Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভবিষ্যতে

IMG-20200331-WA0004
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • April 13, 2020
  • 9:06 am
  • 3 Comments

সাইকেলটা চেপে সুধন্য হাসপাতালের দিকে চলল। আস্তেই চলছিল সাইকেলটা। পাশ থেকে একটা হরিণ দৌড়ে চলে গেল। এই সাইকেলগুলো নিজে নিজেই চলে। সোলার এনার্জিতে। শুধু প্রোগ্রাম করে দিতে হয়। নদীর ঘাটে সাইকেলটা রেখে নৌকোয় চেপে নৌকোটা খুলে দিল সুধন্য। নৌকাও চলে সৌরশক্তিতে। আসলে পৃথিবী থেকে জ্বালানি তেল অনেক বছর আগেই শেষ হয়ে গেছে। কমে গেছে দূষণ। ব্যক্তিগত গাড়ি বলে কিছু নেই। দূরে যাওয়ার জন্য আছে ট্রেন, বিমান। সব সৌরশক্তিতে চলে।

নদীর জল কাঁচের মত স্বচ্ছ। আকাশ গভীর নীল। বাতাসে গাছপালার বুনো গন্ধ ও মাটির সোঁদা গন্ধ মিলেমিশে একাকার।

এটা ২১৭০ সাল। দূরে দূরে ছোটবড় গ্রাম-গঞ্জ, মাঝে মাঝে জঙ্গল,পাহাড়। জেলা, রাজ্য, দেশ। শহর নামে কিছু মনুষ্য বসতি অনেক কাল আগে ছিল। এখনো জঙ্গলের মধ্যে, মাটির ঢিবির নীচে সেগুলোর চিহ্ন পাওয়া যায়। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে মানুষ থাকত সেখানে। কি করে কে জানে! ১৫০ বছর আগে নাকি বেশ কয়েক বার ভাইরাসের প্রকোপে মহামারী হয়ে সারা পৃথিবীর অর্ধেক জনসংখ্যা কমে যায়। বিশেষ করে উজাড় হয়ে যায় শহরগুলো। ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে সুধন্য-র। ইতিহাসে সব লেখা আছে।

সুবর্ণরেখা-র ধারে চাপটি গ্রাম। দূরে দূরে বাড়ি। প্রচুর গাছপালা, মাঝে মাঝে ঘন জঙ্গল। হরিণ, ভাল্লুক, চিতা। কখনো কখনো বাঘের ডাক অবধি শোনা যায়। গ্রামের পাশেই হাসপাতাল। এটাই এই জেলার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। ওখানেই সুধন্য কাজ করে । ও ডাক্তার, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। সাইকেলটা স্ট্যান্ডে রেখে টেলিহেল্থ সেন্টারে ঢুকে পড়ল সে। আউটডোর বলে কিছুই নেই এখন আর।

নিজের অফিসে ঢুকে সিস্টেম চালু করল সে। প্রথম রোগীর নামের উপর লেজার পয়েন্টার ফেলতেই থ্রি-ডি ছবি চালু হল। ডানদিকের স্ক্রিনে রোগীর ভাইটালস গুলো ফুটে উঠল। এক্সরে,ইসিজি, ইকো, মাল্টিফেজিক স্ক্যান,ফোর-ডি ডপলার ফ্লো মেট্রি, রক্তের রিপোর্ট- সব দেখে নিল সে। এরপর, ব্লু-টুথ অসকালটেটর মেশিনটা রোগী নিজেই নিজের বুকে চেপে ধরতেই হৃদযন্ত্রের শব্দ, শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ শোনা যেতে লাগল। রোগীকে বাই করে প্রেসক্রিপ়্শন লিখতে বসল সে।

অপারেশন বা ক্রিটিক্যাল কেয়ার-এর প্রয়োজন না হলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় না। অপারেশন থিয়েটারে কাজ হয় রোবোটিক টেকনোলজি তে। দেড়শ বছর আগের বিশ্বব্যাপী সেই ভয়াবহ মহামারীর পরে রোগী-ডাক্তারেরফিজিক্যাল কন্ট্যাক্ট আর হয় না। সার্জেন তার অফিসে বসে রোবোটিক রিমোট কন্ট্রোলে অপারেশন করে। ক্রিটিক্যাল কেয়ারের ডাক্তার ও নার্সরা ও একই ভাবে রোবোটিক টেকনোলজি ব্যবহার করে বেশিরভাগ কাজ দূর থেকেই করে। খুব জরুরী প্রয়োজনে রোগীর কাছে যেতে হলে নেগেটিভ প্রেশার অক্সিজেনেটেড স্যুট পরতে হয়। তখন ডাক্তার বা নার্সকে মহাকাশচারীর মত দেখতে লাগে।

