Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

রামপ্রসাদের কড়াই এবং পপ কর্ন সিনড্রোম

popcorn
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • November 21, 2025
  • 8:55 am
  • 8 Comments

বাড়ি থেকে বেরিয়ে সদর রাস্তার দিকে গেলেই একবার রামপ্রসাদের দোকানে ঢু মারি। দোকান মানে সাজানো গোছানো ঝাঁ চকচকে আলিশান কোনো ব্যাপার নয়। একটা স্থানু ভ্যানগাড়ির ওপর তার দোকান। রামপ্রসাদ তার ওপরেই কয়লার উনোনে গরম বালি ভর্তি কড়াইতে করে বাদাম, মটর ছোলা, চিঁড়া, ভুট্টা এসব ভাজে। গরম বালিতে যাই দেওয়া হোকনা কেন সেগুলো নিমেষেই চড়বড়িয়ে ফুটতে শুরু করে। শুকনো ভুট্টার দানা বালিতে দিলে তা খ‌ই হয়ে যায়। ভালো করে নজর করলে দেখা যাবে যে কড়াইয়ের ভেতরে ভুট্টার দানাগুলো মোটেই এক জায়গায় থিতু হয়ে নেই, কেবলই নড়েচড়ে বদলে বদলে যাচ্ছে। কেমন যেন একটা অস্থিরতার শিকার ওই দানাগুলো। খানিক পরেই রামপ্রসাদ বলে ওঠে , “লিজিয়ে স্যার আপকা প্রপ কর্ন ”। শুধরে দিয়ে যদি বলি ‘প্রপ নয় পপ  কর্ন,’ – সে একগাল হেসে ওঠে। বিড়বিড় করে মনে মনে তা বারদুয়েক উচ্চারণ করে বলে ওঠে ‘প্রপ কর্ন।’ ঠিক হয়েছে?’– জিজ্ঞেস করলে আমি আর জবাব দিই না। পয়সা মিটিয়ে ভুট্টার খই টপাটপ মুখে ফেলতে ফেলতে বাড়ি ফিরে আসি।

পপকর্ন ব্রেইন সিনড্রোম – চলতি সময়ের এক দ্রুত বর্ধনশীল সমস্যা। রামপ্রসাদের  গরম বালি ভর্তি কড়াইতে যেভাবে ভুট্টার দানাগুলো যথেচ্ছভাবে নড়েচড়ে বেড়ায় সেই ভাবেই আমাদের মস্তিষ্ক লাগাতার এক ভাবনা থেকে অন্য ভাবনায়,এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে সরে সরে যাচ্ছে অবিরত।আমার এক আত্মীয়ার অভিজ্ঞতার কথা বলি। সন্ধেবেলা গুটিকয় ছোট ছোট ছেলে মেয়েকে বাড়িতে পড়ানোর আয়োজন করেছে নিছকই সময় কাটানোর জন্য। সেদিন ফোন করে বললো – খুব মুশকিলে পড়েছি। তোমার পরামর্শ চাই। বললাম – কি সমস্যা? তোর্ পাঠশালা কেমন চলছে? ছেলেপুলেরা ঠিকঠাক আসছে? রীতিমতো কাঁদো কাঁদো গলায় বলল – আরে ! ওখানেই তো সমস্যা। বাচ্চাগুলোর মন কিছুতেই একটা বিষয়ে থিতু হয়ে থাকছে না। কেবলই খ‌ই ফোটার মতো করে ফুটছে। এর একটা বিহিত বাতলে দাও।

