Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

হেঁসেলে হুলস্থুল ….!!

WhatsApp Image 2025-02-10 at 1.41.24 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • February 12, 2025
  • 7:36 am
  • 12 Comments

সাতসকালেই ডাঃ সৌরভ শেঠির একটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট নজরে এলো। এমন ধরনের লেখালেখি আজকাল নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে উৎসাহী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেবার চল হয়েছে। যথার্থ পাঠকের কাছে সন্দেশের উপঢৌকন পৌঁছে দেওয়া আর কি! ডাঃ সৌরভ শেঠি একজন চিকিৎসক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ডের গ্যাস্ট্রোইন্টেরোলজি বিভাগের একজন চিকিৎসক। তাঁর সংক্ষিপ্ত নিবন্ধে তিনি পাঠক তথা আম জনতার উদ্দেশ্যে সতর্কতা জারি করে তিনটি জিনিসকে ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন , কেননা গবেষণা সূত্রে তিনি দেখেছেন যে আমাদের রান্নাঘরে অথবা ড্রইং রুমে ব্যবহৃত তিনটি জিনিস আমাদের শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। অত‌এব তিনি সময় থাকতে সাধুদের সাবধান হতে বলেছেন তাঁর নিবন্ধে।    

একালের অনেক অনেক রদবদলের মধ্যে সবথেকে বড়ো পরিবর্তন এসেছে শহরের আবাসিকদের হেঁসেলে। জ্বালানি বা ইন্ধন হিসেবে কালো অঙ্গারের পরিবর্তে সিলিন্ডার ভর্তি এল পি জির ব্যবহার অবশ্য এই বদলে ফেলার পেছনে একটা বড়ো কারণ সন্দেহ নেই, তবে শুধু বহিরঙ্গের রূপ বদলেই যে তা সীমাবদ্ধ আছে এমন নয় – ভোল বদল হয়েছে রান্নার জন্য ব্যবহার্য উপকরণের জৌলুসে। সেকেলে কাঁসা পিতল লোহা এলুমিনিয়ামের বাসনপত্রকে টা টা বাই বাই করে এখন স্টিল, টেফলন কোটেড বাসনপত্র তার জায়গা দখল করেছে। মা দিদিমার আমলের বটি,কুড়ুনি কে কোণঠাসা করে, এসেছে নানান ধরনের ছুরি, কাটিং বোর্ড। সেকালের অন্ধকারে ঢাকা রান্নাঘর এখন আলোয় আলোকিত।  

 ইদানিং হেঁসেলের এহেন হাল বদলের পেছনে অবশ্য বহু অর্থের ব্যয় করতে মোটেই পিছপা হচ্ছেন না তরুণ প্রজন্মের দম্পতিরা। চলতি ভাষায় এমন হেঁসেল ঘরের পোশাকি নাম হলো মডিউলার কিচেন। হরেক কিসিমের তাক, ড্রয়ার সহ অত্যাধুনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটা মডিউলার কিচেন একালের গৃহকর্তাদের গরিমা বাড়ায়। লোকজন এসব যদি সপ্রশংস নজরে গদগদ হয়ে না দেখে, তাহলে নিজেকে কেউকেটা ভাববেন কী করে? সুতরাং তোমরা যে যাই বলো ভাই, আমার মডিউলার কিচেন চাই। সেকালের পুরনো হেঁসেল ঘরের তুলনায় এগুলো যে অনেক অনেক কদম এগিয়ে তা স্বীকার করে নিতে আমার অন্ততঃ কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

তাহলে ডাঃ সৌরভ শেঠির দ্বন্দ্ব কোথায়? কী নিয়ে? আসুন খোঁজ নিয়ে দেখা যাক। সৌরভের আপত্তি মূলত তিনটি জিনিসকে নিয়ে। প্রথমেই আসি প্লাস্টিকে তৈরি কাটিং বোর্ডের কথায়। সবজি কাটাকাটির জন্য সাবেকি বটি,কুড়ুনির ব্যবহার হালফিলের রান্নাঘরে আর তেমন নেই। একালের গৃহিণীরা সবজি কাটতে ব্যবহার করেন ছুরি। শক্ত প্লাস্টিকের তৈরি কাটিং বোর্ডের ওপর সবজিটিকে রেখে ছুরি দিয়ে প্রয়োজন মত কাটাকটিতেই বেশ অভ্যস্ত তাঁরা। ডাঃ সৌরভ আপত্তি করেছেন এই জাতীয় কাটিং বা চপিং বোর্ড ব্যবহার করার বিষয়ে। তাঁর মতে সবজি কাটাকাটির সময় ছুরির আঘাতে ক্ষয়ে যাচ্ছে ঐ প্লাস্টিক বোর্ড এবং এর ফলে মাইক্রো প্লাস্টিকের অসংখ্য কণা মিশে যায় সবজির সঙ্গে যা শেষ পর্যন্ত আমাদের খাদ্যের বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। এই মুহূর্তে মাইক্রো প্লাস্টিক নিয়ে সকলেই উদ্বিগ্ন সুতরাং সাজানো গোছানো রান্নাঘর থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়াই হবে  বুদ্ধিমানের কাজ।

