আপনারা জানেন হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আমাদের রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়, সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কিন্তু সেখানেও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় ডাঃ অনিকেত মাহাতোর পোস্টিং মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং মেনে আর জি কর মেডিকেল কলেজেই দিতে হবে এবং ১৪দিনের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকরী করতে হবে। ১১ ই ডিসেম্বরের সেই নির্দেশের নিরিখে চৌদ্দ দিন সম্পূর্ণ হয় আজ এবং জয়েনিং সংক্রান্ত আলোচনার জন্য আজ আমাদের প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যভবন গেলে আমরা দেখতে পাই বিশাল পুলিশবাহিনী দিয়ে মুড়ে রাখা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনকে এবং সেখানে আমাদের প্রতিনিধি দলকে ঢুকতে প্রবল বাধা দেওয়া হয়। কারণ হিসেবে তারা জানান স্বাস্থ্যভবনে নাকি ১৪৪ ধারা ( ১৬৩ বিএনএসেস) রয়েছে তাই ঢুকতে দেওয়া যাবে না। তাতে শেষ অবধি আমরা জানাই ৩ জন প্রতিনিধি কে আপনারা সমস্ত পুলিশকর্মী মিলে পাহাড়া দিতে দিতে নিয়ে চলুন। তাতেও তারা শেষ অবধি ‘ উপর মহলের ‘ নির্দেশ নেই বলে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যসচিব সহ বাকি আধিকারিকদের সাথে আমাদের প্রতিনিধিদলকে দেখা করতে দিলেন না।
আমরা জানি ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট কে ‘উপর মহল’ কতটা ভয় পায় কিন্তু এটা জানা ছিলনা যে মাত্র তিনজন কেও এত ভয় পান যে স্বাস্থ্যভবন কে পুলিশি প্রহরায় দুর্গ সাজিয়ে রাখতে হয়।
রাজ্য সরকারের এই আদালত অবমাননার বিরুদ্ধে আইনি পথে আমাদের লড়াই তো চালাবই। কিন্তু সমস্ত গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষকে আমরা জানাতে চাই যে সরকার সুপ্রিম কোর্টের রায় না মেনে আইনভঙ্গ করছে, সেই সরকারের নিয়মকানুন যদি সাধারণ মানুষ মানা বন্ধ করে দেন, তাহলে গণতন্ত্রের জন্যে সেটা আশাপ্রদ ব্যাপার হবে কি? এই জায়গা থেকে আমরা সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে আবেদন জানাই এই নির্লজ্জ আইনভঙ্গকারী রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ সরকারের বিরুদ্ধে ন্যায়ের লড়াইয়ে আমাদের পাশে থাকার জন্য।









