Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দ্বিতীয় ঢেউ এর দিনগুলি ১৪

IMG_20210513_224815
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • May 14, 2021
  • 6:56 am
  • One Comment

চক্রব্যূহ

দমটম আটকে আসছে। একেবারে বিচ্ছিরি অবস্থার মধ্যে ফেঁসে গেছি। জানি না কবে এর থেকে মুক্তি পাব।

রোজ ঘুম থেকে উঠে প্রায় ঘুমাতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত একই রোগে আক্রান্ত শয়ে শয়ে রোগী দেখে যাচ্ছি। যে রোগের মাথামুণ্ডু কিছুই এখনও ভালো করে বুঝে উঠতে পারিনি। কার যে কি পরিণতি দাঁড়াবে বলা মুশকিল।

রোগীরা সবাই শেষে একটাই প্রশ্ন করেন, ‘ডাক্তারবাবু, ভয় নেই তো?’

উত্তর দিতে গিয়ে ইদানীং মেজাজ হারাচ্ছি। বলছি, ‘আমি জ্যোতিষী নই।’ এই প্রথম মাঝে মাঝে অন্যদের দেখে হিংসে হচ্ছে। মনে হচ্ছে আমি যদি ডাক্তার না হয়ে অন্য কিছু হতাম, বেশ হতো। বাড়িতেও সকলের মুখ ভার। রাতে ফিরে যেটুকু সময় বাড়িতে থাকছি সেটুকু সময়েও অজস্র ফোন। একটা ফোনে কথা বলতে বলতে তিনটে মিসকল হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই হাসপাতালে বেডের জন্য, অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য, ভ্যাকসিনের জন্য ফোন করছেন। এসব ব্যাপারে আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই বলতেও খারাপ লাগছে। আমি সারাদিন রোগী দেখে বাড়ি ফিরে স্নান করি। ফোনের ঠ্যালায় স্নান করতে করতে রাত বারোটা বাজছে।

মাঝে মাঝেই রোগীরা বেমাক্কা খারাপ হয়ে যাচ্ছেন। আমার আত্মবিশ্বাসে আরও চিড় ধরছে। রাতে শুয়েও শান্তি নেই। অদ্ভুত অদ্ভুত সব দুঃস্বপ্ন দেখছি।

এতো রোগী বেড়ে গেছে যে সকলকে দেখা সম্ভব হচ্ছে না। অনেককেই ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। তারা যেতে চাইছেন না। কাকুতি মিনতি করছেন। সঞ্জয়দা আর গৌড়কে যাতা বলছেন। এই দুজন আমার মুখ চেয়ে সে সমস্ত কটু কথা হজম করছে। এরা দুজন না থাকলে সম্ভবত সব ছেড়েছুড়ে আমায় পালিয়ে যেতে হতো।

রোগী দেখেও শান্তি নেই। ফোন পাচ্ছি, ‘ডাক্তারবাবু, কোথাও ডক্সিসাইক্লিন পাচ্ছি না। আইভারমেক্টিন পাচ্ছি না। কী করব?’ কী উত্তর দেব জানি না। ডক্সিসাইক্লিন, আইভারমেক্টিন আদৌ কোভিডে কতটা কাজে লাগে তাও জানিনা। সরকারি প্রটোকলে আছে বলে প্রেসক্রিপশের পর প্রেসক্রিপশনে একই ওষুধ লিখে চলেছি। যার ফলে অভাব আরো তীব্রতর হচ্ছে।

টেস্টের কথা আর বলে লাভ নেই। এক ভদ্রলোক পাঁচদিন পরে এসেছেন। কাশি আর জ্বর কমার বদলে দুটোই বেড়েছে। বললাম, ‘পরীক্ষা করাননি কেন?’

