Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এপিলেপসি বা মৃগী রোগ-

brain
Dr. Aritra Chakraborty

Dr. Aritra Chakraborty

Psychiatrist
My Other Posts
  • May 30, 2020
  • 9:48 am
  • No Comments

আমাদের মস্তিষ্ক তৈরি হয়েছে অসংখ্য স্নায়ু কোষের সমন্বয়ে। এই স্নায়ু কোষগুলির মধ্যে এক বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি হয় যার আদান প্রদানের মধ্য দিয়ে কোষগুলি নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং মস্তিস্ক শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।

স্নায়ু কোষগুলির মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেত ঠিকমত তৈরি না হওয়ার ফলে যোগাযোগ স্থাপনের পদ্ধতি ব্যাহত হলে খিঁচুনি (সিজার)দেখা দেয়। আর মৃগী (এপিলেপসি) রোগের লক্ষণ হল বার বার খিঁচুনি হওয়া।

পরিসংখ্যান
পরিসংখ্যান বলছে প্রায় প্রতি একশ জন মানুষের মধ্যে একজন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত।সাধারণ ভাবে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরাই এই রোগে বেশী আক্রান্ত হন।

মৃগী রোগের কারণ
অনেক ক্ষেত্রে এই রোগের সরাসরি কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে জিনগত কারণ দায়ী থাকে। শিশু জন্মানোর সময় ও মায়ের পেটে থাকাকালীন শিশুর মস্তিষ্কে কম অক্সিজেন যাওয়া বা অন্য কোন কারণে মস্তিষ্কের ক্ষতি বা মস্তিষ্কে আঘাত ইত্যাদি থেকেও এই সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে আবার মস্তিস্কের আঘাত, রক্তপাত, টিউমার, মস্তিষ্কের সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়।

যে সমস্ত শিশুর বুদ্ধি কম বা যাদের অটিজমের সমস্যা আছে তাদের মধ্যে খিঁচুনির সমস্যা বেশি দেখা যায়।

মৃগী রোগের লক্ষণ
মৃগী রোগের মূল লক্ষণ হল খিঁচুনি। খিঁচুনি যেমন শরীরের কোন একটি স্থান জুড়ে হতে পারে, একজায়গায় শুরু হয়ে শরীরের অন্য জায়গায় ছাড়িয়ে যেতে পারে, তেমনি প্রথম থেকেই সারা দেহ জুড়েও হতে পারে। অনেক সময় খিঁচুনির সাথে সাথে চেতনাও লোপ পায়। অনেকের ক্ষেত্রে খিঁচুনি শুরুর কিছুক্ষন আগে থেকে কিছু অস্বাভাবিক অনুভূতি দেখা যায় যেমন কেউ কেউ খিঁচুনি শুরুর আগে নাকে পোড়া টায়ারের গন্ধ পান। খিঁচুনি হবার সময় অনেকের জিভ কেটে যেতে পারে, মাটিতে পড়ে চোট লাগতে পারে, প্রস্রাব হয়ে যেতে পারে। অনেকের আবার খিঁচুনি শেষ হবার কিছুক্ষণ পর অব্দি স্মৃতি লোপ পায় বা আচার- ব্যবহারে অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি হয়।

রোগ নির্ণয়
মৃগী রোগ নির্ণয়ের জন্য বেশ কিছু পরীক্ষা -নিরীক্ষা আছে। “ই ই জি” পরীক্ষাতে স্নায়ুকোষগুলির থেকে বৈদ্যুতিক সংকেত ঠিকমত আসছে কিনা তা বোঝা যায়। এছাড়া সিটি স্ক্যান ও এম আর আই পরীক্ষার মাধ্যমে মস্তিষ্কের গঠনগত ত্রুটি, রক্তপাত, টিউমার, সংক্রমণ ইত্যাদি সম্বন্ধে ধারণা লাভ করা যায়।

মৃগীর চিকিৎসা
দেখা গেছে ঠিকমত চিকিৎসায় থাকলে সত্তর শতাংশ মৃগী রোগীই অন্যান্য স্বাভাবিক মানুষের মত জীবন যাপন করতে পারেন।
মৃগী রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলিকে এন্টি এপিলেপ্টিক ড্রাগ বলা হয়। এই জাতীয় কয়েকটি ওষুধের নাম হল-ফেনিটোয়েন, ভ্যালপ্রয়িক এসিড, কার্বামাজেপিন, লামোট্রিজিন, লেভেটাইরাসেটাম ইত্যাদি। কিছু ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে ওষুধে কাজ না হলে অপারেশনের দরকার পড়ে।

