Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সার্জ ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে আন্দোলনের পাশে আছেন….

Oplus_0
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • September 8, 2024
  • 8:58 am
  • 4 Comments

সার্জ ক্যাপাসিটি শব্দটা প্রথম শুনি PG ক্লাসে প্রফেসর রনদেব বিশ্বাস এর মুখে। স্যার তখনও বেঁচে যদিও দুরারোগ্য স্নায়বিক রোগ স্যার এর শরীরে থাবা বসিয়ে দিয়েছে। কথা বলতেন আস্তে আস্তে। মাঝে মধ্যে আনমনা হয়ে হাইজিন ইনস্টিটিউট এর সেই বিশাল লেকচার থিয়েটার এর বিশাল জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকতেন চুপ করে। আবার সম্বিৎ ফিরে পেলে লেকচার শুরু হত। তার প্রতিটা মনি মুক্তো যাতে হারিয়ে না যায় তাই বাড়ি ফিরে ক্লাস নোট এর পাতা গুলো টাইপ করে রাখতাম ওয়ার্ড ফাইলে।

মাস ক্যাজুয়ালটি ম্যানেজমেন্ট পড়াতে গিয়ে স্যার ওই শব্দটা শিখিয়েছিলেন। ধরুন একটা বাস বা ট্রেন দুর্ঘটনায় একগাদা রুগী একসাথে হাজির ইমার্জেন্সীতে। তাদের সবাইকে ঠিকমতো চিকিৎসা দিতে গেলে চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানো দরকার একধাক্কায়। কি করে বাড়ানো যাবে? অনেক গুলি উপায়ের মধ্যে একটা উপায় হল প্রি ও প্যারা ক্লিনিক্যাল বিষয়ের অধ্যাপক চিকিৎসক যারা সাধারণত রুগী দেখেন না যেমন এনাটমি, ফিজিওলজি কমুনিটি মেডিসিন ইত্যাদি ডিসিপ্লিনের ডাক্তারদের ডেকে নিয়ে আসা। প্রফেসর বিশ্বাস এর সেই অতদিন আগে বলা কথাগুলো আজ মনে পড়ে গেল।

আর জি কর হাসপাতালে এক রুগী মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলা বিনা চিকিৎসায় অভিযোগ খণ্ডন করতে গিয়ে সেখানকার MSVP ঠিক এই কথাটাই বললেন। কিছু জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতিতে থাকার জন্য যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে সিনিয়র ডাক্তাররা আগের তুলনায় যতটা সম্ভব এফোর্ট বেশি দিচ্ছেন। ক্লিনিক্যাল সাব্জেক্ট এর অধ্যাপক চিকিৎসকদের পাশাপাশি প্রি ও প্যারা ক্লিনিক্যাল বিষয়ের অধ্যাপক চিকিৎসক এরাও এগিয়ে আসছেন অবস্থা সামাল দিতে। সার্জ ক্যাপাসিটি বাড়াতে।

আমরা জেলায় চাকরি করি। আমরাও সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি পরিষেবা সচল রাখতে। জেলার দুটি মেডিক্যাল কলেজের MSVP অনুরোধ করা মাত্র আমাদের বিভিন্ন সেকেন্ডারি টায়ারের হাসপাতাল থেকে দশ জন চিকিৎসককে আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি দুটি মেডিক্যাল কলেজে। তারা হাসিমুখেই গেছেন ও কাজ করছেন। যারা রয়ে গেলেন, তারাও হাসিমুখে এই ফাঁক ভরাট করার চেষ্টায় আছেন। এদের অনেকেই আমার মতো কর্মবিরতিটা আন্দোলনের ফর্ম হিসেবে পছন্দ করেন না। কিন্তু এই আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি জুনিয়র ডাক্তাররা তাদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হ্যাঁ। এটা ঠিক যে একদিনের একঘণ্টার প্রতীকী প্রতিবাদ ছাড়া আমাদের জেলার সরকারি চিকিৎসকরা বিরাট কিছু করেন নি সংগঠিত ভাবে। কিন্তু তারাও সিনিয়র হিসেবে এইভাবেই জুনিয়রদের পাশে আছেন। কারণ তারা জানেন যে এই আন্দোলনটাকে ভেঙ্গে দেয়ার অপচেষ্টায় যারা যুক্ত তাদের মোক্ষম হাতিয়ার হল রুগী পরিষেবায় ঘাটতি এই আওয়াজটা তুলে দেওয়া বদনাম করা। তাই এর মোকাবিলায় পরিষেবা সচল রাখার জন্য, রেফার যথা সম্ভব কম করার জন্য জেলার ছোট ছোট হাসপাতালের আমার সহকর্মীরা এভাবেই দ্বিগুণ পরিশ্রম করে সার্জ ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে এভাবেই আন্দোলনের পাশে আছেন।

