Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কোলনের ক্যান্সার: আধুনিক ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত

Oplus_16777216
Dr. Pranab Kumar Bhattacharya

Dr. Pranab Kumar Bhattacharya

Retired professor of pathology, School of Tropical Medicine
My Other Posts
  • August 16, 2025
  • 8:43 am
  • No Comments

বর্তমানে ২০২০ থেকেই বিশ্বব্যাপী, কোলন ক্যান্সার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতেও এর প্রকোপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কোলন বা বৃহদান্ত্রের কোষগুলোর অস্বাভাবিক, লাগামছাড়া,  বৃদ্ধিজনিত কারণে এই ক্যান্সার গঠিত হয়, যা একেবারেই প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত না হলে পরবর্তী সময়ে কষ্টকর প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

কোলন ক্যান্সারের সম্বন্ধে –:

ভারতে কোলন ক্যান্সারের ঘটনা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, (৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে) বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের তরুণদের মধ্যে। একটি ২০২৩ সালের দিল্লি স্টেট ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (DSCI) এর গবেষণায় দেখা গেছে যে, আগে ৬০-৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাদের মধ্যে কোলন ক্যান্সার বেশি দেখা যেত, এখন সেটা ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে বৃদ্ধি পাচ্ছে।এমন কি শাকাহারীদের মধ্যেও কলোরেক্টাল ক্যান্সার বৃদ্ধি পেয়েছে ভারত বর্ষে।

এই বৃদ্ধির পেছনে আমার মতে বেশ কয়েকটি কারণকেই চিহ্নিত করা যেতে পারে:

১. জীবনযাত্রার পরিবর্তন- : অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, যেমন প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও বেশী ফ্যাটযুক্ত খাবার গ্রহণ, জাঙ্ক ফুড এবং শারীরিক কার্যকলাপের অভাব( এক্সারসাইজ ) কোলন ও রেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. মাইক্রোপ্লাস্টিক ও কোলন ক্যান্সার:

মাইক্রোপ্লাস্টিক ও কোলন ক্যান্সারের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা গুলো এখনও যদিও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে  ভারতবর্ষে তবে, বর্তমান তথ্য অনুসারে, মাইক্রোপ্লাস্টিক কিন্তু কোলন ক্যান্সারের একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পৃথিবীর অন্যত্র। তাই যে সব খাবারের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপাদান থাকে তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

৩. বয়লার-মুরগির মাংস,  খাসির মাংস (Processed বা Red Meat) খাওয়া, কোলন ক্যান্সার (Colorectal Cancer, CRC) অন্যতম কারণ এবং সেগুলো প্রায়সই খাবার জন্য শরীরে কিছু জীন-মিউটেশন ঘটে যেমন MSI (Microsatellite Instability MLH1 জিন ), CIN (Chromosomal Instability), ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোলোরেক্টাল ক্যান্সার রিলেটেড জিন যেমন CMP, APC, KRAS, TP53 ইত্যাদি। এদের সাথে কলোরেক্টাল ক্যান্সার এর সম্পর্ক নিয়ে আজকের গবেষণা অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও খুবই সংবেদনশীল।

১. ব্রয়লার মুরগির ও খাসিরমাংস ও কোলন ক্যান্সার:

যে কোনো প্রসেসড মাংস (যেমন: হ্যাম, সসেজ, সালামি, প্রসেসড চিকেন ) এবং রেড মিট (যেমন: গরু, খাসি, শুকরের মাংস) কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৭০%—৮৫%  পর্যন্ত বাড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০১৫ সালে প্রসেসড মাংসকে তাই গ্রুপ ১ কার্সিনোজেন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন। N-nitroso compounds: রেড মিট বা কোনো মাংস প্রক্রিয়াজাত করার সময় গঠিত হয় এই nitroso compounds গুলো:, কোলনার কোষে ওপরে উল্লেখিত জিন গুলোর ডিএনএ তে এরা মিউটেশন বা পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

হেম আয়রন: রেড মিটে বেশি পরিমাণে থাকে, এটি ডিএনএ ক্ষতি করতে পারে। High-temperature cooking (BBQ বা deep frying): এর ফলে heterocyclic amines (HCAs) ও polycyclic aromatic hydrocarbons (PAHs) তৈরি হয়, যা ক্যান্সারজনিত কারসিনোজেন ।

