Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

রায়গঞ্জের সুকুমার ও এক নীরব কৃষি বিপ্লব

cover 27
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • August 27, 2025
  • 8:01 am
  • 3 Comments

এমন সব মন ভালো করা খবর নিয়ে মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার সামান্যতম আগ্রহ নেই। আর তাদের‌ই বা খামোখা দোষ দিই কেন? সংবাদমাধ্যম সেই সব খবর‌ই পরিবেশন করে যা পাবলিক সহজে খায়। আর তাই সংবাদমাধ্যম জুড়ে এখন বিকৃত জীবনের খণ্ডচিত্র তুলে ধরা হয় নানান রসে চুবিয়ে। সামাজিক অভিরুচির চরম অধঃপতনের এ এক মানক। উত্তর দিনাজপুরের এক নীরব কৃষি বিপ্লবের কথা প্রথম জানি জেলার অনামা স্থানীয় এক পত্রিকার পাতা থেকে। খুব ভালো লাগে খবরটি। সেই খবর‌ই একটু বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হলো আপনাদের জন্য। পড়ুন ও পড়ান।এক আশ্চর্য নীরব মন্ত্রসাধনার সমশরিক হোন। আমাদের হেঁসেলের অন্যতম পরিচিত মশলা হলো তেজপাতা। তবে শুধু ভারতীয় রান্নাঘরেই এর অধিষ্ঠান, এমনটা নয়। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই পাতাটি অত্যন্ত আদৃত তার ভেষজ গুণাবলীর জন্য। আদতে লরেল প্রজাতির এই গাছটির আদি নিবাস হলো ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলে। সেখানকার Laurus nobilis কী করে আমাদের দেশে এসে জেঁকে বসলো সে এক অন্য কাহিনি। ছিমছাম চিকন গড়নের পাতায় ভরা লরেল প্রজাতির গাছটি নাতিশীতোষ্ণ চিরহরিৎ প্রজাতির, অর্থাৎ সারাবছরই সবুজ পাতায় ঢাকা থাকে তার মাঝারি গড়নের শাখা কাঠামোটি। পাতা শুকিয়ে গেলেই আসলে তার কদর বাড়ে, হেঁসেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় কাড়াকাড়ি।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা ভূমধ্যসাগরীয় তেজপাতা গাছ ছাড়াও আরও পাঁচ ধরনের তেজপাতা গাছের খোঁজ পেয়েছেন পৃথিবীর নানান প্রান্তে। মূলত আর্দ্রতা যুক্ত উপকূলীয় জলবায়ু আংশিক ছায়া এবং খুব ভালো জল নির্গমন ব্যবস্থা বিশিষ্ট বেলে দোআঁশ মাটিতে এই গাছ ভালো হয়। এমন সুবিধা থাকায় – পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ , ইন্দোনেশিয়া ,  ভারতবর্ষ , ক্যালিফোর্নিয়া এবং মেক্সিকোতেও এই তেজপাতা গাছের দেখা পাওয়া যায়।

