Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

যারা কাজ করে ১

IMG_20221002_100746
Dr. Aniruddha Deb

Dr. Aniruddha Deb

Psychiatrist, Writer
My Other Posts
  • October 2, 2022
  • 10:04 am
  • No Comments

আজও ক্রিকেট খেলার গল্প বলা গেল না। অনেক দিন পরে ফোন করছিল এক প্রাক্তন রোগি। বলল, লকডাউন শুরু হবার পর থেকে সেই যে ডাব্লু-এফ-এইচ শুরু হয়েছে – তখন থেকে নিঃশ্বাস ফেলার যো নেই। সকাল সাতটা থেকে কাজ শুরু করতে হয়, অনেক সময়েই চলে রাত্তির দুটো, এমনকি তিনটে অবধিও।

আমার ধারণা ছিল যারা এই রকম অতি-খাটনির নিয়ে নালিশ করছে, তারা হয়ত কাজের সময় আর অ-কাজের সময় আলাদা করতে পারে না। ফলে সারাক্ষণই তাদের মনে হয় আমরা কাজ করেই চলেছি, করেই চলেছি…

এর ক্ষেত্রে দেখলাম তা নয়। সত্যিই কাজের চাপ খুব বেশি। সত্যিই গত তিন মাসে ওকে প্রায় সাতটা আলাদা প্রজেক্টের কাজ দেওয়া হয়েছে, যেখানে ওর সমবয়সী কোলিগরা পেয়েছে বড়োজোর দুটো, কেউ হয়ত তিনটে। আমার রোগির মতে কাজের বহরও একই, এমন না যে একজন হালকা কাজ পেয়েছে, আর একজন ভারি।

বললাম, “সাতটা প্রজেক্টের কাজ তুমি একটার পরে একটা পেয়ে চলেছ, আর অন্যরা? একটা শেষ করে দু-সপ্তাহ ছুটি কাটাচ্ছে?”

বলল, “না, ডাক্তারবাবু। ওরা শেষ করে উঠতে পারছে না বলে ওদের আরও কাজ দেওয়া যাচ্ছে না। আর আমি অনেক সময় একটা শেষ হবার আগেই আর একটা পেয়ে যাচ্ছি।”

বললাম, “তাহলে তুমি চটপট কাজ শেষ করছ বলেই পরের কাজটা পাচ্ছ। না করলেই দেখতে পেতে না।”

সে একটু কিন্তু কিন্তু করে বলল, “খুব মুখ করে, স্যার।”

এটা একটা সমস্যা অবশ্য। বসের মুখ করা সবার সহ্য হয় না। এবং (এক্ষুনি আমার একদল বন্ধু খাউখাউ করে তেড়ে আসবে) বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সব বস মহিলাদের ওপরেই বেশি চোটপাট করে, কারণ মহিলাদের সহজে দাবড়ানো যায়।

বললাম, “টিমের বাকিরা ছেলে? তুমি একমাত্র মেয়ে?”

দেখলাম মিলে গেল। বাকিরা ছেলে, বস তাদেরও মুখ করে, কিন্তু তাদের অত গায়ে লাগে না। তারাও রাত তিনটে অবধি কাজ করে, কিন্তু তারা ফাইনাল প্রোডাক্টটা দিতে সময় নেয় বেশি। সে হয়ত দিনের বেলা অন্য কিছু করে বলে।

বললাম, “যত তাড়াতাড়ি বসকে কাজ করে দেবে, বস ততই আরও কাজ দেবে। বসকে চটপট কাজ দিয়ে দিয়ে ডিপেন্ডেন্ট করে দিয়েছ। এখন থেকে রাত তিনটে অবধি কাজ করে শেষ করতে হবে না। এবং যদি কাজের তোড়ে রাত তিনটে অবধি কাজ করে শেষও হয়ে যায়, তক্ষুনি পাঠাতে হবে না। মনে রেখো রাত দুটো বা তিনটেয় বস ঘুমোচ্ছে। সাহেব সকাল সাতটায় উঠে আরামসে তোমাকে ফোন করবে। তুমি কাজ শেষ করে ঘুমোতে যাবে ফোন অফ করে। পরদিন সকালে সাড়ে এগারোটায় বসকে মেইল করবে। যাতে বস পুরোটা দেখে দুপুরের আগে কল ব্যাক না করতে পারে।”

