Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কঞ্জাংটিভাইটিস – জয় বাংলা

Screenshot_2022-12-23-01-32-15-32_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Subhendu Bag

Dr. Subhendu Bag

Senior Resident, Physiology, MMC&H
My Other Posts
  • December 23, 2022
  • 8:08 am
  • No Comments

ভিয়েতনাম সফরের শেষ দিনেই হলো যত গন্ডগোল। হোটেলে চেক আউট হলো সকাল আটটায়। রাত আড়াইটায় ফ্লাইট। শেষ দিনে কিছু বাজারপাতি করে না নিয়ে গেলে বাড়িতে নির্ঝঞ্জাট প্রবেশ মুস্কিল। তাই এ দীর্ঘ সময় বাজারেই কাটিয়ে দেবো ঠিক করেছিলাম। বিদেশ বিভুঁইয়ে দেশি খাবার খাওয়া বেশ শক্ত। তাও খুঁজে পেতে দেশি খাবারের ঠিকানায় ভিড় জমালাম। পরিবেশনে মারাঠি যুবক। এত দেশি লোকের ভিড়ে আবেগে বোধহয় ছলছল করছিলো ভদ্রলোকের চোখ।চলে যাবার সময় হ্যান্ডশেক করে ছলছলে লাল চোখে বিদায় দিলেন আমাদের। এরপর সাইগন স্কোয়ারের বাজারে ঢোকার মুহূর্তেই কেমন যেন ম্যাজম্যাজ করে উঠলো গা। চোখে কিছু পড়লে যেমন হয়, সেরকম অস্বস্তি হচ্ছে যেন। বাজারের বাথরুমে চোখে জলের ঝাপটা দিয়ে দেখলাম, সেরকম কিছুই নেই। ডান চোখটা ঈষৎ লাল। খুব গুরুত্ব না দিয়েই বাজারে মন দিলাম। কিন্তু জ্বরজ্বর ভাব যেন কিছুতেই যাচ্ছে না। সাইগনের এত্ত আলো, ওয়াকিং স্ট্রিটের ফোয়ারা সবই যেন কিছুটা হলেও ফিকে। আজ এ দেশে শেষ দিন। সেজন্যেই হয়তো মন খারাপের বহিঃপ্রকাশ। এসব সাতপাঁচ বুঝিয়ে সাইগন এয়ারপোর্টে যখন ঢুকলাম তখন বাজে রাত এগারোটা। কলকাতায় সাড়ে ন’টা।মাথাটা ধীরে ধীরে ধরে এলো। এরপর সাড়ে তিন ঘন্টার ফ্লাইটে অস্বস্তি নিয়েই ভোরবেলায় যখন কলকাতা পৌঁছালাম, তখন ক্লান্তি ভাব জাঁকিয়ে বসেছে শরীরে। চোখের খচখচানিটাও বেশ বেড়েছে তখন। বাড়ি ফিরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম- রক্তবর্ন ধারন করেছে ডানচোখ। কোনে জমেছে পিঁচুটি। জল ঝরছে অনবরত। আর বুঝতে বাকি রইলো না। ভাইরাল কঞ্জাংটিভাইটিসে আক্রান্ত হয়েছি আমি। গ্রামবাংলায় “জয় বাংলা” নামেই অধিক পরিচিত। মারাত্মক সংক্রামক এ রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা, ইনফেক্টেড তোয়ালের ব্যবহার, মায় হ্যান্ডশেকও মুহুর্তে এ রোগের সংক্রমণ ঘটায়।

চোখের ওপরের প্রতিরক্ষামূলক স্বচ্ছ পর্দার নাম কনজাংটিভা। এর দুটি ভাগ। চোখের সাদা অংশের ওপরের আবরণের নাম বালবার কনজাংটিভা। চোখের পাতার ভেতরে থাকে প্যালপেব্রাল কনজাংটিভা। মূলতঃ বিভিন্ন প্রকারের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জির কারণে কনজাংটিভার ঘা হয়ে এ রোগের সৃষ্টি। কিছুক্ষেত্রে ভিন্ন রোগের নিরাময়ের পথে (সিকাট্রিসিয়াল) কনজাংটিভাইটিস হতে পারে। কিছু টক্সিনের সংস্পর্শে আসাও এ বিপদ ডেকে আনতে পারে।