প্রফেসর বিশ্বাস আজ বেঁচে থাকলে খুশি হতেন তারই সব ছাত্র-ছাত্রী কিভাবে তাদের অধিতবিদ্যা প্রয়োগ করে চলেছে। গতকাল শিক্ষক দিবসে কিছু লেখার সময় পাইনি। আজ আমার জীবনে পাওয়া অন্যতম সেরা শিক্ষককে শ্রদ্ধা জানালাম। আমি জানি স্যার বেঁচে থাকলে তাঁর অশক্ত শরীর নিয়েও আজ আর জি কর হাসপাতালে হাজির হতেন, বলতেন, তোমরা সবাই দেখে নাও কাকে বলে সার্জ ক্যাপাসিটি।

সার্জ বোঝোস হালার পো হালা? ঢেউ রে ঢেউ। ভাসাইয়া দিমু এক্কেবারে। আমাগো লগে লাগতে আসিস না।

PrevPreviousকোথাও যেন বিশাল একটা কিছু পরিবর্তনের সুর বাজছে…
Nextপ্রতি মণ্ডপেNext
4 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Pranita Taraphdar
Pranita Taraphdar
2 years ago

Satti! Professor Ranadeb Biswas Sir er abhab aj bhishon mone hocche

0
Reply
Sourav Kumar Bera
Sourav Kumar Bera
2 years ago

খুবি ভালো লাগলো লেখাটি পড়ে.

0
Reply
Shabnam Talukdar
Shabnam Talukdar
2 years ago

😍😊
এক্সিলেন্ট লেখাটা ।মন ভরে গেলো।
মাঝে মাঝে না মন কেমন করে এতো।
যে মনে হয় কী যেন এক সম্পূর্ণতা পেলো না পেলাম না।সেইই আর কী।…..খুব ভালো লাগলো।
ভালো থেকো।

Last edited 2 years ago by Shabnam Talukdar
0
Reply
Shabnam Talukdar
Shabnam Talukdar
2 years ago

এ কি গো!!!!!😔😴😮‍💨😐
কিছুই জানি না তো!😪
Speedy recovery dear.💕🩵
Comrade ✊️🙏

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এভাবে কি damage control সম্ভব?

October 20, 2026 No Comments

আমরা পরিষ্কার ভাবে জানতে চাইছি, ঠিক কী কী কারণে মেডিকেল কলেজ থেকে অ‍্যাপোলো হাসপাতালে রোগীদের স্থানান্তরিত করা হলো। জুনিয়ার ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ‍্য দপ্তর থেকে নির্দেশ

বকতিয়ার খিলজি, হিটলার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার

October 20, 2026 2 Comments

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুজোয় বুকস্টলের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে নামা দেখে দুজন ব্যক্তির কথাই মনে আসছে। এই দুই কুখ্যাত ব্যক্তি হলেন বকতিয়ার খিলজি ও হিটলার। বকতিয়ার খিলজি

বাঙালি কি এভাবে বইয়ের স্টলে বসে বসে মার খাবে?

October 20, 2026 No Comments

দুর্গাপুজোয় রাজ্য জুড়ে একটার পর একটা বামদের বুক স্টলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ দেখে মনে হচ্ছে বাঙালি নিজেকে খুবই অসহায়, নিরুপায়, অভাগা, ভীত সন্ত্রস্ত বলে মনে করছেন।

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

October 19, 2026 1 Comment

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর। (খেয়াল করুন, অর্বাচীন মাকুদের মতো করে – মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আজ যাদের বইয়ের স্টল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে, সেই

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

October 19, 2026 1 Comment

আপনারা কি সুরেন্দ্র সিং চৌধুরীর নাম শুনেছেন? শোনেননি তো? না, না! এই না শোনাটা কোনো অন্যায় নয়। খুব কেউকেটা মানুষ নয় সুরেন্দ্র। এদেশে নামের পাশে

সাম্প্রতিক পোস্ট

এভাবে কি damage control সম্ভব?

Dr. Amit Pan October 20, 2026

বকতিয়ার খিলজি, হিটলার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার

Dr. Aindril Bhowmik October 20, 2026

বাঙালি কি এভাবে বইয়ের স্টলে বসে বসে মার খাবে?

Parichay Gupta October 20, 2026

পুজোর মুখে একটা ভালো খবর!

Dr. Bishan Basu October 19, 2026

বিট্টু তাবাহি – অসচেতন দেশে এক বিরল চেতনার নাম।i

Somnath Mukhopadhyay October 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

692815
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]