
একবার নরেন্দ্রপুর থানা, একবার বিষ্ণুপুর থানা ছোটাছুটি করছেন দিশাহারা বাড়ির লোক। মায়েরা কেঁদে কেঁদে অসুস্থ, বাবা ভাই ছুটে বেড়াচ্ছে। বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ তারা পুলিশকে তুলে দিয়েছে, যা থেকে মেয়ে দুটিকে খুঁজে পাওয়া উচিত বলে মনে হয়। কিন্তু দিন পেরিয়ে যায় এক এক করে। পরিবার, গ্রামবাসী রাগে ক্ষোভে ধৈর্যের সীমা হারানোর মত অবস্থাতেও পুলিশের ওপর আস্থা রাখছে। কিন্তু কতদিন??
একজন মহিলা মেয়ে দুটিকে নিয়ে গেছে, এমনটাই দেখা যাচ্ছে। তাহলে কি কোনো পাচার চক্রের হাতে পড়ল ছোটো মেয়ে দুটি? এ কোন রাজ্য যেখানে আমাদের মেয়েরা হারিয়ে যায় কোন অন্ধকারে আমরা জানি না আর প্রশাসন নির্বিকার। সমস্ত শক্তি, ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট কেন সক্রিয় নয়? কার কাছে তবে যাবো আমরা? কি কাজ তবে পুলিশ প্রশাসনের যদি এর সুরাহা না হয়?! আমাদের ঘরের মেয়ে ফেরেনি। ঘুমাবো কি করে আমরা?আমরা দাবি করছি আর এক মুহুর্ত সময় নষ্ট না করে মেয়ে দুটিকে খুঁজে বার করতে হবে প্রশাসনকে।
২৭, ২৮, ২৯ নভেম্বর পরপর তিন দিন যথাক্রমে নরেন্দ্রপুর থানা, বিষ্ণুপুর থানা এবং নেপালগঞ্জ ফাঁড়িতে গ্রামের মানুষ গিয়ে ডেপুটেশন দেন এবং বিক্ষোভ দেখান। ২৯ তারিখ নেপালগঞ্জ ফাঁড়ির সামনে পথ অবরোধ হয়।
আজ ১ ডিসেম্বর দুটি গ্রামের মানুষ স্বাক্ষর সংগ্রহ করে কাল বা পরশু বিষ্ণুপুর থানায় ডেপুটেশন দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। নারী ও বালিকা পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলনে অভয়া মঞ্চ সব রকম ভাবে পাশে থাকবে।










