Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

প্যানডেমিক ডায়েরি ১০ উড়ান

IMG-20200525-WA0005
Dr. Dolonchampa Dasgupta

Dr. Dolonchampa Dasgupta

Chest Physician, Novelist
My Other Posts
  • May 26, 2020
  • 9:37 am
  • No Comments

ভোরবেলা স্কুটির ঘটঘট আওয়াজে চমকে উঠলাম। যদ্দূর দেখা যায় জল থৈ থৈ। আমার সিঁড়ির প্রথমধাপ জলে ডুবে। আর এক ধাপ জল উঠলেই একতলা জলমগ্ন। জলঢোঁড়া সাপ মহানন্দে ঘোরাফেরা করছে চাতালে।

-“দিদি, ঠিক আছ তুমি?”

-“মণি ! কীভাবে এলে ?”

-“আর বোলো না। ঘরে জল ঢুকেছে। খাটের উপর বাসনকোসন , আলমারি সব তুলেছি।”

-“তোমার বাচ্চা ?”

-“ক্লাবে দিয়ে এলাম। ক্লাবঘর উঁচু।ওখানে খিচুড়ি পাবে দুবেলা।”

মণির চোখে উৎকন্ঠা।

দোতলা থেকেই চেঁচিয়ে বললাম, “আজ ঘর ঝাড়পোঁছার দরকার নেই। কিছু লাগবে তোমার? ওষুধ টষুধ?”

-“হাজার টাকা ধার দেবে দিদি ?”

জলঢোঁড়া সাপটা মণির স্কুটির আওয়াজে পালাল।

-“তেল ভরব স্কুটিতে।”

মণিকে কখনও এতো উদভ্রান্ত দেখিনি।

-“বুড়ো বাপ মা মরে যাবে গো দিদি। ঝড়ে ঘর ভেসে গেছে। ভাইবউটা পোয়াতি।”

-“সে কী ! তুমিই তো বললে ভাই তোমার সব জমিজমা কেড়ে নিয়েছে। তোমার টাকায় কেনা। ফের ধার দেবে?”

-“যাব।” মণির গলার সুরে জেদ। ফের চমকে উঠলাম।

-“যাবে ? তুমি কি পাগল মণি? বুক সমান জল বসিরহাটে। ট্রেন চলছে না। লকডাউনে কোনও গাড়িঘোড়া নেই।”

-“ভ্যান ট্যান লাগবে না। স্কুটি নিয়েই যাব।”

বিদ্যুতবিহীন কাল রাত থেকে এমনিই দরদর করে ঘামছি। মনির উত্তর পেয়ে কালঘাম ছুটে গেল।

-“তোমার মাথাটা গেছে। ডুবে মরবে।”

-“এখনও ঠিক আছে দিদি। টাকাটা দিলে ভাল হয়। তোমার জন্য নিচের কল থেকে দু ‘বালতি জল তুলে দিই?”

এই নাছোড়বান্দা স্বভাবের জন্যই মণিকে আমার ভাল লাগে। যখন স্কুটি কিনেছিল ব্যাঙ্ক থেকে ধারদেনা করে, গ্যারান্টার হয়েছিলাম।

-“কী হবে মণি ? তুমি লোন শোধ করতে না পারলে ?”

মণির চোখে বিজলির চমক দেখেছিলাম।

-“বদনামের ভয় পাচ্ছ? মণি বেইমান নয় যে পিছন থেকে ছুরি মারবে। না খেয়েও লোন শোধ করব।”

পঁচিশ বছরের এই চকচকে ইস্পাতকে বাগ মানাতে পারেনি মণির বর বাপি। লাল রঙের স্কুটিটা যেদিন কিনে ঘরে তুলেছিল সেদিনই বাপি ঘর ছেড়ে চলে যায়।

-“কাজটা ভাল করোনি মণি। বাপিকে আটকানো উচিত ছিল। ও রাগ করেছে বলে তুমিও গোঁ ধরে থাকবে ?”

