Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অনেক মানুষ, একলা মানুষ ৭

Screenshot_2023-08-26-21-15-56-18_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Anirban Jana

Dr. Anirban Jana

Surgeon
My Other Posts
  • August 27, 2023
  • 8:07 am
  • One Comment

আজকে যে মানুষটাকে নিয়ে এই পর্ব লিখবো তাঁকে অনায়াসেই আমার ‘আমি’ তৈরি হওয়ার কারিগর বলা যায়। আমার ছেলেবেলায় সেইসময়ের আর পাঁচটা মধ্যবিত্ত বাঙালি ছাত্রের মতো ভালো স্কুলের অ্যাডমিশন টেস্টে বসেছিলাম। ক্লাস ফাইভে ভর্তি হবো। পরীক্ষার সময় বাবা নিয়ে গিয়েছিল। পরীক্ষা শেষ হবার পর আমরা ঘুরে ঘুরে স্কুল ক্যাম্পাস দেখছিলাম। হোস্টেলে কিভাবে সিনিয়র দাদারা থাকে। তারা সারাদিন কি কি করে। কতদিন পরপর গার্জেনরা দেখতে আসেন- ইত্যাদি ইত্যাদি। খুব শান্ত, স্নিগ্ধ পরিবেশ। সাধে কি আর প্রতি বছর এই স্কুল থেকে মাধ্যমিকে প্রথম কুড়িতে অন্তত চার-পাঁচ জন থাকে?

বাড়ি ফিরে মাকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে সারাদিনের গল্প বললাম। কয়েকদিন বাদে রেজাল্ট জানা যাবে। পাড়াতুতো এক কাকা কর্মসূত্রে সেই স্কুলের কাছাকাছি প্রতিদিন যান। তিনিই রেজাল্ট জেনে এনেছিলেন। রেজাল্ট শুনে মা আর আমার মুখভার। সারাদিন পরস্পরকে জড়িয়ে কান্নাকাটি। নাহ্, এ রেজাল্ট বাবাকে জানানো যাবে না।

বাবা অফিস থেকে ফিরতো দেরি করে। সপ্তাহে অন্তত দুতিন দিন অফিস থেকে সোজাসুজি একজনের বাড়িতে পড়াতে চলে যেতো।  সেখান থেকে বাড়ি আসতে আসতে রাত দশটা। অধিকাংশ দিন আমি খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে যেতাম। সেদিন আর ঘুম আসেনি। বাবা মিষ্টি কিনে আমার নাম ধরে ডাকতে ডাকতে বাড়ি ঢুকলো। বুঝতে পারলাম যে বাবাও জেনে গেছে। আমি কেঁদে পড়লাম – আমি কিছুতেই হোস্টেলে থাকবো না। বাবা-মায়ের প্রচন্ড তর্কাতর্কি। এতো ভালো স্কুলে চান্স পেয়ে না যাবার কোনো কারণ নেই। মায়ের আদরে আমি দিনকে দিন লাঙ্গুল বিশিষ্ট বৃক্ষবাসী হচ্ছি। আমার মধ্যে মনুষ্যেতর প্রাণীর বৈশিষ্ট নিয়ে সেই সুগভীর আলোচনা শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধে চিরকাল স্ত্রীরা জয়ী হয়। পরদিন সকালে উঠে বুঝতে পারলাম যে মা জিতেছে। আমাদের বাড়ি থেকে দু-তিনটে স্টেশন পরে শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রম। সেখানে হোস্টেলেও থাকা যায় আবার বাড়ি থেকে যাতায়াত করলেও অসুবিধা নেই। একটা বড়ো জায়গা জুড়ে অনেকগুলো স্কুল। পাঠশালা, জুনিয়র বেসিক, সিনিয়র বেসিক, হাইস্কুল। অনেকগুলো খেলার মাঠ। একপাশে হোস্টেল, মন্দির, লাইব্রেরি এমনকি একটা ছাপাখানা শুদ্ধ রয়েছে। বড়ো মহারাজের কাছে বাবা-মা আমাকে নিয়ে গেল। সৌম্যদর্শন সুপুরুষ এক মানুষ। তিনি বললেন যে সুযোগ থাকলে বাড়ি থেকে যাতায়াত করেও ভালো মানুষ তৈরি হওয়া যায়। খুব ভালো লেগে গেল মানুষটাকে।

