Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

একটি স্বপ্নাদ‍্য প্রহসন

Screenshot_2021-12-23-22-47-10-00_6012fa4d4ddec268fc5c7112cbb265e7
Dr. Dipankar Ghosh

Dr. Dipankar Ghosh

General Physician
My Other Posts
  • December 24, 2021
  • 6:39 am
  • No Comments

রিপ ভ‍্যান কাকার মতো দীর্ঘ কয়েক বছর নিদ্রার পর আমাদের হাতুড়ে বুড়ো জেগেছেন। তারপর হঠাৎ কি মনে করে হাওড়া ইস্টিশনে এসে হাজির। চারপাশে মহা হট্টগোল, মহা ধুমধাম।নানা রংয়ের পোশাক পরা লোকজন, দল, পার্টি, মাইক, তাশা একেবারে হৈহৈ, রৈ রৈ, মারমার কাটকাট ব‍্যাপার। হাতুড়ের পাশে কয়েকজন হুমদো, গুঁফো, পাগড়ি পরা পাইক। কানে তাদের গোঁজা জবার ফুল, চোখ‌ও তাদৃশ, হাতে সড়কি। দেখে মনে হচ্ছে….সেই যে শোলোকটা মনে আছে?
“এক যে আছে একা-নোড়ে,
সে থাকে তালগাছে চড়ে।
দাঁতদুটো তার মূলোর মতো,
পিঠখানা তার কুলোর মতো!
….গাছের ওপর চড়ে
আর তুলে আছাড় মারে”

হাতুড়ে “বাপু হে তোমরা আবার কারা? কোত্থেকেই বা এলে?”

এদের পাশে ছিলো এক বৃদ্ধ। তার পাশে একটি ঘোমটাবতী মহিলা। মুখ দেখার উপায় নেই।

বুড়ো বললে “এরা বরকন্দাজ। আমার কন‍্যাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির পানে চলিছি” (বুড়োর গলাটা সাড়ে তেত্রিশ রেকর্ডের আলিবাবা ও চল্লিশ চোরের সেই বাবা মুস্তাফার মতো)

হাতুড়ে অবাক-“তো এরা কেন?”

বুড়ো (আশ্চর্যি) “এরা পাইক বরকন্দাজ, লেঠেল। জানো নে,এখন ধর্মযুগ চলতিছে? একা নারী গাভীর মতো…বলং বলং বাহুবলং…বুঝলেন কিনা?

হাতুড়ে চমৎকার বিষ্মিত হয় “না, না, বুঝলাম না”

বুড়ো পাছায় ভর দিয়ে বসে “দ‍্যাখো হে, রাম দড়াম করে হরধনু ভেঙে সীতেকে বগলে পুরে নে আসে। বে থা সেরম কিছু হয়নি কো। কোত্থাও লেকা নেই, সেকথা। দ্রৌপদী নিচ্চয় পাঁচ বার সাৎ পাক, সাত কত্তে পঁয়ত্রিশ পাক বনবন করে ঘোরে নি কো। বিয়ে ইয়েটাই অনেক অনেক পরে, শ্বেতকেতু চালু করে…”

হাতুড়ে “কাতুকেতু শুনেছি, রাহুকেতু শুনেছি… কিন্তু শ্বেতকচু তো শুনি নি তো…”

বুড়ো “কোথাকার আহাম্বুক হে তুমি? শ্বেতকচু নয়কো, উদ্দালকবাবুর অবৈধ সন্তান শ্বেতকেতু.. কিচুই তো জানো না হে।চেয়ে দ‍্যাখো, ইস্টিশনের মদ‍্যি, আমার মেয়ে ছাড়া, আর কোনও মেয়ে নেই, মেয়েদের বাইরে বেরোনো অশাস্ত্রীয়…আমার মেয়েকেও আবার শুদ্ধুকরণ করে’ ঘরে তুলবে….সে আবার এক ফ‍্যাচাং… তিনকিলো গোবর, ছ’ লিটার গোরুর হিসি খেয়ে…”

হাতুড়ে আর ঘোমটাবতী দুজনেই ওয়াক তোলেন। (সজোরে) “ওয়‍্যাক, ওয়‍্যাক, ওয়‍্যাক”

