Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্টেরয়েড একটি শাঁখের করাত (দ্বিতীয় পর্ব)

IMG-20210523-WA0352
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • May 24, 2021
  • 6:53 am
  • One Comment

প্রথমেই একটা জিনিস সাফ সাফ বলে দেওয়া যাক। স্টেরয়েড জিনিসটা মোটেই ভয়প্রদ কিছু নয়। এবং, তার পরেই যোগ করে দিই- যদি উপযুক্ত ব্যবহার হয়। বস্তুত, ব্যবহার শুরু হওয়ার পর থেকে স্টেরয়েড যে পরিমাণ জীবন বাঁচিয়েছে কিংবা রোগকষ্ট লাঘব করেছে তাতে তাকে অ্যান্টিবায়োটিক, টিকা বা ওআরএস-এর সাথে এক সারিতে রাখাই যায়।

শুরুটাও বেশিদিন আগে নয়। প্রথম স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহারের নিদর্শন পাওয়া যায় ১৯৩০ সাল নাগাদ। তখনও তার নাম স্টেরয়েড হয়নি। প্রথমদিকে মূলত টেস্টোস্টেরন জাতীয় যৌগ ব্যবহার হ’ত। প্রথমে মুখে খাওয়া হ’ত। পরে জানা যায়, মুখে খেলে অধিকাংশটাই লিভারে ধ্বংস হয়ে যায়। তখন পেশীতে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নেওয়া আরম্ভ হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈন্যদের মধ্যে শক্তিবর্ধক হিসেবে স্টেরয়েড নেওয়ার চল শুরু হয়। নাৎসী ক্যাম্পগুলোতে যুদ্ধবন্দীদের ওপর স্টেরয়েড প্রয়োগ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। শোনা যায়, হিটলার নিজেই নাকি স্টেরয়েড নিতেন এবং তার ফলে তাঁর মধ্যে স্টেরয়েড সাইকোসিসের লক্ষণ দেখা যায়। ১৯৫৬ সালের ওলিম্পিকে সোভিয়েত ইউনিয়নের অ্যাথলেটরা নিজেদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে শারীরিক সক্ষমতা বর্ধক ওষুধ প্রয়োগ করেন এবং খেলায় চোখ টাটিয়ে দেওয়ার মত সাফল্য পান। ১৯৫০ সালে প্রেডনিসোন আবিষ্কার এবং তার বানিজ্যিক উৎপাদন ৫ বছর বাদে। তারপর পরবর্তী ছয় দশকে স্টেরয়েড মডার্ন মেডিসিনের রাজপথ-অলি-গলি চষে বেড়িয়েছে। বর্তমানে মডার্ন মেডিসিনের প্রতিটি সাব-স্পেশালিটির সাথে স্টেরয়েডের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক।

প্রকারভেদ

আমাদের কিডনির ওপরে ছোট্ট দুটো অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি। তার বিভিন্ন অংশ থেকে বিভিন্ন ধরনের স্টেরয়েড বেরোয়।

ক> কর্টিকোস্টেরয়েড

তার দুটি ভাগ। ১. মিনারেলোকর্টিকয়েড (অ্যাল্ডোস্টেরন ইত্যাদি) ২. গ্লুকোকর্টিকয়েড (প্রেডনিসোলন, বিটামেথাজোন, ডেক্সামেথাজোন, হাইড্রোকর্টিজোন ইত্যাদি )

খ> সেক্স স্টেরয়েড। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, টেস্টোস্টেরন ইত্যাদি। সোজা কথায় বললে আমরা পুরুষ ও নারী হরমোন বলতে যা বুঝি সেগুলো।

গ> অ্যানাবলিক স্টেরয়েড

এই পোস্টে আমরা মূলত গ্লুকোকর্টিকয়েড আর অ্যানাবলিক স্টেরয়েড নিয়ে আলোচনা করবো। তবে সেসব পরবর্তী পর্বে। আপাতত চলুন আবার কয়েকটি ঘটনা দেখে নেওয়া যাক-

১.

