
লঙ্কাকাণ্ড
আজ চুঁচুড়ায় নাটকের শো-এ আমাদের দলের শিশু সদস্যরা গিয়েছিল ৷ একটির নাম লঙ্কা ৷ আসল নাম বৃষ্টি ৷ তবে একটা নাটকে সে লঙ্কাগাছ হয় বলে

আজ চুঁচুড়ায় নাটকের শো-এ আমাদের দলের শিশু সদস্যরা গিয়েছিল ৷ একটির নাম লঙ্কা ৷ আসল নাম বৃষ্টি ৷ তবে একটা নাটকে সে লঙ্কাগাছ হয় বলে

এই তো কদিন আগেই ৷ দুপুর থেকে গুমোট চলছিল ৷ গাছের পাতা নড়ছিল না ৷ স্কুলের বাচ্চাগুলো বড় বড় চোখে নিশ্চল পাতার দিকে তাকিয়ে চলছিল

আঙুলে তার পাখির কিচির ফুলের মিচির –৷ হ্যাঁ গো –যা বলছি তাই-ই৷ আমাদের স্কুলের এক ছাত্রের অভ্যেস হল – পড়তে বসে উল্টোদিকে বসা দিদিমনিদের নাকের

ভবানীপুর যাচ্ছি বাসে ৷ পার্ক স্ট্রিটের কাছে বাসে উঠলেন দুইজন আধাপুরুষ বা আধানারী ৷ ইচ্ছে করেই এদের চলতি নাম ব্যবহার করলাম না ৷ আমার ইচ্ছে

বছর ছয়েক আগে থিয়েটারের কাজে বার্মিংহামে অর্ধমাসেরও বেশি থাকতে হয়েছিল। এর আগেও বার্মিংহাম গিয়েছি ওখানকার নাট্যসংস্থার দ্বারা আমন্ত্রিত হয়ে৷ কিন্তু দ্বিতীয়বার বেশিদিন থাকার ফলে সেখানকার

আজ বুকে ধূপের গন্ধ ভরে দিল এক মহাধনী ভিখারী মানুষ৷ আজ পনের বছর ধরে তাঁকে দেখি আমি৷ দুপা কাটা গেছে কোন জন্মে৷ একটি মানুষ টানা

প্রায় মাঝরাত্তিরে মরতে বসল বুড়িটা৷ বুক ধড়ফড়িয়ে নাড়ি চড়চড়িয়ে একেবারে হদ্দমদ্দ মরতে লাগল মাঝলা বুড়ি৷ পূর্ণ বুড়ি হবার ঠিক আগের বয়স মাঝলার৷ আর কদিন বাদে

কোভিড পৃথিবীতে নেই তখন| জীবিকা হারানোর প্রশ্ন ও সমস্যা এমন করে শরীর মনকে পাক দিয়ে ধরেনি| সেসময় কিছুদিন ধরে দুটি মুসলিম কিশোরীর সাথে বেশ বন্ধুভাব

তিরিশ পঁয়ত্রিশ বছর আগের কথা| তখনো differently abled বাচ্চাদের special education বা বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যাপারটি দেশে ততো চালু হয়নি| মানে থিওরি চালু হলেও সাধারণ মানুষের

— অনেকটা সেই চলতে ফিরতে ছুটছাট আরশিতে নিজেকে দেখে নেয়া যেন| পাঠ্যবিষয় বা গপসপ যাই হোক না কেন– শিশুর হৃদয়ে তার আসাযাওয়াটা এমনই স্বাভাবিক ভাবে

থালা ভরে ফুলফল সাজিয়ে দক্ষিণেশ্বর থেকে নদীপথে বেলুড় মঠ যেতেন আমার ঠাকুরদা অশোক মিত্র| ঈশ্বর সম্বন্ধে যদিও আমার নাক কোঁচকানি সেই ছেলেবেলা থেকেই, তবুও কেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশ চিন্তায় আধারিত নাটক। অভিনয়ে অমর চট্টোপাধ্যায় ও ময়ূরী মিত্র।

আজ চুঁচুড়ায় নাটকের শো-এ আমাদের দলের শিশু সদস্যরা গিয়েছিল ৷ একটির নাম লঙ্কা ৷ আসল নাম বৃষ্টি ৷ তবে একটা নাটকে সে লঙ্কাগাছ হয় বলে

এই তো কদিন আগেই ৷ দুপুর থেকে গুমোট চলছিল ৷ গাছের পাতা নড়ছিল না ৷ স্কুলের বাচ্চাগুলো বড় বড় চোখে নিশ্চল পাতার দিকে তাকিয়ে চলছিল

আঙুলে তার পাখির কিচির ফুলের মিচির –৷ হ্যাঁ গো –যা বলছি তাই-ই৷ আমাদের স্কুলের এক ছাত্রের অভ্যেস হল – পড়তে বসে উল্টোদিকে বসা দিদিমনিদের নাকের

ভবানীপুর যাচ্ছি বাসে ৷ পার্ক স্ট্রিটের কাছে বাসে উঠলেন দুইজন আধাপুরুষ বা আধানারী ৷ ইচ্ছে করেই এদের চলতি নাম ব্যবহার করলাম না ৷ আমার ইচ্ছে

বছর ছয়েক আগে থিয়েটারের কাজে বার্মিংহামে অর্ধমাসেরও বেশি থাকতে হয়েছিল। এর আগেও বার্মিংহাম গিয়েছি ওখানকার নাট্যসংস্থার দ্বারা আমন্ত্রিত হয়ে৷ কিন্তু দ্বিতীয়বার বেশিদিন থাকার ফলে সেখানকার

আজ বুকে ধূপের গন্ধ ভরে দিল এক মহাধনী ভিখারী মানুষ৷ আজ পনের বছর ধরে তাঁকে দেখি আমি৷ দুপা কাটা গেছে কোন জন্মে৷ একটি মানুষ টানা

প্রায় মাঝরাত্তিরে মরতে বসল বুড়িটা৷ বুক ধড়ফড়িয়ে নাড়ি চড়চড়িয়ে একেবারে হদ্দমদ্দ মরতে লাগল মাঝলা বুড়ি৷ পূর্ণ বুড়ি হবার ঠিক আগের বয়স মাঝলার৷ আর কদিন বাদে

কোভিড পৃথিবীতে নেই তখন| জীবিকা হারানোর প্রশ্ন ও সমস্যা এমন করে শরীর মনকে পাক দিয়ে ধরেনি| সেসময় কিছুদিন ধরে দুটি মুসলিম কিশোরীর সাথে বেশ বন্ধুভাব

তিরিশ পঁয়ত্রিশ বছর আগের কথা| তখনো differently abled বাচ্চাদের special education বা বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যাপারটি দেশে ততো চালু হয়নি| মানে থিওরি চালু হলেও সাধারণ মানুষের

— অনেকটা সেই চলতে ফিরতে ছুটছাট আরশিতে নিজেকে দেখে নেয়া যেন| পাঠ্যবিষয় বা গপসপ যাই হোক না কেন– শিশুর হৃদয়ে তার আসাযাওয়াটা এমনই স্বাভাবিক ভাবে

থালা ভরে ফুলফল সাজিয়ে দক্ষিণেশ্বর থেকে নদীপথে বেলুড় মঠ যেতেন আমার ঠাকুরদা অশোক মিত্র| ঈশ্বর সম্বন্ধে যদিও আমার নাক কোঁচকানি সেই ছেলেবেলা থেকেই, তবুও কেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশ চিন্তায় আধারিত নাটক। অভিনয়ে অমর চট্টোপাধ্যায় ও ময়ূরী মিত্র।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে