Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ছোট্ট ঘটনা

IMG_20200817_193050
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • August 18, 2020
  • 9:43 am
  • 2 Comments

১

দুপুর সাড়ে তিনটে বাজে। সবে অপারেশন শেষ হল। এখন আর লাঞ্চ করতে ভালো লাগছে না। সমরজিৎ এক কাপ চা নিয়ে প্রথম পেশেন্টকে ডাকতে বলল। এখন ষোলো জন পেশেন্টকে দেখে ইভনিং রাউন্ড দিয়ে তবে ছুটি। ক’টা বাজবে কে জানে!

দরজাটা আস্তে করে খুলে গেল। পেশেন্ট নয়, মার্কেটিং-এর সুদীপ। মিচকে বদমাইশ।

– ‘দীপিকা ম্যাডাম একজন ভি আই পি পেশেন্ট পাঠিয়েছেন। একটু দেখে দিতে হবে।’

– ‘পাঠাও। কিন্তু ভিআইপি টা কে?’

-‘আনমিতা মিত্র। নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই। বিখ্যাত গায়িকা।’

ভেতরে এলেন বিখ্যাত গায়িকা আনমিতা। সুন্দর পারফিউমের গন্ধে ভরে গেল ঘর। হাসপাতালে এলেও এদের এত পারফিউম লাগাতে হয়!

-‘বলুন, কি সমস্যা?’

-‘সমস্যা তো আপনাকে তৈরী করতে হবে ডক্টর সেন। আমার আপাততঃ একটা সার্টিফিকেট দরকার। আনফিট সার্টিফিকেট।’

-‘বুঝলাম না।’

-‘আর বলবেন না, ফেঁসে গেছি।‌ সেই ফেব্রুয়ারিতে কন্ট্র্যাক্ট সাইন করেছিলাম- আমস্টারডাম ফেস্টিভ্যালে গাইব।’

– ‘যান, ঘুরে আসুন। আমস্টারডাম তো খুব সুন্দর জায়গা।’

-‘গেলে তো ভালোই হত। কিন্তু ওই সময় ভাই-এর বিয়ে পড়েছে। যেতে পারব না।’

-‘ও।’

-‘এখন আপনারা ভরসা।’

-‘ঠিক বুঝলাম না।’

-‘আপনি একটা আনফিট ফর ট্রাভেল সার্টিফিকেট না দিলে আমাকে কন্ট্র্যাক্ট ক্যানসেল করার জন্য কু-ড়ি হাজার ইউরো কম্পেনশেসন দিতে হবে। একটু করে দিন না, প্লিজ।’ ন্যাকামির সুরে বললেন আনমিতা মিত্র।

-‘কিন্তু আমি কি করে আনফিট সার্টিফিকেট দেবো? আপনার তো কোনো মেজর সমস্যা নেই বলছেন।’

-‘যা হোক একটা লিখে দিন না! অকারণে কুড়ি হাজার ইউরো এখন আমি দিতে পারব না, ডক্টর সেন।’

একটা গানের সিডি ব্যাগ থেকে টেবিলের উপরে রাখলেন মিস মিত্র।

-‘দেখুন ম্যাডাম, আপনি আমার পেশেন্ট নন। তাছাড়া আমি কাউকেই ফলস্ মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দিই না।’

-‘কিন্তু দীপিকা বলল যে, আপনি….’

-‘না ম্যাডাম। আমি নিয়মের বাইরে যেতে পারব না।’

-‘ওঃ! ঠিক আছে। চলি। গানগুলো শুনবেন।’

খিঁচড়ে যাওয়া মেজাজ নিয়ে পরের পেশেন্টদের দেখে হাসপাতাল ছেড়ে বেরোলো সমরজিৎ। মাথাটা ঝিম ধরে আছে। দীপিকা মুখার্জীর ক্যাচ্। এর এফেক্ট খুব খারাপ হবে।

পরদিন হাসপাতালে যেতেই সুদীপা রিসেপশন থেকে বলল,- ‘আপনার রুমটা চারতলায় করে দেওয়া হয়েছে স্যার।’

-‘সে কি! চারতলায় অর্থোপেডিক পেশেন্ট কি করে উঠবে?’

-‘তা জানি না স্যার। সুপারের অর্ডার।’

-‘ও কে।’

এর তিনমাস বাদে বাইপাসের ধারের ওই হাসপাতাল ছেড়ে দেয় সমরজিৎ।

২
বাইপাসের ধারের এক বড় হাসপাতাল। সৌমেন, মানে ডাঃ সৌমেন পালের চেম্বার নতুন বিল্ডিং-এর দোতলায়। কাঁচের বড় জানলা দিয়ে নীচেটা দেখা যায়। উল্টো দিকের চেয়ারে বসে আছে যে ভদ্রলোক তিনি স্কুলটীচার। জন্মগতভাবে পঙ্গু ছেলের অপারেশন হয়েছে চারদিন আগে। ডাঃ সৌমেন পাল করেছেন। সাত বছরের ছেলেটা ভালোই আছে। এত বছর বাদে এবার দাঁড়াতে পারবে সে!

ভদ্রলোক এক তাড়া কাগজ এগিয়ে দিলেন ডাঃ পালের দিকে।

-‘ডাক্তারবাবু কিছু একটা করুন। কি করে এই বিল মেটাবো আমি?’

