Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভারত – চিন সীমান্ত সমাধানে সবচাইতে গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত

Oplus_16777216
Bappaditya Roy

Bappaditya Roy

Doctor and Essayist
My Other Posts
  • September 4, 2025
  • 7:51 am
  • No Comments

অস্তগামী বৃহৎ শিল্প এবং প্রভাবশালী যুদ্ধাস্ত্র শিল্পের হাতের পুতুল শ্বেত জাত্যাভিমানী, প্রমাণিত ঠগ ও মারাত্মক যৌন অপরাধী, মানসিক ও চারিত্রিক বিকারগ্রস্ত, অসভ্য, অভদ্র, উদ্ধত ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর একের পর তার অসংলগ্ন আচরণ ও বিধ্বংসী মনোভাব – আমাদের বসুন্ধরা ও প্রকৃতি, বিভিন্ন দেশ ও তার নিজের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক ও ক্ষতিকর ঘটনা সহ তামাম বিশ্বজুড়ে যেমন প্রবল পরিবেশগত, অর্থনৈতিক, মানবিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, তেমনই ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত দ্রুত গতিতে। এরসঙ্গে শান্তি স্থাপন ও ব্যবসার কথা বলে ট্রাম্পের গুন্ডাগিরি এবং পুরোনো যুদ্ধ বাড়িয়ে দেওয়া ও নতুন যুদ্ধ লাগিয়ে দেওয়া কিংবা বলপূর্বক কোন দেশ ও সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ দখল বর্তমান মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নতুন দিকচিহ্ন হয়ে উঠেছে।

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক মোদী যেভাবে মার্কিন অক্ষে ভারতকে সপে দিয়েছিলেন এবং বিশেষ করে ট্রাম্পের সঙ্গে মাখামাখি শুরু করেছিলেন সেটি ট্রাম্পের একের পর এক ভারত বিরোধী পদক্ষেপে মোদী সরকারকে শুধু মারাত্বক আঘাতই নয়, প্রচন্ডভাবে অপদস্ত করে। শৃঙ্খলিত অমানবিক অবস্থায় ভারতীয়দের ফেরত পাঠানো সহ অন্য বিষয়গুলি নিঃশব্দে হজম করে নিলেও মোদীর ভোটের বাজারে সুপারহিট ‘ পাকিস্তান বধ ‘ পালার নতুন পর্ব ‘ অপারেশন সিঁদুর ‘ এর ‘ একক সাফল্য ‘ পরিকল্পিত ও বহুল প্রচারিত করে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দাবি ট্রাম্পের যুদ্ধ থামিয়ে কেড়ে নেওয়া এবং ভারতীয় পণ্যে ৫০ % শুল্ক ও তেলের ক্ষেত্র পরনির্ভর ভারতের ইরানের পর রাশিয়া থেকে তেল কিনতে মানা মোদী সরকারকে অন্যরকম ভাবতে বাধ্য করে।

