Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দ্বিতীয় ঢেউ এর দিনগুলি ২ঃ খুপরির গল্প

IMG_20210401_232039
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • April 2, 2021
  • 9:53 am
  • No Comments

বাংলায় ভোটের খেলা চলছে। সকলে তাই নিয়েই ব্যতিব্যস্ত। তবে আমার মতোও কয়েকজন রয়েছে যাদের ভোট নিয়ে আগ্রহ নেই।

খবরের কাগজ পড়া হয় না অনেকদিন, টিভি দেখা হয় না তার চেয়েও বেশি দিন। ফলে নানা গুরুত্বপূর্ণ খবর অজানা থেকে যায়। যেমন আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলতে পারবো না কোন অভিনেতা এবার কোন দল থেকে কোথায় দাঁড়িয়েছেন।

তবে আমি একেবারেই অসামাজিক নই। সকাল থেকে রাত অবধি মানুষের সাথেই কারবার। তাদের জ্বালা যন্ত্রণার গল্প শুনি। তাদের কাছে নানা খবরা-খবর পাই। সেসব খবর কোনো সংবাদপত্রে ছাপলে পাবলিক খাবে না।

ঘামতে ঘামতে দাস মেডিকেলের খুপরিতে রোগী দেখছিলাম। এই খুপরিতে বেজায় গরম। চারদিক আটকানো। শুধু একটা ঘড়ঘড়ে দেওয়াল পাখা চলে। সেটা আবার ঘুরে ঘুরে হাওয়া দেয়। কিছুতেই স্থির করা যায়না। ঘুরতে ঘুরতে যেটুকু দমকা হাওয়া গায়ে এসে লাগে, সেটুকুই শান্তি।

আশ্চর্যের বিষয় হলো খুপরির দেওয়ালে একটি এসি বিরাজ করছে। তবে এসিটা চলেনা।

স্টেথো দিয়ে এসিটা ঠুকে ঠুকে দেখেছি। কেমন ফাঁপা আওয়াজ। সম্ভবত ভেতরে যন্ত্রপাতি নেই। খোলসটা টানিয়ে খুপরিটাকে থ্রি স্টার চেম্বার বলে চালানোর চেষ্টা হয়েছে।

মন মেজাজ খিঁচড়ে রয়েছে। খুপরিতে ঢুকতে দেরি হয়েছে।

আমি ঠিক সময়ে খুপরিতে ঢোকা ডাক্তার। আজও সময়ের মিনিট পাঁচেক আগেই ঢুকে যেতাম। কিন্তু রাস্তা জুড়ে এক রাজনৈতিক দলের বিশাল মিছিল বেড়িয়েছে। ব্যাণ্ড পার্টি, ছৌ নাচ, ঘোড়ার গাড়ি, রণ পায়ে চড়া লোক- কী নেই সেখানে। একেবারে হই হই কাণ্ড, রই রই ব্যাপার। সবই আছে, শুধু কারো মুখে মাস্ক নেই।

গতকালও আমার চারজন রোগীর করোনা ধরা পড়েছে। তার মধ্যে একজনের অবস্থা সুবিধার নয়। কালকে রাতেই তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাওতো অধিকাংশ জ্বরের রোগী পরীক্ষা করাচ্ছে না। সবাই পরীক্ষা করালে কেস অনেক বাড়তো।

দরজা ঠেলে একটি সাতেরো- আঠেরো বছরের ছেলেকে নিয়ে তার মা ঢুকলেন। ছেলেটিকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে গতকাল দোলের দিন সে চুটিয়ে রঙ খেলেছে।

জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হয়েছে?’

ছেলেটির মা বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, মনে হচ্ছে জণ্ডিস হয়েছে।’

‘কী দেখে মনে হচ্ছে?’

‘কাল সারা রাত ও বমি করেছে। জল খেলেও ওয়াক ওয়াক করছে। চোখ দুটোও কেমন হলুদ হলুদ দেখাচ্ছে।’

‘কী রে, এখন আর বমি পাচ্ছে?’

