Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ঘুমের ভেতর ভাতের গন্ধ পাই: নাদিরা আজাদের কবিতা গুচ্ছ

nadira azad book
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • January 22, 2026
  • 7:54 am
  • One Comment
“আমার যেসব বলার আছে, তা বাক্সে বন্দী
বাইরে চাপ চাপ রক্ত – মাঠের কোনে মৃত লাশ;
পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলেছে মরার আগে
খুব খিদে পেয়েছিল লাশটির…”
আমরা, যারা কবিতাগুলো পড়ব বলে বইটি হাতে নিয়েছি, তাদের কেউ কেউ জানি, এ বইয়ের কবি নাদিরা মারা গিয়েছে। যেমন করে রেডিওয় মৃত্যুসংবাদ শোনানো হয় সেভাবে বলতে গেলে, গত এগারোই ডিসেম্বর দিনহাটা-নিবাসী কবি নাদিরা আজাদের জীবনাবসান ঘটে, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল বত্রিশ বছর।
এই বই নাদিরা আজাদের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কিছু কবিতার সঙ্কলন। মরণোত্তর সঙ্কলন যেহেতু, সেহেতু কবি (যিনি আবার একটি পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন) ফাইনাল প্রুফ দেখেননি, শেষ মুহূর্তের জরুরি সম্পাদনা বা সংশোধন করার সুযোগ পাননি। লেখার সময়কালও সবক্ষেত্রে স্পষ্ট নয় – যা, হয়তো, কবি বেঁচে থাকলে তাঁর কাছ থেকে জেনে নেওয়া যেত, এক্ষেত্রে সে সুযোগ নেই। এইসব অসম্পূর্ণতা মাথায় রেখেই কবিতাগুলো পড়ুন।
“এযাবৎ কখনও হৃদয়ের আসল রঙ দেখিনি
শিশুসন্তানের চিতা দেখে আরামের ঘুম পাচ্ছিল…
একজন কুৎসিত মেয়ে দৌড়াচ্ছে – তোমরা বাঁচাওনি…”
মাত্র বত্রিশ বছরের জীবনকালের একটা বড় অংশ নাদিরা কাটিয়েছিল দুরারোগ্য ব্যাধি নিয়ে। ব্যাধি অবশ্য কোনোভাবেই কাবু করতে পারেনি তার দুর্দম প্রাণশক্তিকে – তাই, কিছুতেই এঁটে উঠতে না পেরে, প্রাণটুকু কেড়ে নিয়ে, প্রায় চিটিং করে, ব্যাধি এ যাত্রা জিতে গেল।
“আমি আঢাকা স্তনের মেয়েদের পাড়ায় গিয়েছি
তারা সবাই বুকে চাঁদ নিয়ে খিস্তি করে
তাদের যোনিতে তোমাদের মতো মিথ্যে জন্ম নেয় না…”
নাদিরা। নাদিরা আজাদ। এমন সার্থকনামা মানুষ কমই হয়। আজাদ শব্দের অর্থ সকলেই জানেন। আর নাদিরা। আরবি নাদির শব্দের অর্থ, মোটামুটিভাবে, অনন্য বা অসাধারণ। আমাদের নাদিরা-ও ছিল ঠিক তেমনই। বিরল, ব্যতিক্রমী, অসাধারণ। কবিতা লিখত, আবৃত্তি করত, নাটকের দলের মধ্যমণি ছিল, আবার একখানা পত্রিকা সম্পাদনাও করত। প্রতিবাদে আন্দোলনে সবসময়ই সামনের সারিতে, এমনকি অশক্ত শরীর নিয়েও।
“আমি সূর্যের তীব্রতা সইতে পারিনি
তাই অন্ধকার আমায় মান্যতা দিয়েছে,
কোনও সকালে ঘাসের ফুলে প্রজাপতির শিকার পাইনি
এখনও হাতে মুঠোভরা জোনাকি রেখেছি আলো জ্বালবো।…”
এক জীবনে যতখানি বাঁচা জরুরি – একটা জীবন বাকি সবার হয়ে সবার জন্য সবার একজন হয়ে বেঁচে থেকে দৃষ্টান্ত করে তোলা সম্ভব – নাদিরা, খুব সম্ভবত, ততখানিই, ঠিক তেমন করেই, বেঁচে ছিল। অন্তত সেই আইডিয়াল জীবনের খুব কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছিল সে।
পুরনো ডায়েরির পাতায়, দেখি, সে লিখে রেখেছে –
“যদিও আমার এখন বটবৃক্ষ হওয়া অনেক বাকি।”
ব্যাস, এটুকুই। ‘’যদিও” কেন? যদিও বলতেই আমাদের মাথায় একটা তথাপি বা তবুও জুড়ে উত্তর ঘোরে – অথবা, উত্তর না পেলে, প্রশ্ন। কিন্তু নাদিরা কথাটা শেষ করেছে পূর্ণচ্ছেদ দিয়ে – আর এখন তো সে যাবতীয় প্রশ্নের থেকে বহু দূরে। আমরা শুধু জানি, দু’হাজার চব্বিশ সালের জানুয়ারি মাসের ছয় তারিখের ডায়েরির পাতায় নাদিরা লিখে গিয়েছে এই কথাটুকু – নির্দিষ্ট ওই তারিখেই কথাটা লেখা হয়েছিল, নাকি পরে অন্য কোনও দিন, সেটা জানার কোনও উপায় আর নেই। আমরা এ-ও জানি যে ওই বছরেরই আগস্ট মাসে এই রাজ্যেই ঘটে যাবে চূড়ান্ত নারকীয় এক হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণ – যার অভিঘাত রাজ্য ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়বে গোটা দেশে, এমনকি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও – এবং সেই নারকীয় ঘটনার বিচার চেয়ে রাজ্যজোড়া আন্দোলনের ক্ষেত্রে নাদিরা আজাদ সত্যিই বটবৃক্ষ হয়ে উঠেছিল। অভয়া আন্দোলনের, বিশেষত উত্তরবঙ্গে, অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছিল সে।
