Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অর্ধেক আকাশ

(Eingeschr?nkte Rechte f?r bestimmte redaktionelle Kunden in Deutschland. Limited rights for specific editorial clients in Germany.) Lise Meitner, Scientist, physicist. Portrait 1927 (Photo by ullstein bild/ullstein bild via Getty Images
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • July 10, 2025
  • 6:42 am
  • One Comment
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন বাড়ি তৈরি হওয়ায় খুশি হয়ে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মী এএনএম দিদি তাঁর ব্লকের বিএমওএইচ কে মেসেজ করে জানাচ্ছেন, “খুব খুশি। এত বছর কাজ করার পর এই প্রথম একটা টয়লেট পেলাম, মায়েরা যেতে পারছেন, আমারও যেতে পারছি। লজ্জায় মুখ ফুটে এই অসুবিধের কথাটা বলতে পারি নি।”
সেই দিদিমণির গল্পও শোনানোর আগে আপনাকে আজ আরেক দিদিমনির গল্প শোনাবো। না, ইনি আপনার মতো অক্সিলিয়ারী নার্স-কাম- মিডওয়াইফ ছিলেন না। ইন ফ্যাক্ট বাঙালিই ছিলেন না। ছিলেন জার্মান- অস্ট্রিয়ান, ইহুদি পরিবারের মেয়ে। এনার নাম লিজা মাইটনার।
ইনি ১৯০৫ সালে ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি থেকে ফিজিক্স এ প্রথম মহিলা ডক্টরেট (আর গোটা বিশ্বে দ্বিতীয়) উপাধি পান। এর কিছু পরে সতীর্থ অটো হান এর সাথে বার্লিনের কাইজার উইলহেল্ম ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা করার সুযোগ পান। ওই সময়ে প্রাসিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মহিলাদের প্রবেশাধিকার ছিল না। সৌভাগ্যক্রমে অটো হানের গবেষণাগারটি ছিল মাটির তলায় বেসমেন্ট এর একটা ছুতোরশালা। তাই কোনোমতে সেখানে লিজা গবেষক হিসেবে প্রবেশ করতে পারেন।
শুরু থেকেই ফিজিক্স -কেমিস্ট্রির মতো পুরুষ প্রধান বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে লিজাকে প্রচন্ড বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এও শুনতে হয়েছে যে লম্বা চুল নিয়ে ল্যাবে কাজ করা বিপদজনক, যদি চুলে আগুন ধরে যায়। ওই বেসমেন্ট এ কাজ করার আরেকটা বিরাট অসুবিধে ছিল। ওতে মহিলাদের জন্য কোনো শৌচাগার ছিল না। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে প্রতিবার লিজাকে হেঁটে হেঁটে যেতে হত কয়েক ব্লক দূরের এক রেস্তোরাঁয়। সেখানে ফিমেল টয়লেট ছিল।
আপনি ঠিক এই অসুবিধের কথাই বলতে চেয়েছিলেন আমার এ এন এম দিদিভাই। আপনি বলেছিলেন যে কিছু উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে এখনো কোনো টয়লেট নেই। ছেলেদের মতো মাঠে ঘাটে যাওয়া যায় না। কখন দরকার পড়বে সেই ভয়ে আপনি সিঁটিয়ে যান। তেস্টায় ছাতি ফেটে গেলেও জলের বোতলে চুমুক দেন রেশন করে মেপে। একদমই না পারলে গ্রামের এক সহৃদয় মানুষের বাড়িতে যেতে হয়। এ জিনিস চলছে বহুদিন ধরে।
লিজাকে কিন্তু কোনো বাধা দমিয়ে রাখতে পারেনি। নিষ্ঠা ভরে নিজের কাজটুকু করে গেছেন ঠিক যেমনটা আপনি করে যাচ্ছেন দিদিভাই। লিজা তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯ বার কেমিস্ট্রি আর ২৯ বার ফিজিক্স এ নোবেল প্রাইজের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আমার মতো আরো অনেক খারাপ লোকে বলে থাকে যে তার সতীর্থ অটো হান যেমন নোবেল পেয়েছিলেন, তেমনি লিজারও পাওয়া উচিত ছিল- মহিলা বলেই পান নি।
সেই লিজা মাইটনার এর গল্প এখানেই শেষ যিনি হান আর স্ট্রাসম্যান এর সাথে পৃথিবীতে “প্রথম সজ্ঞানে পরমাণুর হৃদয় বিদীর্ণ করেছিলেন”। আমি জানি দিদিভাই, যে আপনি নিউক্লিয়ার ফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করেন না, মানুষের চোখে আপনি জনস্বাস্থ্যের সামান্য একজন কর্মী। কিন্তু আপনার ওই সমস্যাটা কোনো অংশে লিজা মাইটনার এর সমস্যার চেয়ে কম না। ভাবতে লজ্জা লাগে যে লিজার ঘটনার পরে একশ বছর কেটে গেলেও স্বচ্ছ ভারতে কর্মরত মহিলা সহকর্মীদের সবার জন্য একটা ঠিকমতো শৌচাগারের ব্যবস্থা আমরা করে উঠতে পারিনি অথচ আমরা পরমাণু বোমা বানাতে পারি, মঙ্গলগ্রহে রকেট পাঠাতে পারি।
একাডেমিক জগৎ, গবেষণার জগৎ, কাজের জগৎ জুড়ে মহিলাদের কাছে লিজা মাইটনার আজো একটা প্রেরণার নাম। আর আমার কাছে জনস্বাস্থ্যের সাথে যুক্ত লোকজনের কাছে দিদিভাই আপনি ও আপনার মতো কর্মীরাও প্রেরণার একটা নাম। আমি দুঃখিত, লজ্জিত যে আপনাদের সবার জন্য টয়লেট এর ব্যবস্থা এখনো করা যায় নি। বিশ্বাস করুন দিদিভাই, লিজা মাইটনারও বেঁচে থাকলে আপনার কষ্টে দুঃখিত হতেন, লজ্জিত হতেন। আপনি লজ্জা পাবেন না মুখ ফুটে নিজেদের অসুবিধের কথা বলতে। বলতে হবে, শুনতে হবে, শোনাতে হবে। তাতে যদি কোনোদিন এই অবস্থা বদলায়। এই আশা রেখে আপনার জন্য এই লেখা।
PrevPreviousMemoirs of a Travel Fellow Chapter 5: Chasing the Yellow Taxi – The Calcutta News
Nextস্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে কাঞ্চন মল্লিকের আচরণের বিরোধিতাNext
2 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Basudev Mookerjea
Basudev Mookerjea
1 year ago

এই সাধারণ অথচ o sadharon lojjajonok পরিবেশ কে বোঝাতে আপনি লিজা মাইটানের
উদাহরণ দিয়ে এই বার্তা দিলেন তুমি নোবেল পাও কি ঝাড়ুদার হোয় মহিলাদের কাজে পুরুষতন্ত্রের সাথে লড়াই করতেই হবে।আমি এই লেখা পড়ে নিজে ঋদ্ধ হলাম।জয়গুরু।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 6 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656607
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]