Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

“ডাক্তারবাবু, দেখুন তো আমি চারে তিন না কি চারে এক” – তামান্নার গল্প

Oplus_131072
Dr. Kanchan Mukherjee

Dr. Kanchan Mukherjee

Fetal medicine specialist
My Other Posts
  • December 5, 2025
  • 8:03 am
  • No Comments

(ক্লিনিকে বসে যা শুনেছি তাই লেখার চেষ্টা করছি)

আমার নাম তামান্না (নাম পরিবর্তিত)। বয়স তেইশ। বাড়ি ক্যানিং। গরীব ঘরে জন্ম। মাত্র ষোল বছর বয়সে শ্বশুরবাড়ি। শিক্ষাদানের চেয়ে কন‍্যাদান ছিল আমার বাড়িতে বেশি জরুরি। স্কুলের বদলে সেই বয়সেই যেতে হলো এক বাড়ি ছেড়ে অন্য বাড়িতে । ক’দিনের মধ্যেই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের আসল স্বরূপ সামনে এলো। শুরু হলো মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। এসব সহ্য করেই কাটতে থাকলো দিন। তার সাথে দুবেলা পেট ভরে ভাতটুকুও জুটতো না। কিন্তু কোথায় যাবো? মা বাবা বারবার শ্বশুরবাড়িতেই মানিয়ে নিতে বলতেন। বেড়ি ভেঙে বেরিয়ে আসতে সাহস দিতে পারতেন না। এসবের মধ্যেই এক বছরের মাথায় আমি এক ছেলের মা হয়ে গেলাম। কিছু দিন ভালো সময় কাটলো। কিন্তু আমার কপালটা তো ভালো নয়! জন্ম থেকেই বাচ্চাটা একটু রুগ্ন ছিল। ফ‍্যকাশে। অল্পেই ক্লান্ত। এক বছরের মাথায় ডাক্তাররা বললেন ওর থ‍্যালাসেমিয়া মেজর রোগ আছে। ওকে সারা জীবন ব্লাড দিতে হবে। আমার তো মাথায় বাজ পড়লো! সত্যি বলতে কি আমি যে থ্যালাসেমিয়া বাহক তা জানতাম না। তবে আমার শরীর চিরকালই ছিল দু্র্বল। রক্তের হিমোগ্লোবিন একটু কম থাকতো।

ডাক্তাররা বোঝালেন আমি আর আমার স্বামী দুজনেই রোগটার বাহক। এই অবস্থায় প্রতি চার জনে একজনের রোগটা হবে। বাকি তিন জনের হবে না। আমার কপাল – আমি হয়ে গেলাম চারে এক। বার কয়েক রক্ত দেওয়াতে পেরেছিলাম। শ্বশুরবাড়ি থেকে কোনো সহযোগিতা করতো না জানেন। উল্টে সব দায় গিয়ে পড়তো আমার উপর। ওদের ছেলেও যে আমার মতনই বাহক সেটা একবারও স্বীকার করলো না! সব চেয়ে বেশি অত্যাচার করতো আমার শ্বাশুড়ি। আমাকে বলতো আমার নিঃশ্বাসের বিষেই নাকি ছেলের থ্যালাসেমিয়া হয়েছে। এটা কি কখনও সম্ভব বলুন- এটা কি টিবি?

তাও চলে যাচ্ছিল। কিন্তু ছেলেটা বড্ড অসুস্থ হয়ে পড়লো।ওর বয়স তখন মাত্র চার। হাসপাতালে ভর্তি করতে হলো। আমার স্বামীটাও তেমনি। বাবা হিসাবে পাশে দাঁড়ানোর বদলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিলো। একটা সময় ডাক্তাররা হাল ছেড়ে দিলেন। আমি তখন বাপের বাড়িতে। শেষ সময়টুকুতে ছেলেটাকে বাড়ি এনে রাখলাম। একদিন পরেই ও আমার কোল ফাঁকা করে চলে গেলো। একুশ বছর বয়সেই আমি হয়ে গেলাম সন্তানহারা মা। শাশুড়ি বললেন আমি নাকি ডাইনি। আমার দৃষ্টিতে দোষ- আমি বাড়ির সবার রক্ত শুষে নিতে পারি। আমাকে বাপের বাড়িতেই থেকে যেতে হলো। তবে খুব শিগগির আমার বাবা ঘুরে দাঁড়ালেন। আমার ডিভোর্সের ব্যবস্থা করলেন। আমি মুক্ত হলাম। ছেলের মুখের দিকে চেয়ে এতদিন সবকিছু সহ‍্য করেছি, আর কেন করবো বলুন তো?