পরিতোষ বাবু প্রবল হাঁপানির কষ্টে ভোগেন। হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। যে ওষুধ দিয়ে তাঁর চিকিৎসা হয় সেটা একটা স্টেরয়েড।

২.

মনামী ঘোষ সাত মাসের গর্ভবতী অবস্থায় প্রসব করেন। বাচ্চার ফুসফুস শক্তিশালী করতে যে ওষুধটা দেওয়া হয় সেটা স্টেরয়েড।

৩.

১৬ বছরের মেয়েটার জ্বর কিছুতেই নামে না। মাথার চুল উঠে যায়। মুখে ঘা। গালে আর নাকের ওপর কেমন প্রজাপতির মত দেখতে লাল দাগ। ডায়াগনোসিস হল- এসএলই। অন্যান্য ওষুধের সাথে স্টেরয়েডটাও শুরু হল।

৪.

৮০ বছরের ঠাকুমার গাঁটে ব্যথার চিকিৎসা হল গাঁটে স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দিয়ে।

৫.

যে টিবির কথা বলেছিলাম যেটা কিনা সাধারণভাবে স্টেরয়েড পেলেই ফুলে-ফেঁপে ওঠে সেখানেও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে স্টেরয়েড দিয়ে চিকিৎসা হয়।

৬.

মার সাথে ঝগড়া করে পনেরো বছরের মেয়েটা সিলিং থেকে ঝুলে পড়ে। হাসপাতালে যখন আনা হয় প্রায় শেষ দশা। আইসিইউ থেকে সুস্থ হয়ে বেরিয়েছিল বারো দিন বাদে। ওষুধ? সেই স্টেরয়েড।

৭.

তিন বছরের বাচ্চার পেচ্ছাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যায় আর বাচ্চাটা ফুলতে থাকে। এখন স্টেরয়েড চিকিৎসার পর সুস্থ।

৮.

সারা গায়ে মৌমাছি হুল ফুটিয়েছিল আট বছরের ছেলেটার গায়ে। প্রবল ব্যথা, সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। স্টেরয়েডে মুক্তি।

৯.

আশঙ্কাজনক কোভিডের কথা তো আগেই বলেছি।

*******

এরকম আরও অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যায়। বিশেষত, অটো-ইমিউন ডিজিজের চিকিৎসায় এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে স্টেরয়েড বিপ্লব এনেছে। আবার আপনি বলবেন সেগুলো কী?

অটো-ইমিউন ডিজিজে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আপনার শরীরকেই চিনতে ভুলে যায়। ভেবে নেয় বহিরাগত শত্রু। আর নিজের সাথে নিজের লড়াইতে আপনি রক্তাক্ত হন। তারপর শরীরের সালিশি সভায় বিবাদ মেটায় স্টেরয়েড। ইনফ্লামেশন মানে প্রদাহ। খুব সোজা করে বললে ওই ধরুন কাঁটা ফুটে জায়গাটা লাল হয়ে ফুলে উঠলো, ব্যথা হ’ল… এরকম একটা ব্যাপার। শরীরের মধ্যেকার প্রদাহ জিনিসটা বড্ড গোলমেলে। কখনও সেটা ভালো কখনও খারাপ। কাজেই বিস্তারিত আলোচনায় যাবো না।

এসব ক্ষেত্রেও স্টেরয়েড গুলোর নাম সেই একই। প্রেডনিসোলন, ডেক্সামেথাজোন, হাইড্রোকর্টিজোন। অর্থাৎ, প্রথম পর্বে যে নামগুলো দেখে আপনি নাক কুঁচকে আর চোখ গোল্লা করে ভয়ে ভয়ে তাকিয়েছিলেন সেই নামগুলোই এবার আশীর্বাদের নাম।

কী? ঘেঁটে গেলেন তো?

তাহলে লেখাটা চলুক? কী বলেন?

PrevPreviousউপসর্গহীন অক্সিজেন কমে যাওয়াঃ একটি হাতুড়ে কথন
Nextনাগরিকের আর্জি ‘রাজার’ কানে পৌঁছায়?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dipankar Ghosh
Dipankar Ghosh
4 years ago

দরকারি

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 6 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656723
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]