Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডাক্তার যখন গোয়েন্দা-২ঃনরখাদক ও একটি অসুখের গল্প

IMG-20200219-WA0032
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • February 21, 2020
  • 9:28 am
  • 10 Comments

ডাঃ ড্যানিয়েল কারলেট গজডুসেকের রাতের ঘুম চলে গেছে। একটা রোগ হাজার হাজার লোকের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, আর সেটাকে শুধু মানসিক রোগ বলে এড়িয়ে যাওয়া কি উচিৎ হচ্ছে!

অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউগিনি। জঙ্গল, পাহাড় আর নদীতে ভরা। অনেক প্রাচীন জনগোষ্ঠীর বসবাস সেখানে। তার মধ্যে একটি হল ফোর জনগোষ্ঠী।

এই ফোর জনগোষ্ঠীর লোকেরা প্রকৃত অর্থেই একেবারে অসভ্য। পশ্চিমি সভ্যতার কোন প্রভাবই তাদের উপর পড়েনি। যদিও শ্বেতাঙ্গদের সাহায্য ছাড়াও অনেক জনগোষ্ঠী রীতিমতো সভ্য হয়ে উঠেছে। তারা নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, সভ্যতা গড়ে তুলেছে। কিন্তু ফোর গোষ্ঠীর মানুষেরা এখনও রয়ে গেছে কয়েক হাজার বছর পেছনে। ডাইনি, অপদেবতা এইসবে পরিপূর্ণ তাদের অন্ধকারময় জীবন। অরণ্যের বা নারীর অধিকারের জন্য নিজের বা অন্য জনগোষ্ঠীর মানুষের সাথে খুনোখুনি তাদের নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। সবচেয়ে বীভৎস ব্যাপার হ’ল, তারা মানুষের মাংস খায়।

যুদ্ধে নিহত শত্রুর মাংস তো বটেই, এমনকি আত্মীয় স্বজন কেউ মারা গেলে তাকেও বাদ দেয় না। কেটে কুটে, আগুনে ঝলসে বা রীতিমতো রান্না করে মানুষের মাংস খাওয়া হয়। সমস্ত গ্রাম জুড়ে যেন উৎসব চলে। শিশু, মহিলা সকলেই পেট পুরে নরমাংস খায়।

এদের মধ্যেই ইদানীং একটা অসুখের বাড় বাড়ন্ত দেখা গেছে। অসুখটাকে ফোর জনগোষ্ঠীর মানুষরা নাম দিয়েছে কুরু। ফোর ভাষায় কুরিয়া শব্দের মানে কাঁপা। এই রোগে আক্রান্ত মানুষের শরীর ক্রমাগত কাঁপতে থাকে।

তারা অবশ্য একে রোগ ভাবতো না। তাদের বিশ্বাস, এই রোগ ছিল ডাইনির অভিশাপ। ডাইনি যাকে ভর করত, আস্তে আস্তে সে দুর্বল হয়ে যেত। খাওয়া দাওয়া কমে যেত ও এক পর্যায়ে তা বন্ধ হয়ে যেত। তার হাত পা কাঁপতে শুরু করত। নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকত না নিজের হাত পা। কাঁপুনি শুরু হত সারা শরীর জুড়ে। ডাইনি আক্রান্ত লোকটির কথা বন্ধ হয়ে যেত। সারাদিন চুপচাপ পরে থাকত সে। মুখ থেকে একটি কাতর আওয়াজও বার হতো না।

এর পরের পর্যায়ই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। এতদিন চুপ করে থাকা ডাইনি আক্রান্ত মানুষটি হঠাৎ হাসতে শুরু করত হো হো করে। হাসতে হাসতে শ্বাস কষ্ট উঠে যেত, দম আটকে আসত, হেঁচকি শুরু হত। তবু তার হাসি বন্ধ হত না।

জনগোষ্ঠীর অন্য মানুষগুলি বিশেষ কিছু করার ছিল না। প্রথম প্রথম তারা ঝাউ গাছের ছাল আর শুয়োরের মাংস থেকে তৈরি ওষুধ খাওয়াতো। হাসি আরম্ভ হলে বুঝতে পারত আর কিছু করার নেই। ডাইনি আক্রান্ত ব্যক্তির আয়ু ফুরিয়েছে। তারা বড় বড় ছুরি বার করে ধার দিত আর প্রতীক্ষা করত। হাসতে হাসতে লোকটি মারা গেলে তাঁকে কেটে কুটে মহাভোজ শুরু হবে।