কোলন ক্যান্সারে মিউটেশন ও জীন পাথওয়ে:

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার (CRC)-এ তিনটি প্রধান মলিকিউলার পাথওয়ে আমার কাছে  খুউব গুরুত্বপূর্ণ—

(A) CIN – Chromosomal Instability: মোট CRC-র ~৭০%-এ দেখা যায়।এতে বড়ো ধরণের ক্রোমোজোমাল পরিবর্তন হয়: gain/loss of chromosomes, aneuploidy।

প্রধান জিন CRC এর ক্ষেত্রে:

APC (Adenomatous Polyposis Coli জিন): early event; KRAS: proliferation pathway;TP53: late event, apoptosis deregulation

(B)  MSI জিনসকল– Microsatellite Instability:~১৫% CRC কেসে দেখা যায় (sporadic ও HNPCC/Lynch syndrome এ); (C)DNA mismatch repair (MMR) জিন এর defect (যেমন: MLH1, MSH2, MSH6, PMS2)

MSI-high এক্সপ্রেশন সিআরসি টিউমারে ইমিউনোথেরাপির ভাল রেসপন্স থাকে( এন্টি পিডি১ ও এন্টি পিডিএল  মনোক্লোনাল থেরাপি) তবে এই থেরাপি খুব কস্টলি( প্রতিটি ইনজেকশন এর দাম প্রায় ৭-৮ লাখ টাকা ভারতবর্ষে ) । প্রায় দুই কোটি টাকার খেলা হয় এই দেশে পার্টিকে টুপি পড়িয়ে। বিশ্বের সাধারণ আয়ের মানুষ কখনোই এই চিকিৎসা  এফোর্ড করতে পারবেন না জেনেও। আর করলেও ইমিউনথেরাপি  বা মনোক্লোনাল এন্টিবডি চিকিৎসা হয়তো বা  ছয়মাস বা এক বছর এর মত জীবন বাড়াতে পারবে। একেবারে ক্যান্সার  কোষগুলোকে যে নির্মূল করে দেবে সেটা  কিন্তু নয়। মাইক্রো মেটাস্স্টসিস নির্মূল করবার ক্ষমতা নেই এদের।

(C) CIMP – CpG Island Methylator Phenotype:~২০% কোলন ক্যান্সারে দেখা যায়

DNA methylation এর মাধ্যমে tumor suppressor জীনগুলো নিস্ক্রিয় হয়ে যায়

CIMP-high tumors MSI ও BRAF মিউটেশন এর সাথে সম্পর্কযুক্ত

2. স্থূলতা ও ধূমপান:   এটা ও কলোরেক্টাল ক্যান্সার এর কারণ সকলেরই মোটামুটি জানা

রোগের প্রাথমিক চিহ্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি কারা?

কোলন ক্যান্সার সাধারণত ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং প্রাথমিক পর্যায়ে এর কোনো রকম লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে কিছু সাধারণ উপসর্গের দিকে নজর রাখা জরুরি: দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া; বা মল ত্যাগের অভ্যাস যদি পরিবর্তিত হয় হঠাৎ করেই বিশেষত বয়স্ক লোকেদের ক্ষেত্রে।( কোলন ক্যান্সার কিন্তু পুরুষ দের বেশী হয় মেয়েদের তুলনায়)

মলের  সাথে মিশ্রিত রক্ত যাওয়া বা মলের রং গা dark ( কালো) করে যাওয়া; পেটের বা দিকে ব্যথা বা অস্বস্তি, গ্যাস বা ফোলাভাব বা মলত্যাগ করেও মনে হওয়া যে এখনো মল ভেতরে রয়ে গেছে।

অতিরিক্ত ক্লান্তি ও ওজন হ্রাস

ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছেন: ৫০ বছরের বেশি বয়সীরা

আধুনিক ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি: দ্রুত ও নির্ভুল শনাক্তকরণ-:

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে কোলন ক্যান্সার এখন আগেই শনাক্ত করা সম্ভব, যা নিরাময়ের সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। বর্তমানে ব্যবহৃত প্রধান পদ্ধতিগুলি হলো:

