Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কেস

IMG_20210222_123600
Dr. Abhijit Mukherjee

Dr. Abhijit Mukherjee

Gynaecologist
My Other Posts
  • February 22, 2021
  • 12:39 pm
  • No Comments

সবেমাত্র দুটো পেসেন্ট দেখেছে অনিমেষ, তখনই নীচে একটা গোলমাল। বাড়ির ম‍্যাজেনাইন ফ্লোরেই চেম্বার আর নীচে গ‍্যারাজে মেকশিফ্ট রুগীর অপেক্ষা-ঘর।

খানিকটা জোর করেই মেয়ে-জামাই ‘মেড-অ্যাস’ ইন্সুরেন্স কোম্পানির খাতায় নাম তুলে দিয়েছে একটা প্রিমিয়াম দিয়ে।

“আমি আর ক’টা পেসেন্ট দেখি”– অনিমেষের এই কথার উত্তরে কোম্পানির লোকাল এজেন্ট নির্মল ছেলেটি অদ্ভুত কথা বলেছিল, “স‍্যার, একমাসের বিধবাও বিধবা আবার কুড়ি বছরের বিধবাও বিধবা।”

“মানে?”

“মানে স‍্যার, যার বিয়ের একমাসের মধ্যে বর মারা গেল আর যে কুড়ি বছর ঘর করার পর স্বামীহারা হলো দুজনকেই তো বিধবার আচার মানতে হবে।”

“তাই তো।”

“আপনি স‍্যার অল্প পেসেন্ট দেখেন বলে ফাঁসবেন না, এ গ‍্যারান্টি কি আছে?”

সেই নির্মল, চুক্তির আগে চেম্বার ইন্সপেকশনে এসেই চমকে উঠল, “করেছেন কী স‍্যার, আপনার রুগী বসার ঘর, চেম্বার কোথাও কোনো কাঁচের দরজা নেই, কাঁচের টেবিল, এমনকি একটা কাঁচের ফুলদানিও নেই।”

“কেন, এসবে কি হবে?”

“আরে রুগীর বাড়ির লোক বলে যারা আসবে বা যাদের নিয়ে আসা হবে, তারা ভাঙ্গবে টা কী?

ঝনঝন করে কাঁচ ভাঙ্গার মধ্যে একটা গণ্ডগোলের আমেজ আসে, ফটোগ্রাফারের ছবিতে ‘তছনছ’ ভালো দেখায়। এ তো দেখছি সোজাসুজি আপনাকে মারার সব ব‍্যাবস্থা ক‍রে রেখেছেন।”

তাই তার নির্দেশে অপেক্ষা-ঘর এখন কাঁচের টেবিল, অ্যাকোয়ারিয়াম, এমনকি দুটো ফুলদানিতেও শোভিত।

শুধু কি তাই, কোম্পানির নির্দেশ, প্রেসক্রিপশনের ওপরে স্ক‍্যান করে রুগীর ছবিও দিতে হবে, না’হলে নাকি যে কেউ ফেঁসে যেতে পারে।

“আরে রুগী কি পরীক্ষা দিতে আসছে নাকি যে ফটো লাগানো অ্যাডমিট কার্ড লাগবে।”

“স‍্যার, আগেকার দিনে আপনারা রুগীকে পরীক্ষা করতেন, এখন প্রতিটি পেসেন্ট আপনারও পরীক্ষা নেয়।”—নির্মলবাণী চলেছে, “এই যে আপনি প্রেসক্রিপশন লিখলেন এটাই আপনার অ্যানসার স্ক্রিপ্ট। একবার আপনার হাত থেকে বেরিয়ে গেল আর বাইরে হাজার এগজামিনার আতসকাচ নিয়ে বসে আছে। পাস-ফেল তো আছেই, আপনি রাস্টিকেটেডও হয়ে যেতে পারেন।”

“মানে!”–অনিমেষ আজকাল একটুতেই ঘাবড়ে যায়।

“আরে ঐ সব মাঝি-মাল্লাদের পাল্লায় পড়ে আপনার এতো সাধের, এতো কষ্টের রুগী দেখার ছাড়পত্তরটি জলে ভেসে যাবে। বসে থাকুন আপনি ঠুঁটো-জগন্নাথ হয়ে।”

“তবু ছবি সাঁটানোর দরকার নেই বাবা নির্মল।”

“আরে ডাক্তারবাবু, অত ভাবছেন কেন? আমরা একটা ছোট স্ক‍্যানার-প্রিন্টার রেখে দেবো, ছবিসমেত প্রেসক্রিপশন বেরিয়ে আসবে। আপনি একশ’ টাকা ভিজিট বাড়িয়ে দিন, ব‍্যাস।”

অবশেষে একটা মাঝামাঝি সমাধান হলো।আধারের জেরক্স জমা দিয়ে তবেই রুগী অনিমেষের কাছে যাবে। ছবি বাদ, ভিজিটও এক।শ্রীকান্ত বলে যে ছেলেটি অনিমেষের চেম্বার দেখাশোনা করে সে হঠাৎ বলে বসল, “নির্মলস‍্যার, আধার ভেরিফিকেশনের সময় ভিজিটটাও নিয়ে নিলে হয়না, দাদাকে তো অনেক লোকই ভিজিট না দিয়ে চলে যায়।”

অনিমেষ হাঁ হাঁ করে উঠলো, “আরে না না, রুগী দেখলাম না, তার আগেই ভিজিট! এ আবার হয় নাকি!”

“কেন? আমরা কি মোবাইলে প্রি-পেড ভরি না?”