বড়ো মহারাজকে ঘিরে ঘটা অদ্ভুত কিছু ঘটনার কোনো সহজ ব্যাখ্যা আমি পাইনি। বিজ্ঞানের ছাত্র বলে নিজের মতো করে ব্যাপারগুলোকে সাজিয়ে নিয়েছি।

মহারাজ আমাদের ‘মনের ব্যায়াম’ বলে একটা ক্লাস নিতেন। শরীরের সাথে মনকে ঠিকঠাক ভাবে  তৈরি করার পদ্ধতি। প্রার্থনা ঘরে শতরঞ্জি বিছিয়ে ক্লাস নেওয়া হতো। বড়ো মহারাজ বসে থাকতেন একটা উঁচু চৌকিতে। ক্লাসের শেষে ধ্যান করতে হতো। কোনো একটা বিন্দুতে মনঃসংযোগ করা। মহারাজ নিজেও পদ্মাসনে বসে ধ্যানস্থ হতেন। আমাদের মধ্যে বিচ্ছু-বদমাশ ছেলেপুলেদের অভাব ছিল না। পুরাণের কাহিনির রাক্ষসদের মতো তারা নানাভাবে ধ্যানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতো। প্রসূন বলে ভয়ংকর গুন্ডা ঠিক আমার পেছনেই বসতো। ধ্যানস্থ হবার মিনিট খানেকের মধ্যে কোমরে একটা খোঁচা খেলাম। মনটা বিন্দু থেকে নড়ে খোঁচানো জায়গায়। সেটা সামলাতে সামলাতে পিঠে চিমটি। আমি চোখ অল্প খুলে ওকে ভস্ম করার চেষ্টা করলাম। ব্রহ্মতেজ তেমন কিছু জমেনি বলে প্রসূনের কিছু হলো না। কিন্তু সে অনুপমকে নিয়ে পড়লো। অনুপমের প্রতিবাদী চরিত্র। ক্লাসের সবচেয়ে ছোটখাটো ছেলে হলেও ছোড়নেবালা নেহি। খপ করে প্রসূনের হাত খামচে ধরে। মিহি একটা আর্তচিৎকার। মহারাজ চোখ খুললেন। মৃদু হেসে উঠে গেলেন। ঠিক তার এক সেকেন্ডের মধ্যে আমাদের ভয়ংকর রাগী হেডস্যার ঢুকলেন। তখন সিসিটিভির ব্যবস্থা ছিলনা। ওই অল্পসময়ের মধ্যে কেউ গিয়ে নালিশও করতে পারেনা। তাহলে এককোণে বসা আমাদের তিনজনকে উনি ধরলেন কি করে? হেডস্যারের ঘরে আমরা তিনজন সংবর্ধিত হতে হতে এই ধাঁধার সমাধান করার চেষ্টা করছিলাম। নিশ্চয়ই হেডস্যার দামী একটা চশমা নিয়েছেন। দূর থেকে যেতে যেতে আমাদের দুষ্টুমি দেখে ফেলেছেন।

নাকি বড়ো মহারাজ চেয়েছিলেন যে এদের ভুল এরা শুধরে নিক? অদ্ভুত ব্যাপার, পরবর্তী সময়ে আমরা তিনজনই চিকিৎসক হয়েছি।

