Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ক্যান্সার বিষয়ে

Oplus_131072
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • November 22, 2024
  • 7:20 pm
  • No Comments

– ক্যানসার অসুখটা খারাপ। খুবই খারাপ। এ নিয়ে মনের মধ্যে কোনও ধোঁয়াশা রাখবেন না। অসুখটা কষ্টকর তো বটেই, চিকিৎসাগুলোও কিছু কম পীড়াদায়ক নয়। অপারেশন করতে হলে, সাধারণত, বড় অপারেশন। রেডিয়েশন দিতে হলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক (যদিও নতুন টেকনোলজি সমস্যা খানিক কমিয়ে এনেছে)। আর কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিষয়ে তো অনেকেই খবর রাখেন। যে রোগীর ক্ষেত্রে একাধিক পদ্ধতির চিকিৎসা করতে হয় – যেমন অপারেশনের পর রেডিওথেরাপি বা রেডিওথেরাপির সঙ্গে সঙ্গে কেমোথেরাপি – তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বেশি। খরচের কথা না হয় বাদই রাখলাম।

– অসুখের বাড়াবাড়ি যত, চিকিৎসাও ততই জটিল। ক্যানসারের চারটি পর্যায়। তৃতীয় পর্যায় অবধি নিরাময়যোগ্য। প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসা সহজ-সরল। ধাপে ধাপে চিকিৎসার জটিলতা বাড়ে।

– অনেক ক্যানসারই প্রাথমিক স্তরে বোঝা মুশকিল। বিশেষত শরীরের মধ্যে থাকা ক্যানসার। কিন্তু শরীরের বহির্ভাগের ক্যানসার একটু সচেতন থাকলেই ধরা যায়। যেমন, মুখে ঘা, গিলতে সমস্যা, স্নান করার সময় স্তনে কোনও ডেলা হাতে পড়া (বা শরীরের অন্যত্রও), যোনিদ্বার থেকে রক্তপাত (সহবাসের পর বিশেষ করে) – এগুলো না বুঝতে পারার কারণ নেই। এসব হলে তড়িঘড়ি ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এদেশে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাওয়া ক্যানসার এগুলোই।

– আরেকটু সচেতন হলে আরও অনেক ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়তে পারে। যেমন, অনেকদিনের কাশি, পায়খানার অভ্যেসে বদল, কখনও কোষ্ঠকাঠিন্য কখনও পাতলা পায়খানা, এমন, আচমকা খিদে কমে যাওয়া, অল্প খেয়েই পেট ভরে যাওয়া – এসব হলেও ডাক্তার দেখান।

– ক্যানসার সারে দুই পদ্ধতিতে। অপারেশন করে ক্যানসারটিকে বাদ দেওয়া বা শক্তিশালী রেডিয়েশনের মাধ্যমে ক্যানসারটিকে ধ্বংস করা। সারানোর পর্যায়ের ক্যানসারে কেমোথেরাপির ভূমিকা উপরিউক্ত দুই পদ্ধতির সহযোগীর।

– ‘বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতি’-তে ক্যানসারে কোনও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা আছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু ‘বিকল্প’-কে আঁকড়ে ধরতে গিয়ে নিরাময়যোগ্য ক্যানসার অনিরাময়যোগ্য হয়ে উঠেছে, এমনটা প্রায়ই দেখি। কাজেই, ওসব দিকে যাওয়াটা ঝুঁকির। আর কিছু না হোক, সময় নষ্টর সম্ভাবনা। এবং ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রে, চিকিৎসা শুরুর সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

– অনিরাময়যোগ্য ক্যানসার – অর্থাৎ চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসার – তার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কেমোথেরাপিই মুখ্য। ক্যানসারের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে যাওয়ার যে গল্পগুলো শোনেন, তার পেছনে এই স্টেজ ফোর ক্যানসার। প্রথম তিন পর্যায়ের ক্যানসার সারিয়ে ফেলার যা চিকিৎসা, তার খোলনলচে গত কয়েক দশক যাবৎ একই আছে। বদল অবশ্যই এসেছে, কিন্তু তা মূলত খুটিনাটিতে বা টেকনিক/টেকনোলজিতে। কিন্তু আকাশপাতাল বদলটা এই কেমোথেরাপির জায়গায়। কেমোথেরাপির সঙ্গে জুড়েছে বায়োলজিকাল থেরাপি ইমিউনোথেরাপি ইত্যাদি প্রভৃতি।