আয়ুর্বেদিক ভেষজ গুণাবলীর জন্য আমাদের দেশে এই তেজপাতা গাছের কদর অনেকদিনের। ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে উত্তরাখণ্ড সবথেকে বেশি পরিমাণে তেজপাতা উৎপাদন করে। তারপর একে একে জায়গা করে নিয়েছে কেরালা, কর্ণাটক সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলো। এই তালিকায় আমাদের বাংলার ঠাঁই অনেক পেছনে ছিল। কিন্তু সম্প্রতি আমাদের রাজ্যের চমকপ্রদ উন্নতি ঘটেছে এই তেজপাতা উৎপাদন ও রপ্তানির ক্ষেত্রে। সেই উত্থানের কথা শোনাতেই আজ হাজির হয়েছি।আজ থেকে প্রায় দু দশক আগের কথা। উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের অন্তর্গত লখিপুর গ্রামের কৃষক শ্রী সুকুমার বর্মন মশাই ঠিক করলেন প্রথাগতভাবে ধান,গম এবং সর্ষের চাষ ছেড়ে নতুন করে তেজপাতা গাছের চাষ শুরু করবেন। সুকুমারের এই নিয়মভাঙা সিদ্ধান্ত অনেককেই বিস্মিত করেছিল। কয়েক পুরুষ ধরে যে কৃষি সংস্কৃতি একটু একটু করে বরেন্দ্রভূমির অন্তর্গত দিনাজপুরে গড়ে উঠেছে তাকে পাশ কাটিয়ে এমন পরীক্ষা নিরীক্ষা কতটা সফলতা অর্জন করবে তাই নিয়ে সকলের মতো সুকুমার‌ও খানিকটা সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু আজ উত্তরবঙ্গের মাটিতে তেজপাতা গাছের চাষের ক্ষেত্রে পথিকৃৎ হিসেবে মান্যতা পেয়েছে সুকুমার বর্মনের প্রচেষ্টা। এই মুহূর্তে তাঁর ৬৫০ টি গাছ থেকে বছরে ৮০- ৯০ কুইন্টাল তেজপাতা উৎপাদন হয়েছে যা বাজারজাত করে তিনি বছরপিছু ৫০০০০০ টাকা করে আয় করছেন। প্রথাগত ফসল উৎপাদন করে কখনোই এমন আয়ের সুযোগ ছিলনা।

সুকুমারের সাফল্যের কথা ছড়িয়ে পড়েছে জেলার অন্যান্য অঞ্চলে। রায়গঞ্জ ব্লকের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে হেমতাবাদ , কালিয়াগঞ্জ এবং ইসলামপুর ব্লকের কৃষকরাও তেজপাতার মতো জনপ্রিয় মশলা চাষে ক্রমশই আগ্রহী হয়ে উঠেছে। পাশের জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমান্ডি ব্লকের কৃষকরাও আজ অনুপ্রাণিত হয়ে উঠেছে। চাষের এলাকার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে তেজপাতা উৎপাদনে দ্রুত সর্বভারতীয় মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। এই সাফল্যের জন্য আমরা গর্বিত।

আইলো রে আজ নতুন দিনের আলো

উত্তর দিনাজপুর জেলার এই সাফল্য কেবলমাত্র তেজপাতা উৎপাদনেই সীমিত নেই, তা আজ জেলার আর্থিক বিকাশ তথা এলাকার গ্রামীণ মহিলাদের স্বনির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সুকুমার বর্মনের প্রচেষ্টা নিছক গ্রামীণ কৃষির স্থানান্তরেই আটকে থাকেনি তা আজ বার্ষিক ৪০০ কোটি টাকার ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। সবথেকে আনন্দের খবর হলো ,এই সাফল্যের কেন্দ্রে রয়েছেন এলাকার সাধারণ ঘরের মহিলারা।

আজ থেকে মাত্র দু দশক আগে ভারতের অগ্রণী তেজপাতা উৎপাদনকারী রাজ্যগুলোর তালিকায় নাম না থাকা একটি রাজ্যের এভাবে শিরনামে উঠে আসা সত্যিই আমাদের বিস্মিত করে। নতুন করে প্রমাণ করে চাষীর ছেলে চাষী হলে ক্ষতি নেই। মশলা বাজারে কুইন্টাল পিছু ৫০০০ টাকা দরে বিকিয়ে যায় দিনাজপুরের তেজপাতা। কৃষকদের আয় বেড়ে যাবার থেকেও বড়ো খবর গ্রামের সাধারণ মহিলারা আজ নিজেদের পায়ে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। স্বাবলম্বনের এই কাহিনি আজ রূপকথার গল্পের মতো মুখে মুখে ফিরছে। পাশাপাশি নারী- পুরুষের যৌথ কর্ম প্রয়াসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই তেজপাতা উৎপাদন।

