Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দুর্মর আশা ও একটি ভায়োলিন &&&&&&

VoH
Dr. Bidyut Bandopadhyay

Dr. Bidyut Bandopadhyay

Professor of Community Medicine, Administrator in a Government Medical College
My Other Posts
  • May 5, 2025
  • 7:59 am
  • No Comments

উপমা জিনিসটা এমনভাবে মানুষের মাথায় গেঁথে থাকে যে, তার থেকে জীবনে পরিত্রাণ অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমার বাবাকে যখন দাহ করা হচ্ছে, তখন সেই ধোঁয়া দেখে আমার মনে ডাচাও বা অসউইচ-এর চিমনির ধোঁয়ার কথা মনে পড়েছিলো। প্রত্যেকের জীবনেই এরকম কিছু চিত্রকল্প থাকে। যারা আজীবনের সঙ্গী হয়ে যায়। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প আমার মাথায় স্থায়ী ঠিকানা বানিয়ে ফেলেছে। পুরো সভ্যতাকে আমার মনে হয় এক বিরাট কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প। অথবা পৃথিবীর মিনি মডেল কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প। এটা আজও আমার কাছে এক বিরাট প্রশ্ন যে, সভ্যতার ইতিহাস অত্যাচারের ইতিহাস নাকি চূড়ান্ত অত্যাচারের মধ্যেও মানুষের মানবিক থাকা আশাবাদী থাকার অদম্য লড়াই এর ইতিহাস। মানুষ চূড়ান্ত সুখে থেকেও অত্যাচার করেছে। অন্যদিকে কিছু মানুষ চূড়ান্ত অত্যাচারিত হয়েও মানবতার কথা বলে গেছে। এক ভালবাসায় ভরা আগামীর কথা ভেবেছে।

ডাচাও ক্যাম্প জার্মানির প্রথম কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প। মিউনিখের কাছে। পরে এই ক্যাম্পের আদলেই তৈরি করা হয়েছে অন্যান্য ক্যাম্পগুলো। প্রথমে এটি তৈরি হয়েছিলো রাজনৈতিক বন্দীদের রাখার জন্য। পরে এতে স্থান পায় ইহুদী সমকামী কমিউনিস্ট মানসিক রোগী ইত্যাদিরা। প্রচুর মানুষ খুন হয়েছে। রোগে মরেছে। অনাহারে মরেছে। ডাচাও এর ইট কাঠ পাথরে লেখা আছে এই কান্নার নীরব ইতিহাস।

এখানে ক্যাম্প নয়। একটি ভায়োলিন-এর কাহিনী বলবো।

এই দশকে হাঙ্গেরীতে একটি পুরোনো শিল্পকর্মের এক নিলামের দোকানে একটি ভায়োলিন আসে বিক্রির জন্য। অজানা অনামা একটি ভায়োলিন। এটা কার, কবেকার কোনো ইতিহাস জানা নেই। দোকান মালিকের শিল্পীর চোখ। বাদ্যযন্ত্রের জাত তিনি বিলক্ষণ জানেন। যন্ত্রটি দেখেই তিনি চিনেছেন এ এক উচ্চ জাতের যন্ত্র। বিশাল মাপের কোনো এক বাদ্যযন্ত্র শিল্পীর হাতে বানানো। শুধু একটা বিষয়েই ধন্দ থেকে যায়। যে মাত্রার শৈল্পিক ছাপ ওই যন্ত্রে আছে, তার তুলনায় যে মাল মশলা দিয়ে ওটি বানানো হয়েছে তা নেহাতই মামুলী, সস্তা। এই বিষয়টাই ভাবিয়ে তোলে নিলাম ঘরের মালিককে। তার মনে হয় এই আপাত বৈচিত্র্যের আড়ালেই লুকিয়ে আছে বিরাট কোনো রহস্য। এই রহস্যের সমাধান করার জন্য যন্ত্রটি তিনি পাঠান বাদ্যযন্ত্র সারাইয়ের দোকানে। সেখানে যন্ত্রটি খোলা হয়। খোলামাত্র উপস্থিত সকলের শিরদাঁড়া দিয়ে বয়ে যায় একটি শিহরণের স্রোত। মুহূর্তে উন্মোচিত হয়ে যায় এক অজানা ইতিহাসের অধ্যায়। ভায়োলিনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা আছে একটি ছোট্ট চিরকুট। তাতে ঠিকানা লেখা মৃত্যুপুরীর। ডাচাও কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প। নিচে নাম ফ্রানজিসজেক ফ্রানজ কেম্পা। সাল ১৯৪১। যা লেখা আছে তার তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘ আশার ভায়োলিন’।

