গতকাল সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরির রিপোর্ট এসে গেছে। সেখানে স্পষ্ট যে অপরাধ স্থল সেমিনার রুম নয়। ঘটনার পরের দিন কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়েলের নেতৃত্বে প্রমাণ লোপাট হয়েছে। এই বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার মত উজবুক পৃথিবীতে নেই। সন্দীপ ঘোষ আর তার বাহিনী যে এই বিশেষ কাজে লিপ্ত ছিলো এটাও এখন সন্দেহের উর্দ্ধে। সন্দীপ ঘোষের বাহিনীর দুটি ভাগ। একটি হলো আশীষ পান্ডে আর তার দলবল। অন্যটি উত্তরবঙ্গ লবির লাল জামা অভিক দে আর তার বাহিনী। তাড়াতাড়ি দেহ ছিনতাই করে দাহ করে দেয়ার কারিগর বিনীত বাহিনী, সঙ্গে এক এম এল এ এবং তার বাহিনী। এদের সঙ্গে জড়িত আছে পনেরোই আগস্ট রাতে যে বাহিনী আর জি করে ভাংচুর করেছিলো। এই সমস্ত লোকজনের গতিবিধির সিসিটিভি ফুটেজ যথেষ্ট আছে। সবার ফোন কলের রেকর্ডিং আর ফোনের টাওয়ার লোকেশন আপনাদের আওতার বাইরে নয়। এর পরেও আপনারা চার্জশিট দিলেন না। সেভাবে কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদ করলেন না। এর থেকেই স্পষ্ট এক গোপন ঘৃণ্য খেলায় আপনারা মেতেছেন। কোনো লবি, কোনো অপরাধীকে যদি আইনের ফাঁক গলিয়ে বের করে দিতে চেষ্টা করেন তাহলে তার ফল কিন্তু ভয়ংকর হবে। তদন্ত নিয়ে ভাঁওতা দেবার সুযোগ আপনাদের হাতে বেশি নেই। যে খুন হয়েছে সে ডাক্তার, এবং যারা বিচার চাইছে তারাও ডাক্তার। প্রত্যেক ডাক্তার ফরেনসিক সায়েন্স যা জানে তার ছিটেফোঁটা অনেক নিচুতলার পুলিশ কর্মী জানে না। তাই গুল মারলে প্রতিটা শব্দ ধরে ফেলার যোগ্যতা ডাক্তারদের আছে। আবারও বলছি সেটিং ছেড়ে ন্যায়ের পথে আসুন। তিলোত্তমার বিচার দিন।
আমরা কিন্তু ছেড়ে দেবো না। আমাদের ঘরের মেয়ে মরেছে। এর শেষ দেখে ছাড়বো।
(চলবে)