খুব মজা পেয়ে হি-হি করে হেসে ফোন নামিয়ে রাখল। জানি না, করার দম থাকবে কি না।

আজ থেকে তেত্রিশ আর পঁয়ত্রিশ বছর আগের দুটো ঘটনা মনে পড়ে গেল।

বছর পঁয়ত্রিশেক আগে বনবিভাগের পার্কস অ্যান্ড গার্ডেনস উইং স্থির করেছিল কলকাতার রাস্তায় অ্যাভিনিউ ট্রি কী কী আছে তার একটা খতিয়ান তৈরি করবে। এবং সে শুধু বড়ো রাস্তার নয়, ছোটো রাস্তা, অলি, গলি, তস্য গলি – সবই হিসেবে আসবে। এতবড়ো কর্মযজ্ঞ কে করবে? বলা বাহুল্য, সরকারী কর্মচারীরা নয় – তখন কলকাতায় যতগুলো এন-জি-ও ছিল সবাইকেই ডাকা হলো একটা মিটিঙে।

লোকবলের দিক থেকে প্রকৃতি সংসদ তখন বড়ো সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম। তাই আমরা দেখলাম, যে এক একটা সংস্থা যেখানে ৫০০, ৬০০ মিটার, বড়োজোর কিলোমিটার-খানেক রাস্তার দায়িত্ব পাচ্ছে, সেখানে আমাদের বলা হলো রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের গাছ গুনতে – বালিগঞ্জ স্টেশন থেকে সাহানগর বার্নিং ঘাট (কেওড়াতলা মহাশ্মশান) অবধি – তিন কিলোমিটার। এবং তখন সবে প্রায় পুরো রাস্তাটার ফুটপাথে বাখারি বা কঞ্চির বেড়া দিয়ে ঘিরে ঘিরে বনদপ্তর প্রচুর গাছ লাগিয়েছে কয়েক মাস হলো।

যে যা-ই হোক, আমরা নেমে পড়লাম কাজে – যে তিন সপ্তাহ সময় আমাদের দেওয়া ছিল, তার মধ্যে সব গাছের নাম ধাম গোত্র – এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তার ইতিহাস (উনিশশো কত সালে কোন সায়েব সখ করে এই গাছ আনিয়েছিলেন, এবং তারপরে কলকাতার কোন কোন রাস্তায় এই দক্ষিণ অ্যামেরিকার গাছ শোভা পেয়েছে – রাসবিহারী অ্যাভিনিউ সহ) পর্যন্ত পাওয়া গেল চ্যাটার্জিদার কল্যাণে। ফলে তিন সপ্তাহ পরে যখন আমরা ম্যাপ নিয়ে গাছের তালিকা নিয়ে গেলাম তখন আমাদের কাজ কমপ্লিট।

আমাদের দলের একজন ছিলেন সরকারি চাকুরে। তিনি বার বার বলছিলেন, “শোনো, সবটা দিও না। অর্ধেক দাও। বলো, শেষ হয়নি।”

আমরা বলেছিলাম, “না, না। তা কেন? সবটা করেছি, সবটাই দেব।”

এবং দিলামও।

মিটিঙে অবাক হয়ে দেখলাম, আর একটা এন-জি-ও-ও পুরো কাজ করেনি। কেউ তাদের বরাদ্দ দূরত্বের অর্ধেক, কেউ আরও কম করে এনেছে। একদল তো একটা রাস্তার ছবি এঁকে তার দু-দিকে ফুটকি দিয়ে গোটা বারো ‘ট্রি’, ‘ট্রি’, ‘ট্রি’, ‘ট্রি’, ‘ট্রি’… লিখে এনেছে।

মিটিঙের শেষে বনদপ্তর বাকিদের বলল, “আপনারা আগামী তিন সপ্তাহে যা কাজ দেওয়া হয়েছে, শেষ করে আনুন…” আর আমাদের বললেন, “এই যে যে রাস্তায় শুধু ‘ট্রি’ লেখা আছে, সেগুলো আপনারা শেষ করে দিন, সেই সঙ্গে আগামী তিন সপ্তাহে সাদার্ন আভিনিউটাও করে দিন।”

আমরা অবাক! সাদার্ন আভিনিউ-তে রাসবিহারীর অন্তত তিন-গুণ গাছ। রাসবিহারী করতে আমাদের গলদঘর্ম অবস্থা হয়েছে। এর পরে সাদার্ন অ্যাভিনিউ?