“তবু থাক বাবা শ্রীকান্ত, আমাকে দেখানোর পরই টাকাটা নিস। আমার পোস্ট-পেডই থাক।”

“যা ভালো বোঝেন”—স্পষ্টতই অসন্তুষ্ট শ্রীকান্ত।

তা আজ আবার নীচে গণ্ডগোলটা কিসের! শ্রীকান্ত ওপরে উঠে এসেছে।

“কি হলো শ্রীকান্ত?”

“এই দেখো না, এক মহিলা আধার কার্ড আনে নি, তবুও সে দেখাবেই।”

বলতে বলতেই এক মহিলা শ্রীকান্তের পেছনে উঠে এসেছে,”হ‍্যাঁগো অনিমেষ ডাক্তার, তুমি নাকি আমাকে চেনো না, আধার ছাড়া আমাকে দেখবে না?”

অনিমেষ আমতা আমতা করে হ‍্যাঁ আর না এর মাঝামাঝি।

“বলি দু-দুটো বাচ্চা আমার তোমার কাছে হলো, সেদিন রাতে বড় মেয়ের বাচ্চা নষ্ট হয়ে কি রক্ত, কি রক্ত!”—মহিলা বলে চলেছে, “তোমার গেট তালাবন্ধ, পেছনের জানলা দিয়ে ডেকে মাঝরাতে তোমায় বিছানা থেকে তুলে নিয়ে গেলাম, আর এ ছোকরা বলে কিনা তুমি নাকি আমাকে আঁধারে চিনবে!”

এবার শ্রীকান্তের দিকে তাকিয়ে, “শোন রে ছোকরা, আমি নিজেকে যা চিনি অনিমেষ ডাক্তার তার চেয়ে আমায় বেশি চেনে, আমার নাড়ি-নক্ষত্র সব জানে।”

“শ্রীকান্ত, ছেড়ে দাও, এঁকে আমি দেখে দিচ্ছি।”

“কাজটা দাদা ঠিক করলে না, নির্মলস‍্যার জানতে পারলে রেগে যাবেন।”

এই আর এক সমস্যা। অনিমেষ ডাক্তার দাদা হলেও টাই-পরা নির্মল শ্রীকান্তের ‘নির্মলস‍্যার’।কথায় কথায় ওর নামে হুমকি। পেসেন্ট দেখবে কি, অনিমেষ চারদিকের হুমকিতেই নার্ভাস, সবাই যেন ফাঁসাতেই আসছে।

মুখোমুখি সন্ধ্যা পারাল,”বলো মা তোমার কী হলো?”

সন্ধ্যার হাতে গোল করা একটা ইউ.এস.জি. ফিল্ম আর রিপোর্ট।অনিমেষের হাতে তুলে দিয়ে বলল, “দেখো তো ডাক্তার।”

ছবিতে অনিমেষ দেখল জরায়ুর মাথায় একটা বেশ বড় টিউমার বসে আছে, ‘ইউটেরাইন ফাইব্রয়েড; অপারেশন ছাড়া গতি নেই। অপারেশনের কথা ভাবলেই অনিমেষের আজকাল শরীর কেমন করে।টেবিলের লাগোয়া ড্রয়ার টেনে দেখল নির্মলদের কোম্পানির দেয়া ইনভেস্টিগেশনের ফিরিস্তি, “শোনো মা, তোমার তো একটা বড় টিউমার আছে, অপারেশন করতে হবে।”

“তা করো।”– নির্লিপ্ত সন্ধ্যা পারাল।

“না, মানে তার আগে অনেক পরীক্ষা-নিরিক্ষার প্রয়োজন।”

“শোনো অনিমেষ ডাক্তার”—চেয়ার টেনে ব‍্যাগটা খুলল সন্ধ্যারানী,” এই টিউমার, এই আমি আর এই অনেক কষ্টে জোগাড় করা দশ হাজার টাকা; যা পারো করো।”

অনিমেষ দেখল টেবিলের ওপর মোচড়ানো কয়েকটা পাঁচশো টাকার নোট, গুনতিতে গোটা কুড়ি হবে। কিন্তু ইনভেস্টিগেশনের ফিরিস্তি মেটাতেই তো সব শেষ হয়ে যাবে। মহা ফাঁপরে পড়েছে অনিমেষ ডাক্তার; ওদিকে নিশ্চিন্তে সন্ধ্যা পারাল।

“শোনো, তুমি আবার কেস-টেস করবে না তো?—মরিয়া অনিমেষ।

“কেস!”—- এবার অবাক সন্ধ্যারানী, “কেস তো তুমি করবে অনিমেষ ডাক্তার।”

“মানে?”

“তবে শোনো ডাক্তার, আমি যেখানে ছবি তুললাম, সেখানে আমায় বসিয়ে রেখে এক ছোকরা, এক ডাক্তারকে ফোন করল, “স‍্যার, একটা কেস আছে, করবেন? ভর্তি করব?”

আমি যখন বললাম, “একবার অনিমেষ ডাক্তারকে দেখিয়ে আসি, তখন আবার বলল, “না স‍্যার, কেসটা অনিমেষ ডাক্তারের কাছে চলে গেল, অনিমেষ ডাক্তার মনে হয় করবে”—-অনর্গল সন্ধ্যা, “তাই তো বলছি ডাক্তার, কেস তো তুমি করবে।”

অনিমেষ অবাক। সত্যিই তো!মেড-অ্যাসের পাল্লায় পড়ে “কেস” কথাটার ডাক্তারি অর্থটাই বেবাক ভুলে গিয়েছিল।

“হ‍্যালো, গ্রীন-ভিউ নার্সিংহোম? সোমবার সকাল ন’টায় আমার একটা কেস হবে:হিস্টেরেক্টমি।”
ফুরফুরে মেজাজে ফোন রাখল অনিমেষ।

PrevPreviousটের পেলি?
Nextআমি বাংলায় গান গাইNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618014
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]