সুধন্য এখন যে রোগীকে দেখছে, তার বয়স সাতানব্বই। চাষ-আবাদ করে। দুবার ভালভ্ রিজেনারেশন করানো হয়েছে। ভারতের মানুষের মধ্যে হার্টের রোগ এখন খুব কম। গড় আয়ু বেড়ে একশ দশ। আগে নাকি ভারতীয়রা ডায়াবেটিসে খুব ভুগত। জেনেটিক চেঞ্জ করে সেটাও প্রায় হয় না বললেই চলে। আগে অর্থোপেডিক সার্জেনরা হরবখত জয়েন্ট বদলে দিত। আর্কাইভে দেখেছে সুধন্য, হাস্যকর। এখন ওসব লাগেই না।২০২০-২১ এর ভয়ংকর বিপর্যয়ের পর পৃথিবীর অন্য অনেক কিছুর সঙ্গে ডাক্তারী শাস্ত্রও আমূল বদলে গিয়েছিল। মানুষের জীবনযাত্রাও। দূষণ কমে গিয়ে, গাছপালা, জল-জঙ্গল বেড়ে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া অনেক জীবজন্তু ফিরে এসেছিল পৃথিবীতে। ইতিহাসে সব লেখা আছে।

একটা ছবি সুধন্যর অফিসের দেওয়ালে টাঙানো আছে। এটা নাকি অয়েল পেইন্টিং। অনেক কালের পুরোনো। সুধন্যর প্রপিতামহের আঁকা। তখনও মানুষ হাতে ছবি আঁকত। এখনকার মত লেজার দিয়ে নয়। ছবিতে এক পুরুষ ও নারীর যুগল মুর্তি। তখনকার দেবতা। কৃষ্ণবর্ণ পুরুষ। হাতে লম্বাটে কি একটা যন্ত্র। ওটা নাকি বাদ্যযন্ত্র। তখনকার মানুষ এইসব বাজিয়ে মিউজিক শুনত। মানুষের গলার আওয়াজেও নাকি মিউজিক হত। ভাবতেই অবাক লাগে। এখন তো লেজার দিয়ে মিউজিক কম্পোজ করা হয়। তবে ওই ছবিতে যেমন, এখনো তেমনি নারী-পুরুষের প্রেম হয়। যদিও সম্পর্কটা খুব জটিল।

প্রেসক্রিপশন করে সুধন্য সেটা ফার্মেসিতে পাঠিয়ে দিল। ড্রোন ডেলিভারিতে ফার্মেসি থেকে ওষুধপত্র পৌঁছে যাবে রোগীর বাড়িতে। আগে নাকি ওষুধের দোকান ছিল। সেটা কি, সুধন্য বোঝে না। দোকান-বাজার এসব আদৌ নেই এখন। দারিদ্র্যও উধাও হয়ে গেছে পৃথিবী থেকে। যুদ্ধও। হেল্থ ড্রিঙ্কে চুমুক দিয়ে পরের রোগীর প্রোফাইল ওপেন করল সে।

PrevPreviousকরোনার দিনগুলি ১৮ হতভাগ্য মাতাল
Nextহাইড্রক্সি- ক্লোরোকুইনেই কি করোনা মুক্তি?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
samiran das
samiran das
6 years ago

Excellent chobir moto dekhte pachi future ke

0
Reply
Partha Das
Partha Das
6 years ago

Excellent

0
Reply
Sraboni Das
Sraboni Das
6 years ago

Porte porte choley gechilam future a…time machine keo laglona. ??

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

June 15, 2026 No Comments

কোন একটা হিন্দি সিনেমার একটা দৃশ্য মনে পড়ল। খোলা গর্তের পাশে দাঁড়িয়ে এক মাতাল গর্তের দিকে আঙুল তুলে জড়ানো গলায় বলছে – পঁচ্‌চিশ, পঁচ্‌চিশ… কোনও

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বর্তমান ভূত

June 14, 2026 No Comments

তুমি ভেবেছিলে কালজয়ী হবে ঠিক চোখ খুলে দেখো সড়ক নরক ভালো মানুষের লেগেছে মড়ক কাকে দেবে শত ধিক? গুণী জন ছিল পায়ের তলায় কাকে কাকে

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

June 14, 2026 No Comments

রাতে ফেরার সময় দেখলাম ঢাকুরিয়া এবং বাঘাযতীন স্টেশনের ছোট দোকানদারদের (‘হকার’ শব্দটা ব্যবহার করলাম না) মধ্যে চাপা উত্তেজনা এবং বেশ খানিকটা ভয়। এঁদের কয়েকজনের সঙ্গে

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত কর্মসূচী।

সাম্প্রতিক পোস্ট

কিছুই বলতে চাইছি না

Dr. Bishan Basu June 15, 2026

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

Abhaya Mancha June 14, 2026

বর্তমান ভূত

Shila Chakraborty June 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

Dr. Koushik Dutta June 14, 2026

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

Abhaya Mancha June 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631314
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]