Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্নেহলতা, জমতে থাকা আবর্জনা এবং বাসেল ঘোষণাপত্র

WhatsApp Image 2026-04-04 at 12.42.22 PM (3)
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • April 6, 2026
  • 7:12 am
  • 6 Comments

১.

একটা গপ্পো বলি। অবশ্য এটা ঠিক গপ্পো নয়, একশো শতাংশ সত্যি ঘটনা । তবে অনেক সময় এমন হয়না যে আমাদের চলতি জীবনের কোনো ঘটনা তার বিশেষতার কারণে ঠিক গপ্পো হয়ে ওঠে। এটা ঠিক তেমন‌ই।

আজকের এই গপ্পের পটভূমিতে রয়েছে সাবেকি উত্তর কোলকাতার এক বর্ধিষ্ণু পল্লি। তখন‌ও আকাশ ছোঁয়া বাক্স বাড়ির দাপট সব কিছু নেড়ে ঘেঁটে দেয়নি। গাড়ি বারান্দা আর রোয়াক শোভিত বাড়িঘরের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিল একধরনের নিবিড় নিবিষ্ট যাপন। এমনি এক পল্লির গৃহবধূ হলেন স্নেহলতা দেবী। বেজায় দাপুটে মহিলা। তা সেবার হলো কি প্রতিবেশী সান্যালদের বাড়ির পুশি এসে তাঁদের একতলার ঘরে এসে তিন তিনটি শাবক প্রসব করলো। প্রথম প্রথম টের না পেলেও হপ্তা গড়াতে না গড়াতেই মিউ মিউ মিউজিকে ভরে উঠলো সারা বাড়ি। স্নেহলতা দিন কয়েকের জন্য গুরুগৃহে তীর্থ করতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে উঠোন জুড়ে পুশির ছানা পোনাদের ছোটাছুটি করতে দেখেই একেবারে ফস্ করে জ্বলে উঠলেন। মনে মনে বিড়বিড় করে বললেন – এগুলোর একটা গতি না করে আমার স্বস্তি নেই।বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামো নামো করতেই, বেড়াল ছানাগুলোকে  একটা পুরনো চটের ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে মুখটা হালকা করে বেঁধে নিয়ে স্নেহলতা চললেন ও গুলোকে দূরে কোথাও ছেড়ে দিয়ে আসতে। সন্তর্পণে সদর দরজা খুলে বাইরের রাস্তায় নেমে আসেন তিনি, ডাইনে বাঁয়ে দেখে নেন চেনা পরিচিত কাউকে দেখা যায় কিনা? তারপর চাদরের নিচে ব্যাগটাকে লুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একসময় পাশের পাড়ার সীমান্তে পৌঁছে যান। ঘনায়মান সন্ধ্যার আলো আঁধারির আবছায়ায় ব্যাগটা নামিয়ে দেন খোলা মাঠের আবর্জনার স্তূপের পাশে। এখন বেশ নিশ্চিন্ত বোধ করেন। কর্পোরেশনের কলের জলে হাত দুখানি বেশ পরিপাটি করে ধুয়ে বাড়ির পথ ধরেন তিনি। কিছুটা পথ সবে হেঁটে এসেছেন, হঠাৎ পেছন থেকে ডাকাডাকির শব্দ কানে আসে — ও ঠাকমা, ও ঠাকমা। আরে, আপনার হাত থেকে ব্যাগটা পড়ে গেছে। নিয়ে যান।” সামনে এসে হাজির বেশ কয়েকজন।

– আমার ব্যাগ! নিজের ব্যাগ পড়ে গেলো, আর আমি তা টের পেলুম না ! এমনটা হয় নাকি! ও …ওই ব্যাগ কখনোই আমার নয়। যার তার ব্যা … ব্যাগ আমাকে গছিয়ে দিলেই হলো? আমার রাস্তা থেকে সরে যা তোরা,না হলে আমি কিন্তু ফটিককে ডাকবো।

এরপরের পর্বটুকুকে অনুমান করতে বোধহয় কারোরই তেমন অসুবিধা নেই। ফটিককে আর ডাকতে হয় নি। পাড়ার রোয়াকে বসা তথাকথিত বখাটে ছেলেদের পাল্লায় পড়ে স্নেহলতা দেবী তার ফেলে দেওয়া ব্যাগ পুনরায় তুলে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। কেষ্টর জীবেরা ব্যাগ বন্দি হয়ে রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠেছিল। ব্যাগের মুখ খুলে দিতেই তারা একেবারে আহ্লাদে আটখানা হয়ে বিমর্ষ মুখে বসে থাকা মায়ের কাছে দৌড়ে যায়। এখন যে তাদের দুধ পানের সময়।

২.

