Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

থ্রেট সিন্ডিকেটের পাঁচালি (৪)

Oplus_131072
Dr. Bidyut Bandopadhyay

Dr. Bidyut Bandopadhyay

Professor of Community Medicine, Administrator in a Government Medical College
My Other Posts
  • November 27, 2024
  • 7:30 am
  • No Comments

এই পাঁচালি কবে শেষ করতে পারবো জানি না। আসলে থ্রেট সিন্ডিকেট শেষ না হলে পাঁচালি শেষ হবে না। আজকে বিশেষ কারনে থ্রেট এর অন্য একটা দিক তুলে ধরার চেষ্টা করবো। যে থ্রেট সমগ্র ডাক্তার সমাজকে সংকটের মধ্যে ফেলে দেয়। আমি একটু খাদ্য রসিক। সেইজন্য আমার উপমাগুলো খাবার দাবার নিয়েই হয়।

ধরে নিন কলকাতার কোনো একজন বিখ্যাত মানুষ নিশ্চিন্দিপুর গ্রামে একটি ভোজের আয়োজন করেছেন। সবার জন্য বিনামূল্যে। তা তিনি এসে একদিন একটি সভা করলেন। সভায় বললেন আপনাদের ভালো খাবার খাবার জন্য আর কলকাতার রেস্টুরেন্টে যেতে হবে না। নিজেদের পছন্দমত খাবার এবার এখানেই পাবেন। ধরে নিন গ্রামে পাঁচ হাজার মানুষ থাকেন।

আপনি হচ্ছেন ওই কলকাতার বাবুটির খাস কর্মচারী। আপনাকে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হলো খাবারের বন্দোবস্ত করার। সেই বাবু আপনাকে যে মালমশলা দিয়ে পাঠালো তাতে পঞ্চাশ জনের খিচুড়ি আর একটু লাবড়া রান্না করা গেলো। ভোজের প্যান্ডেলটি হলো চমৎকার। এতো উঁচু যে দূরের পাঁচটি গাঁয়ের থেকে দেখা যায়। এবার ভোজের দিন কি হতে পারে সেটা একটু চিন্তা করুন। ওই পাঁচহাজার মানুষ এসে আপনার কাছে কালিয়া কোপ্তা বিরিয়ানি খেতে চাইবে। আপনার হাতে দেবার মতো শুধু খিচুড়ি লাবড়া আছে। আপনাকে গালাগাল দিতে দিতে প্রথম পঞ্চাশজন খেয়ে নেবে। এরপর বাকিরা যখন কিছুই খেতে পাবে না তখন আপনাকে প্রহারেন ধনঞ্জয় করে ছাড়বে।

এটাই হলো সবচেয়ে বড় থ্রেট। এবার জেনে রাখবেন এই বড় মানুষগুলোর যা কিছুর অভাবই থাকুক না কেনো সর্বত্র মোসায়েবের অভাব কোনোদিন হয়না। সেরকম কোনো মোশায়েব তেনাকে ফোন করে লোকজনকে জানিয়ে দেবে উনি সব ব্যবস্থাই করেছেন। এই ব্যাটা আধিকারিক খেতে দেয়নি। পাবলিক তখন আপনার হাল তিলোত্তমার মতো করে দিলেও অবাক হবার কিছু নেই।

যারা মোশায়েব তাদের আর যাই থাকুক না কেনো একটি জিনিসের অভাব চিরকাল থাকে। সেটি হলো সততা। এরকমই একটি মোশায়েব সেদিন দেখলাম সুপ্রিম কোর্টে। তিনি আর কেউ নন আমাদের মাননীয় হেলথ সেক্রেটারি শ্রীমান পূজ্যপাদ নারায়ণ স্বরূপ নিগম।

ওনার উপস্থিতিতে সরকারি কৌঁসুলি সত্য বলার হলফনামা দিয়ে জানিয়ে দিলো সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজে রোগীকে জুনিয়র ডাক্তাররা বেড দেয়নি। চিকিৎসাও করে নি। এটা জানার পর দেশের মানুষের পূর্ণ অধিকার আছে এটা বিশ্বাস করার যে জুনিয়র ডাক্তারগুলো বিনা চিকিৎসায় রুগী মেরেছে।

এবার আসি সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজে রোগিনী কেনো বেড পায়নি তার বিশ্লেষণে।

ওই যে ভোজের অনুষ্ঠানের কথা বললাম। সেখানে ঠিক যে কারনে চারহাজার নয়শত পঞ্চাশ জন খেতে পায়নি ঠিক সেই কারণেই এই রোগিনী সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজে আইসিইউ তে বেড পায়নি। বেড নেই তাই বেড পায়নি। বেড নেই কেনো ? কারণ পর্যাপ্ত বেডের বন্দোবস্ত আগে করা হয়নি তাই।

ভোজের রান্নার মাল মশলার হিসেব যেরকম নিয়ম মেনে হয় তেমনি দেশে বা রাজ্যে বা জেলায় হাসপাতালগুলোতে কতো বেডের সংস্থান রাখতে হবে তারও হিসেব নিকেষ আছে। সেটা কোনো মন্ত্রী বা আমলার মর্জির ওপর নির্ভর করে না।

এটা হিসেব করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সর্বজন মান্য সংস্থা আছে। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অন্যতম। আমি তাদের হিসেব অনুযায়ী এখানে হিসেব করবো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই যে কত জনসংখ্যা পিছু সেখানকার হাসপাতালে কতো বেড থাকতে হবে তার হিসেব দীর্ঘ গবেষণা করে স্থিরীকৃত করেছে। এই হিসেব সর্বজন মান্য।

এবার দেখা যাক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঠিক কি বলেছে। সেখানে যে হিসাবটি দেয়া আছে সেটা প্রত্যেক দেশের প্রতি জায়গার জন্য প্রযোজ্য নয়। ভোজ বাড়িতে যেমন বলা সম্ভব নয় একহাজার লোক খেতে ঠিক কত কিলোগ্রাম কতো গ্রাম কত মিলিগ্রাম মাংস লাগবে। ঠিক তেমনি প্রতি হাজার লোকসংখ্যা পিছু কতগুলি নূন্যতম বেড লাগবে তার একটা গোদা হিসেব দেয়া আছে। সেটা আবার বিভিন্ন ক্যাটাগরির হিসেব করে দেয়া আছে।আপনারা জানেন কারুর হাইড্রোসিল হলে তাকে প্রসূতি বিভাগের বেডে ভর্তি করা যায়না। সার্জারির বেডেই ভর্তি করতে হয়। এই সব জটিল হিসেব আমাদের মতো জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের চুলচেরা বিশ্লেষণের বিষয়। আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী মোটামুটি প্রতি 1000 জনসংখ্যার জন্য নূন্যতম 3 টি হাসপাতালের বেড প্রয়োজন। 3 এর জায়গায় প্রতি হাজার জনসংখ্যা পিছু 5 টি বেড হলে ভালো হয়।
এই হিসেব অনুযায়ী একটি গড়পড়তা হিসেব এবার আমরা করার চেষ্টা করবো।

পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা মোটামুটি এখন দশ কোটির কিছু বেশি। দশ কোটি হিসেবে এবার দেখা যাক সমস্ত হাসপাতালে কতো বেড থাকা উচিত। সংখ্যাটা ন্যূনতম 3 লাখ। 5 লাখ হলে ভালো হয়।

এবার আসুন বাস্তবের মাটিতে। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত হাসপাতাল মিলিয়ে বেডের সংখ্যা এক লাখের কাছাকাছি। এবার আপনারা প্রয়োজন আর আয়োজনের ফারাকটা বুঝুন। যেখানে প্রয়োজন তিন লাখ সেখানে আছে এক লাখ। ফলে প্রতি তিনটি পেশেন্টের একজন বেড পাবে। দ্বিতীয় জনকে প্রথমে এক বেডে তিনচার জনের সঙ্গে একসঙ্গে ভর্তি হতে হবে। তাও না পেলে হাসপাতালের মেঝেতে মাদুর পেতে শুয়ে থাকতে হবে। মেঝেতেও জায়গা না পেলে ভগবানের ভরসায় বাড়িতে পরকালের দিন গুনতে হবে। ফলে জুনিয়র ডাক্তার থাকলেও সব পেসেন্ট বেড পাবে না। সব জুনিয়র ডাক্তারকে তাড়িয়ে দিলেও বেড পাবেন না।

আইসিসিউ বেড কেনো পায়নি এবার সেটা একটি বলি। প্রথমত বেড অপ্রতুল তাই।

দ্বিতীয়ত সাধারণ ওয়ার্ডে একটি বেডে চারজন পেসেন্ট ভর্তি করা যায়। মেঝেতে ভর্তি রাখা যায়। আইসিসিউ তে এক বেডে একাধিক পেসেন্ট ভর্তি করা যায়না। মেঝেতেও ভর্তি করা যায়না। তার কারন আইসিসিউ তে যে জীবনদায়ী যন্ত্রপাতি লাগে সেটা বেড পিছু নির্দিষ্ট থাকে। বাড়াবার কোনো সুযোগ নেই।

