Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

শেষদিন শ্মশানে

Screenshot_2023-08-26-20-59-12-63_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Promod Ranjan

Dr. Promod Ranjan

Anaesthetist and Musician
My Other Posts
  • August 27, 2023
  • 8:09 am
  • No Comments
ঘন্টা ছয় হল আমি মারা গেছি। এমনিতে রোগব্যাধি বলতে বিশেষ কিছু ছিল না, কিন্তু সিগারেটটা একটু বেশিই খাওয়া হয়ে যেত। গত একবছরে চারবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে আই.সি.ইউ. তে ভর্তি হয়েছিলাম। এইবার আর উতরে যাওয়া হল না। তবে শেষ দুইদিন ভেন্টিলেটরে প্রাণভরে শ্বাস নিয়েছি।
হাসপাতালের যাবতীয় ফর্মালিটি মিটে যাওয়ার পর বাড়ীতে ঘন্টা দেড়েকের জন্য ঢুকেছিলাম। শ্বেতবস্ত্র-তুলসীপাতা-ফুল-চন্দন-ধূপধূনো দিয়ে নিতান্তই অনাড়ম্বরের মধ্যে আমার দেহটি তোলা হল পৌরসভার শববাহী গাড়ীতে। সামনে দুইজন আর পেছনে জনাচারেক বন্ধু-পরিজন শ্মশানযাত্রায় সঙ্গী হলেন আমার। হরিনামের সাথে খই ছড়াতে ছড়াতে এগিয়ে চলল আমার গাড়ী। পেছনে ফেলে রেখে এলাম বাড়ী-লাগোয়া আমার সাধের চেম্বারটি। আর কোনদিন সেখানে রোগী আসবে না। কারণ, আমার পরের প্রজন্ম মেডিক্যাল এন্ট্রান্স দেওয়ার দুঃসাহস দেখাতে পারে নি।
মহাশ্মশানে পৌঁছেই চক্ষু চড়কগাছ! বেঁচে থাকতে ব্যাংকে পুরনো টাকা জমা দেওয়ার লাইন, এ.টি.এম. এ নতুন টাকা তোলার লাইন, আধার কার্ডের লাইন, এল.পি.জি. ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে কে.ওয়াই.সি. ফর্ম জমা দেওয়ার লাইন….. লাইনে লাইনেই জেরবার হয়েছি। এখন শ্মশানেও দেখছি পোড়ার জন্য লাইন। শালা মরেও শান্তি নেই!
হঠাৎ সমস্বরে ‘বল-হরি হরি-বোল’, ‘বিদায় অগ্নিপুরুষ’, ‘মন্ত্রীজী অমর রহেঁ’ ইত্যাদি নানা স্লোগান কানে এলো। একটা রাজকীয় ‘স্বর্গরথ’ এসে থামল আমার ধ্যাড়ধেড়ে গাড়ীর ঠিক পাশেই। পেছনে গোটা দশেক লালবাতি গাড়ী, দলীয় পতাকা লাগানো কয়েকশো বাইক, মিডিয়াভ্যান, সাংবাদিক, আলোকচিত্রী। পুলিশ হিমশিম খাচ্ছে জনগণের ভিড় সামলাতে। এ আবার কে ঢুকলো রে বাবা! ইচ্ছে হল মাথাটা তুলে একবার দেখি। কিন্তু মনে পড়ে গেল আমি তো মরে গেছি! পাছে শ্মশানবন্ধুরা ভূত ভেবে ভয় পায় তাই আর মাথা নড়ানোর চেষ্টা করলাম না। কাঁচের ভেতর থেকে শুধু আড়চোখে একবার দেখার চেষ্টা করলাম। কিন্তু পুষ্পস্তবকের পাহাড়ে মুখখানি ভালো করে দেখা গেল না। শুধু একটা প্ল্যাকার্ড চোখে পড়ল….. তাতে লেখা আছে “জনদরদী মন্ত্রী স্বর্গীয় ডাঃ অতনু সেনের আত্মার শান্তি কামনা করি।”
আরে! এ তো আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অতনুদা! শেষে কিনা একই দিনে, একই শ্মশানে! খবরে শুনেছিলাম অতনুদার শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। কিন্তু কখনও দেখা করা বা ফোন করা হয়ে ওঠে নি। সে অবকাশও অবশ্য ছিল না। অতনুদা আর আমার মুখ দেখাদেখি বন্ধ আজ প্রায় বিশ বছর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অতনু দা আমাদের মতো অতি সাধারণ ডাক্তারদের একদমই পাত্তা দিত না।
পঞ্চাশ বছর আগে অবশ্য সম্পর্কটা এমন ছিল না। অতনুদা ছিল আমার কলেজের ছাত্র, দুবছরের সিনিয়র। আশির দশকের শেষদিকের দিনগুলো আজও ঝাপসা ঝাপসা মনে পড়ে। ছাত্ররাজনীতিতে চৌখস ছিল অতনুদা।
ছাত্রসংসদ নির্বাচনের আগে অতনুদা যখন লেকচার থিয়েটারের ডায়াসে উঠে বক্তৃতা দিত, বেশ লাগত! তারপর কলেজ জীবন শেষ করে আমি বেছে নিলাম আর পাঁচজন ডাক্তারের মতো গতানুগতিক রোগী-চেম্বার-প্র্যাকটিসের জীবন। আর, অতনুদার রাজনৈতিক পরিচয়টাই ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয়ে উঠল। প্রথম প্রথম টুকটাক রোগী দেখলেও পরে একদমই বন্ধ করে দিয়েছিল।
