আর জি কর কান্ডের পরে অনেক জল ঘোলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি তদন্ত করে এখনো পর্যন্ত অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে। ভবিষ্যতে কিছু হবে তার গল্প চলছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির কেরামতি বাঙ্গালী খুব ভালো করে দেখেছে। রবি ঠাকুরের নোবেল চুরি থেকে সারদা নারোদা চাকরি চুরি কয়লা চুরি গরু চুরি হয়ে এখন আর জি কর।অন্যান্য রাজ্যে কেন্দ্রীয় এজেন্সি বীরের মতো খেলা জেতে। পশ্চিমবঙ্গে এসেই চল্লিশ রানে বান্ডিল হয়ে যায়। আর জি কর রহস্যের সমাধান তখনই হবে যখন এই রহস্যের সমাধান করা যাবে।
সিবিআই একটি স্বশাসিত সংস্থা। এই গল্প খুব ঢাক পিটিয়ে বলা হয়। এবার আসুন সিবিআই কিরকম স্বশাসিত সেটা একটু বুঝে নেয়া যাক।
আমাদের পাড়ায় পাড়ায় অনেক ক্লাব থাকে। সেগুলো খাতায় কলমে স্বশাসিত। এবার যদি কোনো ক্লাবের কর্মকর্তারা সবাই একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হয় তাহলে ঐ ক্লাব সেই কাজগুলোই করবে যেটা ওই রাজনৈতিক দল অনুমোদন করে। এটাই বাস্তব।
ঠিক তেমনি সিবিআই স্বশাসিত কাগজে কলমে।এর কর্মচারীরা সবাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কর্মচারী। ডেপুটেশনে সিবিআই তে পোস্টিং হয়। ফলে সিবিআই সেটাই করবে যেটা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ইচ্ছা ব্যতীত কোনো কাজ সিবিআই করবে না। এটাই বাস্তব সত্য।সিবিআই এর কর্মীরা কেউ কালীদাস নয়। নিজে যে দপ্তরে চাকরি করে সেই দপ্তরকে চটিয়ে, দপ্তরের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করবে সেটা আশা করা উচিত নয়।
এই সত্যটা আজকে আমাদের মেনে নিতে হবে যে পশ্চিমবঙ্গের যে কেসগুলো সিবিআই বা ইডি ছড়িয়েছে, কিছুতেই মাথা ধরেনি সেগুলো সবই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইচ্ছেতেই হয়েছে। আজ পর্যন্ত আপনি দেখাতে পারবেন না যে তদন্ত ছড়ানোর জন্য কোনো সিবিআই অফিসারকে সরানো হয়েছে।
এই বাস্তব পরিস্থিতিতে রাস্তাই একমাত্র রাস্তা। রাস্তার আন্দোলন ইংরেজ রাজত্ব শেষ করেছে। দিল্লীর লালকেল্লা তে তিরঙ্গা পতাকা উড়িয়েছে। রাস্তার আন্দোলনই সব সেটিং ভেঙে চুরমার করে দেবে।
তিলোত্তমার ন্যায় বিচার
তোমার আমার অধিকার।