ইতিমধ্যে প্রচুর লোক জন, বাদ্দি, বাজনা হাজির। মধ্যে কতক খাটে কজন লোক, বাচ্চাও আছে-সব শুয়ে আছে। পাশে একজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সত‍্যিযুগের কিচকিন্ধে মন্ত্র পড়চে।
“সত‍্যে ব্রহ্মঙ্ক কর যাত-অ-অ,
সত‍্য স্ব-রূ-প তু অনন্ত।
সত‍্যে তোহার আত্মা যাত-অ-অ
আম্ভে জ-নি-লু তোর সত্য,
তোরে সঞ্চিলা সেয়ল-অ-অ
অসুর মারি সাধু পাল-অ-অঃ
জগত তোর দেহু যাত‌-অ-অ”
হাতুড়ে লোকটাকে বললো “ও ভাই ও,এটা কি পড়চো?তোমরা যাচ্ছ‌ই বা কোথায়?”
একটা ভিখারী গোছের লোক, হাঁটু বগলে নিয়ে বসে বসে দাড়ি চুলকোচ্ছিলো, সে আঙুল নেড়ে হাতুড়েকে ডাকলো “ইদিকে এসো হে একটুস কতা বলি”
হাতুড়েও গিয়ে উবু হয়ে ওর পাশে বসলো।
“এরা সবাই রামমন্দির যাচ্চে”
“তো খাটে শুয়ে শুয়ে কেন?”
“এরা সবাই জটিল রোগী, কেউ ক‍্যানসার,কেউ টিবি, কেউ হুপিং কাশি….ওটার ক্ষ‍্যাম্তা নেই কো”
“সবাইকার একটাই পুরোহিত? ঐ যে সম্সকৃতে মন্ত্র পড়চে?”
“এম্মা মাগো, কিচুই তো জানো না দেকচি।সবাই পাড়ার মন্দিরে টাকা দিয়েচে, সে টাকা হেট পুরোহিতকে পাটিয়েচে, সে আবার ভগমানের সঙ্গে মিটিন করে’,এই কজনকে পাটাচ্চে,টিকিট করে’,নিজের লোক দিয়ে রামমন্দিরে খাঁটি গোমূত্র খাওয়ানোর জন্যে নে যাচ্ছে….ঐ দ‍্যাখ সে একটা আঙ্কেল ষাঁড়….এর হিসুতে কাজ হয় না কো”
হাতুড়ে তাকিয়ে দ‍্যাখে,সত্যিই একটা বিশাল ষাঁড় নিয়ে একটা লোক যাচ্ছে।সঙ্গের লোকটা ডিগবাজি খেয়ে খেয়ে চ‍্যাঁচাচ্ছে
“খাঁটি গঙ্গা জল খেয়ে বড়ো হ‌ওয়া ষাড়ের মূত্র… সস্তা….সর্বরোগহর….ইদিকে আসুন… ইদিকে…”
দাড়ি চুলকোনো বুড়ো দ‍্যাখায় “ঐ দ‍্যাখো,ঐ যে শয‍্যেশায়ী… ওরা সাউথে যাচ্চে.. তিরুপতি, ভীরুপতি…এসব দিকে”
হাতুড়ে বলে “আমার গলা শুকিয়ে গ‍্যালো, একটু চা পেলে…”
ওমনি একটা চাবালা হাজির “খাঁটি নেবুর পাতায় করমচা, ছার”
হাতুড়ে পকেট থেকে একটা দশ টাকার কয়েন নিজের কানের কাছে নিয়ে টং করে বাজিয়ে দেখে চাবালার হাতে দিলো।
চাবালা বললো “অচল টাকা”
তখন হাতুড়ে পকেট থেকে একটা দশটাকার ঝকঝক্কাস নোট দিলো।চাবালা ফেরৎ দিয়ে বললো “এসব মান্ধাতা আমলের… সব বাতিল হয়ে গেছে”
দাড়ি চুলকোনো বুড়ো তখন ওর পকেট থেকে একটা আনন্দ বাজার কাগজের মতো জ‍্যাল্জ‍্যালে, ফ‍্যাঁসফ‍্যাঁসে,হিজিবিজি লেখা কাগজ চাবালাকে বললো “এটা নে”
চাবালা বললো “মাত্তর এই একশো টাকা?”
বলে’ হাতুড়ের এঁটো চা, আদ্ধেকটা নিজের কেৎলিতে ঢেলে নিয়ে, রেগেমেগে চলে গেল।
হাতুড়ে টাক চুলকে বললো “যাঃহ্ আবার টাকা তুলতে ব‍্যাঙ্কে যেতে হবে”
বুড়ো বললে “তুমি খোকা কোতা থেকে এলে চাঁদ?ব‍্যাঙ্ক ফ‍্যাঙ্ক উটে গ‍্যাচে, তাইতো আমি ইস্টিশনে বসে থাকি”
হাতুড়ে বললো “আমি যে একটু ডিম ভাত খেতে চাই”
ওমনি বুড়ো ওকে জাপটে ধরে’,মাটিতে পেড়ে ফেললে
“চুপ, চুপ, তিঞ্চুপ, তুমি ডিম পাড়তে পারো, কিন্তু ডিম, প‍্যাঁজ, রসুন, মাছ, মাংস খেতে পারো না।বললেই বানরসেনা ন‍্যাজে পেঁচিয়ে ধরে নিয়ে যাবে”।
বলে, টলে পকেট থেকে একটা লক্ষণ ছাপ পাঁচশো টাকার নোট দিয়ে বললো “যাও, এই টাকায় পেঁপে পাতার বড়া, দুব্বো ঘাসের ঝোল আর চাড্ডি ভাত হয়ে যাবে- যাও আপদ বিদেয় হ‌ও”