সাল ২০১৮, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর আইন হয়েছিল রাজ্যে। একবছরে একশোর বেশী ডাক্তার জনআক্রোশের শিকার! অতনুদা তখন সর্বভারতীয় চিকিৎসকগোষ্ঠীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে আছে। আমি ভেবেছিলাম ডাক্তারদের এই বিপদ থেকে কেউ যদি রক্ষা করতে পারে, সে একমাত্র অতনুদাই। আমি পাগলের মতো ছুটে গিয়েছিলাম ওর কাছে। বলেছিলাম, “অতনুদা, প্লিজ কিছু করো। তোমার প্রথম পরিচয় তুমি ডাক্তার। আজ তুমি যদি হাত গুটিয়ে বসে থাক তাহলে আর কে দেখবে আমাদের?” অতনুদা সেদিন সত্যিই হাত গুটিয়ে বসে বসে আঙুল ফাটাচ্ছিল। আসলে, অতনুদার স্বপ্ন ছিল অনেক উপরে ওঠার।
মিথ্যে হয়নি অতনুদার সেই স্বপ্ন। আজ সে রাজ্যের ভূতপূর্ব স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ওকে শেষবারের জন্য শ্রদ্ধা জানাতে অনুগামীদের রাজকীয় আয়োজন। এরকমই জীবন চেয়েছিল অতনুদা। আমি ভাবলাম আর কী হবে মনের বৈরিতা রেখে। অতনুদার সঙ্গে কথা বলার এটাই শেষ সুযোগ; কেউ জানে না পরলোকে কার কোথায় ঠাঁই হবে। সেই ভেন্টিলেটরে শেষ শ্বাস নিয়েছিলাম, তারপর অনেকক্ষণ কেটে গেছে। গলার কাছে জমে থাকা কফটা ঝেড়ে নিয়ে অতনুদাকে ডাকতে গিয়ে মনে হল শ্মশানবন্ধুরা শুনে ফেললেই কেলেঙ্কারি! তাছাড়া কাঁচের ভেতরে থাকা অতনুদার কানে স্বাভাবিক কণ্ঠ কি পৌঁছোবে? তাই গলার স্বর পাল্টে ফেললাম। আলট্রা হাই ফ্রিকোয়েন্সিযুক্ত ভূতুড়ে কণ্ঠে আমি ডাকলাম, “অতনুদা শুনতে পাচ্ছো? আমি কুশল। কুশল ঢাকী।”
কাঁচের বাক্সের ভেতর থেকে, “বল ঢাকী, কেমন আছিস?”
আমি দীর্ঘশ্বাস নেওয়ার বৃথা চেষ্টা করে বললাম, “আর কেমন থাকা, ভূতেরা যেমন থাকে।”
“তোকে পই পই করে বলেছিলাম, আমার দলে আয়। লাইফ বানিয়ে দিতাম। তুই শুনলি না, গাঁট হয়ে থাকলি। ডাক্তারদের নিয়ে আন্দোলন করলি। আল্টিমেটলি কী পেলি?”
“সত্যি করে বলো তো, বেঁচে থাকতে তুমি যা যা পেয়েছিলে তা নিয়ে এখনও কি তোমার গর্ব হচ্ছে?”
“কেন হবে না? আমি মরে গিয়েও জাগতিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হই নি রে! দ্যাখ ঢাকী, আমি তোর দু’ঘন্টা পর শ্মশানে এসেও তোর আগে স্বর্গে পৌঁছাবো। আজীবন পলিটিক্স করেছি বলেই এই প্রিভিলেজটা অল টাইম আমি ডিজার্ভ করি। তুই লাইনে দাঁড়িয়ে পচতে থাক।”
কথা শেষ হতে না হতেই অতনুদার রাজকীয় স্বর্গরথ আমার গাড়ীকে পাশ কাটিয়ে গড়গড় করে এগিয়ে গেল ইলেকট্রিক চুল্লির দিকে।
দশ মিনিট পর…..
ডোম এগিয়ে এসে আমার শ্মশানবন্ধুদের বলে গেল, “আপনারা ঢাকীবাবুর বাড়ীর লোক? তাড়াতাড়ি রেডি হোন। ভেতরে বডি নিয়ে যেতে হবে।”
রাজাদা খানিকটা অবাক হয়েই বলল, “মন্ত্রীমশাইয়ের মাত্র দশ মিনিটেই হয়ে গেল! অন্যদের তো একঘন্টা করে লাগছিল।”
“আসলে চামড়া-মাংস পুড়তে দশ মিনিটই লাগে, সময় বেশি নেয় হাড়।” বলল ডোম।
রাজাদা বলল, “তার মানে!”
“বুঝতে পারলেন না স্যার? শিরদাঁড়াটাই ছিল না।”… এ কথা বলেই ডোম হাঁক দিলো, “জল্দি কিজিয়ে।”
*************************************************
(বিঃদ্রঃ- এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। স্থান, কাল, জীবিত অথবা মৃত ব্যক্তির সঙ্গে এই গল্পের কোন কিছুর সামঞ্জস্য থাকলে তা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত এবং কাকতালীয়।)
PrevPreviousঅনেক মানুষ, একলা মানুষ ৭
Nextসেদিনের খারাপ লাগাটা অনুচিত ছিল, এমন মনে করি নাNext
3 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

