Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এক অন্য নারীর গল্প

IMG-20200130-WA0000
Rumjhum Bhattacharya

Rumjhum Bhattacharya

Psychologist
My Other Posts
  • February 7, 2020
  • 9:23 am
  • 2 Comments

সালটা ১৯৯৫ হবে। আর জি কর হসপিটালের মনোরোগ বিভাগে নিয়মিত যাই কেস দেখতে। সেইখানে আমি প্রথম দেখি সেই অন্য নারীকে, যার গল্প আমি আজ আপনাদের শোনাতে বসেছি।

ইনপেশেন্ট থেকে সাইক্রিয়ট্রিতে রেফার হয়ে এল বছর ষোলোর এক কিশোর। টুকটকে ফর্সা রং, ছিপছিপে চেহারা। কেস হিস্ট্রি দেখে চক্ষু চড়ক গাছ। সে নিজের যৌনাঙ্গ কেটে বাদ দিয়েছে। তাই তাকে ভর্তি করা হয়েছে আর জি কর হসপিটালে। ডাক্তাররা তাকে প্রাণে বাঁচিয়েছেন। কিন্তু মানসিকভাবে সে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কথা বলে জানলাম তার মনোবেদনার কারণ সে গভীরভাবে বিশ্বাস করে সে আসলে একজন নারী, কিন্তু ভুল বশত: জন্মগতভাবে সে পুরুষের শরীর পেয়েছে। এই জন্য তার আক্ষেপের শেষ নেই। ছেলেটি কিছুতেই তার পুরুষাঙ্গ মেনে নিতে পারে না। তার সমস্যার কথা বাড়ির লোক কেউ বুঝতে চায় না। সমাজ, পরিবার সবাই তার বাইরের চেহারা দেখে ভাবে সে পুরুষ। আকুল হয়ে সে প্রশ্ন করে– বলো দিদিমণি, আমায় দেখে তোমার পুরুষ মনে হচ্ছে? তার মেয়েলি কথা বলার ধরণ, তার চোখের চাউনি সব কিছু দিয়ে সে প্রকাশ করছে তার একান্ত নিজস্ব সত্তার গভীরে লুকিয়ে থাকা এক অন্য নারীর গল্প।

কেসটা আজকের ডি এস এম 5 ক্লাসিফিকেশন অনুযায়ী জেন্ডার ডিস্ফোরিয়া। তবে কি এমন মনে হওয়া মানসিক রোগের লক্ষণ? আমেরিকান সাইক্রিয়াট্রিক আসোসিয়েশন এক্ষেত্রে
সময়ের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া প্রগতিশীল সমাজের দর্পন হিসাবে কাজ করেছে। তাই এই মনে হওয়াকে তাঁরা মোটেও মনের রোগ বলে চিহ্নিত করেন নি। যেটা বলা হয়েছে, তা হল লিঙ্গ সম্বন্ধে এমন অসঙ্গতির বোধ থাকলে মানুষটার যদি সার্বিক মর্মপীড়া (distress) দেখা দেয় তখন তাকে
মনোরোগের আওতায় আনা হবে।

এমন মানুষদের মানসিক চাপের যথেষ্ট কারণ আছে। কারণগুলো পর্যালোচনা করার আগে যৌন পরিচয় আর লিঙ্গ পরিচয় সম্বন্ধে ধারণা পরিস্কার হওয়া প্রয়োজন। কোন মানুষের যৌন পরিচয় (sex) বলতে তার বিভিন্ন দিক থেকে অর্থাৎ হরমোন, ক্রোমোজমের বৈশিষ্ট্য, শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়ার দিক থেকে সে নারী না পুরুষ তা বোঝায়। কিন্তু লিঙ্গ যেন নারী বা পুরুষ নামের নির্মিত এক সত্ত্বা। সমাজ, পরিবার, ব্যক্তি নিজে তার আচরণ, তার সামাজিক অবস্থান দিয়ে গড়ে তোলে। শুধু যৌনাঙ্গের গঠন বা কাজ করার পদ্ধতি নয়, তার মানসিক গঠনের ওপরে নির্ভর করে সে পুরুষ না নারী। এ তার লিঙ্গ (gender) পরিচয়।
জেন্ডার আইডেন্টিটি নিয়ে বিপর্যয় তখনই হয় যখন কোন মানুষের যৌন পরিচয়ের সঙ্গে সে তার লিঙ্গ পরিচয়কে মেলাতে পারে না। ছোট থেকে তার যৌন পরিচয়ের ভিত্তিতে তার লিঙ্গ পরিচয় নির্মাণের যে নির্দিষ্ট বাঁধা গৎ আছে তার মুখোমুখি হতে হয় তাকে। পোশাক তার মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