1. কোলনোস্কোপি (Colonoscopy): এটি একটি সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। যদিও অসহ্য ব্যাথা লাগে এই টেস্ট করবার সময়।  নমনীয় ক্যামেরাযুক্ত একটা ফাইবার টিউব পায়ুদ্বার দিয়ে কোলনে ঢুকিয়ে গ্যাস দিয়ে কোলনটাকে ফুলিয়ে সরাসরি ক্যান্সার বা পলিপ (precancerous lesion) শনাক্ত করা হয়। এবং  তার থেকে বায়োপসি সংগ্রহ করাও সম্ভব হয়।

2. FIT বা iFOBT টেস্ট: মলের মধ্যে অদৃশ্য রক্তের উপস্থিতি নির্ণয় করে। এটি একটি অ-আক্রমণাত্মক স্ক্রিনিং টেস্ট যা ৫০ বছর বয়েস থেকে করানো যেতে পারে গ্রামে গঞ্জে। তবে এই টেস্ট গুলোর পজেটিভ রিপোর্ট নিয়ে অনেক ফ্যালেসি থাকে।

3. সিটি কোলনোগ্রাফি বা Virtual Colonoscopy: কম্পিউটারের সাহায্যে কোলনের থ্রিডি ইমেজ তৈরি করে কোনো পলিপ বা টিউমার আছে কিনা দেখা হয়।

4. বায়োমার্কার ও জিনগত পরীক্ষা (Genetic & Molecular Testing): যেমন– KRAS, NRAS, BRAF মিউটেশন বা MSI-H (Microsatellite Instability) পরীক্ষা গুলো তে মিউটেশন বা বেশি এক্সপ্রেশন আছে কিনা দেখা । এগুলি রোগের অগ্রগতির পূর্বাভাস দেয় এবং চিকিৎসার ধরন নির্ধারণে সাহায্য করে।

5. Liquid Biopsy: রক্তে বা মল এর মধ্যে কোলন ক্যান্সার এর কোষ  বের করে কালচার মিডিয়াতে গ্রো করিয়ে বা সরাসরি in  situ hybridization টেষ্ট করে বা তাদের ডিএনএ সনাক্ত করে। এটি একটি নতুন ও প্রমিজিং টেকনোলজি।

বায়োপসি ও হিস্টোলজি সব চেয়ে ভালো উপায় ডায়াগনোসিস করার জন্য । -:

কোলন ক্যান্সারের বায়োপসি (Biopsy) কীভাবে করা হয়: -বায়োপসি কোলন ক্যান্সার নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সাধারণত কলোনোস্কপি (colonoscopy) করার সময় সন্দেহজনক টিস্যু থেকে ছোট টুকরো (biopsy sample) নেওয়া হয়।

বায়োপসি করার ধাপগুলি: 1. রোগীকে সেডেটিভ ( ketamin ) ওষুধ দিয়ে। ঘুম পড়ানো হয়। 2. একটি নমনীয় ফ্লেক্সিবল টিউবএর মাথায় আলো ও ক্যামেরা (colonoscope) পায়ুপথ দিয়ে কোলনে প্রবেশ করানো হয়। 3. সন্দেহজনক অংশ চিহ্নিত করে, বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ছোট টিস্যুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। 4. সংগ্রহ করা টিস্যু  প্যাথলজি ল্যাবে হিষ্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা (HPE) ও  জিন গত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।ভারতে কোলন ক্যান্সারের বিভিন্ন histopathological types (হিস্টোলজিকাল ধরন) নিম্নরূপ, যেগুলি বিশ্বব্যাপী গৃহীত শ্রেণিবিন্যাস অনুসারে পাওয়া যায় এবং ভারতীয় বিভিন্ন গবেষণাতেও প্রতিবিম্বিত হয়েছে:

১. Adenocarcinoma (NOS – Not Otherwise Specified) -: প্রায় ৯০%-৯৩% কোলন ক্যান্সার এই ধরনের  মধ্যে পড়ে।এটি সবচেয়ে কমন ধরন। Conventional Adenocarcinoma (Well to Poorly Differentiated types hoyমাইক্রোস্কোপ এর তলায় )

