Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

Corona – The Great Leveler

IMG-20200419-WA0023
Dr. Partha Bhattacharya

Dr. Partha Bhattacharya

Gynaecologist
My Other Posts
  • April 20, 2020
  • 6:31 am
  • No Comments

হাওড়া জেলা সরকারীভাবে করোনা সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে রেড স্টার এলাকা ( Red* Zone) বলে ঘোষিত হয়েছে। উত্তর ও মধ্য কলকাতা রেড জোন।

দুটি ঘটনা বলি। শোনা বা পড়া নয়। হাসপাতালে নিজের দেখা রুগীদের কথা। সরকারী তথ্য ফাঁস করার উদ্দেশ্যে নয়, আপনাদের রেড এলার্ট দেবার জন্য। আজকাল অবশ্য কয়েকজন ইন্টেলেকচুয়াল বলতে আরম্ভ করেছেন, এই ভয় দেখানো নাকি ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি শোষক রূপ। আবার একজন শিক্ষকের পোস্ট দেখলাম যে করোনার মৃত্যুহার তো মাত্র ৩% – পুরোটাই নাকি পুঁজিপতিদের ব্যবসায়িক ফন্দি। যাকগে, ওঁরা পণ্ডিত, হাতে এখন অঢেল সময়, ওঁদের গবেষণা নিশ্চয় মূল্যবান।

আমি অবিশ্যি রাজনীতি-সমাজতত্ব কিছুই বুঝিনা। রোগ-রুগী-চিকিৎসা সামান্য বুঝি বলে ডাক্তারী করে অন্নসংস্থান করি। সেই সূত্রে মানুষের সুখ-দুঃখ, আপদ-বিপদ বুঝি। সেই গোদা বোঝা নিয়েই ঘটনাদুটি লেখা।

সম্ভ্রান্ত, কয়েক পুরুষের ব্যবসায়ীদের যৌথ পরিবার। দুই তরুণ ভাইয়ের হঠাৎ জ্বর-কাশি-শ্বাসকষ্ট। কোনো দেশ-বিদেশ ভ্রমণ, বিয়েবাড়ির, কোনো কন্ট্যাক্টের স্পষ্ট ইতিহাস নেই। দু ভাই একসাথে কলকাতার পাঁচতারা হাসপাতালে ভর্তি হলেন। দুদিন পরে করোনা পজিটিভ। সেই সন্ধ্যাতেই প্রোটোকল অনুযায়ী দু -ঘন্টার নোটিশে পরিবারের বাকী ১৩ জন সদস্য ও বাড়ীর ড্রাইভার একসাথে সরকারী হাসপাতালের কোভিড -১ আইসোলেশন ওয়ার্ডে। বয়স ৬ থেকে ৭০। যাঁরা নিদেনপক্ষে তিনতারা হোটেলের বা রিসোর্টের নিচে কোনদিন থাকেন বলে মনে হল না – তাঁদেরই সরকারী হাসপাতালের নন-এসি ওয়ার্ড, এজমালী বাথরুম, লোহার খাট, মোটা চালের ভাত-কুমড়োর তরকারি-ডিমের ঝোলে দিন যাপন। নিয়মমাফিক প্রত্যেকের করোনা টেস্ট হল। পরিবারের আরও চারজন পজিটিভ। দু ঘন্টার মধ্যে তাঁরা কোভিড- ৩ হাসপাতালে ট্রান্সফার। পাঁচদিনের মধ্যে একটি সুখী,স্বচ্ছল পরিবার করোনাহত হয়ে তিনটি আলাদা হাসপাতালে টুকরো টুকরো – বিচ্ছিন্ন, বিধ্বস্ত, আসন্ন ভবিষ্যতের আশঙ্কায় ত্রস্ত।

এবারে অন্য পরিপ্রেক্ষিত। গ্রাম্য নিম্নবিত্ত ছোট্ট পরিবার। কর্তা জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হলেন। এখানেও কোনো ভ্রমণ বা জমায়েত-এর স্পষ্ট ইতিহাস নেই। শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকায় করোনা টেস্ট হল। পজিটিভ এবং কোভিড-৪ লেভেলে ট্রান্সফার। স্ত্রী-পুত্র-কন্যা আমার হাসপাতালের আইসোলেশনে। পরের দিন করোনা টেস্ট – তিনজনেই পজিটিভ। পরেরদিন তিনজনে আরেক হাসপাতালে – পরিবার টুকরো। জানিয়ে রাখি, কর্তার অবস্থা বর্তমানে অতি সঙ্গীন।

ধরে নিন, এঁরা প্রত্যেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু এই দুর্যোগ? চোদ্দ থেকে আঠাশ দিনের এই অসহনীয় মানসিক চাপ? অনিশ্চয়তা? অর্থ-সামাজিক অবস্থান-ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে এর কিন্তু কোনো ব্যতিক্রম নেই।

আপনার ঈশ্বর না করুন, একবার ভেবে দেখুনতো যদি রোগটা বাধিয়েই বসেন! আপনি এক হাসপাতালে। আপনার গোটা পরিবার, মায় গৃহসেবিকা সমেত তুলে নিয়ে যাওয়া হবে কোনো আইসোলেশন সেন্টারে টেস্ট এবং পরবর্তী পরিণতির জন্য। কেউ জানতেও পারবে না, জানলেও কেউ দেখতে আসতে পারবে না। এই চাপটা নিতে পারবেন তো! আপনার পয়সা আছে বলে চেন্নাই- ভেলোর তো দূরের কথা, পছন্দমতন পাঁচতারা হাসপাতাল-নার্সিংহোমেও যেতে পারবেন না। যে সরকারী হাসপাতাল দেখলে নাকে রুমাল চাপা,দেন, সেইরকম কোনো জায়গায় স্রেফ ঘাড় ধরে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। এসি কেবিন নেই, নরম গদি নেই, টিভি নেই, মেঝেতে মার্বেল নেই, নিজের বাথরুম নেই, পছন্দমত খাবার নেই। পারবেন তো!

