Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অনিন্দিতার অসুখ

IMG_20200316_155847
Dr. Koushik Lahiri

Dr. Koushik Lahiri

Dermatologist
My Other Posts
  • March 17, 2020
  • 8:54 am
  • 2 Comments

মন ভাল নেই অনিন্দিতার।

এবারের সম্বন্ধটাও ভেস্তে গেল। একেবারে শেষ মুহূর্তে। সেই একই কারণ। আর বাবার সততা। জেদ। অসুখ লুকিয়ে মেয়ের বিয়ে দেব না।

অসুখ মানে একটা সাদা দাগ। ব্যাস আর কিছু না। ডান হাঁটুর নীচে, পেছনের দিকে, অনেকটা শ্রীলঙ্কার ম্যাপের মত দেখতে একটা দুধসাদা দাগ। আগে, মানে অনিন্দিতা যখন ক্লাস সিক্সে, তখন প্রথম ধরা পড়ে অসুখটা। পিঠে। তার পর তো ছড়িয়ে গিয়েছিল হাতে, গলায়, পেটে, পায়ে। ওদের হাউজফিজিশিয়ান ডাঃ বসুই বললেন, শ্বেতী। এও বললেন, চিকিৎসায় অবশ্যই নিরাময় সম্ভব এ অসুখ। ডাঃ বসুরই পরামর্শমত দেখনো হল ডাঃ রায়চৌধুরীকে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ। উনিই দেখেছিলেন এতদিন। ধীরে ধীরে সেরেও উঠেছিল অনিন্দিতা। সব দাগগুলোই মিলিয়ে গিয়েছিল। কোথাও কেটে-ছিঁড়ে গেলেও আর সাদা হয়ে যেতনা, আগের মত।

শুধু এই পায়ের দাগটা। ছোট হয়ে একটা জায়গায় এসে থমকে গেল যেন অসুখটা। আর না বাড়লেও, কমলোও না। এভাবেই চলছে গত বছর দুয়েক। আর এদিকে সময় তো থেমে নেই। পল সায়েন্সে মাস্টার ডিগ্রি করার পর একটা চাকরিও জুটে গেছে ওর। কিন্তু মা-বাবার চিরন্তন ব্যস্ততা। বিয়ে দিতে হবে। মেয়ে-দেখা নামের সেই প্রাগৈতিহাসিক, অমানবিক প্রথার সামনা সামনি হতেই হল অনিন্দিতাকে। ওর আপত্তি সত্বেও।

পছন্দ যে ওকে হয় না তা নয়, হয়। কিন্তু তারপর যেই ওর পায়ের ওই না-সারা-দাগটার কথা ওঠে, পিছিয়ে যায় সব উচ্চশিক্ষিত পাত্রপক্ষই। এ গল্পটারই পুনরাবৃত্তি চলছে আজ বেশ কিছুদিন।

ক্লান্ত লাগে অনিন্দিতার রাগ হয়। বিষন্নতায় ডুবে থাকে ও। বাতিল হবার জন্য নয়, বাতিল হবার কারণটার জন্য। কেমন ছোট মনে হয় নিজেকে। রোজ হেরে যেতে থাকে মেয়েটা।

ডাঃ মৈনাক গুপ্তের ঠিকানাটা ও পেয়েছিল অফিসের এক সহকর্মীর কাছ থেকে। যাবে না যাবে না করেও একদিন গেল ওঁর চেম্বারে। ডাঃ গুপ্তও ত্বক বিশেষজ্ঞ চিকিতসক এবং একজন বিশিষ্ট স্কিন সার্জেন। ভাল করে দেখলেন ভদ্রলোক অনিন্দিতার পায়ের দাগটা। ইতিহাস্ টা শুনলেন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। তারপর, খুব সহজ ভাবে বললেন, অত চিন্তার কি আছে? এটা তো সেরে যাবে।

-সেরে যাবে। মিলিয়ে যাবে দাগটা? খুব বড় অপারেশন? ভর্তি হতে হবে নার্সিং হোমে? অনেক খরচ হবে কি? এক ঝাঁক প্রশ্ন ছুড়ে দিল অনিন্দিতা।

হাসলেন, ডাঃ গুপ্ত। বললেন প্রথম দুটো প্রশ্নের উত্তর হল হ্যাঁ। আর পরের তিনটে প্রশ্নেরই একই উত্তর। এক কথায় না।

তারপর সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলেন পুরো ব্যাপারটা। অনিন্দিতার ওই না-সারা সাদা দাগটার কারন, ওখানে কোন রঞ্জক কোষ (মেলানোসাইট) নেই। থাকলেও ইনঅ্যাকটিভ। ফলে তৈরী হচ্ছে না রং। পিগমেন্ট। এই মেলানিন কণার জন্যই আমাদের ত্বকের বর্ণ, কারো বেশী, সে শ্যামবর্ণ কারো বা কম, সে ফরসা, আর যার নেই, তার অসুখ। সারা শরীরে না থাকলে অ্যালবিনিজম। সেটা জন্মগত অসুখ। আর শরীরে কোনও অংশে রং না থাকলে ভিটিলিগো (VITILIGO) বা শ্বেতী।

-আর লিউকোডার্মা? জানতে চাইল অনিন্দিতা

-ওই কথাটার অর্থ হল সাদা চামড়ার। যে কোন কারনেই হতে পারে লিউকোডার্মা। পুড়ে গিয়ে, কেমিক্যাল থেকে, অথবা অন্য কোন কারনে। লিউকোডার্মা মানেই কিন্তু শ্বেতী নয়। শ্বেতী একটা নির্দিষ্ট অসুখ, যেখানে ত্বকের বর্ণহীনতার কোন কারণ সরাসরি পাওয়া যায় না।

