কিছু মেল জেন্ডার ও ফিমেল জেন্ডার
একসাথে মিললেন , বিষয় অ্যাজেন্ডার
আইন সীমানা দেবে কারা ট্রান্স-জেন্ডার..
জেন্ডার.. সংজ্ঞাটা ঠিক হয় মন না শরীরে
মগজে তা থিতু নাকি জিন-এর গভীরে,
টাগ অফ ওয়ারে যারা টানে সে দড়ি রে
তারা কেউ ট্রান্স নয়, সকলেই সিস..
শরীরে ও মনে আছে পুরো মিলমিশ,
হয় তারা মিস্টার , নয় তারা মিস।
এ বড় করুণ হাল, দারুণ ট্র্যাজেডি
বাইরে পুরুষ আর ভেতরে যে লেডি,
অথবা যে নারী মেয়ে হতে নয় রেডি,
ক্রোমোজোমে যদি খোঁজো পরিচয় তারই,
জবাবটা ভুল হবে, পুরুষ বা নারী,
কে ভাবে নিজেকে কী, জানা দরকারি।
শরীরে যা খুশি থাক , আসল যে মন,
জেনেটিক টেস্টের নেই প্রয়োজন
আমাদের দেশে ছিলো গ্রাহ্য তেমন,
‘জেন্ডার’ ব্যক্তির নিজস্ব বোধ
আত্মের সংজ্ঞার মালিক সে খোদ
সেই মতে রাষ্ট্রের ছিলো না বিরোধ।
হুট করে রাষ্ট্রের বদল সে স্টান্স
ব্যক্তির ব্যক্তকে দেওয়া নয় চান্স
শারীরিক সংজ্ঞায় মাপা হবে ট্রান্স
পুং-নারী জেন্ডার মিলে করে ছক
ডাক্তার করবেন শরীর পরখ..
নিমেষে পেছালো দেশ এক দু শতক।
মতামতহীন ট্রান্স স্রেফ দর্শক
কে জানে মিলবে কবে ব্যক্তির হক!










