Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার দিনগুলি ৫১

IMG_20200514_013741
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • July 26, 2020
  • 9:34 am
  • No Comments

কাল লকডাউনে রাস্তাঘাট ছিল শুনশান। লকডাউন সফল করার জন্য প্রশাসনকে তেমন কোন কষ্ট করতে হয়নি। মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরোয়নি।

আতঙ্কিত হওয়ার কারণও আছে। গত কয়েক সপ্তাহে মধ্যমগ্রামে করোনা রোগী প্রচুর বেড়েছে। আমার মত একজন বেসরকারি চিকিৎসকের প্রতিদিন চার- পাঁচজন রোগীর করোনা ধরা পড়ছে।

পাল্লা দিয়ে জ্বরের রোগী বাড়ছে। হঠাৎ করে এত জ্বরের রোগী বাড়ার সাথে করোনা মহামারী সম্পর্ক বোঝার জন্য জনস্বাস্থ্য বিশারদ হওয়ার দরকার নেই। প্রায় সকলকেই কোভিড- ১৯ পরীক্ষার জন্য লিখছি। করাচ্ছেন খুব অল্প মানুষই।

প্রাইভেটে কোভিড-১৯ (RT PCR) পরীক্ষার খরচ বেশ বেশি। প্রায় ২৫০০ টাকার মতো। সরকারি জায়গায় টেস্ট করার হাজার হ্যাপা। ঘোরাঘুরি করতে করতেই জ্বর কমে যাচ্ছে। তাছাড়া অনেকের মধ্যেই করোনা হলে সমাজচ্যুত হওয়ার ভয় কাজ করছে। সকলে টেস্ট করলে রোগীর সংখ্যাটা নিঃসন্দেহ কয়েক গুণ বেশি হতো।

রোগ ধরা পড়লে আরেক সমস্যা। অনেকেরই শ্বাস কষ্ট, প্রচণ্ড জ্বর থাকছে। তাঁরা ভর্তি হওয়ার জন্য এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরছেন। সব জায়গাতেই শুনতে হচ্ছে, বেড খালি নেই।

তবে এতো অন্ধকারে একটাই আশার আলো, করোনার মর্টালিটি রেট নিঃসন্দেহ খুবই কম। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় দেখছি অধিকাংশ মানুষই হোম আইসোলেশনে থাকছেন এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন।

অতএব করোনা আক্রান্ত হলেই সব শেষ এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। ভাগ্য খুব খারাপ না থাকলে আপনি বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়ে যাবেন। এবং তার জন্য হাতি ঘোড়া চিকিৎসাও কিছু লাগবে না।

যারা হোম আইসোলেশনে থাকছেন, তাঁদের মনে রাখতে হবে – তারা একটি আলাদা ঘরে থাকবেন। সবসময় একটি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে থাকবেন এবং আলাদা বাথরুম, থালা-বাসন, জামা- কাপড় ব্যবহার করবেন। বাড়িতেও অন্যান্য ব্যক্তিদের সাথে সরাসরি কথা না বলে মোবাইলে কথা বলবেন। জ্বর কমে গেলেও বা সুস্থ হয়ে উঠলেও অন্তত চৌদ্দ দিন আইসোলেশনে থাকবেন।

আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিকে কখন হসপিটালাইজেশনের দরকার হয়, তাই নিয়ে গাইডলাইন আছে। পরে তা নিয়ে বিস্তারিত লেখা যাবে। তবে করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য একটি পালস অক্সিমিটার অবশ্যই জোগাড় করতে হবে। প্রতি তিন চার ঘন্টা অন্তর অক্সিজেন স্যাচুরেশন দেখতে হবে। অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৫% এর কম হলে ভর্তির চিন্তা ভাবনা করতে হবে এবং ৯০% এর কম হলে সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

আমাদের দূর্বল স্বাস্থ্য পরিকাঠামো করোনার প্রথম ঢেউতেই টলমল করছে। এই পরিকাঠামো টিকিয়ে রাখতে গেলে অধিকাংশ রোগীকেই হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে।

মিডিয়াতে বারবার দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু গুলিকে হাইলাইট করছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে এগুলো ব্যতিক্রমী ঘটনা। অধিকাংশ মানুষই কিন্তু বাড়িতে থেকেই সুস্থ হচ্ছেন। এসময় টিভিতে খবর বেশি না দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

তবে চিকিৎসক হিসাবে রোগীকে হোম আইসোলেশনে থাকতে বলার সময় যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি সেটা হলো, অধিকাংশ রোগীর বাড়িতেই একটি বা দুটি ঘর। রোগীকে আলাদা ঘরে রাখা প্রায় অসম্ভব। তাছাড়া গোটা বাড়িতে একটাই বাথরুম।

মধ্যমগ্রাম অঞ্চলে এরকম রোগীদের জন্য একটি সেফ হোম থাকলে হয়তো সমস্যা কিছুটা মিটতো। নিম্নবিত্ত ও নিম্ন- মধ্যবিত্ত রোগীরা সেখানে থাকতে পারতেন। সরকারি উদ্যোগ ছাড়া সেফ হোম চালু প্রায় অসম্ভব।

সম্ভবত ভ্যাক্সিন বাজারে আসার আগেই এ অঞ্চলে প্রায় সকলেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাবো। তাছাড়া RNA ভাইরাসের ভ্যাক্সিন কতটা কার্যকরী হবে তাও এখনো বলা মুশকিল। তাই নিজের ইমিউনিটি ও মাস্ক, হাত ধোওয়া এবং শারীরিক দূরত্ব রক্ষার উপরই আপাতত আমাদের ভরসা করতে হবে। দু’বেলা পুষ্টিকর খাবারের সাথে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

যদিও দেশের অধিকাংশ মানুষের পক্ষে দু’বেলা পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা অসম্ভব। দীর্ঘ দিনের লকডাউন তাঁদের অর্থনৈতিক ভাবে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিয়েছে।

PrevPreviousCorona Pandemic and the State Dilemma (Part -2)
Nextসবুজ আর সবুজেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

June 15, 2026 No Comments

কোন একটা হিন্দি সিনেমার একটা দৃশ্য মনে পড়ল। খোলা গর্তের পাশে দাঁড়িয়ে এক মাতাল গর্তের দিকে আঙুল তুলে জড়ানো গলায় বলছে – পঁচ্‌চিশ, পঁচ্‌চিশ… কোনও

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বর্তমান ভূত

June 14, 2026 No Comments

তুমি ভেবেছিলে কালজয়ী হবে ঠিক চোখ খুলে দেখো সড়ক নরক ভালো মানুষের লেগেছে মড়ক কাকে দেবে শত ধিক? গুণী জন ছিল পায়ের তলায় কাকে কাকে

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

June 14, 2026 No Comments

রাতে ফেরার সময় দেখলাম ঢাকুরিয়া এবং বাঘাযতীন স্টেশনের ছোট দোকানদারদের (‘হকার’ শব্দটা ব্যবহার করলাম না) মধ্যে চাপা উত্তেজনা এবং বেশ খানিকটা ভয়। এঁদের কয়েকজনের সঙ্গে

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত কর্মসূচী।

সাম্প্রতিক পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

Dr. Bishan Basu June 15, 2026

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

Abhaya Mancha June 14, 2026

বর্তমান ভূত

Shila Chakraborty June 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

Dr. Koushik Dutta June 14, 2026

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

Abhaya Mancha June 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631294
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]