এই সমস্যায় আক্রান্ত আমাদের কালের অনেকেই।

লক্ষ করে দেখবেন আজকাল আমরাও কোনো একটা বিষয় নিয়ে লাগাতার মনোনিবেশ করতে পারছি না। হাতের মুঠোয় ধরে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে যেমন নিরন্তর এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে স্ক্রল করে চলেছেন তাতে করে আমাদের মস্তিষ্ক এক ধরনের চঞ্চলতায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। আর তাই যে বিষয়ে আমাদের ন্যূনতম মনঃসংযোগ, মনোনিবেশ প্রয়োজন সেই বিষয়ে আমরা ক্রমশই আমাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে – আমাদের মন এখন গরম বালিতে ফেলা কর্নের মতোই টগবগিয়ে এই বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে সরে যাচ্ছে। এই সময়ের ডিজিটাল দুনিয়াতে এইটাই নাকি অনিবার্য পরিণতি। চিকিৎসা শাস্ত্রের পরিভাষায় মস্তিষ্ক সঞ্চালনের এই অস্থির প্রক্রিয়াকেই বলা হয় পপকর্ন ব্রেইন সিনড্রোম।পপকর্ন সিনড্রোমের কথা প্রথম আমাদের শুনিয়েছিলেন বিখ্যাত স্নায়ুতন্ত্র বিশেষজ্ঞ বা নিউরোসাইন্টিস্ট ডাঃ ডেভিড লেভি। বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল পর্দায় চোখ রাখার ফলে আমাদের মনঃসংযোগের স্তরে যে ঘাটতি দেখা দেয় তাকে বোঝানোর জন্যই ডাঃ ডেভিড লেভি পপকর্ন সিনড্রোমের ধারণাটি সর্বপ্রথম তুলে ধরেন। তাঁর মতে নিয়ত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল স্ক্রিনের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তির কারণে একজন মানুষ বাস্তব জগতের অপেক্ষাকৃত ধীর গতিতে বদলে যাওয়া একান্ত পারিপার্শ্বিক দৃশ্যপটের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে না। তাঁর মধ্যে এক ধরনের মানসিক চঞ্চলতা প্রকাশ পায় যা ধীরে ধীরে তাঁকে মানসিক রোগীতে পরিণত করে। তাঁর কথা মাথায় রেখেই বলতে পারি যে এই সময়ের বুকে দাঁড়িয়ে আমরা প্রত্যেকেই পপকর্ন সিনড্রোমের শিকার। বলতে দ্বিধা নেই যে এই সমস্যা একটি অর্জিত সমস্যা।আলোচনার এই পর্বে এসে আসুন আমরা খুব সংক্ষেপে জেনে নিই আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে। শারীরবিজ্ঞানীদের মতে, মস্তিষ্ক হলো আমাদের সবথেকে জটিলতম অঙ্গ যার দ্বারা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত রকমের কাজকর্ম সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়। মস্তিষ্কের সংবেদন আমাদের নিয়ত ক্রিয়াশীল রাখে। আমাদের আবেগ, ইন্দ্রিয় সঞ্চালন, মনে রাখার ক্ষমতা, চিন্তা করবার সামর্থ্য, হাঁটাচলা, এমনকি আচরণগত বৈশিষ্ট্য – সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। পাশাপাশি আমাদের সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলো যেমন শ্বাসবায়ু গ্রহণ ও বর্জন, শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা, হৃদস্পন্দনের ছন্দ‌ও নিয়ন্ত্রণ করতে মস্তিষ্কের জুড়ি মেলা ভার। মস্তিষ্কের কারণেই একজন মানুষ অন্যজনের থেকে স্বতন্ত্র এবং অনন্য। এককথায় বলতে পারি মস্তিষ্ক আছে বলেই আমরা মানুষ।

বিষয়টা হলো ,এই মুহূর্তে আমাদের মস্তিষ্ক মোটেই ঠিকঠাক ভারসাম্যের অবস্থায় নেই। আমরাই তাকে এক আশ্চর্য অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছি,  ঠিক রামপ্রসাদের দোকানের গরম বালিতে ছাড়া ভুট্টার দানাগুলোর মতো কখনো এখানে, আবার পরক্ষণেই ওখানে। পর্দায় চোখ রাখার অভ্যাস আমরা শুরু করেছি টেলিভিশনের সূত্রে। একটু মনে করলেই দেখবেন যে একদম গোড়ার দিকে চ্যানেলের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা,

ফলে নজর আটকে থাকতো একটা পর্দায়, যদিও তার চিত্রপট দ্রুত বদলে যেতো। এখন আমাদের প্রত্যেকের হাতে হাতে ঘুরছে মোবাইল ফোন। তার চলমান স্ক্রিন আমাদের চোখ আর মন তথা মস্তিষ্ককে নিরন্তর ছুটিয়ে মারছে। কোনো কিছুতেই আমাদের মন বসছে না। এক সর্বগ্রাসী অস্থিরতায় ভুগছি সবাই। আমরা পপকর্ন সিনড্রোমের শিকার।আমাদের মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিতে ভুলে যাচ্ছি। মোবাইল ফোনে নিরন্তর চোখ রাখার ফলে আমাদের মানসিক চঞ্চলতা বাড়ছে। স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিলেও মস্তিষ্কের উত্তেজনা কমছে না। এই কারণেই ব‌ই পড়া বা কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করাটাকে সবাই ধীর গতির কাজ বলে মনে করছি। ২০২১ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে স্মার্টফোনে নজর আটকে যাওয়ার জন্য আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে লোপ পেয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের সূক্ষ্ম সংবেদ আর অনুভুতিগুলোকে দ্রুত হারিয়ে ফেলছি। কোনো গুরুতর বিষয়ে আমরা মনোনিবেশ করতে পারছি না। আমাদের মধ্যে নতুন আচরণগত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।সবথেকে গভীর সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের নবীনতর প্রজন্মের সদস্যরা। অতিমারির সময় থেকেই তাদের হাতে তুলে দিতে হয়েছে উজ্জ্বল স্ক্রিনের স্মার্টফোন। অনলাইন ক্লাস কতদূর আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল তাদের কাছে তা জানিনা, তবে এই সর্ব মনোহর যন্ত্রটির কল্যাণে তাদের শরীর ও মন বাঁধা পড়ে গেছে স্ক্রিনপটে। ক্লাস আর কতক্ষণ ! বাকি সময়টা কাটছে মোবাইল স্ক্রিনে বিশ্বরূপ দর্শন করে। অঙ্গুলি হেলনে নিমেষেই বদলে যাচ্ছে দৃশ্যপট – কমিক্স থেকে কাওয়ালি, হেঁসেল থেকে হারেম সব দৃশ্যমান।এই অপসৃয়মান চিত্রপটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে শিশু, কিশোর, তরুণ তরুণী, প্রৌঢ় প্রবীণ সবারই মনঃসংযোগে টান পড়ছে। সবকিছুতেই অল্পেতেই খেই হারিয়ে ফেলছে তারা। এ এক কঠিন সমস্যা।

