বেঁচে থাকার জন্য অবলম্বন দরকার। বেশ শক্ত পোক্ত খুঁটি।
অনেকের অবলম্বন প্রকৃতি। যাবতীয় জাগতিক মোহ কাটিয়ে প্রকৃতিতেই লীন হয়ে থাকেন তাঁরা। মিশে থাকেন প্রকৃতির সাথে।
অর্থ- যশ, এসবও অবলম্বন কারো কারো। খাটের তলায় কোটি কোটি টাকা জমানোই তাদের জীবনের লক্ষ্য। সেই টাকায় তারা সম্মান কেনে। ভালোবাসা কেনে।
আমি অবলম্বন করতে চেয়েছি মানুষকে। সারাদিনই প্রায় মানুষ দেখি। তাদের সাথে সারাদিন কাটাই। তাঁরা ভাবেন আমি তাদের চিকিৎসা করি। কিন্তু তাঁরা জানেন না, একইভাবে তাঁরাও আমার চিকিৎসা করেন।
হঠাৎ করে একজন মানুষকে খুব চেনা মনে হয়। মনে হয় এ খুব শক্তপোক্ত, অন্য রকমের মানুষ। বহু আঘাতেও টলেনি।
সেই মানুষ আমাকে পাল্টে দেয়। তার বাধা নিষেধ ধ্রুব সত্য বলে মানতে শুরু করি।
তারপর দেখি তিনি নিজেই সেই সব বাধা নিষেধ মানেন না। কষ্ট পাই। সব শূন্য মনে হয়।
তখন আবার শেষ অবলম্বন হিসেবে বই আঁকড়ে ধরি৷ বই আমাকে বহুবার বাঁচিয়েছে। বই চিন্তা ভাবনাকে ক্ষতবিক্ষত করে। হৃদয়কে কাঁপিয়ে দেয়। কিন্তু কথার খেলাপ করে না।
বই আমার প্রাণের বন্ধু। বইমেলা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ উৎসব। সে উৎসবে গত তিন বছর ধরে আমরা একটা জায়গা পেয়েছি। যারা এখনো বই আঁকড়ে বাঁচছেন এই জায়গা তাদেরও। একবার আসুন। বইয়ের সূত্রেই আলাপ হোক।












বইয়ের আমি বইয়ের তুমি,বই দিয়ে যায় চেনা। সেই গরিমার কাল অস্তমিত হয়েছে বলে যাঁরা দুঃখ করেন তাঁদের বলি – চলো বই পড়ি আনন্দে।