December 6, 2025 No Comments

04.12.25 1) The appointment case of Dr Aniket Mahato: In the case concerning the appointment of Dr Aniket Mahato, the Calcutta High Court had clearly

মূলে ফেরো

December 6, 2025 No Comments

মূলে ফিরে এসো এইবারে। একবার একসাথে লড়ি ওখানে কাজ আছে মান নেই, এখানে উল্টো ঠিক, রোজগার খাড়া বড়ি থোড় থেকে থোড় খাড়া বড়ি, তবুও ফেরত

লাউ মাচা

December 6, 2025 No Comments

বয়স বাড়ছে। শীত করছে। পাতা ঝরছে। টুপটাপ দিনরাত কত কি যে খসছে। ‘অ বৌমা বেলা হল–ভাত বাড়ো’ –আজকাল এমন গৃহস্থ কথার ওম ওড়াউড়ি করে না

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

December 5, 2025 No Comments

৯ আমাদের না ভোলার তারিখ। জল নয় রক্ত ছিল আমাদের মেয়ের চোখে। সেই নিষ্ঠুরতা মনে পড়লে আমরা কেঁপে উঠি। শাসক ভোলাতে চায়। মদত পেয়ে দিকে

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

December 5, 2025 No Comments

(ক্লিনিকে বসে যা শুনেছি তাই লেখার চেষ্টা করছি) আমার নাম তামান্না (নাম পরিবর্তিত)। বয়স তেইশ। বাড়ি ক্যানিং। গরীব ঘরে জন্ম। মাত্র ষোল বছর বয়সে শ্বশুরবাড়ি।

সাম্প্রতিক পোস্ট

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

West Bengal Junior Doctors Front December 6, 2025

মূলে ফেরো

Arya Tirtha December 6, 2025

লাউ মাচা

Dr. Sarmistha Das December 6, 2025

শাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।

Abhaya Mancha December 5, 2025

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

Dr. Kanchan Mukherjee December 5, 2025

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

594279
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]