সমস্যা থাকলে সমাধান‌ও নিশ্চয়ই আছে?  আছে, অবশ্যই আছে। আর তা হলো মোবাইল ফোন থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকা। গোটা দুনিয়ার মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে এই স্ক্রিন প্রভাবিত পপকর্ন ব্রেইন সিনড্রোম। আমাদের ক্রমশই যেন এই আসক্তির সাথে জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ছোটদের মস্তিষ্ক গঠনের কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই চলছে এই মোবাইল স্ক্রিনে মন বসানোর কাজ। চিকিৎসকদের অভিমত, মস্তিষ্কের প্রি ফ্রন্টাল কর্টেক্স মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি পরিপূর্ণ ভাবে গঠিত হবার আগেই চলছে তাকে উদ্দীপিত করার প্রচেষ্টা। এতে করে আশু সমাধান মিললেও দীর্ঘ মেয়াদে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে আমাদের সকলের ওপর।এ যেন অপরিমিত মাত্রায় সার দিয়ে গাছকে চাঙ্গা করার চেষ্টা। প্রথম প্রথম ফলন বাড়লেও,সারের ব্যবহারে গাছটি একসময় অসাড় হয়ে পড়ে। আমাদের স্বাভাবিক নিদ্রা চক্রটি ভেঙে যায়, মনোযোগের অভাব ঘটে, বাড়তে থাকে মানসিক চঞ্চলতা। গবেষকরা জানিয়েছেন যে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলে চোখ না রেখে কিছু সময়ের জন্য বিরতি দিলে তা ডোপামিনের স্তরের ভারসাম্যকে ফিরিয়ে আনে। কাজে আনে স্ফূর্তি ও বাড়তি উদ্যম। আমাদের নিজেদের স্বার্থেই বদলাতে হবে নিজেদের। জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে ফিরিয়ে আনতে হবে যে কোনো উপায়ে। চারপাশের সজীব সচল দুনিয়ার সঙ্গে যথাসম্ভব সম্পর্ক স্থাপনের জন্য প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের সৌভাগ্য যে মস্তিষ্ক এমন অত্যাচার সামলে নিতে পারে স্বাভাবিক নিয়মেই। মনে রাখবেন আমাদের জন্য প্রযুক্তি, কখনোই প্রযুক্তির জন্য আমরা ন‌ই।

নভেম্বর ১৮.২০২৫

PrevPreviousদল-মতের উর্ধ্বে উঠে, ‘মানুষ’ই পারে জাতিকে বাঁচাতে
NextThe politics in Red and Green : An unfinished dreamNext
4.5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
8 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Susmita Mandal
Susmita Mandal
11 months ago

আপনার লেখা পড়তে পড়তে খুঁজে পাচ্ছিলাম আমার এবং আমার চারপাশের অনেকেরই অস্থিরতার কারণ ,সমস্যাটা বড়ই প্রকট ,ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছিলাম না, আপনার লেখা পথ দেখালো, প্রণাম নেবেন।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Susmita Mandal
11 months ago

এই মুহূর্তে আমরা সবাই রামপ্রসাদের কড়াইয়ের পপকর্ন। আমাদের প্রত্যেকের চঞ্চলতা বেড়েছে।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
11 months ago

আমরা বড়রাই আক্রান্ত।ছোটদের আর কি বলব!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
11 months ago

লেখাটা সবার জন্য। সুতরাং সকলের সাবধান হতে হবে। এই মায়াজগতের হাতছানি এড়িয়ে যায় কার সাধ্যি !

0
Reply
Mrs . Sathi Sengupta
Mrs . Sathi Sengupta
11 months ago

খুব সত্যি কথা। ছোটরা তো বটেই, আমরা বড়রাও এত বেশি মোবাইল নির্ভর হয়ে পড়েছি, বিষয় থেকে বিষয়ান্তরে যাবার প্রক্রিয়া আমাদের মৌলিক ভাবনা চিন্তার ওপরে রীতিমতো প্রভাব ফেলেছে। আমাদের চিন্তা শক্তি, স্মৃতি শক্তি বিশেষ ভাবে আক্রান্ত।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Mrs . Sathi Sengupta
11 months ago

ধন্যবাদ দিদি। খুব সত্যি কথা বলেছেন। ছোটদের শিখণ্ডী করে আমরা বড়রাও মোবাইলের মোহ মায়াজালে বিলকুল বিভোর হয়ে গেছি।নন স্ক্রিন কার্যকলাপ বাড়াতে হবে। ভালো থাকবেন।

