Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্মৃতি–আটাত্তরের বন্যা ও দুর্গাপুজো

FB_IMG_1758713910866
Dr. Sarmistha Das

Dr. Sarmistha Das

Dermatologist
My Other Posts
  • September 26, 2025
  • 7:18 am
  • No Comments

তারিখটা পরিষ্কার মনে আছে। আটাত্তর সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর। তখন আমি বারো ক্লাসে পড়ি, লেডি ব্রেবোর্ণ কলেজে। ষোলো বছর বয়স। ইন্টারনেটে দেখায় ২৫ শে সেপ্টেম্বর বৃষ্টি শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেটা দামোদর উপত্যকায়। কলকাতায় বৃষ্টি শুরু হল ২৭শে সেপ্টেম্বর রাতে। সেদিন ছিল কলেজের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রিউনিয়ন –ক্যালিডোস্কোপ। আমাদের ওপর ভলান্টাইয়ার-গিরির দায়িত্ব। কোমর বেঁধে প্রফেসর্স রুমে ঢুকে সর্দারি মারতে পেরে আমরা হেবি খুশি ছিলাম সেদিন। Solution x মজার নাটক করেছিল আমাদের ব্যাচের মেয়েরা। সবাই যে এক অসহনীয় গরমে সমানে কপালের ঘাম মুছছি তখন খেয়াল করিনি। অলক্ষ্যে এক ভয়ানক দুর্যোগের মেঘ ঘনিয়ে উঠছিল। কলেজ ফেস্ট-এর ঝুড়ি ঝুড়ি ফুর্তি আর শরীর জুড়ে ক্লান্তি নিয়ে হস্টেলে ফিরলাম আমরা। ফিরেই কিশোরী ঘুমে তলিয়ে গেলাম সবাই। দু’চারদিন পরেই পুজোর ছুটিতে বাড়ি যাব –কি মজা। রাতে কখন যে বৃষ্টি নামল, জানালা দিয়ে আসা ঠান্ডা হাওয়া আর সকালের আঁধার করে আসা মেঘ বেলা পর্যন্ত ঘুম পাড়িয়ে রাখল আমাদের। ঘুম ভেঙে কালো আকাশ, ঝেঁপে বৃষ্টি দেখে সে কি ফুর্তি! কাল খুব হুটোপুটি গেছে , আজ রেইনি ডে হবেই হবে, ক্লাসে যেতে হবে না। সুদেষ্ণা গান ধরল–“এই সকাল বেলার বাদল আঁধারে”, আমরা তাল ঠুকলাম। দুপুরে খিচুড়ি হেভি জমল। বিকেলের পর থেকে একটু কেমন যেন অন্যরকম মনে হল সবকিছু। কি যেন একটা সংকেত। এ তো আমাদের চেনা সাধারণ বৃষ্টি নয়, সকাল থেকে একবারের জন্যেও হাল্কা হয়নি, থামেনি –একটানা ঝমঝম। আমাদের এত উঁচু মেইন হস্টেলে ওঠার একটা সিঁড়ি জলের তলায়। পরদিন উনত্রিশে সেপ্টেম্বরেও এক অবস্থা। সেদিন রাত নটা নাগাদ বৃষ্টির সঙ্গে এক প্রবল হট্টগোল কানে এল –হাজার হাজার মানুষের গলার আওয়াজ। উঁকিঝুঁকি মেরে দেখি একতলায় হস্টেলের গেস্টরুমে ছুঁচ ফেলার জায়গা নেই। গাদাগাদি করে লোক, সবার মুখে ভয় আতঙ্ক। আমার ঘর ছিল দোতলায়। জানলা দিয়ে রাস্তা দেখলে পুরো ভেনিসের মধ্যে আছি মনে হচ্ছিল। এবার শুনলাম, পার্ক সার্কাসের বস্তির ঘরবাড়ি সব পুরো ভেসে গেছে –ওদের জন্য হস্টেলের ঘর খুলে দেওয়া হয়েছে। কেমন যেন অচেনা পরিস্থিতি। একদন্ড হৈচৈ না করে থাকিনা সেই আমরা, সবাই একটু চুপ করে গেলাম। অন্ত্যাক্ষরী খেলাতেও মন লাগছে না। আমাদের হস্টেলের পাশে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজকে সংযুক্ত করে একটা ফাঁকা রাস্তা ছিল –যাকে আমরা লাভার্স লেন বলতাম, চব্বিশ ঘন্টা একটা দুটো ‘রোমিও জুলিয়েট’ দেখা যেত ওখানে। ব্রেবোর্ণে ন্যাশনালের ডাক্তারি পড়ুয়াদের নিক নেম ছিল ‘নেশো’। ওই ভয়ানক বন্যাতেও দেখি সেই লাভার্স লেন দিয়ে ‘লাইফ বোট’ টাইপের জলযানে নেশোরা এসে জানলার নীচে ভেসে ভেসে তিনতলার সিনিয়র দিদিদের সঙ্গে গপ্পো করছে, দিদিরা ‘আহা বেচারা’ বলে চিঁড়ে মুড়ি ছুঁড়ে দিচ্ছে।