বিকল্প হিসেবে তিনি কাঠের বোর্ড অথবা কাঁচের তৈরি কাটিং বোর্ড ব্যবহার করতে পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তাতেও ঝুঁকি কম নেই । প্রথমতঃ কাঠের তৈরি বোর্ড বারবার ধোওয়া আর পরিস্কার করার ঝামেলা তো আছেই, তার সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে জল লেগে কাঠ পচে যাবার আশঙ্কা। জল লেগে কাঠ ফেটে নষ্ট হয়ে গেলে সেখানে ব্যাকটেরিয়ারা বাসা বেঁধে স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। আর কাঁচের তৈরি বোর্ড স্বাস্থ্যকর হলেও তা ভঙ্গুর এবং  ছুরি তাড়াতাড়ি ভোঁতা হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ত, রান্নাঘরে নন স্টিক বাসনপত্র ব্যবহার করার বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। সারা দুনিয়া জুড়েই এখন এমন বাসনপত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, এমন বাসনপত্র থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ খাবারের মধ্য দিয়ে শরীরে ঢুকছে এবং জটিল রোগের সম্ভাবনা তৈরি করছে। একালের আধুনিক রান্নাঘরের শোভা পাচ্ছে নানান ধরনের নন স্টিক বাসনপত্র। দেখনদার,চেকনাই হলেও এগুলো মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ডাঃ সৌরভের মতে আধুনিক রান্নাঘর থেকে এমন বাসনকে বাতিল করা হোক।রান্নাঘর ছেড়ে গরম চায়ের পেয়ালা হাতে নিয়ে চলুন গিয়ে বসি সাজানো গোছানো বৈঠক খানায়। এ ঘরে উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি নেই, তার বদলে জ্বলছে ডেকরেটিভ ক্যান্ডেল। মৃদু আলোতে বেশ মোহময় হয়ে উঠেছে অতি চেনা বৈঠকখানা। একটা হালকা মৃদু সুবাসে ভরে রয়েছে গোটা ঘরটি। আপনি হয়তো ভাবছেন কোথা থেকে আসছে এমন গন্ধ? গৃহকর্তা বিগলিত হয়ে জানালেন – এগুলো সেন্টেড ক্যান্ডেল। গন্ধটা এখান থেকেই আসছে। ডাঃ সৌরভের মতে এমন মোমবাতিতে অনেক সময়ই phthalates নামের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় যা আমাদের শরীরের হরমোনের ভারসাম্যহীনতার অন্যতম কারণ। ডাঃ সৌরভের মতে এমন মোমবাতিকে সরিয়ে দিয়ে সাধারণ মোমবাতি ব্যবহার করা হোক, তাতে শরীরী সমস্যার আশঙ্কা কমবে।  তাহলে ব্যাপারটা শেষমেশ কী দাঁড়ালো? ডাঃ সৌরভ শেঠি, তাঁর পদমর্যাদার গুরুত্বকে কাজে লাগিয়ে আমাদের মতো আম আদমিদের খানিক ভয় দেখালেন বা পরামর্শ দিলেন? নাকি এমন আশঙ্কার মধ্যে যথার্থ সারবত্তা কিছু আছে?  সত্যি কথা বলতে কি সৌরভ আমাদের ভয় দেখিয়ে বাহবা নিতে চাননি। আধুনিক ব্যবস্থাপনার ওপর অতিরিক্ত ভরসা রাখতে গিয়ে আমরা অনেকসময় পরোক্ষভাবে এক নতুন ধরনের বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছি। আমাদের সাবেক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও পরীক্ষা নিরীক্ষার পর। আজ নিজেদের আধুনিক প্রতিপন্ন করতে গিয়ে যদি বেবাক ব্যবস্থাকে উল্টে পাল্টে বাতিল করে দিই তাহলে এমন সমস্যার সম্মুখীন বারংবার হতে হবে। সুতরাং বুঝেশুনে পা ফেলুন, কেননা শরীর, স্বাস্থ্য আপনার। তাকে ঠিকঠাক রাখার দায়িত্ব তাই একান্তভাবেই আপনার‌ই।