– নিরাময়যোগ্য ক্যানসারের চিকিৎসার একটা সুনির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, স্টেজ ফোর ক্যানসারে তা নেই। অর্থাৎ রোগী যতদিন ওষুধ সহ্য করতে পারবেন, বা যতদিন অবধি ওষুধ অসুখটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, চিকিৎসা চলবে ততদিন। একটি ওষুধ যখন আর কার্যকর হবে না, তখন পরের ধাপের ওষুধ, এরকমই।

– চিকিৎসা-গবেষণার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য অজস্র ওষুধ এসেছে। (এক্ষেত্রে গবেষণার বাণিজ্য নিয়েও দু-কথা বলা যায়। সারিয়ে ফেলার চাইতে অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখার ওষুধে লাভ বেশি, কেননা চিকিৎসা চলে অনেক বেশিদিন। যে কারণে অ্যান্টিবায়োটিকের চাইতে হাইপারটেনশন ডায়াবেটিসের ওষুধ আবিষ্কারে কোম্পানির উৎসাহ বেশি। কিন্তু আমরা আপাতত সে আলোচনায় যাচ্ছি না।) সবগুলো না হলেও, এর মধ্যে বেশ কিছু ওষুধ দিব্যি কার্যকরী। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বেশ কম। চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসারের রোগী আপাত-সুস্থ অবস্থায় দু-তিনবছর কাটাচ্ছেন, এমন ঘটনা বিরল নয়, যা কিনা এক দশক আগেও প্রায় অকল্পনীয় ব্যাপার ছিল। কিন্তু এই নতুন ওষুধগুলোর দাম অত্যন্ত বেশি। রোগীর এই দু’বছর আপাত-সুস্থ জীবনের মূল্য, প্রায়শই, তাঁর/পরিবারের বিগত জীবনের সমগ্র সঞ্চয়।

– অতএব, ক্যানসার যত তাড়াতাড়ি ধরে ফেলা যায়, ততই ভালো। সবদিক থেকেই ভালো। সারার সম্ভাবনা বেশি। সেরে ওঠার পদ্ধতিগুলো কম জটিল। চিকিৎসার দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। চিকিৎসা চলেও কমদিন ধরে। এবং খরচও অনেক কম।

– ক্যানসার মূলত বৃদ্ধদের অসুখ, এমনটাই ধরা হয়। চিকিৎসা-বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে – এবং জীবনযাত্রার বিভিন্ন আনুষঙ্গিক দিকের উন্নয়নের কারণেও (যেমন পরিশ্রুত পানীয় জল, স্বাস্থ্যবিধানের উন্নতি, জনস্বাস্থ্যের বিভিন্ন প্রকল্প ইত্যাদি) – সংক্রামক ব্যাধি প্রভৃতিতে মানুষের অকালমৃত্যুর সংখ্যা কমায় বয়সকালের অসুখগুলো সামনে আসতে থাকে। তার মধ্যে ক্যানসারও। আবার চিকিৎসা-বিজ্ঞানের উন্নতির কারণেই বহু ক্যানসার এখন ধরাও পড়ছে, যা পঞ্চাশ বছর আগে জানা-ই যেত না। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মেডিকেল ডায়াগনস্টিক টেকনোলজির উন্নতি, ক্যানসারের সংখ্যা বাড়ার অন্যতম দুই প্রধান কারণ। আবার হৃদরোগ জাতীয় অসুখে মৃত্যুর সংখ্যা কমে যাবার কারণে মৃত্যুর কারণ হিসেবেও ক্যানসার আরও সামনে চলে এসেছে।

– কিন্তু আধুনিক সভ্যতার আনুষঙ্গিক হিসেবেই ক্যানসারের চরিত্রগত পরিবর্তন ঘটছে। আগে যে-ধরনের ক্যানসার বেশি দেখা যেত, এখন তার চাইতে অন্যরকম। মহিলাদের যোনিদ্বারের ক্যানসারের চাইতে স্তনের ক্যানসার সংখ্যায় বেশি। গত দুই দশকে পিত্তথলির ক্যানসারের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তদুপরি এখন ক্যানসার আর শুধুই বৃদ্ধদের অসুখ নয়। অল্পবয়সীরাও ক্যানসারের কবল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। কাজেই, ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা, যে কথা শুরুতেই বলেছি, তার গুরুত্ব একেবারে স্কুলপর্যায় থেকেই বোঝা জরুরি।