মাইক্রোস্কোপ এর তলায় এদের আবার ভাগ করা যায়-:  i) Well-differentiated adenocarcinoma : এদের Tubular বা bglandular structures স্পষ্ট থাকে।

ii)Poorly differentiated: Glandular pattern অস্পষ্ট হয়ে, বেশি pleomorphism, mitotic activity বেশি। Metastasis বা ছড়িয়ে পড়বার propensity: Poorly differentiated variant গুলিতে মেটাস্টাসিসের প্রবণতা অনেক বেশি।

Prognosis: Well-differentiated: তুলনামূলক ভালো। Poorly differentiated: এদের খারাপ prognosis হয়

iiii) Serrated Adenocarcinoma -: Microscopy: গ্ল্যান্ড গুলো দেখতে সেরেটেড আডেনোমা এর মতই দেখতে। তবে গ্ল্যান্ডের ক্যান্সার কোষগুলোর সাইটোপ্লাজম লালচে eosinophil এবং নিউক্লিয়াস চেরা ( ভেসিকুলার) হয়। ছড়িয়ে পড়বার ক্ষমতা নির্ভর করে এদের molecular profile (e.g., BRAF mutation, MSI status)।Prognosis: , MSI-H status ভাল দেয়।

২. Mucinous Adenocarcinoma-: প্রায় ১০–১৫% কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে দেখা যায়।প্রচুর mucin ( জেলির মতো পদার্থ) এদের কোষগুলো উৎপন্ন করে। তুলনামূলকভাবে কমবয়সীদের বেশি দেখা যায়, এবং এদের prognosis কিছুটা খারাপ। Mucinous Adenocarcinoma মাইক্রোস্কোপর তলায় এদের চেনা যায়: ≥৫0% টিউমার তৈরি হয় ক্যান্সার আক্রান্ট কোষগুলোতে mucin ও বাইরে mucin এর হ্রদের মত থাকে । বলা হয় যে Mucin lakes এর মধ্যে ভাসমান atypical  epithelial cells। Mucin এর জন্য আলাদা স্টেইন একটা করলেই হয়।  ছড়িয়ে পড়বার propensity: এদের খুবই বেশি । লিম্ফ নোড ও লিভারে এদের metastasis সাধারণত হয়। Prognosis: Conventional adenocarcinoma থেকে কিছুটা খারাপ, কারণ টিউমার margin এদের অস্পষ্ট থাকে। মাইক্রো metastasis খুব কমন

৩. Signet Ring Cell Carcinoma প্রায় ১%–২% এর মতো কোলন ক্যান্সার কেসে পাওয়া যায়। এরা Aggressive এবং poor prognosis যুক্ত। প্রায়শই diffuse-type growth pattern থাকে।. Signet Ring Cell Carcinoma মাইক্রোস্কোপ এর তলায় যেমন দেখায় এদের ক্যান্সারকোষগুলোর সাইটোপ্লাজম এর ভেতরে mucin জমা হয় যার জন্য এদের কোষের নিউক্লিয়াসকে কোষ মার্জিনের দিকে ঠেলে দেয় এবং দেখতে আংটির মত দেখতে লাগে। এদের কোষ গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে(Diffuse infiltration, no gland formation) থাকতে দেখা যায় । কোনো রকম গ্ল্যান্ড তৈরি করতে এরা সক্ষম নয়। Metastasis propensity বা ছড়িয়ে পড়বার ক্ষমতা: খুবই বেশি,পেরিটোনিয়াম এ বেশি ছড়ায় এরা পেটে জল জমে প্রথম থেকেই।এমন কি প্রাথমিক ক্যান্সার স্টেজ-এও খুব বেশি ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।Prognosis: খুবই খারাপ। ধরা পড়তে পড়তে অনেক দেরী হয়ে যায়। সাধারণত late stage-এ গিয়ে ধরা পড়ে