উত্তরবঙ্গের দিনহাটা অঞ্চলে প্রতিবাদ আন্দোলনে নাদিরার ভূমিকা এতখানিই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, রাজ্যের শাসকদলের দাপুটে নেতামন্ত্রী একেবারে নাম করেই নাদিরার উদ্দেশে কদর্য কটুকাটব্য করতেন (এ-ও কি কম বড় স্বীকৃতি?!)।
“…আমি আমার প্রথম প্রেমিককে বলতাম ভোররাতে ঘরে ফেরার কথা
আমি এখন আর সন্ধের পর বড়ো রাস্তা ধরে হাঁটি না,
মহানগরী ফুঁপিয়ে উঠে বলেছিল সবটা নারী এখনও সে হয়ে ওঠেনি ;
একরাতে মহানগরীর বুকে মেয়ে বেড়ালের ধর্ষণ হলে…
আমি প্রতি রাতে যৌনাঙ্গ ঘরে রেখে কর্মক্ষেত্রে যাই।…”
নেহাত শাসক-প্রশাসকের ধামাধরা না হলে, এই ঘটনার প্রতিবাদে, অবশ্য, পথে নেমেছিলেন রাজ্যের অধিকাংশ শুভবুদ্ধিসম্পন্ন বিবেকবান মানুষই – এমনকি শাসকপক্ষের সমর্থকদের একাংশও এই ঘটনার প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। লক্ষ লক্ষ কণ্ঠ গর্জে উঠেছিল – বিচার চাই!
বিচার, অর্থাৎ অপরাধীর শাস্তি। অপরাধীর সঙ্গে প্রভাবশালী যোগ থাকলে এদেশে বিচার মেলা সহজ নয়। বরং না মেলা-ই দস্তুর। জানা সত্ত্বেও লোকজন পথে নামে – একসময় ক্লান্ত হয়ে, হতাশ হয়ে অধিকাংশই ফিরে যায় – কেউ কেউ পথ ছাড়ে না।
“…ইচ্ছে পূরণ হলে পথে পথে স্বপ্ন গুনে এনো
আমি জীবন আঁকতে গিয়ে ভুলভাল আঁকি
মৃত্যুর রঙ আর ফ্যাকাশে হবে না জেনো।”
শুরুতেই বলেছি, ২০২৫ সালের ১১-ই ডিসেম্বর নাদিরা আজাদ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল, মাত্র বত্রিশ বছর। যেমন বলেছি, কৈশোর অতিক্রম করতে না করতেই তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এবং বাম রাজনৈতিক আদর্শের মতোই, সেই ব্যাধিও ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী – দ্বিতীয়টি যদি তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়, প্রথমটি তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছিল – এবং আমাদের স্মৃতিতে নাদিরাকে অনেকদিন বাঁচিয়ে রাখবে।
“প্রতিটি ভোর মৃত্যু এগিয়ে আসার খবর জানায়
একেকটি সকাল কিছু সফল ও ব্যর্থতার বার্তা আনে
বয়স বাড়লে বুকে কাঁটা ঝোপের স্তূপ বাড়তে থাকে…”
প্রিয় পাঠিকা ও পাঠক, এই কবিতাগুলো, নিঃসন্দেহে, বাংলা ভাষায় লিখিত শ্রেষ্ঠ কবিতার তালিকায় আসার যোগ্য নয়। এই পংক্তিগুলো এক কিশোরীর লেখা – এক তরুণীর লেখা। এক ছটফটে যুবতীর লেখা। আর পাঁচটা কাজের মধ্যে, মাঠে-ময়দানে লাগাতার লড়াইয়ের মধ্যে, কৈশোরাবধি নিত্যসঙ্গী ব্যাধির চিকিৎসার মধ্যে – ভূতগ্রস্তের মতো, অজানা কোনও তাড়নায়, লিখে চলা কিছু পংক্তি। এগুলো কি কবিতা হয়ে উঠতে পেরেছে? এভাবে কি কবিতা লেখা যায়?
নাকি ঠিক এভাবেই কবিতা লেখা যায়? হয়ে ওঠার হলে, ঠিক এভাবেই, এরকম করেই, এলোমেলো লিখে রাখা পংক্তিমালা কবিতা হয়ে ওঠে? কে জানে! আমি কবিও নই, কবিতা-বিশেষজ্ঞ বা কাব্যসমালোচকও নই।
আমি কেবলই এক অক্ষম মানুষ, যে কিনা নাদিরার মতো চেটেপুটে বাঁচতে চেয়েছিল – অমন করে বাঁচাটাই যে একমাত্র বাঁচা, তা জানার পরেও কথাটা ভুলে গিয়েছিল। এই বইয়ে সংগৃহীত পংক্তিমালা আমাকে নিজের সেই ব্যর্থতার কথা মনে পড়িয়ে দিল।
এর পর, আপনিও কবিতাগুলো পড়বেন কিনা, সে আপনিই বিচার করুন।
“তুমি জানোনা – কিছুই জানোনা – শুধু স্বপ্ন ও সূর্য
চুপিসারে আসো যাও…
এখনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসতে বহুদিন বাকি…
তুমি ঝিরঝির আশার পাশেই
নদী-আকাশ-আলো হয়ে আসো।”
PrevPreviousবিপন্ন ব-দ্বীপ, অসহায় মানুষ
Nextউঠে এসোNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Aritra De
Aritra De
5 months ago