একটু বড় হলে সে নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী সাজগোজ করতে চায় যা তার যৌনপরিচয়ের
ঠিক বিপরীত। গোল বাঁধে তখনই। সমাজ হায় হায় করে ওঠে, পরিবারের মাথায় বাজ ভেঙে পড়ে। মিলছে না তো। পুরুষের যেমনটা হওয়ার কথা তেমন তো হচ্ছে না। বা নারী হয়ে এমন ছেলে ছেলে ভাব তো হওয়া শোভনীয় নয় তো কিছুতেই।
চলে অত্যাচার, মারধোর, হেনস্থা। তার ওপর নারী হয়েও পুরুষ শরীরে বন্ধ বা পুরুষ হয়ে নারী শরীরে বন্ধ থাকার যন্ত্রণা তো আছেই। সেই যন্ত্রণা থেকেই তো যৌনাঙ্গ কেটে ফেলার মতো এমন জীবননাশা হঠকারী সিদ্ধান্ত।

অনেকে বলে উঠবেন আরে এতো জানা বিষয়। এতো ট্রান্সজেন্ডারের গল্প বলছেন। যদি এমনটা ভাবেন তবে কিন্তু একটু ভুল হচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার যাঁরা তাঁদের মধ্যে জন্মগত ভাবে শারীরবৃত্তীয় দিক থেকে নারী পুরুষ উভয়ের যৌন বৈশিষ্ট্য থাকে। কিন্তু জেন্ডার ডিস্ফোরিয়ায় বায়োলজিকালি মানুষটা নারী কিংবা পুরুষ। কিন্তু মানসিক ভাবে তার সত্ত্বার সঙ্গে এই যৌন পরিচয়ে সে খাপ খাওয়াতে পারে না। ডি এস এম 5-এ বাচ্চাদের এবং কিশোর কিশোরী ও পূর্ণবয়স্কদের জেন্ডার ডিস্ফোরিয়ার সমস্যাকে আলাদা শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যার রূপ বদলাতে থাকে। অনেক সময় বয়স বাড়ার সঙ্গে অনেক বাচ্চা এই সমস্যা অতিক্রম করে উঠতে পারে।

চিকিৎসা
এই মানুষগুলো ডিপ্রেশন ও আংজাইটির শিকার হয় খুব সহজেই। আত্মহত্যার সংখ্যাও এনাদের মধ্যে অনেক বেশি। তাই সাইকোথেরাপির মাধ্যমে নিজের সম্বন্ধে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা যেতে পারে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের ওপর আস্থা রাখার ট্রেনিং বিশেষ কার্যকরী হয়। পরিবারের সদস্যদের গ্রুপ বা ফ্যামিলি থেরাপির মাধ্যমে তাদের সাপোর্ট সিস্টেম পোক্ত করা চলতে পারে।
তাছাড়া হরমোনের চিকিৎসা বা সেক্স চেঞ্জ করার চিকিৎসা করা যেতে পারে।

এতো গেল শরীর বা মনের চিকিৎসা। কিন্তু আমাদের মননে, চিন্তায়, বিশ্বাসের পরিকাঠামোতে যে দগদগে ঘা হয়ে আছে তার প্রতিকার কি আছে? মুখে আমরা নিজেদের যতই প্রগতিশীল বলি আজও আমরা ট্রান্সফোবিয়ার শিকার। যখন তারা কোন পথ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে, অসুস্থ হয়েছে, যৌন নির্যাতনের বলি হয়েছে ছুটে গিয়েছে চিকিৎসার আশায়। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে এমন খবর রিপোর্টেড হয়েছে যেখানে তাঁরা চিকিৎসা পান নি বা অনেক দেরিতে পেয়েছেন। কারণ এঁদের প্রতি ঘৃণা, ভয়, বিশেষ রকম নেতিবাচক মনোভাব কাজ করে এমনকি চিকিৎসা পরিষেবায় জড়িত মানুষদের মধ্যেও। এই ট্রান্সফোবিয়ার কারণ শুধুই এই যে তারা প্রচলিত যৌন ধারণার থেকে আলাদা?
ঘটা করে আইনসিদ্ধ করা হয়েছে তাদের অধিকার।

তৃতীয় লিঙ্গ বলে চিহ্নিতও করা হয়েছে তাঁদেরকে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে গিয়ে যখন তাকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সে ছেলে না মেয়ে তখন কেন তার জন্য নির্দিষ্ট করা হয় না ওয়ার্ড।

এই গভীর ক্ষতের চিকিৎসা না করলে আমরা সত্যিই কি নিজেদের প্রগতিশীল ভাবতে পারি? মনে পড়ে যায় সেই অন্য নারীর ব্যাকুল বিহ্বল প্রশ্ন, আমি কি মেয়ে নয়, বলুন দিদিমণি।

PrevPreviousলিভার খারাপ ? জেনে নিন
Nextকরোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করুন।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
দীপঙ্কর ঘোষ
দীপঙ্কর ঘোষ
6 years ago

অসাধারণ ।

0
Reply
Shibaji Banerjee
Shibaji Banerjee
6 years ago

?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 9 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656850
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]