এই হাসির জন্য শ্বেতাঙ্গরা এই রোগের নাম দিয়েছিল লাফিং সিকনেস। ১৯৫৩ সালে অফিসার জন ম্যাক আর্থার বেশ কিছু রোগীকে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন, এটি একটি মানসিক অসুখ। এবং এই তীব্র মানসিক বিকারের জন্য তিনি ফোর জনজাতির মানুষদের কুসংস্কার এবং কালো যাদু চর্চাকে দায়ী করেন।

১৯৫৭- ১৯৬০ এর মধ্যে কুরু রোগ প্রায় মহামারির মতো ছড়িয়ে যায়। এক হাজার জনেরও বেশি ফোর উপজাতির মানুষ মারা যায়। ডাঃ গজডুসেক কিছুতেই মানতে পারছিলেন না একটি মানসিক রোগ এতো গুলো মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। তখন জার্ম থিয়োরির রমরমা। তিনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে, শ্লেষ্মায় জীবাণু খুঁজতে শুরু করলেন। কিন্তু রাত দিন চেষ্টা করেও সফল হলেন না।

এই কাজে তিনি সহকারী পেলেন ডাঃ ভিনসেন্ট জিগাসকে। জার্ম থিয়োরি দিয়ে মেলাতে না পারলেও তারা হাল ছাড়লেন না। দুজনে লক্ষ করলেন এই রোগ হচ্ছে মূলত শিশু আর মহিলাদের মধ্যে।

 

এরপর তাঁরা মানুষের মাংস খাওয়ার সাথে কুরু রোগের সম্পর্ক খুঁজে বার করার চেষ্টা শুরু করলেন। তাঁরা এক আশ্চর্য জিনিস লক্ষ করলেন। ফোর উপজাতির রীতি অনুযায়ী মৃত মানুষের মস্তিষ্ক শুধু শিশু আর নারীরাই ভক্ষণ করে। পুরুষরা সাধারণত মাংস খায়। তাহলে কি মৃত মানুষের ঘিলু খাওয়ার সাথে কুরু রোগের কোনও সম্পর্ক আছে?

তাঁরা একটি অত্যন্ত সহজ সরল পরীক্ষা করলেন। কুরু রোগে মৃত একটি এগারো বছরের মেয়ের ঘিলু কয়েকটি শিম্পাঞ্জিকে খাওয়ালেন। বছর দুয়েকের মধ্যেই ডেইজি বলে একটি শিম্পাঞ্জির মধ্যে কুরু রোগের লক্ষ্মণ প্রকাশ পেল।

তাঁরা মৃত মানুষের মস্তিষ্ক ব্যবচ্ছেদ করে দেখলেন ঘিলুটা কেমন স্পঞ্জের মতো হয়ে গেছে। মৃত শিম্পাঞ্জির মস্তিষ্কেও একই রকম পরিবর্তন পেলেন। তাঁরা নিশ্চিৎ হলেন মৃত মানুষের মস্তিষ্ক খেয়েই এই রোগ ছড়িয়ে যাচ্ছে। তাঁরা আরও বুঝতে পেরেছিলেন, ম্যাড কাউ রোগে মৃত মানুষদের মস্তিষ্কের সাথে কুরু রোগীদের মস্তিষ্কের পরিবর্তনের মিল আছে।

এই আবিষ্কারের জন্য ডাঃ ড্যানিয়েল কারলেট গজডুসেক ১৯৭৬ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। পরবর্তীকালে জানা গেছে এই রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের চেয়েও সরল গঠনের এক রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন অণু। যার নাম প্রায়ন প্রোটিন। কুরু ছাড়াও ক্রোয়েজফেল্ট-জ্যাকব, ম্যাড-কাউ, স্ক্রাপি প্রভৃতি রোগের জন্যও দায়ী এই প্রায়ন প্রোটিন। এরা মস্তিষ্কের কোষকে নষ্ট করে স্পঞ্জের মতো করে ফেলে। একে বলে স্পঞ্জিফর্ম এনকেফালোপ্যাথি।