0
Reply
Abhradeep Roy
Abhradeep Roy
11 months ago

খুব, খুব দরকারি আলোচনা দাদা। আমরা সকলেই এর শিকার। মোবাইল থেকে দূরে থাকার সমাধান বাতলে দেওয়াটা এক্ষেত্রে খুব সহজ। কিন্তু সেটা সম্পাদন করা ততটাই কঠিন। সেটা কেবল আসক্তির কারণে নয়, দৈনন্দিন জীবনযাত্রাই আজ এতোটা ডিজিটাল যে ক্ষণে ক্ষণে কাজে-অকাজে ফোনের বা স্ক্রিনের দিকে চোখ যাবেই। খুব শীঘ্রই শারীরিক ব্যায়ামের মতো মস্তিষ্কের ব্যায়ামের প্রয়োজন পড়বে, তারও ব্যায়ামাগার খুলবে!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Abhradeep Roy
11 months ago

ধন্যবাদ অভ্রদীপ। বহুকাল আগে একটা লাইন আমাদের মুখে মুখে ফিরতো– যন্ত্র আমাদের দিয়েছে বেগ, আর কেড়ে নিয়েছে আবেগ। কথাটা তখন পড়েছি।আজ প্রতিটি কথা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারছি। খুব শিগগিরই আসছে নতুন রিহ্যাব সেন্টার। ড্রাগ আসক্তদের সুস্থ করতে যেমন আরোগ্যনিকেতন গড়ে তোলার হিড়িক পড়েছে ঠিক তেমনি করেই তৈরি হবে মোবাইল আসক্তি বিমুক্তিকরণ কেন্দ্র। চমৎকার হবে ব্যাপারটা!

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

থ্রেট কালচার ২.০ সরকার বদলেছে, শাসনের কায়দা কি বদলেছে?

November 3, 2026 No Comments

কিছুদিন আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পাশে নারায়ণ স্বরূপ নিগমকে বসিয়ে সংবাদমাধ্যমে বলছিলেন, সরকার বদলালেও থ্রেট কালচার এখনও বিদ্যমান। মন্ত্রীর সেই বক্তব্য শুনে অবশ্য বোঝার উপায় ছিল না

আমরা মানুষকে মেরে ফেলার জন্য নয়, বাঁচানোর জন্য এই পেশায় আছি

November 3, 2026 No Comments

Coincidence বা সমাপতন বলে একটা শব্দ আছে যার একটা অন্য নাম “কাকতালীয়”। কাক ডেকে উঠলো আর তার পরেই তালগাছ থেকে পাকা তাল টুপ করে খসে

বেতুলের মৃত গাছেদের প্রতি……

November 3, 2026 No Comments

একসঙ্গে ২৫০০০ গাছের মৃত্যু। এদেশে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও পৃথিবীর সবুজ রঙের মলাটটাকে নানান বাহানায় ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। পৃথিবীর বুক থেকে কমছে সবুজের পরিসর।

চার আঙুল নিয়েই চার বার

November 2, 2026 No Comments

বিষয়টি কিছুটা স্থূল হলেও এই নিয়ে চর্চা ইত্যাদি ব্রাজিলের রাজনীতিতে সুবিদিত। চতুর্থবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় শ্রমিক এবং জাতীয় নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা

নতুন সংকটের সামনে তেলেঙ্গানার কৃষি

November 2, 2026 No Comments

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব এসে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে বেশ খানিকটা বৃষ্টি ঝরিয়ে দিয়ে গেলেও দেশের মধ্য – দক্ষিণ ভাগের একটা বড়ো অংশ জুড়ে রীতিমতো খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি

সাম্প্রতিক পোস্ট

থ্রেট কালচার ২.০ সরকার বদলেছে, শাসনের কায়দা কি বদলেছে?

West Bengal Junior Doctors Front November 3, 2026

আমরা মানুষকে মেরে ফেলার জন্য নয়, বাঁচানোর জন্য এই পেশায় আছি

Dr. Samudra Sengupta November 3, 2026

বেতুলের মৃত গাছেদের প্রতি……

Somnath Mukhopadhyay November 3, 2026

চার আঙুল নিয়েই চার বার

Bappaditya Roy November 2, 2026

নতুন সংকটের সামনে তেলেঙ্গানার কৃষি

Somnath Mukhopadhyay November 2, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

698314
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]