কষ্ট হলেও একটু একটু করে আমি আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করলাম। ইতিমধ্যে আমাদের গ্রামেরই একটা ছেলে আমাকে খুব ভালোবেসে ফেললো। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আমরা বিয়ে করলাম। জানেন ডাক্তারবাবু, এটা ওর প্রথম বিয়ে। বলে বোঝাতে পারবো না ও আমাকে কতখানি ভালোবাসে। রোজগারপাতি তেমন কিছু করেনা, তবে ওকে ভরসা করা যায়। সত্যি বলতে কি ও একটা দেবদূত। কিন্তু দেখুন ভগবানের মার। সেও থালাসেমিয়া বাহক! আর সে জন্যই তো আপনার কাছে আসা। দেখুন তো এবারে আমি চারে তিন, না কি চারে এক?

আমি শুধু বললাম, তোমার নাম যে তামান্না। তোমাকে তো আশা রাখতেই হবে।

ডাক্তারি ফুটনোটঃ
সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগ থাকা মানে তার বায়োলজিকাল পিতা-মাতাকে বাহক হতেই হবে। এর কোন অন্যথা হতে পারেনা। এটি ছোঁয়াচে রোগ নয়।

PrevPreviousরবি ঘোষ
Nextশাসক ভোলাতে চায়, আমরা নিয়েছি না ভোলার শপথ।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বর্তমান পরিস্থিতিতে অভয়া ও অভয়াদের ন্যায় বিচারের দাবিতে অভয়া মঞ্চে’র আহ্বান

March 31, 2026 No Comments

সুধী, ২০২৪ সালের ১০ আগষ্ট, সংবাদপত্রের সংবাদে শিহরিত হয় সারা বাংলা। যদিও ৯ আগস্ট সন্ধ্যের পর থেকেই টিভি মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে ছড়িয়ে পড়ে

কেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা শাসক দলগুলি নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ।। #৫ হাথরস কেস

March 31, 2026 No Comments

রাষ্ট্র আমাদের লিঙ্গ পরিচিতি নির্ধারণের অধিকার কেড়ে নিতে পারে না

March 31, 2026 No Comments

১৩ মার্চ ২০২৬, সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ণ দপ্তরের মাননীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ বীরেন্দ্র কুমার লোক সভায় ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি (অধিকার রক্ষা) সংশোধনী বিল পেশ করেন। এই

কেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা শাসক দলগুলি নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ।। #৪ কামদুনি কেস

March 30, 2026 No Comments

গত দেড় দশকে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার হাল

March 30, 2026 No Comments

গত দেড় দশকে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা হাল ঠিক কীরকম তা নিয়ে লিখতে বসে বেজায় ধন্দে পড়েছি। কী লিখব? কীসের ভিত্তিতে লিখব? দশ বছর বাদে বাদে যে

সাম্প্রতিক পোস্ট

বর্তমান পরিস্থিতিতে অভয়া ও অভয়াদের ন্যায় বিচারের দাবিতে অভয়া মঞ্চে’র আহ্বান

Abhaya Mancha March 31, 2026

কেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা শাসক দলগুলি নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ।। #৫ হাথরস কেস

Abhaya Mancha March 31, 2026

রাষ্ট্র আমাদের লিঙ্গ পরিচিতি নির্ধারণের অধিকার কেড়ে নিতে পারে না

Abhaya Mancha March 31, 2026

কেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা শাসক দলগুলি নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ।। #৪ কামদুনি কেস

Abhaya Mancha March 30, 2026

গত দেড় দশকে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার হাল

Dr. Bishan Basu March 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

615366
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]