উনি বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, দুদিন পরপর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ঘুরে এসেছি। পঞ্চাশ- ষাট’টা পরীক্ষা হবে। অন্তত শ’তিনেক রোগী লাইন দিয়েছে। রীতিমতো মারামারি হচ্ছে। বেসরকারি জায়গায় করানোর ক্ষমতা নাই।’

রাতারাতি পালস অক্সিমিটারের দাম বেড়ে গেছে। আইভারমেক্টিন যেটির আদৌ কোভিডে কোনো ভূমিকা আছে কিনা বলা মুশকিল সেটা নিয়েও কালোবাজারি শুরু হয়েছে। অনেকেই টেস্ট করাতে পারছেন না, একটা পালস অক্সিমিটার জোগাড় করতে পারছেন না, রোগীকে কোথাও ভর্তিও করতে পারছেন না। ভগবানের উপর ভরসা করে রোগীকে বাড়িতে ফেলে রাখছেন। ভগবান যে গরীব মানুষের উপর বিশেষ সদয় নন, সেটা ডেথ সার্টিফিকেট লেখার সময় হাড়ে হাড়ে বুঝছি।

অথচ পরিস্থিতি দিব্যি অন্য রকম হতে পারত। আমরা প্রথম ঢেউয়ের পর অনেক সময় পেয়েছিলাম। চিকিৎসকরা সেসময় বারবার সতর্ক করেছেন দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে। সেসময় অঞ্চল ভাগ করে দিব্যি ফিভার ক্লিনিক গড়ে তোলা যেতো। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, করোনা পরীক্ষার জন্য কিট মজুত করে রাখা যেতো। নার্সিং স্টাফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাঁদের জ্বরের রোগীর চিকিৎসার জন্য দিব্যি কাজে লাগানো যেতো। সরকারি হাসপাতাল গুলোয় উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরী করা যেতো।

তার বদলে কয়েকদিন আগে পর্যন্তও হাজার হাজার লোক নিয়ে রাজনৈতিক মিটিং মিছিল চলেছে। আমাদের দেশ চালানোর দায়িত্ব যাদের হাতে তাঁরা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরীর বদলে পরস্পরের প্রতি কুৎসায় মেতেছেন। ধর্মের নামে মানুষ খেপিয়েছেন। আর ভোট মিটতেই সব ধর্মের মানুষ যখন সংকটে তখন তাঁদের সংকট আরো বাড়িয়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। লোকাল ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রোগীরা অনেকেই এখন বলছেন, ‘ডাক্তারবাবু, এরচেয়ে কমদামের বিষ লিখে দিন। খেয়ে একেবারে মরে যাই।’

এক মুসলিম যুবক দেখাতে এসেছিলেন। তাঁর বাবা দুদিন আগেই করোনায় একটি সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। তাঁরও জ্বর আসছে। তিনি বলছিলেন, ‘ডাক্তারবাবু, বাবা আজ পর্যন্ত সব রোজা করেছেন। এবার জ্বর আসার পরে অসুস্থ শরীরেও প্রথম তিনদিন রোজা রেখেছিলেন। আর কি হয়ে গেল!’

যে কটি ছেলে মাঠে ময়দানে নেমে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছিল তারাও ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাদের মধ্যেও হতাশা আসছে। এই মুহুর্তে অন্যরাও এগিয়ে না এলে তারা বেশীদিন লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে না।

জানি না শেষ পর্যন্ত কী হবে? যখন এই মহামারীর ইতিহাস লেখা হবে, সেটা পড়ে ভবিষ্যতের মানুষরা আমাদের কী ভাববে? কাপুরুষ, স্বার্থপর, ধান্দাবাজ নাকি বোকাহাবা?

PrevPreviousগল্প তবু গল্প নয়
Nextনিভৃতবাসের ফোনালাপNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dr.Nirmalya Kumar Majumder a.ka - Dr N.K.Majumder
Dr.Nirmalya Kumar Majumder a.ka - Dr N.K.Majumder
5 years ago

A REQUIEM –MOST POIGNANT SINCE THAT OF MOZART’S SINCE : 1791 Dec ( … unfinished)
———- nirmalyada

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 9 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656828
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]