Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আঙুলে তার গাঙফড়িং

IMG-20200114-WA0041
Dr. Mayuri Mitra

Dr. Mayuri Mitra

Special Educator for Hearing Impaired, writer, drama director & critic
My Other Posts
  • May 13, 2020
  • 8:47 am
  • 8 Comments

ভুল করেছি| ওগো, সে এক ভীষণ ভুল| আর কোনোদিন কারোর যাতে এমন ভুল না হয় তাই আমার এই স্বীকারোক্তি|

আমাদের স্কুলের এক ছাত্রের অভ্যেস হলো, পড়তে বসে উল্টোদিকের দিদিমনির নাকের ডগায় হাত ঘোরানো| ছেলেটি অটিস্টিক| এমনিতে খুব শান্ত| মেধাবী| গান গায়| ছবি আঁকে| সবই তার চমৎকার| শুধু ওই এক হাত নাচানোর অভ্যেস| যেদিন পড়ায় মন বসল তো বসেই গেল| সেদিন আর পড়া থেকে ওঠানোই যাবে না তাকে| আর যেদিন অন্যমনস্ক হলো তো গেল সব|

দীর্ঘদিন ধরে আসে বলে তার এই হাত ঘোরাবার অভ্যেসে আমরাও ঢুকে গেছি| মানে তার অভ্যেসে অভ্যস্ত হয়ে গেছি| আমরা যেমন এখন আর তার আঙুলের খেলাকে আলাদা ভাবে টের পাই ন্‌ সেও বোধহয় তাকে নিয়ে আমাদের ক্ষণিক বিরক্তি বুঝতে পারে না| চায়ও না| কতদিন পড়া ফেলে দু হাতের আঙুলগুলো দিয়ে আমার চশমার কাঁচে ইকরিমিকরি ছবিও এঁকে দিয়েছে| বইয়ের আড়ালে মুখ লুকিয়েছি রেগেমেগে| চিৎকার করে জিজ্ঞেস করেছি–‘কী করছিস? কেন করছিস?”

সে হেসেছে| এমনভাবে হেসেছে মনে হয়েছে, চশমায় নয়, ছবি আঁকছে সে আমার চোখে| ভাব তার এমন —just বুঝছি না বলেই খেপছি তার ওপর|

একদিন| ক্লাস শুরু হয়েছে| দেখলাম হাতের নখগুলোতে সে কাগজের টোপর পরিয়েছে| কোনো কোনো কাগজের টুকরোকে আবার পুরো নখের সাইজে কেটে নখের ওপর আঠা দিয়ে লটকেছে| ফলে নখগুলোকে রাক্ষুসে লাগছে| এবার শুরু হলো ওই কাগজের নখে সজ্জিত আঙ্গুলের নাচ| Finger Dance Dance কারনামা| দেখলাম– আঙ্গুল খেলাবার ভঙ্গিতেও পরিবর্তন এনেছে আজ| হাওয়া কেটে এগোচ্ছে টুপিওয়ালা নখ| আমি বেশী রাগী| ফলে তার টার্গেট আমি|

মারতে উঠলাম| ফুলো ফুলো গালে চড়টা পড়েই যাচ্ছিল প্রায়| ক্লাসের বর্ষীয়ান শিক্ষিকা তৃপ্তিদি বললেন–“এ খেলার মানে নেই বলে তোমার রাগ হচ্ছে তো? তবে এ হল ওদের মনের খেলা| কেবল আঙুলের নয়| এ খেলা ওকে খেলতে দাও যতক্ষণ ও চায়|”

সেদিন বড় মন দিয়ে দেখেছিলাম আমার পুরনো খোকাটাকে| নিত্যি বকা খেতে থাকা বাচ্চাটাকে বড় আদরচোখে দেখলাম গো| আঙুল তখনো খেলিয়ে যাচ্ছে সে| কত বিচিত্র ভঙ্গি| একটার সাথে অন্যটার কোনো মিলই নেই| একবার টুপি আঙুল কানের পাশ দিয়ে হুশ করে বেরিয়ে গেল| মনে হল, কাক ঠোঙার জিলাবি নিয়ে আকাশেতে দৌড় মারলো| আবার দেখলাম, দুহাতের দশ দশটা আঙুল সমান্তরালে ওড়াতে ওড়াতে মাটিতে নামালো| আরি বাপ! এ যে দেখি দশ গাঙফড়িং টোপর পরে মাঠে নেমে বউ খোঁজে|

–“এত মূর্তি তোর আঙুলে? বকছি না বলে আহ্লাদে ছবি আঁকছিস বিনি তুলিতে? পবনে গগনে ফোটাবি লক্ষ কোটি ছাঁচ?”