রোগের বহিঃপ্রকাশ? চোখের অস্বস্তি দিয়ে শুরু। খচখচানি, চোখে বালি পড়ার মত সংবেদন, লাল হয়ে জল পড়া, তীব্র আলোর দিকে তাকাতে কষ্ট, ঈষৎ ঝাপসা দৃষ্টি, চোখের পাতা ফুলে যাওয়া।

চোখ দিয়ে কি ধরনের চক্ষুস্রাব নির্গত হচ্ছে, তা দেখেই প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসকেরা কারণ খুঁজে বের করেন। জলীয় চক্ষুস্রাব- ভাইরাল, শ্লেষ্মাযুক্ত পূঁজের মত স্রাব- ব্যাকটেরিয়াঘটিত। অ্যালার্জিক কঞ্জাংটিভাইটিসে প্যালপেব্রাল কনজাংটিভার দিকে নজর দিতে হয়।

এবার আসি চিকিৎসা প্রসঙ্গে। এ রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা সবক্ষেত্রেই এক। প্রথমতঃ চোখের ভেজা ভাব বজায় রাখার জন্য কার্বক্সিমিথাইল-সেলুলোজ জাতীয় চোখের ড্রপ ব্যবহার করা হয়। এরপর কারণ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টি-ভাইরাল বা অ্যান্টি-ফাংগাল অথবা অ্যান্টি-অ্যালারজিক চোখের ড্রপ ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ নিরীহ ইনফেকশন সপ্তাহ খানেকের ভোগান্তি দিলেও কিছুক্ষেত্রে জটিলতার কারণে অনেক সময়ই তা বিষম আকার ধারণ করে।

সমস্যা মুলতঃ এ রোগের সংক্রমণ নিয়ে। এক চোখে ইনফেকশন হবার পর,সেই চোখে ব্যবহার করা কাপড় দিয়ে অন্য চোখ মুছলে অন্য চোখে এ সংক্রমণ ছড়াতে বেশি সময় লাগে না। রোগী যদি নিজেকে আলাদা না করেন, তাহলে সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের এ সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনঘন হাত ধোওয়া উচিত। নিজের ব্যবহৃত টাওয়েল, বালিশ অন্য কাউকে দেওয়া উচিত নয়। কালো চশমা দিয়ে চোখ ঢেকে রাখলে সংক্রমণের গতি যেমন বাধাপ্রাপ্ত হবে, তার সাথে দৃষ্টিপথও সুগম হবে। কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের এই ইনফেকশনের সময় লেন্স খুলে রাখাই শ্রেয়।

বিদেশ সফরের অন্তিমকালে মারাঠি যুবকের ছলছলে চোখে আবেগের লাল আলো দেখে ভুল করেছিলাম আমি। ফলাফল- এই নিয়ে তিন দিন কালো চশমা চোখে দিয়ে নিভৃতজীবন যাপন করছি আমি। দূর থেকে ট্রেনের ঝিকঝিক শব্দে “অপু” মন আন্দোলিত হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু চোখে দেখার সাধ্য এখনও নেই। আগামীকাল, অপথ্যালমোলজিষ্ট দাদার কাছে চক্ষুপরীক্ষা না করলেই নয়।

PrevPreviousস্বাস্থ্য ভবনে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল-এর ডেপুটেশন
Nextমনেরে আজ কহো যে ৩Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

August 1, 2026 No Comments

সত‍্যিই অভাবনীয়। কিন্তু যদি ভেবে থাকেন এটা সরকারের বিরাট পরাজয়, খুব ভুল করবেন। দাবা খেলায় যেমন দরকারে কোনো বড় পিসও sacrifice করা হয়, ধরে নিন

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

August 1, 2026 No Comments

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, ভয়হীন কাজের পরিবেশ অভয়া আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি বারবার নিজেদের কর্মক্ষেত্রে, হাসপাতালে নিগৃহীত হতে হয়েছে চিকিৎসক – নার্স –

Surging Price

August 1, 2026 No Comments

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

Dr. Amit Pan August 1, 2026

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

West Bengal Junior Doctors Front August 1, 2026

Surging Price

Dr. Sumit Banerjee August 1, 2026

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656967
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]