লোকবিশ্বাস বা লোকায়ত বিশ্বাসের ভালো- মন্দ দুটো দিকই রয়েছে। মনস্ক মানুষদের অনেকেই অবশ্য এমন বিশ্বাসের প্রতি তেমন আস্থাবান নন। তাঁরা সবকিছুকেই মুক্ত বোধের কষ্টিপাথরে যাচাই করে নিতে চান। আর যাঁরা প্রচলিত লোকবিশ্বাসেই ভরসা রাখেন, তাঁরা অতসব যুক্তির পরোয়াই করেন না। তাঁদের এক কথা – বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। এমন মানুষদের কমবেশি সবাই জানেন। আমার খুব পরিচিত একজন মানুষ, থাকতেন গঙ্গা নদীর পাড়ে থাকা এক জনপদে, বর্ষার বৃষ্টির জল ছাড়া অন্য কিছু পান করতেন না। তাঁর বিশ্বাস ছিল, বৃষ্টিজল এবং স্রোতস্বিনী জাহ্নবীর জল সর্ব কলুষমুক্ত। এখনও অনেক মানুষ মনে করেন যে বৃষ্টির জলে খানিক সময় ভিজে নিলে গায়ের ঘামাচি সব মরে যায়। এখন কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে বৃষ্টির জলকে যতটা নিষ্কলুষ ভাবা হয়,তা বোধহয় নয়। অতএব সাধু সাবধান!

গবেষকরা জানিয়েছেন যে আর্দ্র বায়ুর গতিপথে আড়াআড়ি ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা হিমালয় পর্বতের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘের সারি নতুন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এরফলে ধাক্কা খাচ্ছে আমাদের এতোদিনের প্রচলিত বিশ্বাস – হিমালয়ের মেঘ থেকে আমরা পরিশুদ্ধ পানীয় জল পাই। গবেষণায় দেখা গেছে যে বিভিন্ন অপ্রাকৃতিক উৎস থেকে উৎসারিত এরোসলের অধিকাংশই ভীষণ রকমের টক্সিক। ফলে তাদের উপস্থিতিতে যে মেঘের সৃষ্টি হচ্ছে তারাও দূষিত জলের ধারা বয়ে আনছে। এই বহিরাগত এরোসলরা এতোটাই ক্ষতিকর যে তাদের প্রভাবে ক্যান্সার থেকে শুরু করে মানুষ তথা প্রাণিদের বিকাশ সম্পর্কিত বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি হতে পারে।


তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ম্যাগাজিন
আগস্ট ১০.২০২৫











নতুন তথ্য জানলাম, সমৃদ্ধ হলাম। 👌
মতামত জানানোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। দূষণ জর্জরিত পৃথিবীর সর্বত্রই দূষণের কালো ছায়াপাত। মুক্তির পথ অজানা।
Anek kichu sikhte parlam
মাস্টারমশাইয়ের ছাতার তলায় থাকলে নতুন করে শেখা যায়।আর দূরে থাকলে এই বোধ আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
মেঘ দূষণের বিষয়টিকে এমন মনোগ্রাহী ও সুখপাঠ্য করে পরিবেশনার জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ জানাই ।
আপনাকেও ধন্যবাদ সময়করে লেখাটা পড়ার জন্য।
If first we keep aside the pollution word, what is the purest source of water in nature? The answer is rain water after initial 10-15 mins of rainfall (as particulate matter and aerosols get washed down in rain over those minutes).
Now if the cloud truly contains harmful elements that in integrated in the raindrops then that is quite scary. Though I do not have much depth in the relevant physics/chemistry that particulate matter can stay inside rain drops or not so I cant comment on the existence of this debate. But if it really is then it is a bit of a problem thats for sure.
নতুন বিষয়…. পড়ে ভালো লাগলো। সামনের দিন সত্যিই ভয়ংকর।