খিঁচুনি হবার সময় রোগীকে একপাশে কাত করে শুইয়ে দেওয়া উচিত, গলার, দাঁতের ফাঁকে চামচ বা ওই জাতীয় জিনিস ঢোকানো উচিত নয়, নাকে জুতোর গন্ধ ইত্যাদি দেওয়া উচিত না। খিঁচুনি পাঁচ মিনিটের বেশি চললে অথবা বার বার হতে থাকলে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।

সাধারণভাবে যেটাকে খিঁচুনি মনে হয় সেটা দুরকম হতে পারে-আসল খিঁচুনি আর মানসিক চাপের কারণে হওয়া খিঁচুনি। খিঁচুনির ধরন দেখে (যেমন খিঁচুনি কতক্ষণ ধরে, কোন কোন জায়গা জুড়ে হচ্ছে, খিঁচুনির সময় জিভ কেটে গিয়েছে কিনা বা অসাড়ে প্রস্বাব হয়ে যায় কিনা?) এবং কিছু পরীক্ষা করে (যেমন ই ই জি, সিটি স্ক্যান) পার্থক্য করা হয়। হিস্টিরিয়া বলতে সাধারণভাবে নকল খিঁচুনিকেই বোঝানো হয়। নানান ধরনের মানসিক চাপ থেকে এই জাতীয় নকল খিঁচুনি হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেইসব মানসিক সমস্যাগুলিকে খুঁজে বার করা এবং চিকিৎসার জন্য সাইকিয়াট্রিস্টের সাহায্য দরকার হতে পারে।

মৃগী কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়। ভূত প্রেতের প্রভাব থেকেও এই রোগ হয় না। উপযুক্ত চিকিৎসায় থাকলে এই রোগে আক্রান্তরাও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।

PrevPreviousকরোনার দিনগুলি ৩৭ নার্স
Nextবড়র পিরিতি বালির বাঁধNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কথা বলার মানুষ আছে, তবু একা কেন?

September 5, 2026 No Comments

৩১ শে আগস্ট ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

মরণোত্তর দেহদান বিতর্ক

September 5, 2026 No Comments

আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে কারণেই হোক, ভেবে কিংবা না ভেবে, একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে এনেছেন। বাস্তবিক পক্ষে, এটা ঠিক একটা নয় তিনটে ভাগে বিভক্ত। ১) মারা

নিরাপদ ক্যাম্পাস প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর মৌলিক অধিকার।

September 5, 2026 No Comments

উত্তরবঙ্গ সহ রাজ্যের নানান মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, বহিরাগতদের দ্বারা ছাত্রদের হুমকি ও মারধরের যে অভিযোগ সামনে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র

মহাজাগতিক

September 4, 2026 No Comments

চায়ের কাপে ছাইরঙা ভোর, ঝাপসা কাঁচে জলকবিতা, তুমি তো খুব দূরের মানুষ, মেঘের সঙ্গে কুটুম্বিতা। কাটছিল বেশ। একলা বিকেল – কুড়িয়ে নুড়ি জীবনপথের, মনখারাপি চরকাবুড়ি

মুক্ত সংস্কৃতি ও সুস্থ চেতনার ঐতিহ্যকে রক্ষা করুন

September 4, 2026 1 Comment

অ্যাকাডেমি এবং আনন্দবাজারের দেওয়ালে গেরুয়া রং। যাদবপুরের দেওয়াল থেকে কার্ল মার্কসের লেখা, বিখ্যাত চিত্রশিল্পী চিত্তপ্রসাদের ছবি, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের দেওয়ালে We want justice লেখা মোছার

সাম্প্রতিক পোস্ট

কথা বলার মানুষ আছে, তবু একা কেন?

Doctors' Dialogue September 5, 2026

মরণোত্তর দেহদান বিতর্ক

Dr. Amit Pan September 5, 2026

নিরাপদ ক্যাম্পাস প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর মৌলিক অধিকার।

West Bengal Junior Doctors Front September 5, 2026

মহাজাগতিক

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 4, 2026

মুক্ত সংস্কৃতি ও সুস্থ চেতনার ঐতিহ্যকে রক্ষা করুন

Abhaya Mancha September 4, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

672935
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]