অভিভাবক এবং আমার মত মুখ্যুর ডিম দিদিমনিদের অনুরোধ– please শিশুর মানেহীন খেলাগুলোকে মহার্ঘ সম্পদের মত যত্ন করুন ভাই| উৎসাহ দিন যত অকাজ| দেখবেন– মেঘের গায়ে আঁকছে সে সবুজ ফুলের মাঠ!
— আপনাদের কাছে এ একজন মায়ের বিনতি| এই মাটির হৃদয়পেটিকা আজ রত্নে ফুলে|

PrevPreviousঅজানা সাপের কামড় থেকে প্রাণরক্ষা রাধানগর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে
Nextলকডাউনে এক চিকিৎসকNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
8 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Kinnar Ray
Kinnar Ray
6 years ago

Eai lekhata _Ja Mauri Mitra likhechen tanr kolomkarite _tar Golpo kosto obgodyobahar Ke Selam ,Kadambusi janai .Ami Mauri mitrar_r godyo sangeet o nirdisto choloner jonyo tanke marjada diea Mayurbahar bole sambodhon kori .noi sob upoma tini dayan .Shikkhito hote hoi ami heno Bangla bhasar __mohan Bangla bhasar oti din akshar kormike .Mayurbahar_er hat subornomoy hole .

0
Reply
Subir
Subir
6 years ago

বাহ।। এভাবেও ভাবা যায়? এরকম সংবেদনশীল শিক্ষাকর্মী সমাজের সম্পদ।। ভালো লাগলো।।

0
Reply
Shaswati Palit
Shaswati Palit
6 years ago

শুধু মাত্র special child ই নয়, সকল শিশুকে ই একটুখানি স্বাধীনতা দিতে হবে নিজের মন যা চায় তাই করতে দেওয়ার। তবেই ঘটবে মন এর বিকাশ

0
Reply
পায়েল_দাশগুপ্ত_চন্দ
পায়েল_দাশগুপ্ত_চন্দ
6 years ago

দি তোমরা ভাগ্যবান হয়তো। আমরাও ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে কাজ করি। কিছু কিছু মায়েরা এসে বলেযান, “দিদিমণি, আমার বাচ্চাটিকে শাসনে রাখবেন। আপনি বড্ড প্রশ্রয় দেন, তাই আপনার পড়া করে আসেনা। অমুকের ভয়ে তার সব হোমওয়ার্ক করে৷ ওকে বড় হতে হলে রেজাল্ট ভালো করতে হবে তো।” নিজের অপদার্থতা যখন লোকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়, কার না কষ্ট হয়? কিন্তু আমায় গুটিকয় বাচ্চা সফল করে যায়, যখন আমার এক অনুরোধে তারা সামনে দাঁড়িয়ে না করে আসা পড়াটা করে দিয়ে যায়।

আমি দুঃখিত দি, শিক্ষক হয়ে তুলনা টানলাম অন্যকারো সাথে। তবে কথাটি মিথ্যে নয়। প্রকৃতপক্ষে আমরা এখনও কি বুঝি কোনটি সঠিক? রবিঠাকুরের শান্তিনিকেতনের শিক্ষায় মুক্তচিন্তার প্রয়োগ, না তাঁর ছেলেবেলার ইস্কুলের কড়া শাসন?

তোমার লেখা বহু অপদার্থ শিক্ষকের কাছেও ইন্সপায়ারিং।

0
Reply
Goswami Mausumi
Goswami Mausumi
6 years ago

পড়তে পড়তে দৃশ্যটা ভেবে হাসছি। ভালো লাগার হাসি। সুস্থ স্বাভাবিক বাচ্চাদের চোখের সামনে আজকাল এত প্রলোভন যে ওদের শিশুত্ব সহজে চলে যাচ্ছে। এমন করে খেলা আজকাল দেখি না তো!

0
Reply
Santanu Chakraborty
Santanu Chakraborty
6 years ago

এক শিশু মনের বিকাশ ও প্রতিভা ।তার চোখ দিয়ে রঙিন পৃথিবীকে ভালোবাসা তার চাওয়া পাওয়া জানতে গেলে নিজেকে শিশুর ভাবনায় ভাবতে হবে। লেখিকা এখানে সেটা উপলব্ধি করেছেন আর তা প্রকাশ করেছেন। বিষয় নির্বাচন খুব সুন্দর তা অপূর্ব ভাবে ফুটে উঠেছে।