হাতুড়ে বাইরে আসতেই দ‍্যাখে সব শুনশান।একটা ন‍্যাংটা নাগা সন্ন্যাসী বসে বসে গাঁজা খাচ্ছে।হাতুড়ে ওর কাছে যেতেই লোকটা নিজের পায়ের ধুলো এক খামচা নিয়ে হাতুড়ের মাথায় মাখিয়ে দিলো।হাতুড়ে বিরক্ত হলেও বললো
“প্রভূ, চারপাশ এ্যাতো সান্নাটা কিঁউ?”
“দ্ধুর্ব‍্যাটা বাংলায় বল, আমি বেনাগরিক কিন্তু বাঙালি, জামা কাপড় কেনার পয়সা নেই, তাই নাঙ্গা, শোন তবে….এখন ভারতের জিডিপি সবচে বেশী, কেউ ভাড়ার গাড়ি চাপে না… বুঝলি?”
তারপর ফিশফিশ করে বলে
“আসলে কোভিডে য‍্যামন সরকারি হিসেবে একচল্লিশ লক্ষ মানুষ বাড়তি মরেছে, ওরা বেজম্মা নয় বেমৃত‍্যু।কিন্তু আবার এদের অন্য সব কোভিডের সরকারি হিসেবে দেখায় নি,তেমনি হাসপাতাল বন্ধ হ‌ওয়ার পর ডেমোগ্র‍্যাফিক সাইকেল উল্টো দিকে চলছে।যতো জন্মাচ্ছে, মরছে তার শতগুন।এখন ভারতের জনসংখ্যা তিরিশ কোটি।কমতির দিকে”
“প্রভূ আপনি কে?”
“আমি আগে ডাক্তার ছিলাম” বলেই হাতপা তুলে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে পৃথিবীর সেরা ডাইভিং চ‍্যাম্পিয়ানের মতো ওপর থেকেই সোজা গঙ্গায়।
ওমনি হাতুড়ের সামনে একটা জলপাই জিপ এসে দাঁড়ালো, তার থেকে গোটা ছয়েক জলপাই একে ফর্টি সেভেন নিয়ে, নেমে এলো।
“আপনি কে?তুম কোন হো?হু আর ইউ”
“আমি ইন্ডিয়ান।ভার্তীয় হুঁ মৈ।”
বলে হাতুড়ে মাইনেব‍্যাগ থেকে আধার আর প‍্যাং কার্ড বার দিলো।লোক গুলো সোজা হয়ে, উল্টো হয়ে এঁকে বেঁকে অনেক বার এদুটো দেখলো।তারপর বললো
“এসব ক‌অঅবে বাতিল হয়ে গেছে, তুম এখন বিদেশী হোওও”
বলে বুক সোজা তাক করে তিনফুট দূর থেকে একে ফর্টি সেভেন তাক করে গুলি চালালো।গঙ্গার হাওয়ায় হাওয়ায় গুলিটা বুড়ির সুতোর মতো এলোমেলো,ঘুরে ঘুরে হাতুড়ের কনুইয়ে ফুটে গেলো।হাতুড়ে “বাবা গো” বলে চেঁচিয়ে উঠে দ‍্যাখে, ওনার চার্পেয়ে সুন্দরী ওনার কনুই কামড়ে ধরে, ন‍্যাজ নাড়ছে আর জুলজুল করে তাকিয়ে আছে।
(কবিতা ঋণ-ভূতপতরির দেশে)

PrevPreviousকোভিড টিকা কেন নেবেন? বুস্টার ডোজ লাগবে কি?
Nextআর একটা কুঁড়ি ঝরলোNext
4 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

এই জয় আমাদের শক্তি দেয়

April 20, 2026 No Comments

১৯ এপ্রিল ২০২৬ ক্ষমতার আস্ফালন আর চোখ রাঙানি শেষ কথা বলে না, ইতিহাস বারবার তা প্রমাণ করেছে। অভয়ার নৃশংস হত্যার পর আমরা হাজার হাজার ছেলে

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

April 19, 2026 No Comments

১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

April 19, 2026 No Comments

১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের

সাম্প্রতিক পোস্ট

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

এই জয় আমাদের শক্তি দেয়

Abhaya Mancha April 20, 2026

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha April 19, 2026

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

West Bengal Junior Doctors Front April 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618534
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]