ছেলেটি জবাব দিল, ‘না স্যার। এখন ঠিক আছি। কোনো অসুবিধা নেই।’

বললাম, ‘কী আজব জণ্ডিস। সারাদিন আপনার ছেলে চুটিয়ে রঙ খেলল। রাত্রে জণ্ডিস হল। আবার সকাল হতেই ঠিক হয়ে গেল!’

‘ডাক্তারবাবু, আপনি ওকে একটু ভালো করে দেখুন। রাত্রে ও কেমন যেন করছিল। বারবার বলছিল, মা কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে আমি এখুনি মরে যাব। অতবড় ছেলে ভেউ ভেউ করে কাঁদছিল।’ বলতে বলতে ওর মা কাঁদতে আরম্ভ করলেন। ‘একমাত্র ছেলে ডাক্তারবাবু, আপনি পরীক্ষা নিরীক্ষা লিখে দিন। আলট্রাসাউন্ড, লিভারের পরীক্ষা- সবকিছু।’

আমি ছেলেটির চোখে চোখ রেখে বললাম, ‘কী খেয়েছিলি? সিদ্ধি?’

ভদ্রমহিলা হাউমাউ করে উঠলেন, ‘না না ডাক্তারবাবু, ও তেমন ছেলেই নয়। ও কোনো নেশা করে না।’

জোড়দার ধমক দিতে বাধ্য হলাম, ‘চুপ, একদম চুপ। প্রশ্নটা আমি আপনাকে করিনি। কী খেয়েছিলিস বল।’

ছেলেটি মাথা নীচু করে বলল, ‘সিদ্ধি খেয়েছিলাম। বন্ধুরা জোর করে… ‘

মুহূর্তের মধ্যে ভদ্রমহিলা মমতাময়ী মা থেকে ঝগড়ুটে পিসি হয়ে গেলেন। তিনি ছেলেটির হাত ধরে টেনে তুললেন, ‘হতচ্ছাড়া, তোর জন্য আমি এত করছি, আর তুই নেশা করে বেড়াচ্ছিস। বাড়ি চল…’

ভদ্রমহিলার রুদ্র মূর্তি দেখে হকচকিয়ে গেলাম। মিনমিন করে বলতে গেলাম, ‘ইয়ে আমার ভিজিট টা…’

উনি শুনতে পেলেন বলে মনে হল না। যাক গে, একজনের ভিজিট না পেলেও আমার দিব্যি চলে যাবে।

পরপর রোগী দেখছি। বেশ ছন্দ এসে গেছে। বিড়ি খেয়ে হাঁপানির রোগী দেখলাম। মদ খেয়ে প্যানক্রিয়াটাইটিসের রোগী দেখলাম। সব সিলেবাসের মধ্যে। রোগীরা ঢুকছে আর বেরোচ্ছে।

ছন্দ কাটল একটি কম বয়সী মেয়ে। একটি বয়স্ক মানুষকে ধরে ধরে সাবধানে খুপরিতে ঢুকছে।

বললাম, ‘একটু তাড়াতাড়ি।’

‘দুঃখিত ডাক্তারবাবু একটু সময় লাগছে। বাবা একেবারেই দেখতে পায়না তো।’

যত্ন করে মেয়েটি বয়স্ক ভদ্রলোককে টুলে বসিয়ে দিল। বলল, ‘ডাক্তারবাবু, দেখুন না, বাবার বড্ড ঠাণ্ডা লেগে গেছে। এমনিতেই টানের দোষ আছে।’

বুকে স্টেথো বসালাম। দিব্যি সপ্তসুর শোনা যাচ্ছে। বললাম, ‘ভালোই ঠাণ্ডা লাগিয়েছেন। তা লাগালেন কী করে?’

ভদ্রলোক লাজুক মুখ করে বললেন, ‘আজ্ঞে ডাক্তারবাবু, দার্জিলিং গেছিলাম। বড্ড ঠাণ্ডা, অভ্যাস নাই তো।’

অবাক হয়ে বললাম, ‘দার্জিলিং? বেড়াতে গেছিলেন? আপনি তো চোখেই দেখেন না!!’

ভদ্রলোক হাতড়ে হাতড়ে মেয়েটির কব্জি চেপে ধরলেন। বললেন, ‘এই যে, এ মেয়ের জেদ। কতবার বারণ করেছি, শুনলো না।’

মেয়েটির চোখে অভিমান, ‘তুমি আমাকে বলোনি, তোমার পাহাড় দেখার ইচ্ছে? আমি চাকরি পেলে আমার সাথে পাহাড়ে যাবে বলোনি?’.