এই রিভিউটিও যেন একটি স্বতন্ত্র কবিতা

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রতিবাদীদের জাত রঙ ধর্ম হয় না। প্রতিবাদী মায়ের কণ্ঠে কেঁপে উঠল রাজপথ। আরজি কর থেকে বারুইপুর

July 13, 2026 No Comments

ABVP-NMO-র থ্রেট কালচার নিপাত যাক!

July 13, 2026 No Comments

ইতিমধ্যেই আমরা লক্ষ্য করেছি, বিজেপির রাজ্যত্বে কলেজ ক্যাম্পাসে তৃণমূল আমলের মতোই সেই থ্রেট কালচার ফিরে এসেছে। ক্ষমতায় আসার মাত্র দু’মাসের মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আবারও

“যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল”

July 13, 2026 No Comments

মামুলি ভাঙাচোরা একটা বাড়ির গল্প। গ্রামের মধ্যে একটা ভাড়া বাড়িতে চলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আগে ঐটা একটা প্রাথমিক স্কুল বাড়ি ছিল। এখন সরকারের দয়ায় স্কুল একটা

আর কতদিন? আরজি কর ২৩ মাস, এখন বারুইপুর | রাজপথের লড়াইতে অভয়া মঞ্চ | ৯ জুলাই ২০২৬

July 12, 2026 No Comments

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে …… (৪)

July 12, 2026 4 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রতিবাদীদের জাত রঙ ধর্ম হয় না। প্রতিবাদী মায়ের কণ্ঠে কেঁপে উঠল রাজপথ। আরজি কর থেকে বারুইপুর

Abhaya Mancha July 13, 2026

ABVP-NMO-র থ্রেট কালচার নিপাত যাক!

Doctors' Dialogue July 13, 2026

“যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল”

Dr. Samudra Sengupta July 13, 2026

আর কতদিন? আরজি কর ২৩ মাস, এখন বারুইপুর | রাজপথের লড়াইতে অভয়া মঞ্চ | ৯ জুলাই ২০২৬

Abhaya Mancha July 12, 2026

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে …… (৪)

Somnath Mukhopadhyay July 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

649573
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]