৪. Medullary Carcinoma- বিরল, Lynch syndrome এর সাথে যুক্ত হতে পারে। Microsatellite instability (MSI-H) যুক্ত tumors-এ দেখা যায়।Medullary Carcinoma (Rare Subtype) :মাইক্রোস্কোপ এর তলায় এদের ক্ষেত্রে দেখা যায় বড় বড় ক্যান্সার কোষ যাদের নিউক্লাস গুলো চেরা (tvesicular) , prominent nucleoli, এবং syncytial growth pattern হয়। এদের টিউমার কোষ গুলোর মাঝে প্রচুর পরিমাণ টি লাইফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ থাকে । ছড়িয়ে পড়বার ক্ষমতা – কম, বিশেষ করে যদি MSI-H (Microsatellite Instability-High) status থাকে। Prognosis: খুউব ভাল। যদি MSI-H পজিটিভ হয়।

৫. Squamous Cell Carcinomaকোলনে খুব বিরল, প্রায় <0.1% ক্ষেত্রে। মলদ্বার বা Rectum-এ একটু বেশি পাওয়া যায়।

৬. Adenosquamous Carcinoma Adenocarcinoma ও squamous cell carcinoma-র মিশ্রণ।খুব বিরল, aggressive।

৭. Neuroendocrine Tumors(NETs) Low-grade carcinoids থেকে high-grade neuroendocrine carcinoma পর্যন্ত।

রেক্টামে তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়।

৮. Undifferentiated / Poorly differentiated carcinomaPrognosis খারাপ, metastatic tendency বেশি।

এই সকল ধরনের মধ্যে adenocarcinoma এবং mucinous adenocarcinoma সবচেয়ে কমন। ভারতের কিছু কিছু গবেষণায় mucinous উপপ্রকারের incidence একটু বেশি লক্ষ্য করা গেছে, বিশেষ করে কম বয়েসী দের ক্ষেত্রে।

কোলন ক্যান্সারে ন্যানোপার্টিকেল-ভিত্তিক (nanoparticle-based) অনেক আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রতি গবেষণা পর্যায়ে এসেছে এবং কিছু ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ব্যবহার হচ্ছে। এগুলো মূলত early detection এবং targeted imaging বা biosensing এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

কোলন ক্যান্সার ডায়াগনোসিসে ন্যানোপার্টিকেল ব্যবহারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক:

১. Gold Nanoparticles (AuNPs): এগুলোতে tumor-specific antibody বা aptamer conjugate করা হয়। কোলনের টিউমার কোষের উপর নির্দিষ্টভাবে এরা bind করে। Imaging (CT, MRI, fluorescence) এর sensitivity এতে অনেক বেড়ে যায়।

২. Magnetic Nanoparticles (Iron oxide nanoparticles):MRI contrast agent হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কোলন ক্যান্সার কোষে টার্গেট করে ব্যবহৃত হলে খুবছোট lesions detect করা যায়।কিন্ত খুব হাই লেভেল এক্সপারটিস দরকার এই ক্ষুদ্র lesions গুলো ডিটেক্ট করতে

না হলে নরমাল কোলন মিউকোসা বা ক্রনিক কোলন ইনফ্লেমেটরি লেশনস গুলো ক্যান্সার হিসেবে ধরে নেবে।

৩. Quantum Dots: Fluorescent nanocrystals, খুব স্পষ্ট ও দীর্ঘস্থায়ী সিগন্যাল দেয়।Colon cancer biomarkers যেমন CEA (carcinoembryonic antigen) detect করতে পারে।

৪. Carbon Nanotubes / Graphene oxide-based nanoparticles: এগুলো Biosensor তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। Stool বা blood-based biomarkers detect করতে পারে (যেমন: DNA methylation, miRNA, mutant KRAS)। এটা নন ইনভাসিভ টেস্ট।

তবে এগুলো এখনো এফডিএ (আমেরিকা) দ্বারা অ্যাপ্রুভ নয়  এখনো যতটুকু আমার জ্ঞান । এবং এগুলো খুব যে প্রয়োজনীয় ইনভেস্টিগেশন সেটাও নয়। যাদের প্রচুর পরিমাণে অর্থ ব্যয় করার ক্ষমতা আছে তারা করতেই পারেন। তবে এগুলোতে প্রগনোসিস এ ইতর বিশেষ কিছুই হয় না যেমন আইচসি মার্কার করে  ক্যান্সার এর prognosis এর ইতর বিশেষ কিছুই লাভ হয় না। এইসব বড় বড় টেস্ট গুলো প্রাইভেট হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর রোগীর এবং তার আত্মীয় স্বজনদের গলা কেটে নিজেদের পকেট ভরানোর জন্য ও সিম্পলি বিজনেস এর লাভ করারজন্য। বিজ্ঞান ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন করবার এর জন্য নয়।  রিসার্চ এর জন্য। এই টেস্ট গুলোর standarization এবং সঠিক ইন্টারপ্রিটেশন ( ধরুন microRNA ডিটেকশন) কয়জন জানেন ?

