Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডাক্তারির কথকতা ১০: অভিনয়

358617166_6731899890178173_1588442786097081249_n
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • July 17, 2023
  • 7:28 am
  • No Comments
শুধুমাত্র মঞ্চ বা রূপোলী পর্দার মার্কা মারা অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই অভিনয় করেন না। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে জীবনে কমবেশী অভিনয় করে চলতে হয়। দরিদ্র পরিবারের বাবা-মা ছেলেমেয়েকে ভালো রাখার জন্য আত্মসুখ বিসর্জন দিয়ে ভালো থাকার অভিনয় করে। আবার বহুগামী প্রেমিক বা প্রেমিকা সুচতুর অভিনয়ের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক সম্পর্ক বজায় রাখে। এভাবে প্রতিদিন মঞ্চের বাইরেও জগতের প্রতিটি কোনায় ছোটবড় নাটক অভিনিত হয়ে চলে।
কারো পক্ষেই এত অসংখ্য নাটক ও তার কুশীলবের খবর রাখা সম্ভব নয়।
আমি চিকিৎসক। চিকিৎসাজগতের অভিনয়ের কিছু কিছু খবর রাখি। রোগীর চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করতে, রোগীকে চিকিৎসায় রাজি করাতে বা অসন্তুষ্ট রোগী বা হিংস্র পরিজন দের আক্রমন থেকে বাঁচতে অনেক সময়েই চিকিৎসা কর্মীকে অভিনয় শৈলী প্রদর্শন করতে হয়। আবার অনেক সময় উল্টোটাও ঘটে। সুস্থ মানুষ রোগীর অভিনয় করে।
অভিনয়-১
অনেক অনেক বছর আগে আমি তখন মেডিক্যাল কলেজে অর্থোপেডিক্সের স্নাতকোত্তর ছাত্র। এমন সময় আমার স্কুলের এক প্রাক্তন শিক্ষক পা ভেঙে আমার তৎকালীন অর্থোপেডিক্সের শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ভর্তি হলেন। মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক-চিকিৎসককে যে ছাত্র-ছাত্রী পড়ানোর পাশাপাশি রোগীর চিকিৎসাও করতে হয়, অর্থ্যাৎ একই বেতনে দুটো কাজ করতে হয় – বেশীরভাগ সাধারণ মানুষের মত আমার স্কুলজীবনের সেই প্রাক্তন শিক্ষকও সেটা জানতেন না। জেনে অবাক হলেন এবং তাঁর বদ্ধমূল ধারণা জন্মালো যে এই ডাক্তাররা কিছুতেই তাঁর পায়ের অস্ত্রোপচার ভালো ভাবে করতে পারবে না। ডেভিড হেয়ার ব্লকের কেবিনের বন্ধ দরজার পেছনে একথা-সেকথার সাথে সেটা আমাকে বলেও ফেললেন। কিন্তু এছাড়া তাঁর আর কোনো উপায়ও ছিল না। ডেভিড হেয়ার ব্লকের সেই কেবিনের তুলনীয় রাজসিক ব্যবস্থা সেই যুগে বেসরকারী ক্ষেত্রে পাওয়া যেত বেলভিউ, উডল্যান্ড, ক্যালকাটা হসপিটাল আর পিয়ারলেসে। সেসব হাসপাতাল তাঁর ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সুতরাং বিরস মুখে তিনি তৎকালীন ব্যবস্থা মেনে নিলেন। মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক-চিকিৎসকরাই তাঁর অপারেশন করলেন। কালক্রমে তাঁর সেলাই শুকিয়ে গেল, হাড় জুড়ে গেল। তিনি ভালোও হয়ে গেলেন।
আসল ঘটনা শুরু হল এরপর। অপারেশন করা গোড়ালি নিয়ে দু-কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে তিনি স্কুলে যেতে থাকলেন। কিন্তু সঙ্গে থাকত বেশ সুন্দর হাতলের কারুকার্য করা কাঠের একটা লাঠি। স্কুলে তিনি সাইকেল থেকে নেমে লাঠিতে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতেন। কেউ জিজ্ঞেস করলে বলতেন, ‘পা ভেঙে গেছে তো, তাই খুঁড়িয়ে হাঁটতে হচ্ছে।’
তিনি ছ’মাস বাদে মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে একবার চেক আপে আসতে আমি বললাম, ‘আপনার গোড়ালি তো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। হাড় ঠিকভাবে জুড়ে গেছে। কোনো ব্যথা নেই। গোড়ালি আগের মতই ভাঁজ-সোজা হচ্ছে। উবু হয়ে, আসনপিঁড়ি করে বসতে পারছেন- তাহলে লাঠি নিয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন কেন?’
‘বুঝলি না? এটা করলে স্কুলে কাজকর্ম কম দেয়। সিঁড়ি ভাঙতে হয় না। দোতলায় ক্লাস নিতে যেতে হয় না। তাছাড়া পাড়ায়, রাস্তায়, সংগঠনে বেশ খাতির পাওয়া যায়।’
‘সে কি? আপনি তো সুস্থ!’
কিন্তু তিনি আমার কথা শোনার মত মানসিকতায় ছিলেন না। বছরের পর বছর তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটার অভিনয় চালিয়ে গেলেন। আর আমি যতদিন ছাত্রাবস্থায় মেডিক্যাল কলেজে ছিলাম- আমার স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র, অন্যান্য শিক্ষক, বন্বুবান্ধব, পরিচিত জনের মুখে শুনে গেলাম, ‘মেডিক্যাল কলেজে তোরা যে কী অপারেশন করলি, স্যার তো পুরো খোঁড়া হয়ে গেল !’
