
মেডিসিনে হিংসার রূপকল্প – রাষ্ট্র, হৃতমান-হতমান চিকিৎসক ও রোগি ১ম পর্ব
অন্ততঃ গত কয়েক বছর ধরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিভিন্ন মেট্রোপলিটান শহরে, গ্রামে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে – এক কথায় সম্ভাব্য প্রতিটি ভৌগোলিক স্থানে – চিকিৎসকেরা আক্রান্ত হয়েছেন

অন্ততঃ গত কয়েক বছর ধরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিভিন্ন মেট্রোপলিটান শহরে, গ্রামে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে – এক কথায় সম্ভাব্য প্রতিটি ভৌগোলিক স্থানে – চিকিৎসকেরা আক্রান্ত হয়েছেন

গতবছর যখন ভ্যাক্সিন তৈরির প্রবল উদ্যোগ চলছে সেসময় নেচার পত্রিকায় (২৭.০৮.২০২০) প্রকাশিত হয়েছিল “The unequal scramble for coronavirus vaccine” শীর্ষক প্রবন্ধ। প্রবন্ধে বলা হয়েছিল –

বাংলা ভাষায় আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাস লেখার কাজ চলছে অন্তত ২০০ বছর সময়কাল ধরে। প্রায় ৩০০ বছর আগেকার কবিরাজী পাতড়া নামে এক প্রাচীন বাংলা পুঁথির সন্ধান

আমরা এর আগে বাংলার তথা ভারতের প্রথম মহিলা গ্র্যাজুয়েট কাদম্বিনী গাঙ্গুলিকে নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছি। সমসাময়িক কালে আনন্দবাই যোশী, রুক্মাবাই, হৈমবতী সেনের মতো আরও কয়েকজন

তারিখটা ছিল ৩ অক্টোবর। সাল ১৯২৩। একজন চিকিৎসক তাঁর প্রাত্যহিক নিয়মে একজন রোগী দেখে দুপুরে বাড়িতে ফিরলেন। তিনি নিজেও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। শরীরে অস্বস্তি হচ্ছিল।

১ জানুয়ারি, ২০২১, মানিকন্ট্রোল পত্রিকার একটি “সুসংবাদ” – “Drugmakers to hike prices for 2021 as pandemic, political pressure put revenues at risk”। অর্থ হল অতিমারির

(লেখকের কৈফিয়ৎ – লেখাটা বাংলায়। কিন্তু যথেষ্ট সংখ্যক উদ্ধৃতি আছে ইংরেজিতে। মেকলে সাহেবের ভূত ঘাড়ে চেপে আছে বোধ করি! পাঠকদের কাছে এজন্য দুঃখপ্রকাশ করা আর

১৯ নভেম্বর, ২০২০-তে ভারত সরকারের সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ান মেডিসিন (CCIM)–এর তরফে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় “P.G. Regulation (Ayurved)” (যদিও শব্দটি Ayurved নয়, Ayurveda)।

আনন্দবাজার পত্রিকার (৪.১২.২০২০) একটি খবরের শিরোনাম – “‘চাষিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার’ প্রতিবাদে পদ্মবিভূষণ ফেরালেন প্রকাশ সিংহ বাদল”। ৯২ বছরের বৃদ্ধ মানুষটি বলেছেন – “আমি সত্যিই আশ্চর্য

পূর্বপ্রকাশিতের পর নবজাত সোভিয়েত রাষ্ট্র ১৯১৭-র নভেম্বর মাসে ক্ষমতা দখলের কয়েকদিনের মধ্যে তৈরি হল নতুন “কম্প্রেহেন্সিভ স্যানিটারি লেজিসলেশন”। এখানে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হল – বাণিজ্যিক

পূর্বপ্রকাশিতের পর একটি নতুন স্বাস্থ্যব্যস্থার অঙ্কুরোদ্গম – শতবর্ষ আগে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের চূড়ামণি জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হেনরি সিজারিস্ট ১৯৩০-এর দশকে সদ্য গড়ে-ওঠা রাশিয়ায় গিয়েছিলেন, রুশ