– সচেতনতা বলতে অসুখ বিষয়ে সচেতনতা তো বটেই, সঙ্গে তার নিবারণ ও প্রতিরোধ বিষয়েও সচেতনতা। ধূমপান ও মদ্যপানের বিপদ বিষয়ে সচেতনতা জরুরি। ইদানীং প্রথমটির বিপদ নিয়ে অল্পবিস্তর সচেতনতা বাড়লেও দ্বিতীয়টির খুবই বাড়বাড়ন্ত।

– তবে ব্যক্তিগত সচেতনতা দিয়ে ক্যানসারের নিবারণ বা প্রতিরোধ কতখানি সম্ভব, বলা মুশকিল। আমরা নিঃশ্বাস নিচ্ছি দূষিত বাতাসে – গাড়ির পোড়া ধোঁয়া বা উন্নয়নের সিমেন্টগুঁড়ো, দূষণের কত প্রকার!! – খাবারের সঙ্গে জুড়ে থাকছে ঢালাও রাসায়নিক – ‘স্বাস্থ্যকর’ সবজির মধ্যে মিশছে রঙ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক – আর কতো প্রকারের দূষণ!! – প্রতিটিই আমাদের শরীরের ভেতরে বদল ঘটাচ্ছে, ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে, এমনকি, সম্ভবত, পরের প্রজন্মের ক্যানসারের সম্ভাবনাও বাড়াচ্ছে। উন্নত বিশ্বে দূষণ কিয়দাংশে নিয়ন্ত্রণ করতে পারার পর বিশ্বে ক্যানসারের সিংহভাগের দায়িত্ব নিয়েছি আমরা – অর্থাৎ এই তৃতীয় বিশ্ব।

– ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বলতে বাদবাকি সচেতনতার সঙ্গে সঙ্গে আরও শুদ্ধ বাতাস আরও রাসায়নিক-মুক্ত খাবার আরও দূষণহীন জল – এবং নাগরিকের কাছে এই নিশ্চয়তাগুলো পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের দায়িত্ব – এসব বিষয়ে সচেতনতাও বটে। এসবের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার সচেতনতাও বটে। নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়! এড়াতেও পারে, তবে সম্ভাবনা কম। তেমনই, চারপাশে ক্যানসার মহামারি হিসেবে বাড়তে থাকলে আপনি স্বাস্থ্যসচেতন জীবনযাত্রা দিয়ে ক্যানসার থেকে দূরে থাকতে পারবেন, এমন সম্ভাবনা কম। কাজেই…

© বিষাণ বসু

PrevPreviousঐতিহাসিকভাবে জনস্বাস্থ্য আন্দোলন এবং ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অতি সংক্ষিপ্ত কিছু কথা
Nextআমি আদৌ বিপ্লবী নই, শহিদও নই মোটেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

গর্ভস্থ শিশুর মাথা নিচের দিকে আছে না ওপরদিকে?

June 17, 2026 No Comments

যোগ নিয়ে দুটো কথা

June 17, 2026 No Comments

যোগ নিয়ে মোটামুটি একটা হুলুস্থূল কান্ড বেঁধেছে, সেই সুবাদে দুটো কথা বলে দেই – যোগ ব্যায়াম খুব ভালো জিনিস। যদি রোজ অভ্যেস করেন। শরীর ভালো

অভয়া মঞ্চ: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর বিচার চেয়ে সীমা মুখোপাধ্যায়

June 17, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বাঁধ ভেঙে দাও……

June 16, 2026 4 Comments

সকলের খুব পরিচিত এক কবিতার দুটি চরণকে বদলে নিয়ে বলি – নদীকে আপন খাতে বহিবার / কেন নাহি দিবে অধিকার? বৃহত্তর মানবকল্যাণের নামে, নদীর স্বাভাবিক

অভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ

June 16, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

সাম্প্রতিক পোস্ট

গর্ভস্থ শিশুর মাথা নিচের দিকে আছে না ওপরদিকে?

Dr. Kanchan Mukherjee June 17, 2026

যোগ নিয়ে দুটো কথা

Dr. Arunima Ghosh June 17, 2026

অভয়া মঞ্চ: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর বিচার চেয়ে সীমা মুখোপাধ্যায়

Abhaya Mancha June 17, 2026

বাঁধ ভেঙে দাও……

Somnath Mukhopadhyay June 16, 2026

অভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ

Abhaya Mancha June 16, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

632253
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]