‘তখন তো চোখে দেখতাম। আর এখন…’

‘আর এখন কী? তুমি এখনো যথেষ্ট সুস্থ। দাঁড়াও এবার তোমার চোখটা ভালো করে দেখাতে হবে। ডাক্তারবাবু, রেটিনার সমস্যার জন্য কোথায় দেখালে ভালো হয়?’

বাবা আর মেয়ে ছাড়া ওদের বাড়িতে কে আছে জানি না। মেয়েটি কী চাকরি পেয়েছে তাও জানি না। তবে ওদের ভালোবাসার উত্তাপ দিব্যি টের পাচ্ছিলাম।

ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তা দার্জিলিং কেমন লাগলো?’

উনি হাসলেন, ‘খুব ভালো লেগেছে। কী ঠাণ্ডা হাওয়া। উঁচু নীচু রাস্তা। আর ও এতো বকবক করছিল। যা দেখছিল আমাকে শোনাচ্ছিল।’

ভদ্রলোক আরও কীসব বলে যাচ্ছিলেন। সন্তানের চোখ দিয়ে প্রথমবার পাহাড় দেখার আনন্দে উনি এখনো মশগুল হয়ে আছেন।

PrevPreviousমারীর দেশের খেলা ছেলেখেলা নয়
Nextগ্যাস লাইটিংNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রিয় রাষ্ট্রবাদী বন্ধুদের জন্য খোলা চিঠি

October 10, 2026 No Comments

আজকের দিনটা আপনাদের মুখ পুস্তকের দেওয়ালগুলি ভরে যায় যে মানুষটির বিদ্রূপ, নিন্দায় তাঁকে নিয়ে আজকের এই চিঠি। গান্ধী কেমন লোক ছিলেন সে নিয়ে আপনাদের গুরুদেব

মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ

October 10, 2026 No Comments

মুনাফা সর্বাধিক করার জন্য বিশ্বপুঁজি বিশ্বায়নের প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে গত তিন দশকে মানুষের চিন্তার কাঠামো বদলে দিতে চেয়েছে । পরিবর্তিত চিন্তার আধারে উন্নয়নের সংজ্ঞা নির্ধারিত

অভয়া আন্দোলনকারী সমস্ত চিকিৎসক ও নাগরিকদের হেনস্থা করা মিথ্যা অভিযোগগুলি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে

October 9, 2026 No Comments

৯ আগষ্ট ২০২৪ আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ‘অভয়া’ র মৃতদেহ পাওয়া যায় হাসপাতালের তারই কর্ম স্থলে। তারপর সারা কলকাতা, রাজ্য, দেশ তোলপাড় করা

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

October 9, 2026 No Comments

৮ অক্টোবর ২০২৬ কয়েকদিন আগে প্রকাশ্য রাস্তায় আইনজীবী শামিম আহমেদ সহ একাধিক আইনজীবীর ওপর আক্রমণ হয়েছে। আজ ভোরে বিশিষ্ট আইনজীবী শ্রী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর বাড়িতে আক্রমণ

নানা পাটেকর চলে গেলেন

October 9, 2026 No Comments

আমরা, যারা গত শতকের সাতের দশকে জন্মেছি, তাদের সিনেমা দেখার গল্পটা একটু অদ্ভুত। আমরা বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর আগেই উত্তমকুমার প্রয়াত – তারুণ্যে পৌছাতে পৌঁছাতে দেখছি উত্তমোত্তর

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রিয় রাষ্ট্রবাদী বন্ধুদের জন্য খোলা চিঠি

Dr. Samudra Sengupta October 10, 2026

মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ

Sanjoy Mukherjee October 10, 2026

অভয়া আন্দোলনকারী সমস্ত চিকিৎসক ও নাগরিকদের হেনস্থা করা মিথ্যা অভিযোগগুলি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে

Abhaya Mancha October 9, 2026

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

Abhaya Mancha October 9, 2026

নানা পাটেকর চলে গেলেন

Dr. Bishan Basu October 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

688374
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]