Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামে রাজ্যের ভূতপূর্ব ড্রাগ কন্ট্রোলার

PK SARKAR
Piyali Dey Biswas

Piyali Dey Biswas

Journalist--Health worker
My Other Posts
  • December 16, 2019
  • 12:51 am
  • One Comment

তু আমাদিগের ভাষা শিখলি কেমনে বুলতো?– আশি ছুইছুই ডাক্তারবাবুকে প্রশ্ন সোনামণি সরেনের।

ডাক্তার একমনে পরীক্ষা করে যাচ্ছেন সোনামণির সঙ্গে আসা রোগীকে। ‘হু’ ছাড়া কোন উত্তরই দিলেন না সেই প্রশ্নের।

রোগী দেখা শুরু হয় সকাল ৯ টার দিকে। তারপর থেকে বসে টানা একশ থেকে দেড়শো জন রোগী তিনি নিজেই দেখেন। রোগী দেখতে দেখতে সময় কখনো শেষ দুপুর বা বিকেল পর্যন্ত গড়ায়। বেশিরভাগ রোগী আসেন ৭০ কিলোমিটার দূর থেকে কখনো বা আরো দূরের ঝাড়খন্ড থেকে।

বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের ভগবানপুরের ফুলবেড়িয়া গ্রামের আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিনের দিনলিপি এরকমই। এই এলাকায় আশেপাশে নেই কোন সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র। শহর থেকে পিচঢালা রাস্তা বয়ে ইদানিং কিছু ডাক্তারবাবু এসেছেন বটে , কিন্তু তাঁদের আস্তানা ওই এলাকার সদরগুলোতেই। প্রয়োজনের সময় তাঁদের সাড়া কমই পাওয়া যায়। গ্রামের মানুষের প্রধান ভরসার জায়গা তাই এই বুড়ো ডাক্তার বাবু, যাঁকে শীত গ্রীষ্ম বর্ষায় পাওয়া যায় স্থানীয় মানুষের অসুখে বিসুখে। আর প্রয়োজনে যিনি তাঁদের ভাষায় কথাও বলতে পারেন।

স্থানীয় মানুষের ভরসার জায়গা হলেও ডাক্তারবাবুটি কিন্তু স্থানীয় নন। সেই ২০০৭-এ কলকাতা থেকে এসে বহু পরিশ্রম ও নিজেদের অর্থে গড়ে তোলেন এই “আমাদের হাসপাতাল”। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী, যিনি কর্মজীবন শেষ করেন রাজ্য স্বাস্থ্য প্রশাসনে নার্সিং-এর দায়িত্বে।

ডাক্তারবাবু কর্মজীবনে ছিলেন মেডিকেল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ, আর জি কর মেডিকেল কলেজের ওষুধ বিজ্ঞানের শিক্ষক। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার আগে ছিলেন স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন-এর প্রধান ও একই সঙ্গে রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলার। অবসর নেওয়ার পর তিনিই পশ্চিমবঙ্গ হেলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগ দেন। কিন্তু খুব সহজেই ওই পদ তিনি ছেড়ে আসতে পেরেছিলেন সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দেবেন বলে। এখন আমাদের হাসপাতালে তিনি একমাত্র নিয়মিত চিকিৎসক।

একজন স্থায়ী চিকিৎসক হলেও আমাদের হাসপাতালে তিনি রোগী দেখার সম্পূর্ণ পরিকাঠামোকে গড়ে তুলেছেন। প্রচলিত পথের চেয়ে এখানে রোগী দেখার পদ্ধতি একটু ভিন্ন। প্রথমে রোগীর কাছ থেকে তাঁর রোগ সংক্রান্ত ইতিহাস জেনে নিয়ে তা প্রেসক্রিপশনে নথিভুক্ত করেন একজন স্বাস্থ্যকর্মী। তারপরে সেই প্রেসক্রিপশন যায় চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসক রোগসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার পর আমাদের হাসপাতাল থেকেই পাওয়া যায় জেনেরিক নামের ওষুধ। জেনেরিক নাম হওয়ায় ওষুধের দামও কম পড়ে। ওষুধের পাশাপাশি আমাদের হাসপাতালে এক্সরে, বিভিন্ন ধরনের রক্ত পরীক্ষা করা যায় ন্যূনতম অর্থমূল্যে। বেশিরভাগ পরীক্ষার রিপোর্টই একদিনের মধ্যে হাসপাতালের প্যাথলজি সেন্টার থেকে পাওয়া যায়।

