Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্টেথোস্কোপঃ ১০১ ।। সাগরিকাদি ।।

IMG_20220306_071629
Dr. Hrishikesh Bagchi

Dr. Hrishikesh Bagchi

Associate Professor of Physiology in a government medical college
My Other Posts
  • March 8, 2022
  • 7:51 am
  • No Comments

আজকের দিনের মত ফেবু-হোয়ার পৃথিবীতেও একজন মানুষের জীবন কতখানি ব্যক্তিগত হতে পারে তার নিজের কাছে সাগরিকাদিকে দেখে আমি বুঝেছি। শিখিনি কারণ আমি চরিত্রগতভাবে সম্পূর্ণ তার বিপরীত। যেসময় দিদির ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পড়ল আমাদের ডিপার্টমেন্টে হেড ছাড়া কেউ জানতেন না। তাকেও বলা ছিল তিনি যেন ঘুণাক্ষরেও কাউকে কিছু না জানান। এদিকে আমাদের দিদির ক্লাসগুলো নিতে হচ্ছে। দিদি কাউকে না জানিয়ে অনেকদিন আসছে না। হেডকে কিছু বলতে গেলে উনি চুপ করে আছেন। আমরা অনেকেই দিদির ওপর বিরক্ত। পরে দিদি অপারেশন করিয়ে ফিরে আসার পরে যখন জানতে পারলাম তখন সবাই হতবাক।

নিজের সমস্যা ও বিপদ নিয়ে সবসময় একা লড়াই চালিয়ে গেছে। খুব খুব ঘনিষ্ঠ ছাড়া কাউকে পাশে চায় নি কোনোদিন। ব্যক্তিত্বের এমন একটা পরাকাষ্ঠা ছিল যে চারপাশে একটা সহজ বিকর্ষণ ছিল। কারোর জন্যই সহজ ছিল না, নিজেও সহজ হয়ে উঠত না কারো কাছে। যে কাজটা একটা ছেলে করতে পারে সেটা আমিও একাই পারি। পুরুষদের প্রতি যে প্রবল বিদ্বেষ ছিল এমনটা নয় তবে পুরুষদের স্বাভাবিক অগভীরতা ও সুবিধাবাদিতার প্রতি অবজ্ঞা ছিল প্রবল।

আমার সাথে ছিল দিদি ভাইয়ের সম্পর্ক। কলেজে আমার এক ব্যাচ সিনিওর। সাত বছর একসাথে কাজ করেছি ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি ডিপার্টমেন্টে। প্রতিদিন একবার দিদির ঘরের পাশের চেয়ারে বসে আড্ডা দেবোই। বা দিদি আসবে আমার ঘরে। আমাদের অল্প বয়সের কলেজ, আমাদের অল্প বয়স, আমাদের হারিয়ে যাওয়া সময়, আমাদের ফেলে আসা সময়ের ইতিবৃত্তগুলো রিং হয়ে ঘুরে বেড়াতো আমাদের মাথার ওপর।

আমি কলেজতুতো ভাই বলে আমাকে বাঁচিয়ে রাখার একটা প্রবণতা ছিল। দিদি যেহেতু ঠোঁটকাটা। ঠিক কথাটা ঠিক বা বেঠিক জায়গায় বলতে এক মুহূর্ত ভাবে না, তাই অনেকেরই ভীষণ অপছন্দের মানুষ। অনেক অভিযোগের মানুষ। তাই অনেকে তার সম্পর্কে অনেক কিছু বলতে চাইলেও আমাকে সহজে বলতে পারত না। কারণ বুঝত আমার জবাব তার মনোমত নাও হতে পারে।

এভাবেই আমরা সাত বছরে সহকর্মী হিসেবে বন্ধু হিসেবে দুজনের অনেক কাছে চলে এসেছিলাম। সাত বছর আগে আমরা দিদিদের সাথে অরুণাচলে বেড়াতে গিয়েছিলাম। দিদি, দিদির দাদা আর মা গেছিলেন। তারপর কতবার একসাথে যাবার কথা হয়েছে। আর হয় নি। নিজে শেষ কয়েক বছর কাকিমাকে নিয়ে ইউরোপ, শ্রীলঙ্কা ঘুরে এসেছিল। কিছু বললেই বলত, আমি আর কতদিন আছি বল? কদিনে একটু ঘুরে নিই। মাকে ঘুরিয়ে আনি।