0
Reply
prabhash chandra Roy
prabhash chandra Roy
6 years ago

আপনার লেখা আগেও পড়েছি। পড়তে পড়তে কখনও বা ঢুকে গেছি ওদের জগতে, যে জগতের সঙ্গে প্রত‍্যক্ষ কোন যোগ নেই, দূর থেকে দেখা, আজও তাই। সে আমার নিজের ব‍্যর্থতা।
অনেক আগের একটি ঘটনা মনে পড়ে গেল। ফিরছি দার্জিলিং মেলে। সাধারণ স্লিপার কামরা। সহ যাত্রী
শ্বেতকায় এক কম বয়সী দম্পতি, তাদের ছোট্ট একটি সন্তান আর সঙ্গে এরকমই কয়েকটি ছেলে মেয়ে। বড় যত্নে সঙ্গে রাখা রাতের খাবার খেতে দিলেন ছেলে মেয়েগুলোকে, নিজেদেরও সেই একই খাবার। তাঁরা কথা বলছিলেন ইংরেজিতে, নিজেদের মধ্যে অন‍্য ভাষায়। কৌতুহলী হয়ে জানতে গিয়ে জানলাম, থাকেন শিয়ালদহের কাছে, সঙ্গে ওই বাচ্চাগুলো। আসল বাড়ি কানাডা, স্ত্রী ফরাসী। ওদের নিয়ে গিয়েছিলেন দার্জিলিং। আপাতত আর কয়েক বছর থাকবেন কলকাতায়। ভাবছিলাম, সুদূর কানাডা থেকে কিসের টানে এসেছেন এ দেশে, ছেলেমেয়েগুলোর মধ্যে কি দেখেছেন। পাজামা আর ফতুয়া পরা ভদ্রলোক আর সালোয়ার কামিজ পরা মহিলাকে দেখছিলাম, তারপর আনন্দে উচ্ছ্বসিত বাচ্চাদের দিকে দেখলাম, বুঝলাম এই জন্য–

0
Reply
Anjan Mukhopadhyay
Anjan Mukhopadhyay
6 years ago

অপূর্ব!
স্বপ্ন দেখে যে, তারপক্ষেই সম্ভব এমন করে বলা!

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী: ঔপন্যাসিকের ব্যক্তিজীবন, আর্থসামাজিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্মভাবনা ও সমকালীন সম্পর্কের আলোকে একটি বিশ্লেষণ

November 8, 2026 No Comments

ভূমিকা: জীবন, মতাদর্শ ও সাহিত্যিক কল্পনার পারস্পরিক সম্পর্ক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকে বাংলা সমাজের অন্তর্লীন সংকট, মধ্যবিত্ত নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর অবস্থান এবং সামাজিক বৈষম্যের এক গুরুত্বপূর্ণ

যাদব মুলাই পায়েং: দ্যা ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া

November 8, 2026 No Comments

যাদব মুলাই পায়েং এর অসাধারণ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রথম পরিচয় হয় ২০১৫ সালের আশেপাশে। খবরের কাগজের একটা ছোট্ট খবর – আসামের যাদব মুলাই পায়েং মাজুলির চরে

এক নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্মেষ এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকবদল – ‘সোভিয়েত মেডিসিন’ (১৯১৭-১৯৩৭)

November 8, 2026 No Comments

(৭.১১.২০২৬-এ পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক জগতের দিকবদলকারী “দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন”-এর ১০৯ বছর পূর্ণ হল। সেই প্রেক্ষিতে আমার এই প্রবন্ধ – বিশেষ করে,

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

November 7, 2026 No Comments

Preliminary Words Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) was published in 1819 (according to Bengali calendar it was 1226). The period was the very early

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

November 7, 2026 No Comments

সম্ভবত এস আইআার করে তৃণমূলকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে মমতার এই দাবির বিরোধিতা করতে গিয়ে কেউ কেউ দেখলাম বলছেন, পশ্চিম বঙ্গের এসআইআর নাকি ঠিকঠাক হয়েছে। গোলমাল

সাম্প্রতিক পোস্ট

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী: ঔপন্যাসিকের ব্যক্তিজীবন, আর্থসামাজিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্মভাবনা ও সমকালীন সম্পর্কের আলোকে একটি বিশ্লেষণ

Dr. Sukanti Bhattacharya November 8, 2026

যাদব মুলাই পায়েং: দ্যা ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া

Somnath Mukhopadhyay November 8, 2026

এক নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্মেষ এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকবদল – ‘সোভিয়েত মেডিসিন’ (১৯১৭-১৯৩৭)

Dr. Jayanta Bhattacharya November 8, 2026

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

Dr. Jayanta Bhattacharya November 7, 2026

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

Pallab Kirtania November 7, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

699501
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]