Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মারীর দেশের শিক্ষক দিবস

IMG-20200907-WA0070
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • September 10, 2020
  • 7:56 am
  • 2 Comments

১.

আসিফা বিবির (নাম পরিবর্তিত) প্রসব যন্ত্রণা উঠেছিল অনেক আগেই। গোঁড়া পরিবারের মুরুব্বিদের ফতোয়ায় হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে বাড়িতেই প্রসব করানোর বন্দোবস্ত হয়।

বাচ্চা জন্মের পর কাঁদলো না। দাইয়ের থাপ্পড়, চাপাচাপি, টেপাটেপি কোনও কিছুতেই যখন কিছু হ’ল না তখন অগত্যা বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতেই হ’ল। বাচ্চা ততক্ষণে ঠান্ডা, নীল.. রক্তে গ্লুকোজ কমে তলানিতে। বাড়িতে প্রসব করানোর জন্য তেড়ে গালাগালি দিলাম। একটি নিষ্পাপ দেবশিশু কিছু মানুষের মধ্যযুগীয় গোঁড়ামির শিকার হবে কেন?

পরের দিন থেকেই বাচ্চার খিঁচুনি শুরু হ’ল। এবং, কোনও রূপকথার জন্ম না দিয়ে চারদিন বাদে বাচ্চাটা শেষমেশ মারা-ই গেল। ডেথ সার্টিফিকেট লিখতে লিখতে মনে মনে বাড়ির লোকের মুন্ডুপাত করছি, গুটিগুটি পায়ে বাচ্চার মা কাঁচুমাচু হয়ে এসে দাঁড়ালো..

– ডাক্তারবাবু?

– হুঁ.. কাগজপত্র থেকে মুখ না তুলেই বললাম।

– এইগুলা রেখে দও ডাক্তারবাবু

দেখি বাচ্চার কিছু নতুন জামা, নতুন তোয়ালে, ওষুধপত্র সুন্দর করে গুছিয়ে নিয়ে এসেছে আসিফা।

– এগুলো নিয়ে আমি কী করবো বলো?

– রেখে দও। মোর বাচ্চাটা ত বাঁচল নি। অন্য কুনো বাচ্চার ঘরে কিনতে না পারলে তাকে দিবে।

আসিফা চলে গেল..

নিজের ন’মাসের নাড়ি ছেঁড়া ধন হারানোর দিনেও অনেক কিছু শিখিয়ে গেল সে।

২.

জঙ্গলমহলের শালবনী সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। আমি ডাক্তারি পাশ করেছিলাম তার অনেকটা আগেই কিন্তু সত্যি সত্যি চিকিৎসক হয়ে ওঠা কী জিনিস সেটা আমাকে শিখিয়েছিল এই শাল-মহুয়ার দেশ।

আউটডোরে বসে রোগী দেখছি। অস্থিচর্মসার একটা বাচ্চা কোলে নিয়ে আদিবাসী বুড়ি আমার ঘরে এলো। মুখ ভর্তি ঘা। চামড়াগুলো শুকিয়ে এসেছে। চোখগুলো কোটরে।

– দ্যাখ না বাপু, ছিলাটার সদ্দিকাশি ভালো হয়নি কেন?

– সে নয় ওষুধ দিচ্ছি.. কিন্তু বাচ্চার চেহারার এই হাল কেন? কিছু খাওয়াও না নাকি? মুখের ঘাগুলো কবে থেকে?

বুড়ি চুপ।

– একটু ভালো করে ফল-টল খাওয়ালে তো মুখের ঘা গুলো হয় না.. কী অবস্থা করেছো? এরকম ভাবে বাচ্চা মানুষ করা যায় নাকি?

– তুই ত বাপু বলে দিয়্যাই খালাস। কী ফল খাবাব বাপু.. পাঁচটা প্যাট। মোদের রোজগার কথা যে ফল কিনব? পয়সা থাকলে কি বাচ্চাকে খাবাইতিনি?

সেই আদিবাসী বুড়ির কাছে আমার ডাক্তারি শেখার শুরু। বুঝতে শিখেছিলাম বইতে যা লেখা থাকে সেগুলো শুধুই নীরস তথ্য। চিকিৎসার আসল পাঠ মাটির কাছে। শুধু খসখসিয়ে প্রেসক্রিপশন লিখে দেওয়াতেই ডাক্তারের কাজ শেষ হয় না। যদিও এভিডেন্স বেজড মেডিসিন আর কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্টের জাঁতাকলে আদিবাসী বুড়িরা দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে!

৩.

বছর পাঁচেকের সুমিতার (নাম পরিবর্তিত) লিভারের জটিল রোগ। শরীরে তামা জমে যায়। বছর তিনেক আগে দিদি মারা গেছে একই রোগে। সুমিতারও অবস্থা ভালো না। পেটে জল জমে টইটম্বুর। হাত-পা গুলোও ফুলেছে। লিভার বদলাতে হ’তে পারে। আর সুমিতাদের মতো পরিবারের পক্ষে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব। সকালের রাউন্ডে সুমিতাকে জিজ্ঞেস করলাম..

– কী রে? তোর কী কষ্ট হচ্ছে বল? পেটে লাগছে নাকি?

সুমিতা দু’হাত দেখিয়ে হঠাৎ লজ্জা লজ্জা মুখ করে হেসে ফেললো।

– হাতে কী হয়েছে? দেখি দেখি..

সমস্যার সমাধান করে দিলো সুমিতার মা। কাল সারারাত সুমিতা বলেছে ফোলা হাতে চুড়ি গলবে না। নতুন চুড়ি না পরলে দুর্গাপূজা দেখবে কীভাবে?

“আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।”

দাড়িওয়ালা, দীর্ঘদেহী চিরকালীন শিক্ষক প্রতি মুহূর্তে প্রাসঙ্গিক।

৪

দশ বছরের বুবাইয়ের বুকে টিবি ধরা পড়েছে। বুকের একটা দিক পুরো জল জমে ভর্তি। শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। জ্বর আসছে থেকে থেকেই। সন্ধের মিটে বাড়ির লোকের মুখোমুখি হলাম। সবকিছু জানানোর পরে বাচ্চার বাবা হাঁফ ছেড়ে বললেন..

-যাক বাঁচালেন। টিবি ঠিক আছে। আমরা ভাবলাম করোনা-টরোনা..

তানিয়ার এক বছর দু’মাস। হঠাৎ মাত্রাছাড়া খিঁচুনির কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল ব্রেনের সামনের দিকের বেশ খানিকটা অংশ শুকিয়ে গেছে। অথচ করোনা নেগেটিভ শুনে বাড়ির লোক সোৎসাহে বলে উঠলেন..

– তাও ভালো। আমরা ভাবলাম খারাপ কিছু.. চারদিকে যা অবস্থা.. বোঝেনই তো..

কোভিড তার সত্যিকারের ভয়াবহতাকে ছাপিয়ে মারাত্মক সামাজিক ভীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবস্থা এমনই, লোকে ভুলতে বসেছে করোনার বাইরেও লক্ষকোটি রোগ আছে। তাদের ভয়াবহতাও করোনার চেয়ে অনেকগুণ বেশি! অথচ, করোনা হলেই একঘরে আর সামাজিকভাবে অচ্ছুৎ হওয়ার ভয়। এমনকি যে স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগের মুখে ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছেন তাঁদের প্রতিও হিংস্র হয়ে দাঁড়াচ্ছেন তাঁদেরই সহনাগরিক।

একদিন হাসপাতালের গেটের কাছে কিছু স্বাস্থ্যকর্মী বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। হঠাৎ, সম্মিলিত জনতার চিৎকার শুরু হ’ল..

– আরে দ্যাখ রে বাচ্চু.. মন্টি আয় আয় দেখে যা। ওই দ্যাখ সব করোনা দাঁড়িয়ে আছে। সব এক একটা করোনা!!

এসব আমার নিজের চোখে দেখা।

নিজের চারদিকটা বুঝে নেওয়াও তো কম কথা নয়!

******

প্রতিদিনই শিখছি। প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ঘটনা আমার শিক্ষক। নিউটনের তৃতীয় সূত্রে পড়েছিলাম, “প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।”

মারীর দেশের নিত্যনতুন অভিজ্ঞতায় বুঝতে পারি, নিউটনের সূত্রে ‘ক্রিয়া’র বদলে ‘শিক্ষা’ বসালেও সম্ভবত সত্যের অপলাপ হয় না।

‘আঙুল’ আর ‘আয়না’ দুটোই কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দ। এটুকু বুঝে নেওয়াই এই শিক্ষক দিবসের প্রাপ্তি।

PrevPreviousশুশ্রূষা ও অন্ধকার (পর্ব ছয়)
Nextজীবনের গল্পঃ রাম্ভী (তৃতীয় পর্ব)Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Partha Das
Partha Das
6 years ago

ভালো লেখা।

0
Reply
অরিত্র রয়
অরিত্র রয়
6 years ago

আপনাদের লেখা পড়লে ভরসা পাই এখনও। মনে হয় যাই হোক না, আপনাদের মত কেউ তো আছেই। কিন্তু অনেকবার এই ভরসা ভেঙ্গেও গেছে। একান্নবর্তী পরিবারের অনেক সদস্যের চলে যাওয়া দেখেছি, নামকরা ডাক্তারের বিষাক্ত দিক ও চোখে পড়েছে, আবার তেমনই ভরসার হাত ও পেয়েছি।
আমাদের মত মধ্যবিত্তের একটাই সমস্যা, না পারি আমরা নামী দামী হাসপাতালে যেতে, না জোর পাই সরকারি হাসপাতালে মাটিতে ফেলে চিকিৎসা করাতে। মাঝামাঝি যেন কিছুই নেই।
সবাই মিলে কি কিছু একটা করা যায়না এই চিরকালের দৈন্যদশা দূর করতে? দেশের আগে রাজ্য থেকেই শুরু হোক?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

November 7, 2026 No Comments

Preliminary Words Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) was published in 1819 (according to Bengali calendar it was 1226). The period was the very early

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

November 7, 2026 No Comments

সম্ভবত এস আইআার করে তৃণমূলকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে মমতার এই দাবির বিরোধিতা করতে গিয়ে কেউ কেউ দেখলাম বলছেন, পশ্চিম বঙ্গের এসআইআর নাকি ঠিকঠাক হয়েছে। গোলমাল

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

November 7, 2026 No Comments

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

November 6, 2026 No Comments

India Today এর এক সংবাদে প্রকাশ ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ এর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন আই আই টিতে আত্মহত্যার মোট সংখ্যা হলো ১৭১, তার

অপপ্রচারের জবাবে

November 6, 2026 No Comments

৩ নভেম্বর ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

সাম্প্রতিক পোস্ট

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

Dr. Jayanta Bhattacharya November 7, 2026

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

Pallab Kirtania November 7, 2026

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

Dr. Kanchan Mukherjee November 7, 2026

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

Dr. Amit Pan November 6, 2026

অপপ্রচারের জবাবে

Doctors' Dialogue November 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

699325
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]