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন-এর সম্পাদকীয়তে (“ডায়িং ইন এ লিডারশিপ ভ্যাক্যুয়াম” – ৮.১০.২০২০) বলা হল কোভিড-১৯ বিশ্ব জুড়ে সংকট তৈরি করেছে এবং এ সংকট দেশের

অন্ততঃ গত কয়েক বছর ধরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিভিন্ন মেট্রোপলিটান শহরে, গ্রামে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে – এক কথায় সম্ভাব্য প্রতিটি ভৌগোলিক স্থানে – চিকিৎসকেরা আক্রান্ত হয়েছেন

গতবছর যখন ভ্যাক্সিন তৈরির প্রবল উদ্যোগ চলছে সেসময় নেচার পত্রিকায় (২৭.০৮.২০২০) প্রকাশিত হয়েছিল “The unequal scramble for coronavirus vaccine” শীর্ষক প্রবন্ধ। প্রবন্ধে বলা হয়েছিল –

বাংলা ভাষায় আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাস লেখার কাজ চলছে অন্তত ২০০ বছর সময়কাল ধরে। প্রায় ৩০০ বছর আগেকার কবিরাজী পাতড়া নামে এক প্রাচীন বাংলা পুঁথির সন্ধান

আমরা এর আগে বাংলার তথা ভারতের প্রথম মহিলা গ্র্যাজুয়েট কাদম্বিনী গাঙ্গুলিকে নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছি। সমসাময়িক কালে আনন্দবাই যোশী, রুক্মাবাই, হৈমবতী সেনের মতো আরও কয়েকজন

তারিখটা ছিল ৩ অক্টোবর। সাল ১৯২৩। একজন চিকিৎসক তাঁর প্রাত্যহিক নিয়মে একজন রোগী দেখে দুপুরে বাড়িতে ফিরলেন। তিনি নিজেও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। শরীরে অস্বস্তি হচ্ছিল।

১ জানুয়ারি, ২০২১, মানিকন্ট্রোল পত্রিকার একটি “সুসংবাদ” – “Drugmakers to hike prices for 2021 as pandemic, political pressure put revenues at risk”। অর্থ হল অতিমারির

(লেখকের কৈফিয়ৎ – লেখাটা বাংলায়। কিন্তু যথেষ্ট সংখ্যক উদ্ধৃতি আছে ইংরেজিতে। মেকলে সাহেবের ভূত ঘাড়ে চেপে আছে বোধ করি! পাঠকদের কাছে এজন্য দুঃখপ্রকাশ করা আর

১৯ নভেম্বর, ২০২০-তে ভারত সরকারের সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ান মেডিসিন (CCIM)–এর তরফে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় “P.G. Regulation (Ayurved)” (যদিও শব্দটি Ayurved নয়, Ayurveda)।

আনন্দবাজার পত্রিকার (৪.১২.২০২০) একটি খবরের শিরোনাম – “‘চাষিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার’ প্রতিবাদে পদ্মবিভূষণ ফেরালেন প্রকাশ সিংহ বাদল”। ৯২ বছরের বৃদ্ধ মানুষটি বলেছেন – “আমি সত্যিই আশ্চর্য

পূর্বপ্রকাশিতের পর নবজাত সোভিয়েত রাষ্ট্র ১৯১৭-র নভেম্বর মাসে ক্ষমতা দখলের কয়েকদিনের মধ্যে তৈরি হল নতুন “কম্প্রেহেন্সিভ স্যানিটারি লেজিসলেশন”। এখানে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হল – বাণিজ্যিক

পূর্বপ্রকাশিতের পর একটি নতুন স্বাস্থ্যব্যস্থার অঙ্কুরোদ্গম – শতবর্ষ আগে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসের চূড়ামণি জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হেনরি সিজারিস্ট ১৯৩০-এর দশকে সদ্য গড়ে-ওঠা রাশিয়ায় গিয়েছিলেন, রুশ

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন-এর সম্পাদকীয়তে (“ডায়িং ইন এ লিডারশিপ ভ্যাক্যুয়াম” – ৮.১০.২০২০) বলা হল কোভিড-১৯ বিশ্ব জুড়ে সংকট তৈরি করেছে এবং এ সংকট দেশের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে