Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নিরীহাসুরের কঙ্গনা কড়চা কিংবা ক্যাচড়া

IMG_20240610_234506
Dr. Sabyasachi Sengupta

Dr. Sabyasachi Sengupta

General physician
My Other Posts
  • June 11, 2024
  • 8:34 am
  • No Comments

নাইট ইমারজেন্সি ডিউটি সেরে ফিরে এসেছি এই একটু খানিক আগেই।
এই গত কয়েক ঘন্টার কাতর-ক্রন্দন-ধ্বনি আর সেবা-স্যালাইন-শুশ্রূষার মাঝেমধ্যে ফাঁকফোঁকর মিলছিল যখনই তখনই অভ্যাসবশত খুটখাট করে যাচ্ছিলাম আমি– ফেসবুক। আর আছড়ে পড়ছিল মুহুর্মুহু, কঙ্গনা-ক্যালানো পোস্টের চাপান উতোর।

সেইসব শিশু-সুলভ স্থূলতা পড়তে পড়তে কখনো চোয়াল শক্ত হয়ে যাচ্ছিল আবার কখনো বা… ভ্রুকুঞ্চন। উচিত আর অনুচিত-গুলো গুলিয়ে যাচ্ছিল বারংবার।
এবং তখনই দৈবাদিষ্টর মতো প্রকট হয়ে উঠলো একদল রোগী। বা বলা ভালো– একটি রোগী, অনেক মারমুখী। মধ্য বিশ থেকে অনুর্ধ্ব চল্লিশ পুরুষ, এরা সকলেই। পুরোভাগে, বছর পঁচিশ ত্রিশের এক মহিলা। এরা, সকলেই নিয়ে এসেছে একটি, হ্যাঁ একটিই মাত্র রোগীকে।
রোগীটি স্পষ্টতই মদ্যপ। এই উদ্দামে চিল্লাছে–মাদারচোদ, বাঞ্চত। আর পরক্ষণেই কাতরাচ্ছে যাতনায় – মা…মালতী…তোমরা কোথায় বাঁড়া?

ঘটনাটা, দিনের আলোর মতই স্পষ্ট। বেবাক। দেদার মদ খেয়ে বাইক নিয়ে ধাক্কা মেরেছে ব্যাটা, ল্যাম্পপোস্টে। প্যারাইট্যাল… মাথার পাশের দিকে মস্ত বড় ক্ষত। হাঁ-করা। চোট। হেলমেট যে, ছেলেটির মাথায় ছিল না, এ কথা বোধকরি বলাটা বাহুল্যই।

সে হোক। হতেই পারে। হয়েই চলে। নিয়ত। তাই হ্যাঁ… হ্যাঁ…এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। হিসাব মিলিয়ে। যেমত রোগী দেখতে আমরা অভ্যস্ত নাইট ডিউটিতে।
লেকিন গোলটা বাঁধলো তার ঠিক পরে পরেই। যেহেতু হেড ইজনুরি সিভিয়ার, সিটি স্ক্যান প্রয়োজন( হাসপাতালে সিটি স্ক্যান বিনামূল্যে)। প্রয়োজন…ভর্তি থেকে বিশদ চিকিৎসার। আর ইনজেকশন ইত্যাদির। এবং এই সমস্ত কিছুতেই পেশেন্ট তথা পেশেন্ট পার্টির অনীহা। আপত্তি। তুমুল।

আমি বললাম– ভর্তি করুন, মেল সার্জিক্যালে।

উত্তর এলো– ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দিন।

বললাম– মাথা ফেটে গেছে। ভর্তি করুন। প্লিজ। আমি তো আর…. আপনি ভর্তি হলে টাকা পাবো না, এটা তো আর নার্সিংহোম নয়…

উত্তর এলো– আবে বকচোদ

আমি দুই ঢোঁক গিলে বললাম– আচ্ছা ভর্তি তো করুন, কাল সকালেই ছেড়ে দেব।

উত্তর এলো– এ শালা ডাক্তার চুতমারানি মাইরি, অপুদা’ কে ফোন লাগা তো…গাঁড় মারুক শালার।

আমি আরো সাবধানী হলাম,– আচ্ছা টিটেনাস টা তো নিন

উত্তর এলো– সুঁই নেবে না বাঁড়া রমেশ। রমেশ…র-মে-শ… সুঁই নেবে না। তুই শালা দশ পয়সার ডাক্তার রমা-রাজাকে ইনজেকশন দিবি?

ততক্ষণে আমি আরো সিঁটিয়ে গেছি, যেমত রোজই থাকি ইদানিং…বাড়ি ফিরতে হবে…বাড়ি ফিরতে হবে– অক্ষত। আর তাই বললাম ভয়ে ভয়ে–
অন্তত স্টিচ টুকু…

এবার উত্তর এলো ‘ পাতাললোক’ ওয়েবসিরিজের ভাষ্যে–
মা কা ভোঁষড়া…এই শালা ডাক্তার…এরা টোটাল দকতারগুলা বাঁড়া…খানকি মাগী।

এসব ঘটে চলছিল যখন, তখন মাথার মধ্যে রেলগাড়ি ছুটে চলছিল বিপরীত মুখে। পশ্চিমবঙ্গের বাষট্টিতম যোগ্য ছাত্র হিসেবে ডাক্তারিতে সুযোগ পেয়ে ছিলাম আমি। আর কর্কশ পিতা আমার স্রেফ ওই একটি দিনই কপালে এঁকে দিয়েছিলেন–চুমা। বলেছিলেন– এবার থেকে, পার্থ বেটু, তোর পরিচয়েই পরিচিত হব আমরা।

আর নেপথ্যে তখন সেই আকাঙ্খিত পরিচয় ভেসে চলছিল, আকাশে বাতাসে
– মা কা ভোষড়া। মা কা ভোষড়া। মাতার– যোনি।

রাগ হচ্ছিল বেজায়। বীভৎস। বিস্ফোটক। মনে হচ্ছিল এখনই যদি…।
কিন্তু নাঃ। কিছুই করিনি আমি এদের। প্রেসক্রিপশনে লিখিয়ে নিয়েছিলাম – রিফিউজড এডমিশন। রিফিউজড ট্রিটমেন্ট।
আর ‘লাল-ওষুধ’ লাগিয়েই চলে যেতে দিয়েছিলাম। উঠে দাঁড়িয়ে থাপ্পড় মারতে ইচ্ছে হয়েছিল বড্ডো যদিও। মারিনি। নাঃ, এ ভয়ে নয় যে আমি একা রোগা, আর ওরা তাগড়া-তেরো। কিংবা আমি ঠিক। আর ও ভুল। বরং–মাথায় ছিল, আমি কর্তব্যরত। আমি, পরিষেবা– প্রদান করছি। উর্দি পরিহিত।

চলে গিয়েছিল ওরা– বেরো বাঁড়া ডাক্তার, তরে চুদব রাস্তায় ফেলে।

আর ঠিক তখনই এসে গিয়েছিল পরবর্তী রোগী। এবং ডিউটির পরবর্তী ‘হ্যান্ডওভার’।

হাসতে হাসতে বলছিলাম– আমাদের প্রবলেমটা কি জানো? যাদের ভর্তি হওয়া প্রয়োজন তারা ঠিক করে আসে, ভর্তি হব না। আর যাদের নেই সেমত দরকার, তারা ভর্তি হবে তো হবেই। সেসবে সুরে সুর মেলে চলতে পারলে বেটার… নয়ত…।
হ্যান্ডওভার ছেলেটি, অন্য-অথচ আমারই ভাষায় বলেছিল– নেহি দাদা, হামারা প্রবলেম ইয়ে হ্যায় কে ইয়ে ফেসবুক সোসাইটি ডিসাইড করতি হ্যায় কৌন বাত ঠিক হ্যায় ঔর কৌন গলত।

ব্যাস।
তারপর আর কী! হ্যাঁ। ফিরছিলাম বাড়িতে। আজও অক্ষত। আর ভাবছিলাম– কে কাকে পেটাবে, কতটা যৌক্তিক সেসব…. এসব কী নেটিজেন ঠিক করে দেবে? ফিরছিলাম অসংখ্য কুকুর কাটিয়ে। যারা প্রত্যেকে তেড়ে আসছিল। যেমত কুকুর-কারণে দুর্ঘটনা পাই গড়ে সাতটা। কিন্তু হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ… কুতুয়া/ডগি-ও কি জরুরি নয়? হ্যাঁ, মুরগি হয়ত বা মেরে খেতে পারি। মশাকেওও…করতে পারি। মোক্ষম চপেটাঘাত।

আচ্ছা, কাকে ঠ্যাঙালে ঠকতে হবে না? সাপ? কুকুর? রেপিস্ট? মালিক-পক্ষ?

এইসব এলোমেলো জটিল-জট কাটাতে কাটাতে।

আর তখনই ড্রাইভার-রতন বললো– চাকরি নাই সার। আমার ছেলে এম.কম পাশ করলো। এখন, মোমোর ঠ্যালা চালায়… মটকা গরম হয়ে যায় সার… কখন যে কাকে থাপড়াই দিব।

বাইরে তখন এক ভবঘুরে মাথায় সবুজ, বুকে গেরুয়া, নিচে লাল পরে চিৎকার করে যাচ্ছে– মুতে দেই হামি…মুতে দেই।

ড্রাইভার-রতনকে বললাম, তোমার গাড়িতে গান নেই রতন?
বাজলো। বাজলো রতন। না। গাড়িতে নয়। ফোন-‘ইস্পিকারে’

ধীরে ধীরে প্যায়ার কো বাড়হানা হ্যায়।

আঃ! অজয় দেবগন। নষ্ট লজিক। নস্টালজিয়া।

এই ভালো আছি। এই বেশ।

( পুঃ, কঙ্গনার ঘটনায় নতুন একটা বানান চোখে বিঁধল– থাপ্পর। মাস্ক তো মাক্স হয়েই গেছে। পড়া, পরা। ভুরিভোজ-ভুঁড়িভোজ। এটা, এইটা না পাল্টালেই নয়?)

নিচের ছবিটা, নাইট-নিংড়ে যাওয়ার পর। আমার।

PrevPreviousআমার যে ছুটি হয় নি এখনো।
Nextবিরসা মুন্ডাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

June 13, 2026 No Comments

অভয়া আন্দোলনে আমাদের দিক থেকে যে দশদফা দাবিকে সূচিমুখ করে আমরা লড়াই চালিয়েছিলাম এবং যে দাবিগুলির সাথে আপামর বাংলার জনগণ সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

June 13, 2026 No Comments

২০২৬-এর ফুটবল বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়ছে। একে একে সমস্ত দেশের খেলোয়ারেরা এবং তাদের কর্মকর্তারা হাজির হচ্ছেন প্রধানত আমেরিকায় কিংবা মেক্সিকো বা কানাডায় – যে দেশে

বিচারহীনতার বিরুদ্ধে অভয়া মঞ্চের আপসহীন লড়াই

June 12, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অভয়া মঞ্চের আহ্বায়জ তমোনাশ চৌধুরীর বক্তব্য।

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা

June 12, 2026 No Comments

৯/৬/২০২৬ আমরা সবাই জানি অভয়ার খুন-ধর্ষনের মামলায় নতুন SIT গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। অভয়া মামলা আবার এসেছে সংবাদ পত্রের হেডলাইনে, ন্যায়বিচারের আশা আবার

নিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?

June 12, 2026 No Comments

ফের এ বছরেও চিকিৎসাবিদ্যায় ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট ইউজি-র প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটল। এই বছরে নিয়ে গত পাঁচ বছরে চতুর্থবার। এর জন্য প্রশ্ন তৈরি করে

সাম্প্রতিক পোস্ট

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

West Bengal Junior Doctors Front June 13, 2026

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

Dr. Jayanta Bhattacharya June 13, 2026

বিচারহীনতার বিরুদ্ধে অভয়া মঞ্চের আপসহীন লড়াই

Abhaya Mancha June 12, 2026

২২ মাস হয়ে গেল, বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছি আমরা

West Bengal Junior Doctors Front June 12, 2026

নিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?

Parichay Gupta June 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

630522
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]