দ্রুত কাগজগুলোয় চোখ বুলিয়ে নিলেন ডাঃ পাল।

-‘এত কি করে হল? দাঁড়ান দেখছি।’

– ‘আপনি তো বলেছিলেন দু-আড়াই লাখ টাকার আসেপাশে খরচ হবে। সেখান তিন লাখ কুড়ি হাজার!’

– ‘কিন্তু অপারেশন তো ভালো হয়েছে। ছেলে তো আপনার ভালোই আছে! তাছাড়া আমার চার্জ তো যা বলেছিলাম, তাই-ই এসেছে- পনের হাজার।’

– ‘ আপনার চার্জ নিয়ে আমার কিছু বলার নেই স্যার। আপনি আমার ভগবান। কলকাতায় আপনি ছাড়া আর কেউ এই অপারেশন করতে রাজীই হয়নি। আপনার বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগই নেই।’

দুহাত জোড়া করে প্রণামের ভঙ্গী করলেন ভদ্রলোক।

ইন্টারকম ডায়াল করে হাসপাতালের সুপারকে কি সব বললেন ডাঃ পাল।

-‘ঠিক আছে যান। আড়াই লাখ টাকায় হয়ে যাবে।’

-‘আবার বলছি, আপনি নেক্সট টু গড। ভগবান আপনার ভাল করুন।’

প্রনাম ঠুকে বিদায় নিলেন ভদ্রলোক।

সেই থেকে পরের আটমাস ডাঃ পালের মাইনে থেকে প্রতি মাসে দশ হাজার টাকা করে কেটে নেয় হাসপাতাল। জটিল অপারেশন করতে গিয়ে হিরো সাজার গেরো।

৩
দীপান্বিতা-র ছেলে প্রদীপ্ত-র আজ ছুটি হবে। দীপান্বিতা মুকুন্দপুরের এই হাসপাতালেই চোখের ডাক্তার। প্রদীপ্ত ডেঙ্গু হয়ে গত দশদিন প্রমিত-দার আন্ডারে ভর্তি।

ইনসিওরেন্স থেকে ক্লিয়ারেন্স এখনো এল না! অথচ গতকাল সন্ধ্যায় ডিসচার্জ লিখে গেছে আর এম ও। ছেলেটা বাড়ি যাওয়ার জন্য ছটফট করছে। আর পারছে না! বার বার ওয়ার্ড থেকে ফোন করছে।

দীপান্বিতার পেশেন্ট দেখাও এখনো হল না। হঠাৎ দরজা ঠেলে তনিমা ঘরে ঢুকল। তনিমা ওর অপটোমেট্রিস্ট।

-‘বিলিং সেকশন থেকে ফোন করেছিল, ম্যাডাম। ইনসিওরেন্স ক্লিয়ার করেছে। তবে….’

-‘তবে কি?’

-‘আঠাশ হাজার টাকা পে করতে হবে। ওটা ইনসিওরেন্স দেয় নি।’

-‘ঠিক আছে। কার্ডে করে দেব।’

পেশেন্ট শেষ করে বিলিং এর সন্দীপকে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের কার্ডটা দেয় দীপান্বিতা।

– ‘কার্ডটা কাজ করছে না, ম্যাডাম।’

তারপর ষ্টেট ব্যাঙ্কের কার্ডটাও কাজ করল না। কি যে হয়েছে আজ, কে জানে? সঙ্গে অত ক্যাশ কোথায়!

এমার্জেন্সির জন্য দশ হাজার নিয়ে এসেছিল সে। আঠেরো হাজার টাকা আনতে আবার গাড়ি চালিয়ে বালিগঞ্জের বাড়িতে যায় দীপান্বিতা। টাকা না পেলে হাসপাতাল প্রদীপ্তকে ছাড়বে না যে!

PrevPreviousবিল
Nextফ্রেডরিক গ্রান্ট বান্টিঙঃ কর্ম ও জীবন- পর্ব ১৩Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Smriti Basu
Smriti Basu
5 years ago

আমরা যারা NGO workers, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাড়ি বাড়ি ঘুরে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজের কাজের সাথে যুক্ত, বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শুনে তার সমাধানের উপায় খুঁজে দেবার চেষ্টা করি, রোদ, জল উপেক্ষা করে তারা মাস গেলে 6/7 হাজার হাতে পাই তাও অনেক সময় মানুষের জন্য খরচ হয়ে যায়। কিন্তু আমরা যেটা পাই তা হল মানষিক শান্তি, টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না। আপনারা কেবল আপনারা ই পারেন ছোটবেলায় পড়া লাইনটি সকল মানুষের মনে ফিরিয়ে আনতে। ডাক্তার হলেন সমাজ বন্ধু। ডাক্তারি কোনো লোভনীয় পেশা নয়, একটু অন্য ধরনের পেশা। চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাবসা নয়, সেবা। এটা আপনারাই পারেন ব্যাবসাদারদের বুঝিয়ে দিতে। আমরা রয়েছি আপনাদের সাথে।

0
Reply
Anindya Naha
Anindya Naha
5 years ago

সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অনেকক্ষেত্রেই প্রয়োজনের তুলনায় ডাক্তারবাবুদের সংখ্যা অপ্রতুল।
তাই বাণিজ্যিক বেসরকারি হাসপাতালগুলির এই জঘন্য মানসিকতার প্রতিবাদস্বরূপ বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারবাবুদের অনুরোধ জানাই সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় যোগদান করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

April 30, 2026 No Comments

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

Doctors' Dialogue April 30, 2026

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620030
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]