-“কুঁড়ের ধার একটা। শুধু ঘরে শুয়ে থাকে আর আমার পয়সায় খায়।”

মণির চোখে জল চিকচিক করছিল।

-“কত ভাল ইলেকট্রিকের কাজ জানে তবু খাটবে না ,কিছুনা। নয়তো ইলেক্টিরির লাইনে কম পয়সা ?”
চুপ করে ছিলাম। আগুনে ঘি দিতে নেই।

-“আমাকে তো সংসারটা টানতে হবে বলো। স্কুটিটা কিনেছি বলে দশবাড়ি কাজ করতে পারছি। ছেলেটার পড়ার খরচ, গ্যাস, ঘরভাড়া, নিজের কিছু শখ আহ্লাদ আছে। কোনো খরচাই দেয়না।”

-“আমার চেম্বারে একটা এসি বসাতে হবে। গরমে রোগীদের কষ্ট হয়। বাপিকে আসতে বোলো তো।”

মণি চোখ উল্টে বলেছিল, “তাকে কোথায় পাব! দেখগে কোথায় বসে মাল খেয়ে ফুর্তি করছে! গুণের তো শেষ নেই।” মণির নির্লিপ্ত ভাব চোখমুখে ফুটে উঠেছিল।

ঝাঁটা ফেলে দিয়ে তারপর আমার কাছে এসে নিচু গলায় বলেছিল, “আসলে হিংসে । বুঝলে ? ওকে বাদ দিয়েই যে সব চালিয়ে নিচ্ছি একা।”

-“যাহ, হিংসে হতে যাবে কেন ? ঠোকাঠুকি কোন সংসারে না হয়-”

-” না গো, আজ এক মাস হল আলাদা। তারাপীঠে গেছে। অন্য মেয়েছেলে আছে বোধহয় । আমিও দেখব কতো জেদ!”

কাজ হয়ে গেলে সাবান দিয়ে হাত পা ধুয়ে মণি প্রসাধন করত আমার চেম্বারের আয়নায়। ওটুকুই ওর বিলাসিতা। সিঁদুরের টিপ, গোলাপি লিপস্টিক। সিঁথিতে মোটা করে ভ্যাদভেদে সিঁদুর। সোপ অপেরার নায়িকাদের মতো।

এখন মণির সালোয়ার কামিজ জলে ভিজে চুপচুপে। কোনও আপত্তি শুনল না। দু’ বালতি জল তুলে , পাউরুটি সেঁকে ,চা করে মুখের সামনে দিয়ে গেল।

-“এক কাপ খেয়ে যাও মণি। এদ্দূর যাবে!”

-“সময় নেই।” মণির স্কুটি স্টার্ট দিয়েছে জলের মধ্যে ঢেউ তুলে।

হঠাৎ দেখলাম বাপিকে। প্যান্ট গোটানো হাঁটু অবধি। মাথা গামছায় জড়ানো। গায়ের টি শার্ট জলে জবজবে।
ওদের বাক্যালাপ যে ক্রমশ চড়া সুরে উঠবে , সে আশংকা সত্যি হল।

-“একদম না। ”

-“আরে, তোর সঙ্গেই তো যাব।”

-” উঁহু তোমার মতলব ভাল না, আমার কাছে টাকাকড়ি কিচ্ছু নেই।”

-“ভুল বুঝছিস। আমার কাজ আছে। সত্যি!”

-“মিথ্যুক! ফালতু বগ্গাবাজি করছ। এই তুমি যাবে না চিল্লাব?”