একটানা সাতদিন জলবন্দী ছিলাম আমরা। ভয়াবহতা কিছুটা বুঝছি, পুরোটা নয়। একসঙ্গে হস্টেল ভর্তি মেয়ে–একটা collective courage গোছের অনুভূতি কাজ করেছিল বোধহয়।

বন্যার ভয়াবহতা কতটা বোঝা শুরু হল খাবার থালা থেকে। প্রথমে খিচুড়ির সঙ্গে তরকারি বন্ধ হল। তারপর থালায় শুধু ভাত। শেষে দুবেলা শুধু রুটি –দুটো করে। দুটো রুটি থেকে একটা। পুরো কলকাতা অচল, হস্টেলে রান্নার কাঁচামাল কিছু সাপ্লাই আসছে না। এক বন্ধুর কাছে আধ শিশি ইন্ডানা কোম্পানির কাঁচা লঙ্কার আচার ছিল, সবাই ওই শিশিটার কাছে গিয়ে প্রায় অণু পরিমান আচার নিয়ে সেই গন্ধ মাখিয়ে দুটো রুটি চিবুচ্ছি।

আমরা জীবদ্দশায় প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধ দেখিনি, দুর্ভিক্ষ দেখিনি –ওই আটাত্তরের বন্যা দেখেছি শুধু। কারো বাড়িতে যোগাযোগের কোনো ব্যবস্থা নেই তখন, খবরের কাগজও প্রথম দু’দিনের পরে আসেনি। শুধু এক বন্ধুর ব্যাটারিতে চলা ছোট্ট ট্রান্জিস্টার রেডিও তে খবর শোনা –ছ’ইঞ্চির যন্ত্রটাকে ঘিরে চল্লিশ জন মেয়ে –খারাপ, ক্রমশঃ খারাপ খবর। গেস্টরুমে উঁকি মারতে গেলাম একদিন–একটা বাচ্চা কেঁদেই চলেছে –আমার পুজোর জামাটা ভেসে গেল। কতজনের কত কি যে ভেসে গিয়েছিল।
ওষুধ কিনতে গিয়ে বাড়ির সামনে ম্যানহোলে ডুবে হারিয়ে গিয়েছিলেন একজন–খুব মনে আছে। মৃত্যুর হিসেব গুগল বলতে পারবে।

৯৪৪. ৭ মিলিলিটার বৃষ্টি হয়েছিল ওই দু’দিনে যা আমাদের জীবনকালে আজ পর্যন্ত এক না ভাঙা কালো রেকর্ড হয়ে আছে।

অনেক পুজো বাতিল সেবছর। দুর্গাপুরের বিগ বাজেট নবারূণের পুজোও সেবছর ছোট্ট একটা ত্রিপলের প্যান্ডেলে হয়েছিল। সব পুজো কমিটি যতটা সম্ভব বন্যাত্রাণে দান করেছিলেন। কোনো দুর্গা পুজো ঘিরে এতটুকু জাঁকজমক জৌলুস দেখিনি আটাত্তরে, কেউ নতুন জামা পরিনি। তখনো মানুষের একটু আধটু চক্ষুলজ্জা ছিল।

দিন সাতেক পরে বহুকষ্টে বাবা এলেন বাড়ি নিয়ে যেতে। আমরা তখন উখরা কয়লাখনি অঞ্চলে থাকি। ট্রেন চলার কোন প্রশ্নই নেই –হাওড়া ষ্টেশনে রেললাইন সাতহাত জলের নীচে! সারাদিনে দু’চারটে বড় বাস মুড়ির টিনের মতো ঠেসেঠুসে প্যাসেঞ্জার নিয়ে চলছে। সেরকম একটা বাসে করে বর্ধমান পৌঁছানো গেল। বর্ধমান থেকে দুর্গাপুর আসতে হবে, ওখানে আমাদের গাড়ি অপেক্ষা করছে। তমলা ব্রীজ ভেঙে জিটি রোড জলের তলায় ছিল বেশ কয়েকদিন। আবার একটা দূরপাল্লার বাসে চাপা হল– দুর্গাপুরে নামব। সে বাস আর এগোতেই পারেনা –জিটি রোড এদিক ভাঙা ওদিক ভাঙা, হঠাৎ দেখি অনেক ঘুরে গুসকরার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বাস। পুকুর, কালভার্ট, রাস্তা সব এক হয়ে গেছে –আর ভেসে যাচ্ছে অনেক দুর্গাঠাকুরের খড় কাঠের কাঠামো –জলের তোড়ে ছিন্নভিন্ন। কোথাও হয়তো কুমোরবাড়ি ছিল কাছে। কাঠামোতে মাটিও হয়তো পড়েছিল, রঙ চাপানো হয়েছিল কিনা কে জানে। সেই ভেসে যাওয়া ছিন্ন ভিন্ন খড়ের কাঠামো আমার মনে একটা স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে। বোধনের আগেই অনেক পুজোর বিসর্জন হয়েছিল সে’বছর।