ফেব্রুয়ারি ৯,২০২৫

মধ্যমগ্রাম।

PrevPreviousরাজারহাট গৌরাঙ্গ নগরে অভয়া মঞ্চ, বৃহত্তর বিধাননগর
Nextডারউইন এবং তাঁর তত্ত্বের বিবর্তন ডারউইন ডে পর্ব ১Next
5 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
12 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Sarmistha lahiri
Sarmistha lahiri
1 year ago

লেখাটি এই প্রজন্মের সকল সদস্যদের জন্য বিশেষ উপযোগী বার্তা। ব্যক্তিগত ভাবে এখনো সব পুরানো আনুষঙ্গিক অবলম্বন করে আছি বলেই কিছুটা স্বস্তি পেলাম।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Sarmistha lahiri
1 year ago

বরিষ্ট সুনাগরিক হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেবার দায়িত্ব আপনাদের। শরীরের কোথাও সমস্যা দেখা দিলে তা যেমন সমস্ত শরীরকে পীড়িত করে, এক প্রজন্মের নাগরিকদের উদাসীনতার অর্থ‌ই হোলো অন্যরা তার শিকার হ‌ওয়া।

0
Reply
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

ঘরে বাইরে সবখানেই ছড়িয়ে আছে বিপদের আশঙ্কা। জীবন চর্যায় পরিমিতিবোধ থাকা উচিত । সেইখানে ফাঁক থেকে যাচ্ছে বলেই ফাঁক বেয়ে বেড়ে চলেছে হাজারো বিপদ আর শঙ্কা। সাবেকিয়ানাকে বাতিল করে নতুনকে অনিবার্য করে তোলার আগে একটু ভাবনার প্রয়োজন। খুবই দরকারি বিষয়।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

ফাঁকগুলো যথাসম্ভব ভরাট করুন। আশঙ্কা দূর হবে।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
1 year ago

এই সব খবর পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
1 year ago

খবর তৈরি হচ্ছে, আর আমি সামান্য হরকরা হয়ে পাঠকদের মনদুয়ারে ঘা মেরে ফিরছি। এই তো!

0
Reply
Shabnam Talukdar
Shabnam Talukdar
1 year ago

না না ওসব ননস্টীক্ ফনস্টীক্ ছেড়ে দ্যান।
এখন হয়েছে cast iron। 🖤❤️ কিছুকাল যাবৎ এতেই ধূন্দ খেয়ে থাকা এই অধম হাউজ মেন্টেনটির।😎🙃
কই তার কথা তো বলে ।ভবিষ্যত স্বাস্থ্য সম্বন্ধে জ্ঞান গরিমার কিছু ফুলঝুরি ছড়াতে পারলেন না এই নিবন্ধ টিতে।😊

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Shabnam Talukdar
1 year ago

ননস্টিক প্যানে অনীহা অমূলক যে নয় সেই কথাই বলতে চেয়েছি। নিজেরা হেঁসেল সামলাচ্ছেন, সুতরাং আপনাদের অভিজ্ঞতা অনন্য। আর ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য নিয়ে আমি বলার কে? ও তো নিজের নিজের হাতে।
মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

0
Reply
Sanjay Banerjee
Sanjay Banerjee
1 year ago

প্রথম ও শেষ দুটি কে বর্জন করা গেলেও মাঝের টি, মানে নন স্টিক বাসন ব্যবহার পরিত্যাগ করা আজকালকার গৃহবধূ দের পক্ষে খুব কঠিন। ওই ধরণের বাসন এর সুবিধা পেতে তারা এতটাই অভ্যস্ত যে সাবেক লোহার বাসন ব্যবহার করার কথা ভাবতেই তাদের গায়ে জ্বর আসে। অতঃ কিম?

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Sanjay Banerjee
1 year ago

সব‌ই যদি পুরনো থাকবে তাহলে আধুনিক হলাম কী করে? চিকিৎসকদের মতে অনেক সময়ই রোগের কারণ বুঝতে সমস্যা দেখা যাচ্ছে। অথচ তার কারণ হয়তো লুকিয়ে আছে আমাদের পরিচিত হেঁসেলে।

0
Reply
Soumyadip Saha Roy
Soumyadip Saha Roy
1 year ago

ভালো লাগলো। ননস্টিক জিনিসপত্রে ভরে গেছে রান্নাঘর। সুবিধা হল রান্নায় কম তেল লাগে। কোন দিকে যে যাবে গৃহিনীরা!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumyadip Saha Roy
1 year ago

খুব সত্যি কথা।এক খরচ বাঁচাতে অন্য কিছু খরচ না হয়ে যায় সেটাই দেখার। টেফলন কোটেড বাসনপত্র নিয়ে আগে একটা বড়ো লেখা লিখেছিলাম। সমস্যাগুলো এতোটাই জড়িয়ে আছে যে আলাদা করে দেখা মুশকিল।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617876
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]