সপ্তাহে ছ-দিন ছয়রকম সালোয়ার বা শাড়ি পরে আসত। যদিও শাড়িতেই দিদিকে আমার সবচেয়ে বেশি সুন্দরী লাগত। প্রসাধনী খুব কমই করত। কিন্তু সৌন্দর্যের মধ্যে একটা স্বাভাবিকতা ছিল যা সহজেই আমাদের চোখ টানত। নিজে বলত আরেকজন ম্যাডামের থেকে ও শিখেছে কিভাবে কলেজে এলে পোশাক-আশাক পরতে হয়।

অপারেশন করেছিলেন কলকাতার এক নামজাদা সার্জেন। তাই কেমোথেরাপি শেষ হবার পর দিদি খুব আশাবাদী হয়ে উঠেছিল, অনেককে বলেছিল, আর হয়ত ভয় নেই। এর মধ্যেই আমার মালদায় ট্রান্সফার হয়ে গেল। পরে জানতে পারলাম ফুসফুসে অল্পস্বল্প মেটাস্টেসিস ধরা পড়েছে। তার মধ্যেই এল কোভিড। এর মধ্যেই চলল বারবার পরীক্ষানিরীক্ষা আর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া।

কারোর কাছে কোনো সাহায্যের আবেদন নেই। নিজের চরম কষ্টের দিনেও প্রায় একা-একা লড়াই করে গেছে। এরই মধ্যে জন্মদিনে হোয়াতে উইশ করেছে। পেপার পাবলিশ করার জন্য ফোন করেছে। আর কথায় কথায় উঠে এসেছে আবার ঘুরতে যাবার কথা। ট্রেকিং করার ছবি দেখে বলেছে, আমি তো আর যেতে পারব না। তোর ছবি আর লেখার সাথেই ঘুরে এলাম।

খুব ঘনিষ্ঠ এক সহকর্মী ‘সিঙ্গল মাদার’ হবার পর থেকেই বারবার বলত, জানিস তো ওর মেয়ে হয়েছে শুনে আমার এত আনন্দ হচ্ছে যেন মনে হচ্ছে বারবার ও আমারই মেয়ে। শেষ কয়েক বছর চেষ্টাও করেছিল একটা বাচ্চা অ্যাডপ্ট করার জন্য। এখন মনে হয় ভাগ্যিস করে নি!

প্রেমের কাছে প্রতিহত প্রতারিত হয়েছে। নিজের বৃত্তকে ক্রমাগত ছোট করে নিয়েছে। এক চরম নির্জন, বিষণ্ণ জীবন- যাকে শেষে ক্যান্সার এসে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়ে গেছে। কেউ কেউ জীবনে কেন এত কষ্ট পায়, আমাদের মত কেউ কেন হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াই- এই প্রশ্নের সত্যিই কোনো উত্তর হয় না। ঈশ্বর থাকুন না থাকুন মৃত্যু পরবর্তী একটা জায়গা নিশ্চই আছে। সে জায়গাটা নিশ্চই এই পৃথিবীর মত এতটা খারাপ নয়। সেখানে মানুষ তার পছন্দের জায়গায় ফিরে যায়। এটা ভেবে মনে আনন্দ পাই। সাগরিকাদিও আমার মত পাহাড় ভালো বাসত। আজ হয়ত সেখানেই কোথাও আছে।

মৃত্যু এক অর্থে মুক্তিও। পার্থিব শারীরিক ও মানসিক তীব্র যন্ত্রণা থেকে। যারা শেষ সময়ে ওকে দেখেছিল। তারা এমনটাই বলছিল। তবে এত তাড়াতাড়ি চলে যাওয়া? এটা কিভাবে মেনে নিই? সামনেই প্রফেসর হবার ইন্টারভিউ ছিল। ছাত্র-ছাত্রীরাও তাদের প্রিয় একজন শিক্ষিকাকে হারাল। বয়স্ক কাকিমার রোগজীর্ণ শরীরে এত বড় মানসিক চাপ। কিভাবে কাটাবেন বাকি জীবন?