গ্রামের পুরুষদের কাজ হলো গাছের পরিচর্যা করা এবং যথাসময়ে গাছ থেকে পাতা পাড়া। এর পরেই মাঠে নেমে পড়েন মহিলারা। তাঁদের কাজ হলো নিখুঁত পাতাগুলোকে ডাল থেকে ছাড়িয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া। এই কাজটি করতে হয় কঠোর তদারকিতে। কোয়ালিটির সঙ্গে কোনো আপোষ করতে রাজি নয় উৎপাদনকারীরা।স্থানীয় তেজপাতা ব্যবসায়ী শুকদেব সরকারের কথায়, – এই মুহূর্তে উত্তর দিনাজপুরের ৮০% কৃষক তেজপাতা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত এবং ৬৪% মহিলা পাতা ছাড়ানো ও পাতা শুকিয়ে বস্তাবন্দি করার কাজ করছেন। আমার কাছে কাজ করেন ২৫ জন মহিলা যাঁরা গৃহবধূ হলেও পাতা বাছাই করার কাজে অত্যন্ত দক্ষ। দিন পিছু ১০০ টাকা মজুরিতে কাজ করেন মহিলারা। এই কাজের মাধ্যমে রোজগার তাঁদের পারিবারিক আয়কে বাড়াতে পেরেছে বেশ খানিকটা। আর এতেই খুশি প্রমীলা বাহিনী।

কথা হচ্ছিল মহিলা শ্রমিক আলো রায়ের সঙ্গে। বছর তিরিশের যুবতী গৃহবধূ। তাঁর কাছে এই আয়ের বিষয়টি একাধারে অস্মিতা ও স্বাধীকারের বিষয় । আজ তিন বছর ধরে আলো এই কাজ করছেন। আর এই সময়ের মধ্যেই পাতা ছাড়ানোর কাজে বিশেষ ধরনের দক্ষতা অর্জন করেছেন তিনি। আলোর মতে,– আপাতদৃষ্টিতে কাজটাকে খুব সহজ বলে মনে হয়, কিন্তু খুব দ্রুততার সঙ্গে কাজটা করতে চাই তীক্ষ্ণ নজর আর দক্ষতা। অনেকটাই চা বাগানের মহিলা প্লাকার্সদের মতো। আলোর কাজের সময় শুরু হয় ঠিক সকাল ৯ টায়।চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই ৮ ঘন্টায় আলো ৪৫- ৫০ কিলোগ্রাম পাতা ছাড়াতে পারেন। এখানে দুটি ভাগে মজুরি ভাগ করা হয় – ডাল থেকে পাতা ছাড়ানোর জন্য পাওয়া যায় কে জি পিছু ৩ টাকা, আর পাতা বাছাইয়ের জন্য মজুরি মেলে কে জি প্রতি ৪.৫০ টাকা। দু ধরনের কাজেই আলোর দক্ষতা প্রশ্নাতীত।

সুকুমারের সাফল্যের সূত্রে আজ এক নতুন জীবনের স্বাদ পেয়েছেন আলো রায়ের মতো অনেক মহিলা যাঁরা একসময় কৃষি অর্থনীতির গ্রীন রুমে নেপথ্য কুশীলব হিসেবে অপেক্ষা করে থাকতেন । আজ আলোর মতো নেপথ্যচারিণীরাই অর্থনীতির মূল মঞ্চে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এটাই বিপ্লব, পরিবর্তনের দিশারী।

তেজপাতার হাত ধরে তেজিয়ান দিনাজপুরের অর্থনীতি

নানান ভেষজগুণ সম্পন্ন তেজপাতা আজ বলবর্ধক টনিকের মতো তেজিয়ান করেছে উত্তর দিনাজপুরের কৃষি অর্থনীতিকে। এমনিতেই উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোর অর্থনীতি দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় খানিকটা কমজোরী। আজ তেজপাতার হাত ধরে সেই ধীরে চলা অর্থনৈতিক কাঠামো নতুন করে চেগে উঠেছে। তবে এতেই খুশি নন স্থানীয় কৃষক ও কৃষিপণ্য বিপণনের সঙ্গে নিবিড় ভাবে জড়িয়ে থাকা মানুষেরা। তাঁদের আক্ষেপ ৪০০ কোটি টাকা লেনদেনের পরেও এই কৃষিব্যবসাটি এক দুর্বল পরিকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বৃক্ষ ফসল হবার কারণে তেজপাতা গাছের রক্ষণাবেক্ষণ ও যত্ন আত্তির ঝুঁকি অনেকটাই কম। এই কারণে আরও বেশি সংখ্যক ছোট ও মাঝারি চাষিরা তেজপাতা গাছের প্রতিপালনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এটা সুলক্ষণ সন্দেহ নেই।

সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি জেলার হর্টিকালচার অফিসার ও জেলা হর্টিকালচার বিভাগের সহকারী ডিরেক্টর সন্দীপ মহান্তর কথাতেও ঝরে পড়েছে খানিকটা হতাশার সুর। তাঁর আক্ষেপ,২০২০ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে জেলায় তেজপাতার উৎপাদন বাড়ছে। বাড়ছে তেজপাতা গাছের চাষের এলাকা। কিন্তু তৎসত্ত্বেও এই ব্যবসার ক্ষেত্রটি অসংগঠিত শিল্প হিসেবেই পরিচিত। এই বিষয়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান তিনি।

মহান্ত সাহেব চান গোটা বিষয়টিকে একটা সংহত রূপ দিতে যাতে তেজপাতা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত সকলেই সমানভাবে লাভবান হতে পারেন। এই মুহূর্তে প্রায় ১০০০০ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে তেজপাতার চাষ ও প্রাথমিক প্রসেসিং এর সঙ্গে যুক্ত আছেন। জেলার হেমতাবাদ ব্লকে তেজপাতা গাছের চাষ সবথেকে বেশি।মহান্ত সাহেবের মতে, “এই চাষে ঝুঁকি কম, নিয়মিত তীক্ষ্ণ নজরদারির প্রয়োজন নেই। সবথেকে বড়ো কথা হল এই চাষে জলের চাহিদা কম। এইসব কারণেই এলাকায় তেজপাতা গাছের চাষ বাড়ছে।”

সোনালী স্বপ্নের অন্বেষনে তেজপাতা গাছের চাষ

তেজপাতা গাছের চাষ উত্তর দিনাজপুরের এতোদিনের চেনা কৃষি উৎপাদনের চরিত্রে লক্ষনীয় পরিবর্তন এনেছে। সুকুমার বর্মনের মতো প্রগতিশীল কৃষকেরা ঐ একই জমি থেকে বাড়তি আয়ের লক্ষ্যে একাধিক সাথী ফসল চাষ করছেন সুবিধা মতো। এতে করে সুস্থিত যাপনের সুযোগ অনেকটাই বেড়েছে। সঙ্গে বেড়েছে জমি কেন্দ্রিক ব্যস্ততা। এতে খুশি সকলেই। সকলেই বলছেন খেলা আসলে বদলেছে এই তেজপাতা গাছ। এই গাছ‌ই হল আসল Game Changer.

সুকুমার কথায় কথায় জানান – একদম শুরুতে আমি কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম তেজপাতা গাছের চাষের সাফল্য নিয়ে। বুঝে উঠতে সময় লাগবে জেনেই আমি সবুর করেছি। আমাদের দেশে তিন ধরনের তেজপাতা গাছের চাষ হয় – বেঙ্গল ভ্যারাইটি, ব্যাঙ্গালুরু ভ্যারাইটি এবং শিলং ভ্যারাইটি। আমি ব্যাঙ্গালুরু ভ্যারাইটির গাছ বসিয়েছি, কেননা এই ধরনের গাছ থেকে অনেক বেশি পরিমাণে পাতা পাওয়া যায়। আমাদের এখানে সহজেই মানিয়ে নিতে পারে এই প্রজাতির গাছেরা।দু বছরের মধ্যেই পাতা কাটার মতো উপযুক্ত হয়ে যায়, আর এক নাগাড়ে ২৫ বছরের মতো পাতা দিতে পারে। বছরে দুইবার করে পাতা কাটা হয়। প্রতিবারে সর্বাধিক ২৫ কিলোর মতো পাতা পাওয়া যায় এক একটি গাছ থেকে।