ভারত শেষমেশ মার্কিনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে পুরোনো ও বিপদের বন্ধু রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে বিশ্ব নেতৃত্বে ও আধিপত্যে মার্কিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এবং মার্কিনের প্রায় ঘাড় ছোঁয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত শক্তি, ভারতের সবচাইতে কাছের কিন্তু সবচাইতে বৈরী প্রতিবেশী, চিনের সঙ্গে রণকৌশলগত ঘনিষ্টতা বৃদ্ধি করতে শুরু করে। যে চিনের সঙ্গে তাদের তিব্বত ও আকসাই চিন দখল এবং ১৯৬২ এর যুদ্ধে শোচনীয় পরাজয় এর পর কয়েক দশক মুখ দেখাদেখি বন্ধ ছিল। বাজপেয়ী ও মনমোহন সিংয়ের সময় সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি এবং পারস্পরিক বাণিজ্য ও যাতায়াত শুরু হলেও পরে মোদীর জমানায় চিনের ভারতে ব্যবসা বৃদ্ধি হলেও পূর্ব সীমান্তে ডোকলাম এবং পশ্চিম সীমান্তে গালওয়ানে চিনের সামরিক বাহিনীর ঢুকে পড়া ও সীমান্ত সংঘর্ষ পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। বাণিজ্যে তো বিপুল ঘাটতি সহ চিনের থেকে ব্যাপক পিছিয়ে পড়া ছিলই, চিন কোকো – হাম্বারতোতা – গ্বদর – জিবুতি নৌঘাঁটি দিয়ে দক্ষিণ দিক থেকেও ভারতকে সামরিকভাবে ঘিরে ফেলে। পাকিস্তান তো ছিলই নেপাল, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ সহ প্রতিবেশী বলয়ে ভারত বিরোধী সরকারগুলিকে দিয়ে ভারতের উপর প্রবল চাপ বৃদ্ধি করে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে ঢেলে সাজায় এবং অপারেশন সিঁদুর এ ভারতের মূল্যবান একাধিক বিদেশী জেট প্লেন ধ্বংস ও সীমান্তে প্রবল ক্ষয়ক্ষতির মূল উৎস চিনা ফাইটার জেট, চিনা মিসাইল, চিনা ড্রোন, চিনা প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। ব্রহ্মপুত্র নদে বেশ কিছু বাঁধ দিয়ে জলস্রোত ঘুরিয়ে দেওয়া, অরুণাচল সীমান্তে ভারতীয় জমিতে যথেচ্ছ প্রবেশ ও সীমান্তে গ্রাম তৈরি, তিব্বত – ভুটান – সিকিম ট্রাইজংশনে ভারতের পূর্ব সীমান্তের চিকেন নেকের অনতিদূরে সামরিক কাঠামো নির্মাণ, উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল সীমান্তেও মাঝেমাঝে ভারতীয় এলাকায় ঢুকে পর্যবেক্ষণ এবং জম্বু – কাশ্মীর সীমান্তে আকসাই চিন দখলের পরেও লাদাখের একটি অংশ দখল করে রাখা, ভারতীয় সীমান্তে ভারতের অংশে ভারতের নির্মাণে বাধা দেওয়া, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতকে একঘরে করে দেওয়ার কার্যক্রম ইত্যাদি ভারতের রক্তচাপ ক্রমশঃ বাড়িয়েই তুলছিল। কিন্তু পরাক্রমশালী চিনের সঙ্গে মোদী সরকার কখনও কোন টক্কর নিতে যাওয়ার সাহস দেখাতে পারেনি। তাদের যাবতীয় হম্বিতম্বি ভারতের থেকে অনেক ছোট ও পেছিয়ে থাকা পাকিস্তানের উপর।