একবার ক্লাসে রেজাল্ট একটু খারাপ হলো। আমার বাবা-মা মহারাজকে জানায়। মহারাজ বললেন যে তাঁর কাছে আমাকে যেন দুতিন দিন রাখা হয়। মহারাজের অন্য রূপ দেখলাম। সেই কদিন আমার সঙ্গে একেবারে বন্ধুর মতো মিশলেন। এমন কিছু কথা আলোচনা করলেন যা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছাড়া করা যায় না। বাড়ি ফেরার দিন তিনি জানালেন আত্মার সাথে পরমাত্মার সম্পর্ক, নারীর সাথে পুরুষের সম্পর্ক এবং সব শেষে বাবার সাথে মায়ের সম্পর্ক। খুব হালকা হয়ে গেল বুকের ভেতর জমতে থাকা পাথরটা। সৃষ্টির জন্য স্রষ্টার তৈরি মায়া। পড়ায় মন ফিরলো।
তারপরের গল্প ডাক্তারি পড়ার সময়। থার্ড ইয়ার। পিঠের দিকে ছোটছোট পাখনা গজানো দিব্যি টের পাচ্ছি। মেন হোস্টেলের দারোয়ান এসে বললো “তোমার গেস্ট এসেছে।” আমাদের দু’চার জন বন্ধুর কপালে ফার্স্ট ইয়ারের পরী পরী গেস্ট এর আগে জুটেছে। আমি ঝট করে মুখে একটু সাবান ঘষে গেস্টরুমে হাজির। ও বাবা, পাঁচবছরের ওপার থেকে এসে বড়ো মহারাজ দাঁড়িয়ে আছেন। ওনার সঙ্গে বাগবাজার ফেরিঘাট পর্যন্ত গেলাম। গিরিশ ঘোষ, নিবেদিতা, বিবেকানন্দর গল্প করতে করতে গেলেন। মনটা অন্যরকম হয়ে গেল।

শেষবার দেখা হলো নর্থবেঙ্গলে। চাকরি সূত্রে জলঢাকা। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের বাইরে। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলাম। বললেন “তোমার মধ্যে থেমে যাওয়ার লক্ষণ কেন? চরৈবতি চরৈবতি। আরও পড়তে হবে, আরও পড়তে হবে।”

বিহ্বল হয়ে বললাম যে আপনি আমায় আশীর্বাদ করুন মহারাজ।

বেশ শীত। রাতের অন্ধকার ছিঁড়ে ভোর আসছে। তিনি আমার মাথায় হাত রাখলেন।

আমার কানে আজও তাঁর জলদগম্ভীর স্বরে উচ্চারিত আশীর্বাদ বাজে -” অসতো মা সদগময়/ তমসো মা জ্যোতির্গময়/ মৃত্যর্মামৃত গময়।”

PrevPreviousসানাইয়ের গল্প: ডাঁটা চচ্চড়ি
Nextশেষদিন শ্মশানেNext
4 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Diganta Mondal
Diganta Mondal
2 years ago

আমি সেই ভাগ্যবান যে ছাপার আগে এই কথা গুলো শুনেছি। খুব সুন্দর লাগলো।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

April 28, 2026 No Comments

‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় আমার এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি থেকে লেখাটা পড়া মুশকিল, তাই এখানে মূল লেখার পুরোটাই দিয়ে রাখছি। খবরের কাগজে প্রকাশের সময়, স্থানসঙ্কুলানের জন্যই,

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

April 28, 2026 No Comments

চিকিৎসক ডঃ তাপস প্রামাণিকের অনৈতিক, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ​১. ধারাবাহিক অসদাচরণের প্রেক্ষাপট: জেপিডি-র অভিযোগ অনুযায়ী, আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের সরকারি চিকিৎসক

ভোট ও ভোটার

April 28, 2026 No Comments

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ‍্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

April 27, 2026 No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

Dr. Bishan Basu April 28, 2026

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 28, 2026

ভোট ও ভোটার

Arya Tirtha April 28, 2026

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619833
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]