এ পাড়া এখন গিজগিজ করছে কংক্রিটের ভিড়ে। এই তো কিছুদিন আগেও কেমন ফাঁকা ফাঁকা ছিল। এই দ্রুত গতিতে বেড়ে ওঠা জঙ্গলেও অনেকটা মরুভূমির মধ্যে থাকা মরুদ্যানের মতো টিকে রয়েছে একফালি জমি। লোকজন অবশ্য বলে – এটা কালো বাবুর জমি, তবে পুরনো বাসিন্দাদের দু – একজন ছাড়া তাঁকে বিশেষ কেউ দেখেনি। তা এই কালো বাবুর জমিই, হয়ে উঠেছে এ পাড়ার আস্তাকুঁড়।

কেবলমাত্র এ পাড়ার মানুষেরা নয় আশপাশের পাড়ার লোকজন‌ও নির্দ্বিধায় বাড়ির রকমারি আবর্জনা এনে ফেলে যায় এই জমিতে। প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগে মোড়া দৈনন্দিন পূজার বাসি ফুল, অজস্র রকমের প্লাস্টিকের প্যাকেট, বোতল, বাড়ির পুরনো ঝাঁটা, রকমারি ভাঙ্গাচোরা জিনিস, পুরনো জামা জুতো থেকে শুরু করে ঘর মোছার ফেলে দেওয়া ন্যাতা – কী নেই তাতে!! মাঝে মাঝেই ময়লা কুড়ানিরা খাটো পাঁচিলের বাধা টপকে মাঠের ভেতরে ঢুকে ডাই করে থাকা ময়লা ঘেঁটে তাদের প্রয়োজনমতো কিছু উপকরণ তুলে নিয়ে যায় বটে। তবে তা মোট পরিমাণের এক ন্যূনতম ভগ্নাংশ মাত্র। কেউ কাউকে বাধা দেয় না,বারণ করেনা ; আর বললেও কেউ সেসব কথায় বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেনা। শেষ পর্যন্ত একজন আর স‌ইতে না পেরে রুখে দাঁড়ালো। মাঠের পাশে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থেকে সে বাধা দিতে শুরু করলো। সবাইকে সাফ জানিয়ে দিলো রীতিমতো হুঙ্কার দিয়ে – এখানে আবর্জনা ফেলা চলবে না। আপনাদের বাড়ির ময়লা প্রত্যেকে নিজের বাড়িতেই রাখুন। এই মাঠটা কখনোই ডাম্পিং গ্রাউন্ড নয়। এরপরেও যদি এই কাজ চলতে থাকে, তাহলে আমি যাকে দেখবো ময়লা ফেলতে তাকে দিয়ে ময়লা তুলিয়ে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দেবো।” রীতিমতো হুমকি দিয়ে রুখে দাঁড়ালেন তিনি। এরপরেই চাকা ঘুরতে থাকে। একজন গৃহবধূর প্রতিবাদ আস্তে আস্তে মান্যতা পেতে শুরু করলো আরও বেশ কিছু মানুষের মধ্যে। আবর্জনার স্তূপ খাটো হতে থাকলো একটু একটু করে। ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মানলো এক অন্যায় কাজের বিড়ম্বিত অধ্যায়।

৩.