আর তিন-চার শতাংশ মৃত্যুহার? ষাটের নিচে বয়স হলে, কো-মরবিডিটি (আজকাল সবাই এটার মানে জানে) না থাকলে মারা যাবার সম্ভাবনা কম – ওটা হাজার হাজার মানুষের একটা সংখ্যাতত্ত্ব মাত্র। আপনার নিজের হলে আপনি ৯৭-এর দলে না ৩-এর দলে পড়বেন – সেটা আগে থেকে বলার সাধ্য আপনার জ্যোতিষীর থাকতে পারে, আমাদের কারুর নেই, এইটুক বলতে পারি। মশাই, চিকিৎসাবিজ্ঞানে, মানুষের শরীরে ওরকম দুয়ে দুয়ে চার হয় না- আর হয় না বলেই চিকিৎসায় দুর্ঘটনা ঘটে, আর আমরা ঝাড় খাই। সেকথা এখন থাক।

টেস্টিং-এর হার বাড়ছে। আরও বাড়বে। কিন্তু সাবধানতার মার নেই। Prevention is better than cure.

অতএব, সাবধান হোন। অত্যন্ত সাবধান। স্বাস্থ্যকর্মীদের কথা ভেবে নয়। আপনার নিজের গরজে, আপনার পরিবারের জন্য। লকডাউন, যে কদিন চলে, মানুন। সংস্পর্শে আসা প্রতিটি মানুষের ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে চলুন – মাস্ক পড়ে, বার বার হাত ধুয়ে। আগেকার দিনের শুচিবাইগ্রস্ত দিদিমা- পিসিমাদের মত।

রোগটা কিন্তু সুবিধার নয়। ওই তিন শতাংশের মধ্যে পড়লে কিন্তু একেবারে প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়……

PrevPreviousকরোনা ডায়েরিজ পর্ব ৩
Nextসামাজিক না শারীরিক?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

জনস্বাস্থ্য: বিমা মডেলের পরিবর্তে আসুক ইউনিভার্সাল হেল্থ কভারেজ

May 3, 2026 No Comments

আমরা আগের দিনের ‘ জনস্বাস্থ্য, জুমলা ও বাণিজ্যিক পত্রিকা ‘ প্রবন্ধে স্বাস্থ্য বিমার নামে যে জুমলা বা প্রবঞ্চনা সেটি উন্মোচিত করেছিলাম। এটি ঠিকই কোন মডেল

জাসিন্তা কারকেট্টা – এক আদিবাসী অগ্নিকন্যা

May 3, 2026 No Comments

সেদিন রবিবার, আমি আমার উত্তর প্রজন্মের নরম কচি হাতখানি নিজের পুরুষ্টু হাতের মুঠোয় ধরে – গ্রামের বাজারে যাব বলে বেরিয়ে পড়লাম। সরু রাস্তায় পা দিয়েই

ক্ষমতা, বৈষম্য আর পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া ধর্ষণ নামক ব্যাধির হাত থেকে মুক্তি নেই।

May 3, 2026 No Comments

২ মে, ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গের দুই দফা নির্বাচনের মধ্যে গত ২৬ শে এপ্রিল পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের লালবাজার এলাকায় কয়লাখনির সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (CISF) ক্যাম্পে

মে দিবসের ইতিহাস

May 2, 2026 No Comments

যারা ম্যাক্সিম গোর্কির বিখ্যাত উপন্যাস ‘মাদার’ পড়েছেন তারা পাভেল এবং তার মা আনাকে চেনেন। পাভেলের বাবা মাইকেল ভলাসব ছিল কারখানার শ্রমিক। ভোর হতে না হতেই

একটা গান নিয়ে

May 2, 2026 1 Comment

একটা গান শুনলাম। অভয়া আন্দোলনের উপর। গানের মূল কথা হচ্ছে অভয়া আন্দোলনে বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ও অভয়ার মায়ের সমালোচনা। শুনলাম বামপন্থীরা এই গান তৈরী

সাম্প্রতিক পোস্ট

জনস্বাস্থ্য: বিমা মডেলের পরিবর্তে আসুক ইউনিভার্সাল হেল্থ কভারেজ

Bappaditya Roy May 3, 2026

জাসিন্তা কারকেট্টা – এক আদিবাসী অগ্নিকন্যা

Somnath Mukhopadhyay May 3, 2026

ক্ষমতা, বৈষম্য আর পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া ধর্ষণ নামক ব্যাধির হাত থেকে মুক্তি নেই।

Abhaya Mancha May 3, 2026

মে দিবসের ইতিহাস

Dr. Aindril Bhowmik May 2, 2026

একটা গান নিয়ে

Kushal Debnath May 2, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620600
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]