-ওষুধে কমে না? অনিন্দিতার আগ্রহ বাড়ছিল।

-কমে তো। তোমার তো অনেকখানিই কমে গেছে ডাঃ রায়চৌধুরীর চিকিৎসায়। এভাবে সেরেও যায় ওষুধেই অনেকের।

-আর যাদের থেকে যায়? আমার মত।

-তাদেরও ব্যবস্থা আছে। তাকে বলে পান্চ গ্রাফটিং (PUNCH GRAFTING)।

শরীরের অন্য স্বাভবিক অংশ থেকে ছোট ছোট আকৃতির ত্বক কেটে বসিয়ে দেওয়া হয় সাদা অংশে, নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে। এই জায়গায় বদল করা। ত্বকগুলো আসলে রঙের কোষাগারের কাজ করে। রং ছড়াতে থাকে ওই গ্রাফটগুলি থেকে। ঢেকে যায় পুরো দাগটা।

-বাবাঃ সে তো অনেক ব্যাপার। ব্যাথা লাগবে না? অজ্ঞান করে নেবেন?

-না শুধু যেটুকু জায়গায় দরকার, সেটুকুকেই অবশ করে নেওয়া হয়। অপারেশনের পর হেঁটে ফিরেও যেতে পারবে।

লিখতে থাকেন ডাঃ গুপ্ত। কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা, যেগুলো অপারেশনের আগে লাগবে। বুঝিয়ে দেন সেগুলো।

চার মাস পরে।

ভাল আছে অনিন্দিতা। অনেক ভাল। অপারেশনের পর দিনপাঁচেক একটা ছোট ব্যান্ডেজ ছিল পায়ে। তারপর সেটাও খুলে দিয়েছিলেন ডাক্তারবাবু। বলেছিলেন, রোদ লাগাতে। অবাক লাগত প্রথম প্রথম। ওর চেনা, লুকিয়ে রাখা সাদা দাগটাতে ছোট ছোট গোল গোল ত্বক বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশ্চর্য ডিজাইনের মত। যেন দিশাহীন সমুদ্রে ছোট ছোট আশার দ্বীপ।

তারপর মাসখানেকের মধ্যে রং ছড়াতে শুরু করল গ্রাফটগুলো থেকে। সে কি উত্তেজনা। ওর জেদী, সৎ, একগুঁইয়ে বাবার চোখেও সেদিন জল দেখেছিল অনিন্দিতা। আস্তে আস্তে ঢেকেও গেল দাগটা মাস তিন চারের মধ্যেই। আর কোনও চিহ্নিও রইল না।

এখন রং ফিরে এসেছে। ত্বকে। মনেও।

এখন ভালো আছে অনিন্দিতা। খুব ভালো আছে। কারও করুণা বা কৃপার্থী হয়ে নয়, নিজের শর্তেই মাথা উঁচু করে বাঁচবে সে। এবার নিজেই বেছে নেবে নিজের জীবন।

অনিন্দিতার গল্পটা এখানেই শেষ। ওর অসুখ সেরে গেলেও অন্য অসুখটা কিন্তু থেকেই গেল। যে অসুখে সামান্য একটা দাগের জন্য অপমানিত হতে হয় মেয়েদের। সেই অসুখটা সমাজের। সে অসুখ সারবে কোন সার্জারিতে?

PrevPreviousআমাদের যাত্রাপথে নতুন মাইল ফলক
Nextডায়াবেটিসের অ থেকে চন্দ্রবিন্দুঃ পর্ব ৩ (পুরনো দিনের কথা)Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
বাসুদেব মুখুজ্জ্যে
বাসুদেব মুখুজ্জ্যে
6 years ago

আমার স্বেতী প্রায় সারা শরীরে।এ কোনো ওষুধেই সারে না।এমনকি রে নিয়েছি তাতে বিশেষ কাজ হয় নি।
আর এই দাগের ফল ভুগেছে আমার মেয়ে।

0
Reply
Dr. Rajdip Majumder
Dr. Rajdip Majumder
Reply to  বাসুদেব মুখুজ্জ্যে
6 years ago

100 ভাগ সেরে যায়।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

August 23, 2026 No Comments

ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলন শেষ ১৬ দিন ধরে গোটা রাজ্যকে উত্তাল করেছে। আমরা এই ন্যায্য আন্দোলনের সংহতি তে রয়েছি প্রথম থেকেই। এই আন্দোলন যদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

August 23, 2026 No Comments

২১.০৮.২০২৬-এ প্রকাশিত দুটি প্রথমসারির সংবাদপত্রের প্রথমপৃষ্ঠার শিরোনাম আশা করি এতক্ষণে সবাই পড়েছেন, দেখেছেন এবং জেনে গেছেন. (আনন্দবাজার – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য টেলিগ্রাফ – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য ওয়াল

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

August 23, 2026 No Comments

২২ আগস্ট ২০২৬ “তুমি কি ভেবেছো চুনকাম করলেই ইতিহাস মুছে যায়?প্রতিটি ইঁটের পাঁজরে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে অমাবস্যায়।” “We Want Justice” এই লেখা বাঙালীর মন,

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

West Bengal Junior Doctors Front August 23, 2026

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

Dr. Jayanta Bhattacharya August 23, 2026

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

Abhaya Mancha August 23, 2026

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669344
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]