Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

হিস্টেরিয়ার চিকিৎসা!!

Screenshot_2023-04-30-01-00-22-85_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Aditya Sarkar

Dr. Aditya Sarkar

Consultant Psychiatrist
My Other Posts
  • April 30, 2023
  • 8:53 am
  • No Comments

খুব প্রাচীনকাল থেকেই হিস্টেরিয়া (Hysteria) এক অদ্ভুত রহস্যময় জটিল রোগ হিসেবে চিকিৎশাস্ত্রে বর্ণিত হয়ে আসছে! প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্য সবেতেই এর কিছু না কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। মিশর, পারস্য, গ্রিক, হয়ে চিন সমস্ত জায়াগার প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্রে এর উল্লেখ আছে!

উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে পাশ্চাত্য চিকিৎসা শাস্ত্রে মহিলাদের হিস্টেরিয়া (Female Hysteria) রোগের ডায়াগনোসিস বাড়তে থাকে। বিশেষত ভিক্টোরিয়ান সময় পর্ব জুড়ে মেয়েদের একটু আলাদা ধরণের, অনেকগুলো শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কথা বললেই তাদের হিস্টেরিয়া বলে দাগিয়ে দেওয়ার এক প্রবণতা শুরু হয়! মাঝে মাঝে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, ঘুম না হওয়া, বুকে চাপ লাগা, শ্বাস নিতে না পারা, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, অত্যাধিক দুশ্চিন্তা, মুড সুইং, এই সমস্ত সমস্যাগুলো হলেই মহিলাদের স্বামীরা তাঁদেরকে ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। এবং বেশিরভাগ সময়েই তাঁদের চিকিৎসা শুরু হত হিস্টেরিয়া রোগী বলে চিহ্নিত করে! এবং এনাদের চিকিৎসাও সেই সময়কার ভিক্টোরিয়ান যুগের ডাক্তাররা করতেন বিভিন্ন অদ্ভুত রকম পদ্ধতিতে। যেমন ‘পেলভিক কিম্বা ইউটেরাইন (uterine) জরায়ু ম্যাসেজ’, বিভিন্ন শারীরিক ক্রিয়া, গরম জলে স্নান, বিভিন্ন যৌন সংগমের অবস্থান। তখন মনে করা হত এই ‘হিস্টেরিয়া’ মূলত মেয়েদের ইউটেরাস (uterus) বা জরায়ুর জন্যেই হয়। সেই জন্যেই অনেকে ‘হিস্টেরিকাল সাফোকেশান’ (Hysterical suffocation) বলত।

হিস্টেরিয়া (Hysteria) শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল ‘Wandering Uterus’- ভ্রাম্যমাণ জরায়ু। অতৃপ্ত যৌনতায় জরায়ু শরীরের উপরে বা নীচে নেমে ঘুরে বেরাচ্ছে । তাই একে তৃপ্ত করে সঠিক জায়গায় আবার নিয়ে আনতে হবে,অতি দ্রুত।তাই জরায়ু উপরে উঠে গেলে নাক বা মুখের জায়গায় টক ও তিক্ত গন্ধের কিছু জিনিস রাখা এবং ভ্যাজাইনা বা দুই উরুর সংযোগস্থলের জায়গায় কিছু মিষ্টি জাতীয় জিনিস রাখা। হ্যাঁ একবিংশ শতকের পাঠক আপনারা ঠিকই পড়েছেন। জরায়ু শরীরের উপরে উঠে গেছে, তাই উপরের দিকে খারাপ আর নিচে ভাল জিনিস রেখে জরায়ুকে নামিয়ে সঠিক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টাই ছিল এক চিকিৎসা পদ্ধতি।

অনেকেই বলতেন হিস্টেরিয়া রোগীদের মূল সমস্যা শরীরে নোংরা তরল (bad fluid) পদার্থের ভারসাম্যহীনতা, যেমন মাসিকের রক্ত জমা হওয়াকে কারণ হিসেবে দেখা হত, এবং পুরুষের শরীরের সিমেন (semen) বা বীর্য পদার্থকে উপকারী হিসেবে ভাবা হত। তাই ঘন ঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া, কুমারী মেয়ের বিয়ে করে নেওয়া, এইরকম পরামর্শও দেওয়া হত।

এখানে বলে রাখা ভালো যে আজকের দিনে হিস্টেরিয়া বলে কোনও ডায়াগনোসিস বা মানসিক রোগ নির্ধারণ করা হয় না! হিস্টেরিয়ার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা অনেক বড় এক আলোচনা। তার অবকাশ আজ নেই। খুব সংক্ষেপে বলা যায় বিশ্ববিখ্যাত নিউরোলজিস্ট শার্কো (Jean-Martin Charcot) প্রথম একে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখতে শুরু করেন, ১৮৮০ সালের পর থেকে । তারপর সিগমন্ড ফ্রয়েড (Sigmund Freud) একে অবচেতন মনের (unconscious mind) এক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাখা করার চেষ্টা করেন।

মনে রাখতে ইতিহাসের এই বিশাল সময় পর্ব জুড়ে হিস্টেরিয়াকে সব সময় দেখা হয়েছে মেয়েদের নিজস্ব সমস্যা হিসেবে। অনেক বেশি মেয়েদের রোগ বলে ট্যাবু করা হয়েছে। প্যাট্রিয়ারকি বা পিতৃতান্ত্রিকতা অনেক বেশি প্রভাব ফেলেছে চিকিৎসা শাস্ত্রে।