এহেন পি কে সরকারের ডাকে এখন মাঝেমধ্যে এক এক জন চিকিৎসক আসেন রোগী দেখার জন্য। কিন্তু তারা কেউই নিয়মিত নন। আসলে ব্যতিক্রমী কাজে উৎসাহ দেওয়া সহজ কিন্তু ব্যতিক্রমী কাজ করা কঠিন।

কিন্তু কলকাতার ঘরবাড়ি বা সমস্ত প্রতিষ্ঠা ছেড়ে ওই প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলাকে তিনি কোনোভাবেই ব্যতিক্রমী কাজ বলতে নারাজ। তাঁর কথায় কোন ব্যতিক্রমী কাজ করার উদ্দেশ্যে তিনি এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান করেননি, করেছেন মানুষের কাজ করার জন্য। কারণ তিনি মনে করেন দেশের সাধারণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব সরকারের নেওয়া উচিত। কিন্তু সরকার যখন তা করেনি, তিনি তাঁর মতো করে প্রান্তিক এলাকার নাগরিকদের চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাঁর কথায়,” ভারতবর্ষের বেশিরভাগ মানুষ এখনো পর্যন্ত গ্রামে বসবাস করেন। অথচ এই বিপুল মানুষের কাছে কোন রকম চিকিৎসা পরিষেবাই পৌঁছায় না। ডাক্তারের অভাবে বিনা চিকিৎসায় মরে রুরাল ইন্ডিয়া। তবুও শাইনিং ইন্ডিয়ার এক বিন্দু সাইন গিয়েও পৌঁছায় না প্রান্তিক ভারতবর্ষে। একদিকে দেশ নাকি ডিজিটাল হচ্ছে, কিন্তু স্বাস্থ্য শিক্ষার মতো বেসিক পরিষেবাকে বাদ দিয়েই।” তাঁর মতে একমাত্র গ্রামের মানুষ হয়েই গ্রামের সমস্যা বোঝা যায়।

সেই কারণেই তিনি গ্রামের ছেলেমেয়েদের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ দেওয়ারও ব্যবস্থা রেখেছেন আমাদের হাসপাতালে।

PrevPreviousএটা চিকিৎসার দ্বারঃ ধর্মের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
Nextমদন মুখার্জী স্মৃতি জনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কুড়ি বছরNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Sourav Dutta
Sourav Dutta
6 years ago

আহা মন ভরে গেল। দারুণ, দারুণ

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

June 20, 2026 No Comments

“I love you, Papa.” Those were among the last words reportedly left behind by a young woman in Dehradun who had spent years preparing for

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

June 20, 2026 No Comments

ক্যান্সার আর দুরারোগ্য নয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ক্যান্সারকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলতে সক্ষম। তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা আর পাঁচটা রোগের চাইতে আলাদা। সাধারণত মানুষের মনে ধারণা রোগ

অ-দেশ মানুষ

June 20, 2026 No Comments

এদেশ করেছে কাঁটাতার-বার, ওদেশ ঢুকতে দেয়না, আয় বাছা বলে নথি-প্রিয় মা’রা কেউ কোলে তুলে নেয় না, পুরুষ-রমণী-শিশু নিয়ে গড়া ওই ছোটো জটলাটি, খুঁজছে খুঁজবে খুঁজেই

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 2 Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

সাম্প্রতিক পোস্ট

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

Satya Sagar June 20, 2026

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

Dr. Sayan Paul June 20, 2026

অ-দেশ মানুষ

Arya Tirtha June 20, 2026

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

633563
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]