মিটিঙের শেষে বাইরে এসে আমাদের সরকারি চাকুরে দাদা বলেছিলেন, “দেখেছ, সময়মতো কাজ শেষ করার জন্য কখনওই সাধুবাদ পাবে না। আরও কাজ পাবে। মনে রেখো – এটাই যে কোনও বস-এর বিশেষত্ব।”

(ক্রমশ)

PrevPreviousউদ্বোধন
NextThe Realities about Jan Aushadhi SchemeNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

জনস্বার্থ-সচেতন চিকিৎসক: সবসময়েই সরকারের চক্ষুশূল!

February 10, 2026 No Comments

(এক) শ্রেণীবিভক্ত সমাজে ‘সরকার’ সবসময়েই রাষ্ট্রযন্ত্রের সেবাদাস ও পাহারাদার। ‘ইউনিয়ন’ সরকার হোক বা ‘রাজ্য’ সরকার। সরকারি ‘দল’-এ তফাৎ হয়। তার রঙ বদলায়। নেতৃত্ব পাল্টায়। সরকার

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম সরকারি কর্মীদের ডি এ: বিষয়টি সত্যিই তাই?

February 10, 2026 No Comments

শিল্প থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গণ পরিবহন সমস্ত ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনা তুলে বা নষ্ট করে দিয়ে সব কিছুর বেসরকারিকরণ (Privatization), ব্যক্তি বা পারিবারিক মুনাফাকরণ (Profiteering) এবং

পানিহাটি, ‘৭১

February 10, 2026 No Comments

(লং পোস্ট অ্যালার্ট) ১ নতুন বছর অপ্রত্যাশিত হিম নিয়ে নেমে এসেছিল আমার নিঃসঙ্গ যাপনের আঙিনায়। তারই মধ্যে একদিন মামাতো দিদির বিপন্ন, কিছুটা বিভ্রান্ত গলা পেলাম

এই মিছিল ডাক দেওয়ার অপরাধী, দুষ্কৃতী আর মদতদাতা শাসক নিপাত যাক

February 9, 2026 No Comments

পরিচিত সাথীদের খবর দিন। ডাক পাঠান।আমাদের মেয়ের জন্য, মেয়েদের জন্য নাছোড়, না হারা লড়াই চলছে। শরিক না হলে নিজের কাছে, নিজের মেয়ের কাছে, মা এর

“প্রতিবাদ প্রতিরোধে জোট বাঁধো”

February 9, 2026 No Comments

২০২৪ সালের ৯ই আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত সুদীর্ঘকাল অতিক্রান্ত; “অভয়া’র” মৃত্যু রহস্য উন্মোচন ও ন্যায়বিচারের দাবী-আজও অধরা! কবে এই নারকীয় বিভৎস ঘটনার ন্যায়বিচার মিলবে

সাম্প্রতিক পোস্ট

জনস্বার্থ-সচেতন চিকিৎসক: সবসময়েই সরকারের চক্ষুশূল!

Dipak Piplai February 10, 2026

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম সরকারি কর্মীদের ডি এ: বিষয়টি সত্যিই তাই?

Bappaditya Roy February 10, 2026

পানিহাটি, ‘৭১

Dr. Sukanya Bandopadhyay February 10, 2026

এই মিছিল ডাক দেওয়ার অপরাধী, দুষ্কৃতী আর মদতদাতা শাসক নিপাত যাক

Abhaya Mancha February 9, 2026

“প্রতিবাদ প্রতিরোধে জোট বাঁধো”

Abhaya Mancha February 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

609375
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]