কি বেঁচে থাকা যায়?

তাঁর উপন্যাসের নায়ক পাভেল করচাগিনের সামনে এলো এই সব মর্মান্তিক প্রশ্ন। এইসব প্রশ্নের উত্তর বের করবার জন্য চললো অস্ত্রোভস্কির অতি কষ্টকর প্রচেষ্টা। উদ্ধার পাওয়ার একটা চিন্তা এলো: আত্মহনন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি দৃঢ ভাবে সেই উপায়কে বাতিল করলেন, “েজীবন যখন অসহনীয় হয়ে ওঠে তখন কি করে বাঁচতে হয় সেটা শেখো, জীবনটাকে কাজে লাগাও।”

১৯৩০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অতি নিদারুণ শেষ আঘাত হয়ে এলো সম্পূর্ণ অন্ধত্ব – তখন অস্ত্রোভস্কি তাঁর বন্ধু পিওতর নভিকভ এর কাছে চিঠিতে লিখেছিলেন, “নিজের জীবনটাকে অর্থপূর্ণ করে তোলার একটা পরিকল্পনা আমার আছে। ….. শয্যাশায়ী হলেও আমি অসুস্থ নই। ওসব ভুল। একগাদা বাজে কথা। আমি একদম সুস্থ। আমার পা চলে না, দেখতে পাইনা ছাই কিছুই – সবই একটা নিদারুণ ভুল।”

তিনি উঠে দাঁড়াতে পারবেন না, ভোরের আলোয় তাঁর চোখ মেলবে না আর কখনও। তাহলে কী উপায় ? তিনি উঠে দাঁড়াবেন, দাঁড়িয়ে হেঁটে এসে যাবেন সোজা জীবনের মাঝখানে – নিজের বইয়ের পৃষ্ঠাগুলি থেকে। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে অস্ত্রোভস্কি কি বলতে চান সেটা তাঁর জানা ছিল। বিপ্লবের এক যোদ্ধা, তাঁকে কখনও জোর করে পিছু হটানো যায় না, তাঁরই জবানবন্দি হবে সেটা। বইখানি লেখা শেষ হলে অস্ত্রোভস্কি বলেছিলেন, “এবার বেরিয়ে পড়েছি লৌহ কঠোর বেষ্টনীর ভেতর থেকে …… এখন আমি আবার এসে দাঁড়িয়েছি যোদ্ধাদের সারিতে।”

“জীবন মানুষের সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ। এই জীবন সে পায় মাত্র একটি বার। তাই, এমনভাবে বাঁচতে হবে যাতে বছরের পর বছর লক্ষ্যহীন জীবন যাপন করার যন্ত্রণা ভরা অনুশোচনায় ভুগতে না হয়, যাতে মৃত্যুর মুহূর্তে মানুষ বলতে পারে আমার সমগ্র জীবন, সমগ্র শক্তি আমি ব্যয় করেছি এই দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আদর্শের জন্য— মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রামে।”

সংঘর্ষ ও নির্মাণের কাজে ব্যাপৃত প্রতিটি মানুষের জীবনের অনুপ্রেরণা সমাজতান্ত্রিক নতুন মানুষ পাভেল করচাগিন-এর স্রষ্টা নিকোলাই অস্ত্রোভস্কির জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা।

PrevPreviousশঙ্কর গুহ নিয়োগী (ফেব্রুয়ারী ১৪, ১৯৪৩- সেপ্টেম্বর ২৮, ১৯৯১)
Nextবিশ্ব অ্যালঝাইমার্স দিবসNext
1 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Shabnam Talukhdar
Shabnam Talukhdar
6 months ago

Love love love ♥️♥️♥️✊👍✊👍✊🙏🙏কি ভালো লিখেছো প্রিয়।
আমার অন্যতম প্রিয় পুরাণ, প্রিয় বই।
এতো সুন্দর বিশ্লেষণ সমুদ্র।
লেখাটা নিয়ে রাখলাম।
লাল সেলাম কমরেড।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617869
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]