এই মুহূর্তে যে কাহিনি পরিবেশন করবো তার সঙ্গে ওপরের দুই কাহিনির বিলক্ষণ মিল রয়েছে, কেবল প্রেক্ষাপটটি অনেক সুবিস্তৃত। এই সময়ের পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো সমস্যার একটি হলো বর্জ্য সমস্যা, বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স বর্জ্য বা ই- বর্জ্যের সমস্যা। আমাদের দেশের কথা ধরলেই দেখা যাবে যে বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এদেশেও এই ই- বর্জ্যের পরিমাণ বাড়ছে। পশ্চিমা দেশগুলোতে মানুষের জীবন যাত্রার মান আমাদের তুলনায় কয়েক কদম এগিয়ে, যারফলে ঐসব দেশে ই-বর্জ্যের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। ইদানিং সার্কুলার ইকোনমির কথা খুব বলা হচ্ছে, জোর দেওয়া হয়েছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর ,তা সত্বেও ঐ সব দেশে সমানে বেড়ে চলেছে ই -বর্জ্যের পরিমাণ। নিজেদের দেশে এই বিপুল পরিমাণ বর্জ্যকে না রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এই বর্জ্য পদার্থকে পাচার করে দিচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা দেশগুলোতে। এইসব দেশের মানুষের বিদেশি পণ্য বুভুক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উপকরণকে তাঁরা সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমতির তোয়াক্কা না করেই পাঠিয়ে দিচ্ছে এই উন্নয়নকামী দেশগুলোতে। অনেক দিন ধরেই এমনটা চলছে, তবে এবার রুখে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ছোট্ট দেশ থাইল্যান্ড। বর্জ্য ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে প্রথম সোচ্চার প্রতিবাদ। বিষয়টিকে একটু খোলাসা করেই না হয় বলি।

বিশ্বময় দাদাগিরিতে অভ্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১২ টি কন্টেইনার বোঝাই করে ২৮৪ টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে কোনো রকম বৈধ বাণিজ্যিক ঘোষণাপত্র ছাড়াই এনে হাজির করেছে থাইল্যান্ডের বন্দরে। এটাই প্রথমবার তেমন হয়তো নয়, তবে মুখের ওপর না বলাটা এবারেই প্রথম।থাইল্যান্ডের বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে আগেভাগেই খবর ছিলো যে মার্কিন জাহাজে করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বিপজ্জনক ইলেকট্রনিক বর্জ্য থাইল্যান্ডে পাঠানো হচ্ছে যা Basel Convention এর ঘোষণাপত্রের পরিপন্থী। মোট ২১ টি কন্টেইনার ঠাসা ছিল এমন ক্ষতিকারক পদার্থে যার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটারের বাতিল সার্কিট বোর্ড , ইলেকট্রনিক উপকরণ, বাতিল কম্পিউটার এবং ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ। থাই কতৃপক্ষের ধারনা যে আর‌ও বহু রকমের নিষিদ্ধ বর্জ্য পদার্থ ঐ কন্টেইনারগুলোর ভেতরে জমা করা আছে যা থাইল্যান্ডের পরিবেশের ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে আগামীদিনে, বিঘ্নিত হবে জনস্বাস্থ্য ও অন্যান্য নাগরিক পরিষেবা। থাই কর্তৃপক্ষের দাবি যে এই বাতিল উপকরণ গুলোকে নিজেদের দেশে পুনর্নবীকরণ যোগ্য করে তোলার কাজটা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ হবে বলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এগুলোকে পাচার করে দিচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। একাজ করতে গিয়ে তাঁরা আন্তর্জাতিক চুক্তি বা বিধি নিয়মের প্রতি সামান্যতম সম্মান দেখাচ্ছে না।এমন‌ই নির্লজ্জ তাঁদের আচরণ।এই সুযোগে Basel Convention এ স্বাক্ষরিত চুক্তির বিষয়ে কয়েকটি কথা আলোচনা করে নিই। ১৯৮৯ সালে সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘের তত্ত্বাবধানে পৃথিবীর ১৯১ দেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য পদার্থের ব্যবহার পরিমিতকরণ, ব্যবস্থাপনা এবং নিজেদের সীমানার বাইরে তাকে পরিবহনের ওপর প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ করতে সহমত পোষণ করেন। সারা পৃথিবীতে যাতে এক‌ই পদ্ধতিতে এই সমস্ত ক্ষতিকারক উপকরণগুলোকে ব্যবহার ও পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা যায় জনস্বাস্থ্যের প্রতি কোনোরকম ঔদাসীন্যতা না দেখিয়ে তাই ছিল এই চুক্তির মুখ্য উদ্দেশ্য। এই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে কোনো রাষ্ট্রের বৈধ অনুমোদন ছাড়া কোনোরকম বর্জ্য পদার্থ অন্যদেশে পাঠানো যাবে না । চুক্তিতে এ কথার‌ও স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে পরিবহনের জন্য যে খরচ হবে তা সম্পূর্ণভাবে বহন করতে হবে প্রেরণকারী রাষ্ট্রকে, এক্ষেত্রে যেমন আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। এই অজুহাতে যে এমন চুক্তি তাঁদের স্বার্থকে সংকুচিত করবে। থাই সরকার এই চুক্তির বিষয়ে উল্লেখ করায় মার্কিন কর্তৃপক্ষ মৌনতা অবলম্বন করেছে। চোরায় না শোনে ধর্মের কাহিনি!