এরপর খোঁজ করে জানা যায় ফ্রানজিসজেক ফ্রানজ কেম্পা একজন বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুতকারক শিল্পী। পোল্যান্ডের অধিবাসী। বন্দী হয়েছিলো ডাচাও ক্যাম্পে। যে পরিবেশে মৃত্যুই একমাত্র ভবিতব্য, সেখানে এই মানুষটি একটি ভায়োলিন বানাতে শুরু করে। হাতের কাছে ক্যাম্পের যা বাতিল জিনিস তাই দিয়েই এই ভায়োলিন বানায়। তার মধ্যে পুরে দেয় আশার কথা। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য। এই আশার কথা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্বই হয়তো মানুষটিকে বাঁচার রসদ জুগিয়েছিল।

ক্যাম্পের পরিবেশ নিয়ে বাইরের বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছানোর জন্য গানবাজনার আসর বসতো ক্যাম্পে। সেখানে ভায়োলিন আসতো বাইরে থেকে। সেগুলোর থেকে এই ভায়োলিন সম্পূর্ণ আলাদা।
যারা মৃত্যু শিবির বানিয়েছিলো, লাখো মানুষ মেরেছিলো তারা এখন ঘৃণিত চরিত্র হয়ে ইতিহাসের পাতায়। আর এই ভায়োলিন আজকে হাজার হতাশার মাঝেও আশার প্রতীক হয়ে বর্তমানের হাতে। ইতিহাসের খলনায়কদের হাজার অত্যাচার, হাজার হত্যালীলা পাল্টাতে পারেনি ভায়োলিনের সুর আর তার মধ্যে পুরে রাখা আশার চিরকুট।

আজকেও যখন সীমান্তে গুলি চলে, তিলোত্তমা খুন হয়, তখনও কিছু মানুষ ভায়োলিন বানায়, ভায়োলিন বজায়, ভায়োলিনে পুরে দেয় আশার চিরকুট। আজকের দুনিয়ায় যারা নরকের যোগান দিচ্ছে, তারাও ঘৃণিত চরিত্র হিসেবে ইতিহাসে ঢুকবে। ভবিষ্যতের হাতে পৌঁছাবে স্লোগান, গ্রাফিতি আর গানের সুর। কবিতার পংক্তি। প্রতিবাদী লিফলেট।অত্যাচারী সব ভাঙতে পারে, শুধু পারে না মানুষের দুর্মর আশাকে শেষ করতে। পারে না সুরের সরগম পাল্টে দিতে। যতই ঘৃণার চাষ হোক, তার মাঝেই তৈরি হবে আরো আরো আশার ভায়োলিন, বাজবে কিছু মানুষের বুকে। চূড়ান্ত হতাশার মাঝে এটুকুই আশার আলো।

কেম্পা বেঁচে বেরিয়েছিল ক্যাম্প থেকে। পোল্যান্ড ফিরে গিয়েছিলো। বাকি জীবন অনেক বাদ্যযন্ত্র বানিয়েছিলো। তবুও এই ভায়োলিন অনন্য। মৃত্যুর মুখে বিদ্রুপ ছুঁড়ে দেয়া ‘আশার ভায়োলিন’। এটিই একমাত্র ভায়োলিন যেটা তৈরি হয়েছিলো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে।
যারা পৃথিবীতে যুদ্ধ বাধায়, দাঙ্গা বাধায়, গণহত্যা করে তারা জানে মৃত্যুর কথা। তারা জানেনা মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে একটি ভায়োলিনও কিভাবে অদম্য বাঁচার ইচ্ছা জাগিয়ে রাখতে পারে। আশার কথা শোনাতে পারে আট দশক পরেও।

PrevPreviousকড়া ওষুধ
Nextমে দিবসের ইতিহাসNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617867
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]