এতদসত্বেও চিনের অত্যাধুনিক শহর তিয়ানজানে ‘ সাংহাই কোঅপারেশন সামিটে ‘ পুতিন সহ অন্য অনেকের সঙ্গে মোদীর অংশগ্রহণ এবং কাজান বৈঠকের ১০ মাস বাদে মোদী – শি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আশু রণকৌশলগত হলেও এই দুই অসম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী এবং বিশ্বের দুই বড় সামরিক শক্তির ও জনবহুল দেশের (বর্তমান বিশ্বের ৮২০ কোটি মানুষের মধ্যে ভারত ও চিন মিলিয়ে মানুষের সংখ্যা ২৮৫ কোটি) মধ্যেকার এই উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক। চাচা নেহরুর চিনের তিব্বত দখলকে স্বীকৃতি, রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের আসন চিনকে ছেড়ে দেওয়া, চিনের কৌশল না বুঝে ‘ হিন্দি চিনি ভাই ভাই ‘ নামগানে মাতোয়ারা, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়ে মার্কিন প্ররোচনায় চিনের সঙ্গে যু্দ্ধে জড়িয়ে শোচনীয় পরাজয় ও আকসাই চিন হারানো কিংবা মোদীবাবুর কূটনৈতিক ব্যর্থতায় চিন – ভারত মধ্যবর্তী বাফার দেশ নেপাল ও ভুটানে ভারতের প্রভাব হারানো, চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষে ভারতীয় সেনা প্রচন্ড দক্ষতায় লাদাখে কয়েকটি স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট জয় করলেও গালওয়ানের হারানো জমি ফিরে না পেয়েও সেগুলি চিনকে ছেড়ে দেওয়া …. ইত্যাদি পুরোনো ব্যর্থতা তুলে না ধরে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এই সম্পর্ক আপাতত সাময়িক, পারস্পরিক অবিশ্বাসভরা, নিছকই রণকৌশলগত হলেও, যত্নশীলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে ১৪৩ কোটি জনসংখ্যার দরিদ্র পশ্চাদপদ ভারতের উন্নয়ন নির্ভর করছে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে শান্তি স্থাপন করে, সামরিক খাতে খরচ কমিয়ে, স্বাস্থ্য শিক্ষা গণপরিবহন পরিকাঠামোগঠন কৃষি শিল্প বাণিজ্য অর্থনীতি কর্মসংস্থান জনসংখ্যানিয়ন্ত্রণ বিজ্ঞান প্রযুক্তি পরিবেশ প্রভৃতি বিষয়ে উন্নয়নের উপর। আর ভারত ও চিনের মধ্যে স্থায়ী বিবাদের মূল কারণ সীমান্ত বিবাদ টি তাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মিটিয়ে ফেলতে হবে।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সৃষ্ট ভারতীয় আদালত যেমন মামলাগুলি দীর্ঘায়িত করতে একবার বাদী আরেকবার বিবাদী পক্ষে রায় দেন, সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশে ব্রিটিশ শাসকরা নিজ স্বার্থে একেকবার একেক রকম নীতি নিত। ১৮৬৫ তে সার্ভেয়ার ডব্লিউ এইচ জনসন এর নেতৃত্বে কাশ্মীর রাজ্য এবং তিব্বত ও সিন কিয়াং এর মধ্যে যে আর্দাঘ – জনসন সীমান্ত রেখা তৈরি হয়েছিল তাতে আকসাই চিন কাশ্মীরের মধ্যে ছিল। স্বাধীন ভারত সরকার এটি মান্যতা দেয়। আবার ১৮৯৩ তে যে ম্যাকডার্মট – ম্যাকডোনাল্ড সীমান্ত রেখার কথা বলা হয় সেখানে আকসাই চিনকে তিব্বত এর মধ্যে দেখানো হয়। স্বাধীন কমিউনিস্ট চিন সরকার এটির মান্যতা দেয়। অনেকগুলি ব্যর্থতার পর ১৯০৩ – ‘ ০৪ সালে জেনারেল ইয়ংহাজবেন্ড এর নেতৃত্বে জেলেপ লা দিয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ রা দুর্গম তিব্বত কে দখল করে নেয়। তারপর ১৯১৪ তে সিমলা কনভেনশনে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারত সরকারের পররাষ্ট্র সচিব হেনরি ম্যাকমোহন প্রথমে নেফা (বর্তমান অরুণাচল প্রদেশ) সীমান্ত নিয়ে আরেকটি ‘ নোশনাল ‘ সীমান্ত রেখার ধারণা দেন যেটি পরে হিমালয় পর্বতে মোড়া অনেকটাই দুর্গম সামগ্রিক ভারত – তিব্বতের প্রায় ৩,৫০০ কিঃমিঃ সীমান্তের সীমান্তরেখা ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিগণিত হয়। কিন্তু বাস্তবে সীমান্ত ছিল অন্যরকম। বিশেষ করে চিনের তিব্বত দখল ও ‘ ৬২ এর যুদ্ধে ভারতকে পর্যুদস্ত করার পর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা (Line of Actual Control or LAC) ছিল চিনের অনুকূলে। তাই স্বাধীন ভারত সরকার যখন এই ম্যাকমোহন লাইন কে ভারত ও চিনের সীমান্ত রেখা হিসাবে মান্যতা দেয়, সেখানে স্বাধীন চিনা কমিউনিস্ট সরকার ‘ এল এ সি ‘ কে সীমান্ত হিসাবে মান্যতা দেয়। আর এখানে ই বিবাদের উৎস।

বাস্তবে বিশেষ করে অরুণাচল প্রদেশের অনেক সীমান্তবর্তী অঞ্চল আছে যেখানে চিনের দিকে আধুনিক সব ঋতুতে চলা রাস্তা, ব্রিজ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, আধুনিক গ্রাম, সামরিক ঘাঁটি তৈরি হলেও ভারতীয় প্রশাসনের অস্তিত্ব অনুপস্থিত। হয় হেলিকপ্টার থেকে নিকটস্থ কোন হেলিপ্যাডে নামতে অথবা পাহাড় জঙ্গলের মধ্যে ১০ – ১২ দিন ট্রেক করে পৌঁছতে হয়। স্থানীয় জনজাতিরা রয়ে গেছেন খুবই পিছিয়ে পড়া অবস্থায়। আর আছে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি। অরুণাচল প্রদেশের জন্য যা কেন্দ্রীয় অর্থ বরাদ্দ হয় তার সিংহভাগ লুঠ করে নেয় একদা কংগ্রেস এখন বিজেপি দশকের পর দশক ক্ষমতায় থাকা খান্ডু পরিবার এবং তাদের সহযোগী ঠিকাদার, ব্যবসায়ী, আমলা, রাজনৈতিক নেতারা। সব জেনে শুনেও অতীতের কংগ্রেস ও বর্তমান কেন্দ্রের বিজেপি সরকার নিশ্চুপ।

