Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভালোবাসার গপ্পো

IMG_20210615_000025
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • June 15, 2021
  • 7:46 am
  • One Comment

ভালোবাসার জন্য আমি পাহাড় ডিঙাতেও পারব না অথবা একাই ছয়জন ভিলেনকে পিটিয়ে পাট পাট করতে পারব না।

ভালোবাসার জন্য ঝর্ণার জলে ভিজে ভিজে গানও গাইতে পারব না। সে চেষ্টা করলে ভালোবাসা আমার আঠারো হাত দূর দিয়ে পালাবে।

তবু জানি শুধু ভালোবাসার জন্যই আমি বেঁচে আছি। আমার সেই সামান্য ভালোবাসার গপ্পো আমি আপনাদের শোনাতে পারি।

বুধবার সকালে ঘুম ভেঙে যদি দেখি সাতটা বেজে গেছে তাহলে প্রথম যে কথাটি মনে হয় তাহলো, “ যা শালা, এবারে কি হবে।”

কোনো রকমে শক্ত দুটি রুটি রসগোল্লার রস মাখিয়ে গলায় চালান করে স্কুটার বার করলাম। ভগবান আবার বিট্রে করেছে। তেল তলানিতে। কদিন আগেও দুশো টাকার তেলে সপ্তাহ চলে যেত। এখন তিনশ টাকার তেলে পাঁচদিন যাচ্ছে।

পেট্রোল পাম্পে লম্বা লাইন। তেল ভরতে আরও পনের মিনিট নষ্ট। অবশেষে যখন হাসপাতালে পৌছালাম তখন ঘড়ির কাটা প্রায় আটটা ছুঁই ছুঁই।

ছেলেদের ওয়ার্ড দুটো রাউন্ড দিয়ে আউটডোরে বসব। আমার কাজ অনেকটা ঝাড়ুদারের মত। গত চব্বিশ ঘণ্টায় এমারজেন্সি থেকে যত সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আমার কাজ প্রায় সম সংখ্যক অপেক্ষাকৃত সুস্থ্য রোগীকে ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠানো।

এই একটি চরম একঘেঁয়ে ভারসাম্য রক্ষার কাজ আমি নিষ্ঠা ভরে করে যাচ্ছি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। এবং যত দিন যাচ্ছে তত আমি ঝাড়ুদারের কাজে আরও বেশী পারদর্শী হয়ে উঠছি।

যাই হোক, নিজের ঢাক পেটানোর জন্য আমি এটা লিখতে বসিনি। আর আমি ভালো ঝাঁট দি, নাকি ভালো বাসন কোসন মাজি, সেসব জানার ইচ্ছেও আপনাদের থাকার কথা নয়। আমি বরঞ্চ সরাসরি গল্পে চলে যাই।

ঘেমে নেয়ে মেল ওয়ার্ড দুটি রাউন্ড দিয়ে ছুটলাম আউটডোরের দিকে। সাড়ে নটা বেজে গেছে।

মেডিসিন আউটডোরে থিক থিক করছে ভিড়। টিকিটের লাইন হাসপাতালের সীমানা ছাড়িয়ে রাস্তায় চলে গেছে। আমি এদিক ওদিক না তাকিয়ে মাথা নিচু করে রোগী দেখা শুরু করলাম।

ঝড়ের বেগে রোগী দেখছি, কিন্তু মনের মধ্যে একটু খচ খচ করছে। হঠাৎ মনে পড়ল, কাল অনেক রাতে মিন্টু ফোন করেছিল, “ডাক্তারবাবু, প্রবীরদা আর নেই। আজ সন্ধ্যেয় মেডিকেলে মারা গেছে।”

প্রবীরদা একজন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টিভ বা সংক্ষেপে এমআর।

ডাক্তার একজন এমআর কে নিয়ে লিখছে মানেই ঘাপলা আছে। নির্ঘাৎ বিদেশ অথবা অন্তত উটি-কোয়াম্বাতুর ঘুরে এসেছে ওই ওষুধ কোম্পানীর পয়সায়। এরকম ভেবে আপনারা যদি মানসিক শান্তি পেতে চান, আমি নাচার। কিন্তু আমার ভালোবাসার গল্পের প্রথম পাত্র প্রবীরদা।

প্রতিটি দূর্গা পুজোয় আমার ডিউটির সময়ে প্রতিদিন হাসপাতালে এসে বসে থেকেছে। আমি বারবার বলেছি, “পুজোয় কেন শুধু মুধু হাসপাতালে বসে থাকবে?”