আজ-ও কোনো মহিলা নির্যাতনের খবর পড়লে কেন জানি সেই ভেসে যাওয়া প্রতিমার কাঠামো মনে পড়ে।

জল নেমে যাওয়ার পর গৃহপালিত পশুদের মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার এক ভয়াবহ ছবি দেখেছিলাম খবরের কাগজে –ছবি থেকেই যেন বীভৎস এক গন্ধ পাচ্ছিলাম, মনে আছে। কাগজের খবর আর কি মনে আছে? জ্যোতি বসুর ক্যাবিনেট মিটিঙ, কেন্দ্র রাজ্য কাজিয়া, বন্যাত্রাণে কেন্দ্রের বঞ্চনার অভিযোগ –ইত্যাদি।

আমার পুরোনো হাসপাতালে একটি মেয়ে আয়ার কাজ করত–তাকে দেখিয়ে সবাই বলত–ও আটাত্তরের বন্যায় ভেসে এসেছিল, হাসপাতালেই মানুষ, এখানেই থেকে গেছে।

“আটাত্তরের বন্যা” অনেক বছর পর্যন্ত আমাদের কাছে একটা টাইমমার্ক হয়ে ছিল। এত উন্নয়নের পরেও সেই কালো রেকর্ড ভাঙার দিন আবার এল বুঝি।

আজ সকালে ডোডো ওর কাজের জায়গা অ্যাপোলো হাসপাতালে ড্রাইভ করে যাবার পথে ফিরে এসেছে, কোথাও প্রায় গাড়ির কাঁচ ছোঁয়া জল। বাড়িতে গাড়ি রেখে আবার অনেক ঘুরপথে কি একটা ভাড়া ক্যাবে গেছে, ওলা উবের পায়নি আজ।

আধুনিক সুযোগসুবিধার তুল্যমূল্যে ১৯৭৮ প্রায় প্রাগৈতিহাসিক যুগ এখন। ২০২৫ সালে আজ যাঁরা বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন তাঁদের পরিবারের কাছে কি জবাবদিহি দেব আমরা!

কলকাতা তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হোক।

Paramita Banerjee র অনুরোধে লিখলাম।

PrevPreviousউন্নয়নের জোয়ার জল
Nextস্যালুটNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নতুন সরকার ও জমি অধিগ্রহণ: আশা আকাঙ্ক্ষার দোলাচল

May 20, 2026 No Comments

ক্ষমতায় এসেই রাজ্যের নতুন সরকার জানিয়েছে, তারা শিল্পের প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণের নীতি বদলাবেন। এর থেকে সংশয় ও সম্ভাবনা দুটোই তৈরি হচ্ছে। মাত্র কয়েক দিনের সরকারের

বিশ্ব উচ্চরক্তচাপ দিবসে উচ্চরক্তচাপ নিয়ে জানুন

May 20, 2026 No Comments

১৮ই মে, ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

কয়েকটি খবর ঠিক সুখকর ঠেকল না

May 20, 2026 No Comments

বাইরে ছিলাম যখন, তখন বেশ কয়েকটি খবর চোখে পড়ল, যা ঠিক সুখকর ঠেকল না। এক, রাস্তা বন্ধ করে নামাজ আদায় করা যাবে না বা পুজো

। সংজ্ঞা হয় না ।

May 19, 2026 No Comments

উন্নয়নের কোনো সংজ্ঞা হয় না। আগে যা ছিলো, তার থেকে ভালো থাকলেই সেটাকে উন্নয়ন বলা যায়। যে ভিখারির দৈনিক রোজগার দশ টাকা ছিলো, এখন যদি

হিংসার বিরুদ্ধে, নিরাপদ স্বাস্থ্যব্যবস্থার পক্ষে

May 19, 2026 No Comments

পুঞ্চা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা, হেনস্থা ও ভয় প্রদর্শনের ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ ও তীব্র

সাম্প্রতিক পোস্ট

নতুন সরকার ও জমি অধিগ্রহণ: আশা আকাঙ্ক্ষার দোলাচল

Sanjoy Mukherjee May 20, 2026

বিশ্ব উচ্চরক্তচাপ দিবসে উচ্চরক্তচাপ নিয়ে জানুন

Doctors' Dialogue May 20, 2026

কয়েকটি খবর ঠিক সুখকর ঠেকল না

Satabdi Das May 20, 2026

। সংজ্ঞা হয় না ।

Arya Tirtha May 19, 2026

হিংসার বিরুদ্ধে, নিরাপদ স্বাস্থ্যব্যবস্থার পক্ষে

West Bengal Junior Doctors Front May 19, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

623626
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]