এবার এটাকেও থ্রেট এর সঙ্গে কেনো যুক্ত করলাম সেটা বলি। আপনারা সাধারণ মানুষ। এই জটিল হিসেব আপনাদের বোঝার কথা নয়। তবুও বোঝানোর চেষ্টা করলাম একটিমাত্র কারনে। কোনো বড় হাসপাতালের বিল্ডিং দেখলেই আপনারা মনে করেন সেখানে আপনাদের সব চিকিৎসা হয়ে যাবে। সেটা এই অপ্রতুল বেড নিয়ে সম্ভব নয়। এর সঙ্গে আছে রাজনৈতিক প্রচার। সেই প্রচারে আপনাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা সব সময় থাকে। আপনাদের বোঝানো হয় আপনাদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা মজুত আছে। আমি হলফ করে বলতে পারি যে সত্য আপনাদের জানালাম সেটা এর আগে কোনো নেতা মন্ত্রী আমলা আপনাদের জানায়নি। তাই জুনিয়র ডাক্তারদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতির যে দাবি সেটা আসলে আপনাদের দাবি। একটি কথা আরও বলে আজকের কিস্তি শেষ করবো। স্বাস্থ্য দপ্তরের হাসপাতালের যে পরিসংখ্যান তৈরি করা হয় সেখানে কতজন ভর্তি হয়েছে কতজন বহির্বিভাগে দেখিয়েছে বা কতজনের অপারেশন হয়েছে তার হিসেব থাকে। কতজন বেড না পেয়ে ফিরে গেছে তার হিসেব থাকে না। এর ফলে কতজন বেড না পেয়ে প্রয়োজনীয় অপারেশন করাতে না পেরে বাড়িতে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে বা যাচ্ছে তার হিসেব কোনোদিন মিলবে না। এই অপ্রতুল পরিকাঠামোর সমস্ত দায়ভার আমরা ডাক্তাররা বহুদিন নীলকন্ঠর মতো হজম করছি। আপনারা আমাদের গায়ে হাত তুলেছেন বিষ্ঠা মাখিয়েছেন। কিন্তু কোনোদিন প্রশ্ন করেন নি পর্যাপ্ত বেড কেনো নেই। আজকে ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে এই প্রশ্ন তুলুন। এই দাবি জুনিয়র ডাক্তাররা তুলছে। ওদের সঙ্গে থাকুন। বিশ্বাস রাখুন একদিন সব পেসেন্ট আপনাদের হাসপাতালে বেড পাবে। আপনার প্রিয়জনকে বাথরুমের সামনে মাদুর পেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হবে না। আপনার রোগী হিসেবে মানুষ হিসেবে যে মর্যাদা প্রাপ্য সেটা ছিনিয়ে নিন। যতদিন না পাচ্ছেন ততদিন বাড়ি নয় দাবি আদায়ের মিছিলে হাঁটতে থাকুন।

(চলবে)

PrevPreviousথ্রেট সিন্ডিকেটের পাঁচালি (৩)
Next‘জনতার চার্জশিট’Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কলমি শাক

July 28, 2026 No Comments

হরিপদ বারুই ছাতনাতলা জেনেরাল হাসপাতালের জেনেরাল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার, যাকে সরকারিভাবে সংক্ষেপে এবং বেসরকারিভাবে কিছুটা ইয়ের সঙ্গে বলা হয় জিডিএমও। হাসপাতালের সদ্য ল্যাজ নাড়তে শেখা

টিকটিকি

July 28, 2026 No Comments

এই শোন, তোরা দেখিসনি কিছু…ঠিক কিনা বল? ঠিক, ঠিকই! যারা গেছে যাক, মারা গেলে যাক, যাবি না ওখানে ঠিক ঠিকই। মুখ খুললেই দেশ-বিদ্বেষ, করব নিকেশ।

সাংবাদিক দেখলেই চিৎকার- “দালাল”, এর জন্য দায়ী কে?

July 28, 2026 No Comments

বাম ছাত্রদের মিছিলে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ ঘটায় শুভেন্দু অধিকারী গুণ্ডা আইন কার্যকর করলেন। সাংবাদিকরাও প্রতিবাদ মিছিলে। কিন্তু একবারও কেউ ভাবছে না আজ সাংবাদিকদের একাংশকে কেন

দেশদ্রোহী

July 27, 2026 No Comments

(গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল বছর দশেকেরও আগে দেশ পত্রিকায়। আমার দেশ পত্রিকায় পাঠানো ও প্রকাশিত একমাত্র গল্প। আবার দিলাম – কেন দিলাম? কোনো কারণ নেই। দিতে

বাংলার মুখ: ২৪ জুলাই

July 27, 2026 No Comments

মিছিল নেমেছিল পথে, নাকি গোটা পথটাই হয়ে  উঠেছিল চলমান মিছিল এক রাগী পতাকার   সহস্র ফনা তুলে, বাতাসে স্লোগান ছিল, নাকি সমস্ত বাতাস ঝড়ের তীক্ষ্ণ শাঁখের মতো

সাম্প্রতিক পোস্ট

কলমি শাক

Dr. Partha Bhattacharya July 28, 2026

টিকটিকি

Dr. Arunachal Datta Choudhury July 28, 2026

সাংবাদিক দেখলেই চিৎকার- “দালাল”, এর জন্য দায়ী কে?

Sanjoy Mukherjee July 28, 2026

দেশদ্রোহী

Dr. Aindril Bhowmik July 27, 2026

বাংলার মুখ: ২৪ জুলাই

Debashish Goswami July 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

655582
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]