প্রবীরদা শুধু হাসত। মুখে কিছু বলত না। আসলেই প্রবীরদা কথা বলত খুব কম আর হাসত বেশী। মাঝে মাঝেই ব্যাগ থেকে বের করত, না কোনো দামী উপহার বা ক্যাশ টাকা নয়, দুটাকা দামের অগ্নি জেল পেন।

আমরা প্রবীরদার কাছ থেকে সেই পেন নিতাম। একে আপনারা উপঢৌকন বা ঘুষ যা ইচ্ছে বলতে পারেন।

হাসপাতালে ততদিনে ন্যায্য মূল্যের দোকান চালু হয়েছে। সব ডাক্তারবাবুরাই জেনেরিক নামে ওষুধ লিখছেন। অন্যান্য এমআর’রা মুখ কাঁচুমাচু করে ঘুরছে। ব্যবসা পত্তর লাটে উঠেছে। চাকরি নিয়ে টানাটানি চলছে। শুধু প্রবীরদার মুখেই হাসি।

আমি বাইরে প্র্যাকটিস করতাম। প্রবীরদার দু একটা প্রোডাক্ট লিখে দিতাম। এভাবেই চলছিল। হঠাৎ করে বাপ্পাদার মুখে শুনলাম, প্রবীরদার নন হজকিন্স লিম্ফোমা নামক একটি ক্যানসার ধরা পড়েছে। অবস্থা খুব খারাপ।

বাপ্পাদাও একজন এমআর। তাঁর কাছ থেকেই প্রবীরদার শারীরিক অবস্থার আপডেট পেতাম। একদিন সকালে হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম বাপ্পাদা ডক্টর রুমের সামনে উদ্বিগ্ন মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

বলল, “কাল রাত থেকে প্রবীরের খিঁচুনি হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি করেছি।”

সে যাত্রায় প্রবীরদাকে একটু সুস্থ করে মেডিক্যাল কলেজে অঙ্কোলজিতে পাঠানো হোল। কিন্তু শেষরক্ষা হোল না।

আমার ভালোবাসার গপ্পোর দ্বিতীয় চরিত্র বাপ্পাদাই। প্রবীরদা যখন অসুস্থ, বাপ্পাদা আমার কাছে আসত। বলত, “আমার প্রোডাক্ট লিখতে হবে না। আপনি যদি পারেন প্রবীরের দু চারটে ওষুধ লিখে দেন। এখনও ওর ছেলে দুটো ছোট। মিসেস কিছু করেন না। ভগবান জানে ওদের কি হবে।”

এমন বন্ধুত্ব, এমন ভালোবাসা আমি খুব কম দেখেছি। বিশেষ করে এমআর এর চাকরির মত একটি ভয়ংকর টার্গেট ওরিয়েন্টেড চাকরিতে নিজের ক্ষতি করে বন্ধুকে সাহায্য করার মানসিকতা খুব কম জনের থাকে।

ও হ্যাঁ, বাপ্পাদাও আমায় গিফট দেয়। কাজের সুত্রে বাপ্পাদা মাঝে মাঝেই উত্তরবঙ্গ যায়। সেখান থেকে আমার জন্য দার্জিলিং টি নিয়ে আসে। এটাকেও আপনারা যা খুশি বলতে পারেন। কিন্তু উপহারটা আমায় বেশ ভালই লাগে।

আমি একজন চা’তাল। সারাদিনে জলের চেয়ে চা বেশী খাই। হাসপাতালে নারানদা আমার চায়ের জোগান বজায় রাখার দায়িত্ব নিয়েছে। নারানদাকে নিয়ে পরে লিখতে হবে।

আপাতত রাজীবের কথা দিয়ে শেষ করি। রাজীব এক বেসরকারি কলেজ থেকে ফার্মাসী পাশ করে আমাদের হাসপাতালে ইনট্রানশিপ করতে এসেছিল। তখন থেকেই আমার সাথে কি করে জমে গেল, ভগবান জানে।