কুরু রোগ ঠেকানোর জন্য ১৯৬০ সালে সরকার আইন করে নরমাংস খাওয়া বন্ধ করে দেয়। ম্যাজিকের মত রাতারাতি কুরু রোগীর সংখ্যা কমে যায়। তারপরেও বছরে একটি দুটি করে রোগী পাওয়া গেছে তার প্রধান কারণ নরমাংস খাওয়ার পরেও কুরু রোগ হতে অনেক সময় ১০ থেকে ৫০বছর (Long Incubation period) লেগে যায়। ২০০৫ সালের পরে নতুন করে কুরু রোগ পাওয়া যায়নি।

PrevPreviousসোরিয়াসিসের সাতকাহন
Nextআপনার ভুলঃ আর্যতীর্থের কবিতাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
10 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
পরমেশ
পরমেশ
6 years ago

মাছের মাথায় কোনো সমস্যা নেই তো?? ??
খুব ভালো লাগলো। নতুন তথ্য।

0
Reply
Mitali mandal
Mitali mandal
6 years ago

দারুন ।।।।।

0
Reply
Pranabesh Mondal
Pranabesh Mondal
6 years ago

অনবদ্য

0
Reply
Shyamal Bhattacharya
Shyamal Bhattacharya
6 years ago

দারুণ। অনেককিছু জানতে পারলাম।

0
Reply
মধু সূদন বরাট
মধু সূদন বরাট
6 years ago

এই রোগ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম ।

0
Reply
M Sourav
M Sourav
6 years ago

দারুণ। যত গন্ডগোল ওই মগজেই।

0
Reply
Dr Mamata Pradhan
Dr Mamata Pradhan
6 years ago

Amezing

0
Reply
ปั้มไลค์
ปั้มไลค์
6 years ago

Like!! Great article post.Really thank you! Really Cool.

0
Reply
เบอร์มงคล
เบอร์มงคล
6 years ago

I am regular visitor, how are you everybody? This article posted at this web site is in fact pleasant.

0
Reply
SMS
SMS
6 years ago

These are actually great ideas in concerning blogging.

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

Our journey will not end until justice is done.

August 6, 2026 No Comments

The brutal crime that took place on 9 August within the premises of a government hospital and educational institution remains without justice. Time has passed,

কেন বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ

August 6, 2026 No Comments

কেন – বেতোয়া নদী সংযোগের পরিকল্পনাকে নিয়ে প্রচুর বিতর্ক ও আশঙ্কা দানা বেঁধেছে সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের মনে। আত্মগর্বী প্রশাসন “কর্ণেন বধির” এবং “চক্ষুষা কানঃ”

জেপিডি ও ডব্লুবিজেডিএফ-এর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডেপুটেশন

August 6, 2026 No Comments

৪ আগস্ট ২০২৬ জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল ও ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট -এর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডিএমই (DME) ও ডিএইচএস (DHS)-এর

বিচার না হওয়া পর্যন্ত পথ চলা থামবে না।

August 5, 2026 No Comments

সরকারি হাসপাতাল তথা শিক্ষাপ্রাঙ্গণের বুকে সংঘটিত ৯ আগস্টের সেই নৃশংস অপরাধ আজও বিচারহীন। সময় পেরিয়েছে, ক্যালেন্ডারের পাতা বদলেছে, কিন্তু ন্যায়বিচারের পথ আজও অধরা। তদন্তভার গ্রহণের

“গল্প কিন্তু গল্প নয়”

August 5, 2026 No Comments

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন বাড়ি তৈরি হওয়ায় খুশি হয়ে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মী হেলথ এসিস্ট্যান্ট দিদি আমাকে মেসেজ করে জানাচ্ছেন, “খুব খুশি। এত বছর কাজ করার পর

সাম্প্রতিক পোস্ট

Our journey will not end until justice is done.

West Bengal Junior Doctors Front August 6, 2026

কেন বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ

Somnath Mukhopadhyay August 6, 2026

জেপিডি ও ডব্লুবিজেডিএফ-এর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডেপুটেশন

The Joint Platform of Doctors West Bengal August 6, 2026

বিচার না হওয়া পর্যন্ত পথ চলা থামবে না।

West Bengal Junior Doctors Front August 5, 2026

“গল্প কিন্তু গল্প নয়”

Dr. Samudra Sengupta August 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

658576
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]