‘মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তাররা স্যারকে তো পঙ্গু করে দিল!’
এদিকে স্যার তখন কিন্তু নিজের বাড়িতে কোনো লাঠি বা সাহায্য ছাড়াই একতলা-দোতলা করছেন। আমি নিজের চোখে তা দেখে এসেছি। তখন মোবাইল ফোনও ছিল না। ডিডিও-ও এখনকার মত এত সহজ ছিল না। নয়তো ওনার বাড়িতে ওনার চলাফেরার ডিডিও তুলে সবাইকে দেখাতাম।
এসব ক্ষেত্রে ভিডিও খুব সহায়ক হয়। সেকথায় এবার আসব।
অভিনয়-২
পরের ঘটনাটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা নয়। অন্যের মুখে শোনা। মেডিক্যাল কলেজের এক প্রাক্তন ছাত্র বিদেশে বিরাট প্রতিষ্ঠিত। অনেক বছর আমেরিকায় আছেন। ইদানিং বয়স হওয়াতে সার্জারি কমিয়ে দিয়ে ডাক্তারি আইনের পরামর্শদাতার কাজও করছেন। তিনি আমাকে তাঁর সমাধান করা একটি কেসের গল্প বললেন। অবশ্যই নাম-পরিচয় বাদ দিয়ে।
আমেরিকায় একজন অর্থোপেডিক সার্জেন মধ্যবয়সী এক একাকী মহিলার পায়ে অপারেশন করেছেন।
অপারেশন ভালো হয়েছে। এক্সরে ইত্যাদি একদম ঠিকঠাক দেখাচ্ছে। কিন্তু রোগীর বক্তব্য, তিনি ভালো নেই। তাঁর ব্যাথা রয়েছে, পা ছোট হয়ে গেছে এবং তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। তিনি ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করলেন। আমেরিকায় যা হয়। বিশাল অংকের মামলা। কয়েক মিলিয়ন ডলারের। আদালতে প্রমাণ হল যে, তাঁর পা আদৌ ছোটো হয় নি। কিন্তু রোগীর ব্যাথা আছে এবং তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। তাই আদালত চিকিৎসককে দোষী সাব্যস্ত করে কয়েক মিলিয়ন ডলার জরিমানা করল। জরিমানা দিতে গিয়ে ডাক্তারকে বাড়িঘর বেচতে হবে এমন অবস্থা। তিনি উচ্চতর আদালতে আপিল করলেন এবং আমেরিকা প্রবাসী আমাদের এই বাঙালি সার্জেনের স্মরণাপন্ন হলেন। তিনি আদতে হাড়ের ডাক্তার। মেডিকো-লিগ্যাল বিশেষজ্ঞ হয়েছেন পরে। রোগিণীকে দেখে এবং কাগজপত্র, রিপোর্ট পড়ে তিনি বুঝতে পারলেন যে- রোগিণীর অভিযোগটি পুরোপুরি ভুয়ো। কিন্তু তিনি তা আদালতে প্রমাণ করবেন কি করে? রোগিণী তো আদালতে ভাঙবে কিন্তু মচকাবে না। ব্যথা একটা নৈবর্তিক বিষয়। কারো ব্যথা আছে কি নেই- তা প্রমাণ করা খুবই কঠিন। তাছাড়া রোগী হলেন উপভোক্তা। তদুপরি তিনি মহিলা এবং একলা মানুষ। আদালতের সহানুভুতি তার দিকেই থাকবে।
তখন আমাদের এই মেডিকো-লিগ্যাল বিশেষজ্ঞ সার্জেন বিষয়টা সমাধানের জন্য এক বেসরকারী গোয়েন্দা নিয়োগ করলেন। রোগিণী যখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে অনবধানে গ্যারাজ থেকে গাড়ি বের করে গাড়ির পিছনে গিয়ে জিনিসপত্র তুলছেন – গোয়েন্দা লুকিয়ে থেকে তার ভিডিও তুলে আদালতে পেশ করলেন। ভিডিওতে রোগীর হাঁটাচলা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তিনি ভারি জিনিসপত্র অবলীলায় গাড়িতে তুলছেন। কোনো ব্যাথা আছে বলে মনে হচ্ছে না। ভিডিওটি দেখে আদালত অনুসন্ধান কমিটি বসাল। রোগিণীর কেস তো খারিজ হলই। উল্টে তার বিরাট অংকের জরিমানাও হল।
PrevPreviousচম্পকনগরের গল্প
Nextত্বকে দূষণের ক্ষতিNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

April 21, 2026 No Comments

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

April 21, 2026 No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

April 21, 2026 No Comments

১. ব্র্যাডিকাইনেসিয়া (Bradykinesia – চলাচলের ধীরগতি) নড়াচড়া শুরু করতে অসুবিধা মুখের অভিব্যক্তি কমে যায় ধীরে হাঁটা, হাত দোলানো কমে যায় ২. রেস্টিং ট্রেমর (Resting Tremor)

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সাম্প্রতিক পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

Pallab Kirtania April 21, 2026

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Swati Bhattacharjee April 21, 2026

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

Dr. Aditya Sarkar April 21, 2026

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618635
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]