আউটডোরে আমার সাথে থাকে। প্রেশার মেপে দেয়। ওষুধের স্লিপ বানিয়ে দেয়। রোগীদের ওষুধ কিভাবে খেতে হয় তাও বুঝিয়ে দেয়।

রাজীবের ইনটার্নশিপ অনেকদিন শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো আমার আউটডোরে ও হাজির হবেই। কিসের টানে কে জানে? আমার জন্য নাকি রোগীদের জন্য টান? তবে কোনও গোপন স্বার্থ জড়িত নেই এটুকু বলতে পারি। রাজীব সাহায্য না করলে মেডিসিনে আউটডোর পিছু চারশ রোগী দেখা আমার একার পক্ষে অসম্ভব ছিল।

দুশো রোগী দেখার পর থেকেই আমার মাথা গরম হতে শুরু করে। রোগীরা সামান্য গণ্ডগোল করলেই ঝাড় খায়। রাজীব কিন্তু তখনও হাসিমুখে বুঝিয়ে চলে, “বুঝলে দাদু এই কালো রঙের ট্যাবলেটটা সকালে আর রাত্রে খাবে। আর এই ছোট্ট বড়িটা রাত্রে খাওয়ার পর।”

এই বুধবার দেখি এক বুড়ি খবরের কাগজে মোড়া কি একটা রাজীবের হাতে গুঁজে দিচ্ছে। বলছে, “পুজো দিয়েছিলাম, প্রসাদ আছে। আর বাড়ির একটা বেল আছে। খেও।”

আমি তাকিয়ে আছি দেখে রাজীব বলল, “ডাক্তারবাবুরটা কই বুড়িমা?”

ময়লা কাপড় পরা খুনখুনে বুড়িটা অম্লানবদনে বলে দিল, “তুমি ভালোবেসে দুটো কথা বল। আর ঐ ডাক্তার বড় খ্যাঁক খ্যাঁক করে বাপু। অমন খেঁকুড়ে মানুষকে আমার ভগবানের প্রসাদ খাওয়ানোর ইচ্ছা নাই।”

তারপর থেকেই খ্যাঁক খ্যাঁক একটু কম করার চেষ্টা করছি।

PrevPreviousআবার এসেছে আষাঢ়
Nextপ্রশ্নোত্তরে কোভিভঃ কোভিড রোগীর পরীক্ষা নিরীক্ষাNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Partha Das
Partha Das
5 years ago

দারুন।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

August 2, 2026 No Comments

প্রতিবেদকের সামান্য কথাঃ পড়াশুনার সময় পড়াশুনা করা হল না। অনিশ্চিত জীবন ছেড়ে অনেক বিলম্বে কর্মজীবনে প্রবেশ। চাকরির সুবাদে জেলা থেকে জেলান্তর। উত্তর, দক্ষিণ ও রাঢ়

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

August 2, 2026 No Comments

(এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬-এ) রায়গঞ্জের নামী স্কুল সারদা বিদ্যা মন্দির (বাংলা মিডিয়াম) স্কুলের তরফে এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে – “বিদ্যালয়ের আচার্য-আচার্যা, প্রাক্তন

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

August 2, 2026 No Comments

আজ যে পাগলের কথা বলবো তিনি সত্যিই এক আজব পাগল। জন্মসূত্রে ভারতীয় নন, তবে তাঁর কাণ্ডকারখানা এই ভারতের মাটিকে ঘিরে। ইনি হলেন ক্যারন রন্সলে (

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

August 1, 2026 No Comments

সত‍্যিই অভাবনীয়। কিন্তু যদি ভেবে থাকেন এটা সরকারের বিরাট পরাজয়, খুব ভুল করবেন। দাবা খেলায় যেমন দরকারে কোনো বড় পিসও sacrifice করা হয়, ধরে নিন

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

August 1, 2026 No Comments

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, ভয়হীন কাজের পরিবেশ অভয়া আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি বারবার নিজেদের কর্মক্ষেত্রে, হাসপাতালে নিগৃহীত হতে হয়েছে চিকিৎসক – নার্স –

সাম্প্রতিক পোস্ট

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

Bappaditya Roy August 2, 2026

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

Dr. Jayanta Bhattacharya August 2, 2026

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

Somnath Mukhopadhyay August 2, 2026

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

Dr. Amit Pan August 1, 2026

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

West Bengal Junior Doctors Front August 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

657469
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]