আজকাল বাগান দাদনে দিয়ে দেন চাষিরা। ব্যবসায়ীদের হাতে একবারে তিন বছরের জন্য লিজ দিয়ে দেন চাষিরা। ইজারাদার এই তিন বছর বাগানের ভালো মন্দের দায়িত্বে থাকেন নির্দিষ্ট ইজারাদার। বিনিময়ে জমির মালিক কৃষক পান থোক টাকা। এরফলে এখন আরও নিশ্চিন্ত মনে থাকেন বাগান মালিক কৃষকেরা। এই নিশ্চিত যাপন‌ই উত্তর দিনাজপুরের কৃষি অর্থনীতিকে এক শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। বিকাশের নতুন অর্থ খুঁজে পেয়েছেন মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষেরা।এর থেকে বড়ো সাফল্য আর কি বা হতে পারে!

আগস্ট ২৫,২০২৫

PrevPreviousনতুন করে লেখা হোক, ‘তোমার জীবনের লক্ষ‍্য কী’ রচনা
Nextএই সহজ সাহসই হয়তো আমাদের শেষ আশা, ঘুরে দাঁড়ানোর!Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
9 months ago

মন ভালো করা খবর।লেখককে অনেক ধন্যবাদ এমন সব খবর পরিবেশনের জন্য। অক্ষয় হোক আপনার লেখনী।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
9 months ago

এতোদিন ছিপ ফেলে বসেছিলাম যদি কেউ বড়শিতে ঠোক্কর দেয়। সকলেই ব্যস্ত। অথচ এমন সব মানুষ, এমনসব ইতিবাচক প্রয়াসগুলোর কথা সকলের সামনে তুলে না ধরলে নিজেকেই নিজে অপরাধী মনে করছিলাম। এমন খবর আছে। অনেক অনেক আছে। চেষ্টা থাকবে সেগুলো সাধ্যমত তুলে ধরার। আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ভালো পাঠক কোথায়?

0
Reply
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
9 months ago

পাঠকদের মধ্যে ভালো লেখা পড়ার মানসিকতা না গড়ে উঠলে এমন প্রয়াস চালিয়ে যাওয়া সত্যিই কঠিন। আমরা পাকে বাঁধা পড়ে যাচ্ছি না তো! তেজপাতার তেজেও পাঠকদের হুঁশ না ফিরলে তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

June 13, 2026 No Comments

অভয়া আন্দোলনে আমাদের দিক থেকে যে দশদফা দাবিকে সূচিমুখ করে আমরা লড়াই চালিয়েছিলাম এবং যে দাবিগুলির সাথে আপামর বাংলার জনগণ সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

June 13, 2026 No Comments

২০২৬-এর ফুটবল বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়ছে। একে একে সমস্ত দেশের খেলোয়ারেরা এবং তাদের কর্মকর্তারা হাজির হচ্ছেন প্রধানত আমেরিকায় কিংবা মেক্সিকো বা কানাডায় – যে দেশে

বিচারহীনতার বিরুদ্ধে অভয়া মঞ্চের আপসহীন লড়াই

June 12, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অভয়া মঞ্চের আহ্বায়জ তমোনাশ চৌধুরীর বক্তব্য।

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা

June 12, 2026 No Comments

৯/৬/২০২৬ আমরা সবাই জানি অভয়ার খুন-ধর্ষনের মামলায় নতুন SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। অভয়া মামলা আবার এসেছে সংবাদ পত্রের হেডলাইনে, ন্যায়বিচারের আশা আবার

নিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?

June 12, 2026 No Comments

ফের এ বছরেও চিকিৎসাবিদ্যায় ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট ইউজি-র প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটল। এই বছরে নিয়ে গত পাঁচ বছরে চতুর্থবার। এর জন্য প্রশ্ন তৈরি করে

সাম্প্রতিক পোস্ট

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

West Bengal Junior Doctors Front June 13, 2026

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

Dr. Jayanta Bhattacharya June 13, 2026

বিচারহীনতার বিরুদ্ধে অভয়া মঞ্চের আপসহীন লড়াই

Abhaya Mancha June 12, 2026

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা

West Bengal Junior Doctors Front June 12, 2026

নিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?

Parichay Gupta June 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

630549
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]