এডভান্সড চিকিৎসা পদ্ধতি: রোগীর উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিগত থেরাপি

কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা এখন “precision medicine” বা রোগীভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আধুনিক পদ্ধতিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

1. সার্জারি (Surgery): প্রাথমিক পর্যায়ে টিউমার অপসারণই হলো প্রধান চিকিৎসা। বর্তমানে ল্যাপারোস্কোপিক ও রোবটিক সার্জারি-র মাধ্যমে কম রক্তপাত ও দ্রুত আরোগ্য সম্ভব।তবে পেট কেটে অপারেশন করলেই ভালো। লিম্ফ নোড এ ক্যান্সার ছড়ালে সে গুলো বাদ দেওয়া সম্ভব

কম করে ১৬ টা লিম্ফ নোড বাদ দেওয়া উচিত ও তাদের histopathology করে দেখা উচিত যে তাদের মধ্যে কত দুর পর্যন্ত ক্যান্সার কোষ গেছে।

2. কেমোথেরাপি: ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে ও মেটাস্ট্যাসিস (শরীরের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়া) রোধে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক কেমো-কম্বিনেশন থেরাপি এখন আরও কার্যকর।

3. টার্গেটেড থেরাপি (Targeted Therapy): নির্দিষ্ট জেনেটিক বৈশিষ্ট্য যুক্ত ক্যান্সার কোষকে লক্ষ্য করে কাজ করে। যেমন: EGFR বা VEGF ইনহিবিটারস।

ইমিউনোথেরাপি: শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে। MSI-H বা dMMR টিউমারে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

5. রেডিয়েশন থেরাপি: বিশেষত রেকটাল ক্যান্সারে প্রায়ই সার্জারির আগে বা পরে ব্যবহার হয়।

Dostarlimab: কোলন ক্যান্সার চিকিৎসায় এক যুগান্তকারী আবিষ্কার কি আদৌ?

২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকার Memorial Sloan Kettering Cancer Center-এ কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের রোগীদের উপর একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মেডিকেল বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। পরীক্ষায় ব্যবহৃত ওষুধের নাম ছিল Dostarlimab (ডস্টারলিম্যাব), যা anti-PD-1 immunotherapy। PD1 সেল সাইকেল এর একটা প্রোটিন

এই ওষুধ প্রয়োগে দেখা যায়, শতভাগ রোগীর ক্যান্সার সম্পূর্ণরূপে উধাও হয়ে গেছে, যা ইতিহাসে এই প্রথম।

Dostarlimab কীভাবে কাজ করে?

Dostarlimab হলো একটি monoclonal antibody, যা PD-1 (Programmed Death-1) রিসেপ্টর ব্লক করে।সাধারণত ক্যান্সার কোষ PD-1 রিসেপ্টরের মাধ্যমে শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে “ছলনা” করে, যাতে শরীর তা আক্রমণ না করে। Dostarlimab PD-1 ব্লক করে দেয়, ফলে রোগীর নিজের T-Cell বা ইমিউন কোষ ক্যান্সার কোষকে আক্রমণ ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।Dostarlimab কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ধরনের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের জন্য কার্যকর, বিশেষ করে: MSI-H (Microsatellite Instability – High) ;dMMR (Mismatch Repair Deficient) এই টিউমারগুলো সাধারণ কেমোথেরাপিতে খুব একটা সাড়া দেয় না, কিন্তু ইমিউনোথেরাপিতে আশ্চর্যজনক সাড়া দেয়।

Memorial Sloan Kettering ট্রায়াল: এক ঐতিহাসিক ফলাফল রোগীর সংখ্যা ছিল: ১২ জন (MSI-H rectal cancer) চিকিৎসার পর: প্রতিটা রোগীর টিউমার সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায় (complete remission) কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন বা সার্জারি প্রয়োজন পড়েনি। ২ বছরের ফলোআপেও কোনো রোগ ফেরেনি।

এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক মাইলফলক, কারণ আগে কোনো থেরাপি এককভাবে এত উচ্চমাত্রায় সফলতা দেখাতে পারেনি।

ভারতে ও বাংলাদেশে পরিস্থিতি

ভারতে Dostarlimab (ব্র্যান্ড নাম: Jemperli) সীমিত কিছু প্রাইভেট ক্যান্সার সেন্টারে পাওয়া যাচ্ছে, তবে মূল্য এখনও অনেক বেশি (প্রতি ডোজ ৭-৮ লাখ টাকার মতো)।ভারতে সরকারি ব্যবস্থায় এই ওষুধ এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি। অবশ্যি এই চিকিৎসায় তেমন কিছু লাভও হয় নি ভারতবর্ষে।

রোগীর MSI বা dMMR স্ট্যাটাস জানার জন্য বিশেষ বিশেষ জেনেটিক টেস্ট করতে হয়, যা কিছু বড় ডায়াগনস্টিক সেন্টারেই উপলব্ধ।

Dostarlimab ইমিউনোথেরাপি শুধু চিকিৎসা নয়, ভবিষ্যতের হয়তো বা পথপ্রদর্শক। এটি দেখিয়ে দিয়েছে যে নির্দিষ্ট জিনগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা (Personalized Medicine) কতটা কার্যকর হতে পারে।

যদিও এই চিকিৎসা এখনও সবার জন্য সহজলভ্য নয়, কিন্তু গবেষণার গতি এবং বায়োসিমিলার ড্রাগের আগমনে আগামী কয়েক বছরে এই ধরনের চিকিৎসা আরও বেশি মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে বলেই আশা করা যায়।

ভবিষ্যৎ রিসার্চ কী কী হতে পারে কলোরেক্টাল ক্যান্সার নিয়ে

১. ইমিউনোথেরাপি এবং কেমোথেরাপির সমন্বিত চিকিৎসা:  এই গবেষণা ট্রায়াল গুলো প্রায় সবই সমন্বয় থেরাপি গুলো  বর্তমানে phase II ট্রায়াল এ আছে । উদাহরণ স্বরূপ যেমন Toripolimab ওmFOLFO  ২.CV 301+ N803+ bintrafamp alpha+M9241 combination therapy MSS( microsatellite stable ও pMMR ওভার এক্সপ্রেশন কলোরেক্টাল ক্যান্সার গুলো তে। খুউব যে আশাব্যঞ্জক ফল আসছে  সেটা কিন্তু নয়.

২. ন্যানোফার্মাসিউটিক্যাল প্রযুক্তি গুলো: যেহেতু এই প্রযুক্তিগুলো মাল্টি ন্যাশনাল  ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গুলোর কপি রাইটে আছে তাই সেগুলো নিয়ে এখুনি পাবলিক এর কাছে বলা ঠিক হবে না।

৩. গাট মাইক্রোবায়োম এবং প্রতিরোধ: মাইক্রোবায়োম থেরাপি -: : অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের পরিবর্তন কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসায় সহায়ক হতেও পারে।প্রোবায়োটিক্স এবং প্রি-বায়োটিক্স কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক ভূমিকা পালন করতেও পারে।

৪. ব্যাকটেরিয়াল থেরাপি:কোলন ক্যান্সার নিয়ে ব্যাকটেরিয়াল থেরাপি বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসার একটি উদীয়মান ও প্রতিশ্রুতিশীল একটি ক্ষেত্র। এই থেরাপির মূল ভাবনা হলো—নির্বাচিত বা জিনগতভাবে পরিবর্তিত (ক্রিসপের এনজাইম দিয়ে engineered) ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ গুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করা, ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা বা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে উদ্দীপিত করা। নিচে এই সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করা হলো:

১. ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে ক্যান্সার টার্গেটিং -: কিছু অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া, যেমন Clostridium, Bifidobacterium ও Salmonella, প্রাকৃতিকভাবে টিউমারের হাইপক্সিক (low oxygen) পরিবেশে প্রবেশ করতে এবং বাস করতে সক্ষম। গবেষকরা এই ব্যাকটেরিয়াগুলোকে কোলন টিউমারের নির্দিষ্ট অংশে পৌঁছাতে এবং সাইটে সক্রিয় হতে সাহায্য করে ।