-” দ্যাখ বউ, না জেনে চেঁচাস না। ঝড়ে যেমন গাছ পড়েছে , তেমনই কারেন্টের পোল ভেঙেছে । অগুন্তি জায়গায় ট্রান্সফরমারে আগুন লেগেছে। এখন যদি সেগুলো মেরামত না করেই কারেন্ট দেওয়া হয় তাহলে শক খেয়ে মুড়িমুড়কির মতো মানুষ মরবে। লোক দরকার এখন।”

মণির দুচোখে আগুণ জ্বলে উঠল।

-“ও হো হো ভারি আমার কাজের লোক রে! কেন, গত বছর যখন বলেছিলাম, বসিরহাটের ইলেক্টিরি বোর্ডে লোক নেবে , গেসলে ? তখন তো বললে গেরামের লোকের কারেন্ট লাগে কীসে।”

রাগে খোঁপা খুলে মণির কোঁকড়ানো চুল ছড়িয়ে পড়েছে পিঠে। হেলমেট পরতে পরতে ব্যঙ্গের সুর টেনে বলল, “হ্যাঁ গো, গেরামে আর কারেন্ট লাগে কীসে। চাষের ডিপ টিউব ওয়েল, শ্যালো পাম্প তো বড়লোকদের ফুঁয়ে চলে। বাচ্চারা পড়ে ঘুঁটের বিজলিবাতিতে। যাও যাও।”

-“সে তুই যতোই রাগিস না কেন, আজ আমাকে নিয়ে তোকে যেতেই হবে। ইন্টারনাল ওয়ারিংয়ের কাজ। সবাই জানেনা। বসিরহাট থেকে আজ ফোন করেছিল বড় অফিসার। চাকরিটা ছেড়ে দিলেও ঠিক মনে রেখেছে। বলল, বাপি একবার আসতে পারবে, বড্ড দরকার। লাখ লাখ লোক অন্ধকারে।”

‘ইন্টারনাল ওয়ারিং !’ শব্দটা গেঁথে গেল।

তারপরই দেখলাম জল কেটে লাল স্কুটি ভোঁ করে ছুটে বেরিয়ে গেল। মনিকে দুহাতে জড়িয়ে পিছনের সিটে বাপি। মাথার উপর ফ্যানটা হঠাৎ ঘুরে উঠল আর টিউবলাইটটা জ্বলে উঠল। এই বিস্তীর্ণ ধ্বংসের মধ্যেও দুদিনের মাথায় বিদ্যুৎ এল শেষ পর্যন্ত ? ছুটে গিয়ে পাম্প চালালাম। একফোঁটা জল ছিলনা।

অলক্ষ্যে থাকা আমাদের পাড়ার বাপিদের মনে মনে কৃতজ্ঞতা জানালাম। সো প্রিভিলেজড উই আর। সমাজের প্রতিটি মানুষের ইন্টারনাল ওয়ারিংটা যদি এভাবেই ঠিক করা যেত!

PrevPreviousগল্পের নাম — হাতে হাতে হলদে রোদ
Nextনিরীহাসুরের নিজস্ব গদ্যNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

June 20, 2026 No Comments

“I love you, Papa.” Those were among the last words reportedly left behind by a young woman in Dehradun who had spent years preparing for

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

June 20, 2026 No Comments

ক্যান্সার আর দুরারোগ্য নয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ক্যান্সারকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলতে সক্ষম। তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা আর পাঁচটা রোগের চাইতে আলাদা। সাধারণত মানুষের মনে ধারণা রোগ

অ-দেশ মানুষ

June 20, 2026 No Comments

এদেশ করেছে কাঁটাতার-বার, ওদেশ ঢুকতে দেয়না, আয় বাছা বলে নথি-প্রিয় মা’রা কেউ কোলে তুলে নেয় না, পুরুষ-রমণী-শিশু নিয়ে গড়া ওই ছোটো জটলাটি, খুঁজছে খুঁজবে খুঁজেই

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 2 Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

সাম্প্রতিক পোস্ট

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

Satya Sagar June 20, 2026

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

Dr. Sayan Paul June 20, 2026

অ-দেশ মানুষ

Arya Tirtha June 20, 2026

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

633472
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]