সবসময় বলত তুই ক্যামেরায় আমার একটা ছবি তুলে দিস। সে আর হলো না। চোখ বন্ধ করলেই এত স্মৃতি! সাগরিকাদি কলেজ করিডোরের পাশ ধরে বুকে বইখাতা চেপে মাথা নিচু করে ভাস্বতীদির পাশে হেঁটে লেকচার ক্লাসে ঢুকছে। আমরা তখন ফাস্ট ইয়ার। আর গত নয় বছরের স্মৃতি তো অগণিত। তবে এই শুরু হয়ে গেল। সাগরিকাদিই শুরু করে দিয়ে গেল। নিজের সমবয়েসিদের হারাবার অভিজ্ঞতা বয়ে বেড়ানো।

অসম্ভব রুচিশীল, সংবেদী, বাস্তববাদী ও প্রচন্ড মানসিক জোরের অধিকারী এক মানুষ। এক শিশুর মত তীব্র মানসিক আবেগ ও স্পষ্টবাদিতা। আমার জীবনে এমন মানুষ ও মহিলা আমি তেমন কাউকে দেখি নি। স্মৃতি এখনো দুর্ভার হয়ে আছে। ধীরে ধীরে তা মিলিয়েও যাবে। তেমনই যায়। সবই যায়। তবু কেন জানি মনে হয় কোথাও একদিন ঠিক আবার আমাদের দেখা হবে।

PrevPreviousপ্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিয়া নিয়ে একটু সচেতন হই।
Nextপেন-কিলারNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ও অর্থ ব্যবস্থা: বাজেটিয় ঘোষণা এবং অন্যান্য প্রকল্প

July 6, 2026 No Comments

বড়ো পাপ হে: স্বাধীনতার আগে পরে ভারতের সবচাইতে শিল্পোন্নত রাজ্য যা কর্মসংস্থানের জন্য সারা ভারতের কর্ম প্রার্থীদের আহ্বান করত, আমাদের সেই রাজ্য বাংলা (অবিভক্ত) এবং

পুঁজিবাদের আওতায় মানুষের ‘উচ্ছেদ’ নতুন কিছু না

July 6, 2026 No Comments

বাংলায় একটা কথা চালু আছে, “ভাত দেবার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই”। দশকের পর দশক ধরে, হকার সমস্যা নিয়ে সরকারগুলোর মনোভাব আমাদের বারবার সেই কথাটা

যোগ: অন্তর্জাগরণের সাধনা নাকি প্রদর্শনীর উপকরণ?

July 6, 2026 No Comments

যোগের প্রকৃত দর্শন, ভিত্তি এবং সমকালীন বিকৃতির সমালোচনা ভূমিকা একবিংশ শতাব্দীতে ‘যোগ’ শব্দটি বিশ্বজুড়ে এক অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, কর্পোরেট ওয়েলনেস কর্মসূচি,

নরেন্দ্রপুরে ছাত্র মৃত্যু: হোক প্রকৃত সত্যের উদঘাটন

July 5, 2026 2 Comments

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে যেভাবে একটি ছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে সেটা যেমন চরম দুর্ভাগ্যজনক তেমনি সন্দেহজনক। কারণ, গরম চা খেয়ে ফেললে, সহ্যের অতিরিক্ত অত্যাধিক গরম হলে মুখ

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে…….(৩)

July 5, 2026 6 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ও অর্থ ব্যবস্থা: বাজেটিয় ঘোষণা এবং অন্যান্য প্রকল্প

Bappaditya Roy July 6, 2026

পুঁজিবাদের আওতায় মানুষের ‘উচ্ছেদ’ নতুন কিছু না

Dipak Piplai July 6, 2026

যোগ: অন্তর্জাগরণের সাধনা নাকি প্রদর্শনীর উপকরণ?

Dr. Sukanti Bhattacharya July 6, 2026

নরেন্দ্রপুরে ছাত্র মৃত্যু: হোক প্রকৃত সত্যের উদঘাটন

Sanjoy Mukherjee July 5, 2026

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে…….(৩)

Somnath Mukhopadhyay July 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

646814
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]