২. জিন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে থেরাপিউটিক ব্যাকটেরিয়া তৈরি -: যেমন Engineered Salmonella typhimurium: টিউমারে গিয়ে কেমোথেরাপিউটিক বা সাইটোকাইনস (যেমন IL-2 বা TNF-alpha) রিলিজ করে।Modified E. coli Nissle -1917: এটি একটি প্রোবায়োটিক এবং সাধারণত নিরাপদ, একে জিন-ইঞ্জিনিয়ারিং করে anti-tumor প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।

৩. ব্যাকটেরিয়াল থেরাপি এবং ইমিউন মোডুলেশন -:অনেক ব্যাকটেরিয়া ক্যান্সার টিসুতে ইমিউন রেসপন্স (যেমন T-cell activation, macrophage infiltration) বৃদ্ধি করে যা টিউমার ধ্বংসে সহায়ক। বিশেষ করে PD-L1 ইনহিবিশনের মাধ্যমে ইমিউনথেরাপির কার্যকারিতা বাড়ানো যায়।

৪. কোলন ক্যান্সারে ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত গবেষণার কিছু উদাহরণ:

Zhou et al., 2018 (Science Translational Medicine): জিন-ইঞ্জিনিয়ারড E. coli ব্যবহার করে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার মডেলে সফলভাবে টিউমার টার্গেটিং ও কন্ট্রোল। Clinical Trials  Salmonella VNP20009 ব্যবহার করে metastatic colon cancer চিকিৎসার ট্রায়াল চলছে। সতর্কতা ও চ্যালেঞ্জ-:  রোগীর শরীরে সিস্টেমিক ইনফেকশনের ঝুঁকি যথাযথ ডোজ ও নিয়ন্ত্রণটিউমার মাইক্রোএনভায়রনমেন্টে ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা স্থিতিশীল রাখা

৫. ব্যায়ামের সময় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ:

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে:

সুস্থ খাদ্যাভ্যাস:  নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ:

ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার:  নিয়মিত স্ক্রিনিং:

PrevPreviousবয়ঃসন্ধিতে মনের কথা
Nextধর্ষণের পরেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

June 13, 2026 No Comments

অভয়া আন্দোলনে আমাদের দিক থেকে যে দশদফা দাবিকে সূচিমুখ করে আমরা লড়াই চালিয়েছিলাম এবং যে দাবিগুলির সাথে আপামর বাংলার জনগণ সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

June 13, 2026 No Comments

২০২৬-এর ফুটবল বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়ছে। একে একে সমস্ত দেশের খেলোয়ারেরা এবং তাদের কর্মকর্তারা হাজির হচ্ছেন প্রধানত আমেরিকায় কিংবা মেক্সিকো বা কানাডায় – যে দেশে

বিচারহীনতার বিরুদ্ধে অভয়া মঞ্চের আপসহীন লড়াই

June 12, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অভয়া মঞ্চের আহ্বায়জ তমোনাশ চৌধুরীর বক্তব্য।

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা

June 12, 2026 No Comments

৯/৬/২০২৬ আমরা সবাই জানি অভয়ার খুন-ধর্ষনের মামলায় নতুন SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। অভয়া মামলা আবার এসেছে সংবাদ পত্রের হেডলাইনে, ন্যায়বিচারের আশা আবার

নিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?

June 12, 2026 No Comments

ফের এ বছরেও চিকিৎসাবিদ্যায় ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট ইউজি-র প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটল। এই বছরে নিয়ে গত পাঁচ বছরে চতুর্থবার। এর জন্য প্রশ্ন তৈরি করে

সাম্প্রতিক পোস্ট

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

West Bengal Junior Doctors Front June 13, 2026

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

Dr. Jayanta Bhattacharya June 13, 2026

বিচারহীনতার বিরুদ্ধে অভয়া মঞ্চের আপসহীন লড়াই

Abhaya Mancha June 12, 2026

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা

West Bengal Junior Doctors Front June 12, 2026

নিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?

Parichay Gupta June 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

630661
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]