বিংশ শতকের শুরু থেকে আস্তে আস্তে হিস্টেরিয়া রোগ যে মেয়েদের জরায়ু থেকে হয় না তার ধারণা পোক্ত হতে থাকে! ১৯৫০ সালের পর থেকে চিকিৎসা শাস্ত্রের উন্নতি, আরও বেশিকরে মানবধিকারের উপর জোর দেওয়া, নারীবাদী আন্দোলন (Second wave Feminism) সমস্ত মিলিয়েই হিস্টেরিয়া রোগের বৈধতা এমনকি এই শব্দটির মান্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে থাকে। ১৯৮০ সালের পর DSM III (Diagnostic and Statistical Manual of Mental Disorders ) প্রকাশিত হওয়ার পর হিস্টেরিয়া বলে কোনও রোগ আর রইল না।

হ্যাঁ তো যা বলছিলাম! সেই অদ্ভুত সময়ে সুইডিশ আর্মি মেজর থুর ব্রান্দে (Thure Brandte ১৮১৩-১৮৯৫) খুলে ফেললেন প্রচুর ক্লিনিক,এই জরায়ু মেসাজ পদ্ধতিতে হিস্টেরিয়া রোগীদের সারানোর জন্যে! যিনি ছিলেন আসলে একজন গাইনোকলিজিকাল থেরাপিস্ট। তিনি ৫ জন মেডিক্যাল স্টুডেন্ট, ১০ জন মহিলা থেরাপিস্ট নিযুক্ত করলেন। সবচেয়ে প্রচলিত যে পদ্ধতি ছিল তা হল বাইম্যানুয়াল (Bimanual) অর্থাৎ এক হাতে তল পেটের উপরে আর এক হাত ভ্যাজাইনা কিম্বা অ্যানাস(গুহ্যদ্বার) যে যেটায় স্বচ্ছন্দ ছিলেন, রেখে ম্যাসাজ শুরু করা হত যতক্ষণ না অবধি কাঁপুনির মতো এক ঝটকা অনুভূতির সর্বোচ্চ মাত্রায় সমস্ত শরীর বেয়ে চলে যায়-তখন বলা একে বলা হত প্যারক্সিসিমাল কনভালশান (paroxysmal convulsion) আজকের দিনে আমরা যাকে এখন অরগ্যাসাম (orgasm) বলে থাকি! এই পদ্ধতি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে এক দিনে প্রায় ১১৯ জন মহিলাকে এই ম্যাসেজ করতে হত। প্রতিটি সেশান এতটাই পরিশ্রমসাধ্য ও সময়ব্যাপী ছিল দিনের শেষে ডাক্তার এবং তাঁর সহকর্মীদের হাত ও আঙ্গুলের অবস্থা শোচনীয় হয়ে উঠত! তাই ওই সময় তাঁরা এই মুশকিল থেকে উদ্ধার পাবার জন্যে এক যন্ত্র আবিষ্কার করলেন, যা কাঙ্খিত জায়গায় একটা ছন্দময় কম্পনের সৃষ্টি তৈরি করতে পারে ম্যাসাজ দিতে পারে, যাকে বলা হল- এটা অনেক সহজে এবং তাড়াতাড়ি এই paroxysmal convulsion বা অরগ্যাসাম ঘটে। এভাবেই আধুনিক ভাইব্রেটর (vibrator) এর উৎপত্তি!

PrevPreviousঈশ্বর- আমার একাকী ঈশ্বর ৬
Nextকিশোরভারতী যাত্রাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

পক্ষ নিন নির্যাতিতার। রুখে দাঁড়ান নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে।

May 22, 2026 1 Comment

২১ মে, ২০২৬ অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তীর একটি প্রেস কনফারেন্স থেকে আমরা জানতে পারি দেবালয় ভট্টাচার্য নামের এক পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগের কথা। গবেষণায় দেখা

আরশোলার চিঠি

May 22, 2026 No Comments

দুশুঁড় ছ’পা’য় গড় দুপায়ে, ধর্মাবতার, ভাবনা যেটা ধরতে গেলে সকল নেতার তাকেই কেমন স্পষ্ট করে বিনা সময় নষ্ট করে বলেই দিলেন, রাষ্ট্র ভাবেন কাদের ভিলেন

জাতীয় ডেঙ্গু দিবস

May 22, 2026 No Comments

১৬ মে, ২০২৬ আজ জাতীয় ডেঙ্গু দিবস।  কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া এ বছরের থিম হল Community Participation for Dengue Control: Check, Clean and Cover”. তাই

আপনি কোন দলে? হিন্দু ধর্ম বনাম হিন্দুত্ব

May 21, 2026 No Comments

অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম, হিন্দু ধর্ম এবং হিন্দুত্ব নিয়ে একটা লেখা লিখবো । কিন্তু ধর্ম নিয়ে আমার পড়াশোনার সীমাবদ্ধতার জন্য লিখে উঠতে পারছিলাম না । আজ

নির্মল মাজি-কে মেডিকেল কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে দু’চার কথা

May 21, 2026 No Comments

প্রথমত, নতুন সরকার এলে, সাধারণত, পূর্বতন সরকারের মনোনীত সদস্যদের সরিয়ে দেওয়া হয় (বা তাঁরা নিজেরাই সরে যান) – এটা শুধুমাত্র মেডিকেল কাউন্সিল নয়, সর্বত্রই করা

সাম্প্রতিক পোস্ট

পক্ষ নিন নির্যাতিতার। রুখে দাঁড়ান নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে।

Abhaya Mancha May 22, 2026

আরশোলার চিঠি

Arya Tirtha May 22, 2026

জাতীয় ডেঙ্গু দিবস

Dr. Samudra Sengupta May 22, 2026

আপনি কোন দলে? হিন্দু ধর্ম বনাম হিন্দুত্ব

Kanchan Sarker May 21, 2026

নির্মল মাজি-কে মেডিকেল কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে দু’চার কথা

Dr. Bishan Basu May 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

624374
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]