এই চুক্তির শর্তগুলো ঠিকঠাক মতো অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য রয়েছে Basel Action Network নামে একটি তদারকি সংগঠন। এঁরাই থাইল্যান্ড সরকারের কাছে আগাম সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল যাতে তাঁরা এই বিষয়ে সচেতন হতে পারে, নিতে পারে প্রয়োজনীয় কড়া ব্যবস্থা। এই মুহূর্তে থাই সরকার এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে এ যাত্রায় মার্কিনি চাল ভেস্তে যাবার মুখে। আমরা শেষ অঙ্কের অভিনয়ের জন্য জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

এপ্রিল ৪,২০২৬

PrevPreviousকর্তৃপক্ষ দায়ী নয়!
Next‘সর্বজনীন ভোটাধিকার’ অনিশ্চয়তার মুখেNext
4.5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Kaushik Guha
Kaushik Guha
21 days ago

Amader o eirokom kora uchit

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Kaushik Guha
21 days ago

এই বর্জনের মনোভাব সর্বস্তরে প্রাথমিকতা পেলে পৃথিবীর চেহারা অনেকটাই বদলে যাবে।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
21 days ago

শেষ পর্যন্ত কি হলো জানার ইচ্ছে রইল। ভারতেও কিছু বর্জ্য আসে বলে শুনেছি।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
21 days ago

এর আগে এই বিষয়ে অনেক দীর্ঘ আলোচনা করেছি অন্য একটি নিবন্ধে। থাইল্যান্ডের মতো ছোটো একটা দেশ এই মনোভাব বজায় রাখতে পারবে সেটাই এখন দেখার।

0
Reply
Sarmistha lahiri
Sarmistha lahiri
19 days ago

বর্জ্যে র পুনঃ ব্যবহারের নতুন নতুন পদ্ধতি আবিস্কারে আরও মনোযোগী হতে হবে।

0
Reply
Abhradeep Roy
Abhradeep Roy
15 days ago

খুব ভালো লাগলো বাসেল কনভেনশনের কথা জেনে, আর থাইল্যান্ডের শিরদাঁড়ার জোর দেখে। একটা জিনিস বুঝলাম না, আমেরিকা বা ইউরোপের ধনী দেশগুলো এই ইলেকট্রনিক বর্জ্য তুলনায় গরিব দেশে কেন পাঠায়? ওই বর্জ্য কি পুনর্ব্যবহারযোগ্য?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

April 27, 2026 No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে

​ Formal Statement of Protest and Ultimatum

April 27, 2026 No Comments

​April 25, 2026 Formal Protest against the malicious, defamatory, and politically motivated actions of Dr. Tapas Pramanick. ​The Joint Platform of Doctors (JPD), WB representing

নিজের ভোটটা নিজের পছন্দের দল/প্রার্থীকে দিন।

April 26, 2026 No Comments

এই যে বয়ানটা, অমুককে ভোট দিয়ে লাভ নেই, তাহলে তমুক জিতবে, এটার মতো ভাটের কথা কমই শোনা যায়। আপনার যেহেতু কোনও অলৌকিক দিব্যজ্ঞান নেই, এবং

বন্ধু

April 26, 2026 No Comments

বিচ্ছিরি গরমে ঘামতে ঘামতে রোগী দেখছিলাম। ছোট্ট একটা খুপরি। জানলা নেই। একপাশে শুধু রোগী ঢোকার দরজা। যা হাওয়া বাতাস আসে ওই দরজা দিয়েই আসে। দেয়ালে

সাম্প্রতিক পোস্ট

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

​ Formal Statement of Protest and Ultimatum

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 27, 2026

নিজের ভোটটা নিজের পছন্দের দল/প্রার্থীকে দিন।

Dr. Bishan Basu April 26, 2026

বন্ধু

Dr. Aindril Bhowmik April 26, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619737
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]