এমতবস্থায় পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে, যুদ্ধ পরিস্হিতি ও সীমান্ত উত্তেজনা বন্ধ করে, আলোচনার মাধ্যমে এবং জাতীয় স্বার্থ মাথায় রেখে অবিলম্বে ভারত – চিন সীমান্ত বিবাদ স্থায়ীভাবে মিটিয়ে ফেলা উচিত। এই বিষয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং নাগরিকদেরও সোচ্চার হওয়া উচিত। সার, যন্ত্রাংশ, ভারী যন্ত্র, ওষুধ, টিকা, আধুনিক শিল্পে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিরল মৃত্তিকা ( Rare Earth), ভোগ্য পণ্য ইত্যাদিতে ভারত চিনের উপর নির্ভরশীল। দুপক্ষের মধ্যে ব্যবসা চলুক, যদিও তাতে চিনের লাভ অনেক অনেক গুণ বেশি। সেখানে ভারত অন্যান্য দেশের সঙ্গেও ব্যবসা করুক, কিছু নিয়ন্ত্রণ আনুক এবং ভারতে আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পের বিকাশ ঘটাক। পাশাপাশি ডলারের দাপট কমাতে ব্রিকস প্রমুখ ব্যবস্থার মাধ্যমে ডলারের প্রতিস্পর্ধি বিকল্প মুদ্রা বা বিনিময় ব্যবস্থা চালু করুক। এর সঙ্গে ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুশ – চিন শক্তি বলয়ের কাছাকাছি থাকুক। কিন্তু সবসময়ই প্রধান লক্ষ্য থাক জাতীয় স্বার্থ। তাই লোহা গরম থাকতে থাকতে চিনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং হারানো ভূখণ্ডগুলি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করুক।

০১. ০৯. ২০২৫

PrevPreviousদাগীদের টাকা দেবে সরকার?
Nextভোটার তালিকা, ২০০২Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

দিল্লীর যন্তর মন্তরে অল ইন্ডিয়া স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি সুভাষ লাম্বার বক্তব্য

March 14, 2026 No Comments

জেনে নেবেন

March 14, 2026 No Comments

কখনো আমার প্রপিতামহকে দেখলে প্রাচীন ভারতবর্ষের ইতিহাস জেনে নেবেন আর্যরা বহিরাগত ছিলেন কিনা মনুদেব তখনো বৌ পেটাতেন কিনা জেনে নেবেন কখনো আমার পিতামহকে দেখলে পরাধীন

“রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!”

March 14, 2026 No Comments

১০ মার্চ, ২০২৬ তুফায়েল রেজা চৌধুরী, মালদার কুখ্যাত তৃণ নেতার ততোধিক কুখ্যাত ছেলে। আন্ডার গ্রাজুয়েট মালদা মেডিকেল কলেজ থেকে, সেখানকার থ্রেট কালচারের কিং পিন। কলেজের

দিল্লীর যন্তর মন্তরে হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য অভয়া মঞ্চের অন্যতম কনভেনর মণীষা আদকের

March 13, 2026 No Comments

SIR Vanish!!

March 13, 2026 No Comments

“ধরনা মঞ্চ” আজ সন্ধের পর উঠে গেল, বঙ্গজীবনে এর তুল্য দুঃসংবাদ, সাম্প্রতিককালে, খুব একটা আসেনি। রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের ভাষণ নিয়ে বেশী কিছু বলার থাকে না, তাই

সাম্প্রতিক পোস্ট

দিল্লীর যন্তর মন্তরে অল ইন্ডিয়া স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি সুভাষ লাম্বার বক্তব্য

Abhaya Mancha March 14, 2026

জেনে নেবেন

Aritra De March 14, 2026

“রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!”

West Bengal Junior Doctors Front March 14, 2026

দিল্লীর যন্তর মন্তরে হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য অভয়া মঞ্চের অন্যতম কনভেনর মণীষা আদকের

Abhaya Mancha March 13, 2026

SIR Vanish!!

Dr. Bishan Basu March 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

613144
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]